১ম প্রকাশ, ২০২৪
দ্য আর্চার
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | দ্য আর্চার |
| Author | পাওলো কোয়েলহো |
| Publisher | অন্যধারা |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 120 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.27 Kg |
| Translator | শেহজাদ আমান |
| ISBN | 9789849518815 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
49 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টিSyed Mehedi Hassan , Oct 4, 2026
"তেমন একটা ভালো লাগে নি,তবে কোয়ালিটি ভালো,অনুবাদ ভালো ছিল"
Nusrat Jahan Suha , Nov 24, 2025
"ছোট বই।লেখাও কম।কিন্ত ভাবায়।অনুপ্রেরণা দেয়।আর কেমন জানি নিজের উপর বিশ্বাস আসে।নিজেকে নিয়ে ভাবতে বসি আবার।এ বইটা পড়লেই।"
Mithun Sarker , Jan 13, 2023
"__ Bangla __ "প্রতিটি তীর আপনার হৃদয়ে একটি স্মৃতি রেখে যায় এবং সেই স্মৃতিগুলির সমষ্টি আপনাকে আরও ভালো করে নিক্ষেপ করতে সাহায্য করবে।" বইটির নাম: দ্যা আর্চার লেখক: পাওলো কোয়েলহো পাওলো কোয়েলহো সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখকদের একজন। তিনি "দ্য অ্যালকেমিস্ট" বইয়ের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত। "দ্য আর্চার" আমার পড়া প্রথম পাওলো কোয়েলহোর বই। একজন আগন্তক "তেতসুয়া" নামে একজনকে খুঁজছেন, তেতসুয়া একজন কিংবদন্তি তীরন্দাজ। আগন্তক একজন লোখের সাথে কথা বললে ও লোকটি তাকে "তেতসুয়ার" কাছে নিয়ে যায়, আগন্তক তীরন্দাজ তেতসুয়ার সামনে তার ক্ষমতা প্রদর্শন করে। তীরন্দাজটি চল্লিশ মিটার দূরে একটি চেরিকে আঘাত করেছিল, কিন্তু যখন তেতসুয়া তাকে বিশ মিটার দূরের একটি বড় লক্ষ্যে আঘাত করতে বলেছিল কাঁপানো সেতুতে দাঁড়িয়ে, তখন তীরন্দাজ সেই লক্ষ্যটি আঘাত করতে পারেনি। তীরন্দাজ একটি মূল্যবান শিক্ষা শিখেছে। তীরন্দাজ চলে যাওয়ার পর লোকটি তেতসুয়াকে তাকে কিছু শেখাতে বলল। এই বইটি ফাস্ট পেসড। আপনি এটি এক ঘন্টার মধ্যে পড়তে পারেন। এটি কিছুটা অনুপ্রেরণামূলক বই। সংক্ষিপ্ত বার্তা আছে, যা ডিকোড করা যেতে পারে. পাঠটি জ্ঞানী। বইটি আমার জন্য একটি মজাদার রিড ছিল না। সময়টা উপভোগ করার জন্য বই পড়ি। বইটি শিক্ষামূলক, একটু বেশিই শিক্ষামূলক ছিলো। যা আমার জন্যে মজাদার ছিলো না আর। আমাকে ভুল ভাববেন না এটি একটি দুর্দান্ত বই তবে এটি আমার জন্য নয়। তবে পাঠগুলি খুব ভাল, এবং আমি সেগুলি অনুসরণ করতে চাই ফিউচারে। অনুবাদটা দারুণ হয়েছে। কভারও ভালো ছিল। প্রচ্ছদ সুন্দর ছিল। এই বই সুপারিশ করবো। ৬/১০ আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত যে এই বইটি অবশ্যই আরো ভালো রেটিং পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু আমার কাছে, আমি যে জন্য বই পড়ি তা এই বইয়ে আমি পাই নেই।"
Sadia yasmin , Nov 12, 2022
"তীর-ধনুকের কার্যপ্রণালী, তার সাথে জীবনের সম্পর্ক, জীবনের নির্যাস খুঁজে ফেরা, সর্বোপরি আমাদের জীবনের লক্ষ্য ও ছুটন্ত তীরের মতোই তার পেছনে ছুটে চলার মর্মার্থ নিয়ে পাওলো কোয়েলহোর বেস্টসেলার বই 'দ্য আর্চার'। কিংবদন্তি তীরন্দাজ 'টেটসুয়া', পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রী, তার নিজের শহরের কেউই জানেন না তিনি পৃথিবীর সেরা তীরন্দাজ। একদিন শহরে আগমন ঘটে এক আগন্তুকের, তিনি এসেই এক ছেলের কাছে খোঁজ নেন টেটসুয়া কোথায় থাকেন। আগন্তুক জানান, সে এতদিনের চর্চার পর যে নিখুঁত হতে পেরেছে তা প্রমাণ করতে এসেছে, সে টেটসুয়ার সুনামের ইতি টানতে চায়। যথারীতি টেটসুয়ার সাথে তার দেখা হয়, সে চল্লিশ মিটার দূর থেকে একটি চেরী ফলকে দু টুকরো করার মাধ্যমে তার নিপুণতার পরিচয় দেয়, এরপর টেটসুয়ার দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। টেটসুয়া তার ধনুক বের করে, আগন্তুকের কাছ থেকে তীর নিয়ে দোদুল্যমান ক্ষয়িষ্ণু এক দড়ির সেতুর উপর দাঁড়ায়, এবং বিশ মিটার দূরের এক পিচ ফলকে তাক করে ছিন্ন করে। আবার আগন্তুককে বলেন একইভাবে সেতুর উপর দাড়িয়ে বিশ মিটার দূরের পিচ ফলকে ছিন্ন করতে। কিন্তু এবারে আগন্তুক পারলেন না, তিনি বিদায় নিলেন। এতক্ষণের ঘটনায় ছেলেটি ছিল আগন্তুক আর টেটসুয়ার তীরন্দাজির প্রত্যক্ষদর্শী। ফেরার পথে সে টেটসুয়ার কাছে নানা বিষয় জানতে চাইল। টেটসুয়া ছেলেটিকে বলল, 'প্রথমে কারও কথা শুনে তাকে বিচার না করে, তাকে আমাদের সম্মান করা উচিত'। তারপর পাহাড়ি পথ ধরে নামতে নামতে টেটসুয়া ছেলেটির কাছে তুলে ধরল তীর-ধনুকের মূলনীতি ও তা কিভাবে আমাদের জীবনে কাজে লাগানো যায়। যা এ বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে ছোট ছোট তেরোটি পর্বের মাধ্যমে। পর্ব-১ঃ মিত্র (সমমনা ব্যাক্তি) কোনোকিছু শুরু করার আগে মিত্রদের তালাশ করতে বলা হয়েছে। মিত্র হলো তারা, যারা আপনার মতো একই কাজে আগ্রহী, একইভাবে চিন্তা করে, ভুল করার ভয়ে কোনো কাজে নামতে ভীত নন, বৃথা সময় নষ্ট করেন না, সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্রুত কাজে নেমে পড়েন, বাকি সবার মতো চিন্তা করেন না, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেন, যারা অনিশ্চয়তাকে পছন্দ করেন, তাদের চোখেমুখে থাকে আনন্দের ঝিলিক। কারণ তাদের সাথেই আপনি আনন্দ-উৎসাহের সাথে লক্ষ্য অর্জন করতে পারবেন। পর্ব-২ঃ ধনুক (জীবন) ধনুক যেমন সবসময় তীরন্দাজের সাথে থাকে, জীবনও একই। ধনুকের কোনো চেতনা নেই, একইভাবে চিন্তা-চেতনা বাদ দিয়ে নিজ ইচ্ছে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে হবে। ধনুক নমনীয় জিনিস, কিন্তু নমনীয়তার ও সীমা আছে। তাই নমনীয়তা মেনে জীবনের সাথে ঐকতানে চলতে হবে। পর্ব-৩ঃ তীর (ইচ্ছে) তীর হলো ইচ্ছের প্রতীক। কোনো কাজ করার আগে আমাদের ইচ্ছে হতে হবে স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ, সরল ও ভারসাম্যপূর্ণ। ইচ্ছে লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হলে তা থেকে আমরা শিখতে পারব, অনুপ্রাণিত হতে পারব। পর্ব-৪ঃ নিশানা (লক্ষ্য) নিশানা হলো সেই লক্ষ্য, যেখানে আপনাকে পৌছাতে হবে। লক্ষ্য আপনাকেই বেছে নিতে হবে, এর সামনে দাড়াতে হবে, একে সম্মান করতে হবে, মানসিকভাবে নৈকট্য তৈরী করতে হবে, বন্ধু ভাবতে হবে, আর ফলাফল যা আসে তা মেনে নিতে প্রস্তুত থাকতে হবে। যেমনভাবে ইচ্ছে খুঁজে লক্ষ্য কে, তেমনি লক্ষ্য খুঁজে ইচ্ছে কে। পর্ব-৫ঃ অঙ্গভঙ্গি যখন আমরা জীবন, ইচ্ছে, লক্ষ্য বুঝতে পারব, তখন তার দিকে ধেয়ে যেতেই আমাদের মাঝে প্রশান্তি ও আভিজাত্য চলে আসবে। জীবনে সৌন্দর্য উদঘাটন করতে হবে, সৌন্দর্য কোনো ভাসাভাসা বিষয় নয়। বরফকে যেমন সুন্দর দেখায় কেবল একটি রঙ এর বলে, কিংবা সাগরকে সুন্দর মনে হয় এর উপরিভাগ সমতল বলে, ঠিক একইভাবে সাধারণ ও পরিমিত অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নিজেদের গুণাবলির ব্যাপারে সজ্ঞান হতে হবে। পর্ব-৬ঃ কেমন করে তীর ধরতে হয় নিখুঁত, সরল, তীক্ষ্ণ, অটল, সুক্ষ্ম ইচ্ছের মাধ্যমে নিজের সীমাবদ্ধতা গুলো জেনে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিশানা তথা লক্ষ্য অর্জনে সচেষ্ট হতে হবে। পর্ব-৭ঃ কেমন করে ধরতে হয় ধনুক এ পর্বে মিত্র তথা সমমনা ব্যক্তিদের পরোক্ষ ভূমিকায় কিভাবে আমরা জীবনে এগিয়ে যেতে পারি তা তুলে ধরা হয়েছে। পর্ব-৮ঃ কেমন করে টান দিবে ধনুকের ছিলায় একজন সুরকার যেভাবে একগুচ্ছ দূর্বোধ্য সংগীত নোটকে শব্দ ও ছন্দে পরিণত করে, ঠিক একইভাবে নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সহয়তায় লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যেতে হবে। পর্ব-৯ঃ কেমন করে লক্ষ্যের দিকে নজর দিতে হয় কিভাবে ভালোবাসার মাধ্যমে লক্ষ্যে পৌছানো যায়, কিভাবে অসম্পূর্ণতা কে পরিপূর্ণতায় রূপান্তরিত করা যায়, কিভাবে বাজে মূহুর্তগুলোতে নিজেকে খুঁজে নেওয়া যায়, কিভাবে ভালো মূহুর্তগুলোতে অর্ন্তপ্রশান্তি খুঁজে নেওয়া যায়, কিভাবে ভয় বা আনন্দ কোনো কিছুতেই না থেমে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে উপভোগ করতে হয় তা তুলে ধরা হয়েছে। পর্ব-১০ঃ তীর নিক্ষেপের মুহুর্ত আত্মার সন্তুষ্টির সাথে দারুণ সুক্ষ্মতায় ইচ্ছেকে নিক্ষেপ করতে হবে লক্ষ্যের প্রতি। আর ইচ্ছেকে অনুসরণ করতে দিতে হবে এর নিয়তিকে। পর্ব-১১ঃ পুনরাবৃত্তি কামারের বারবার হাতুড়ি মারার খেলায় প্রতিবার সমান প্রখরতা থাকে না, বায়ুকল নিয়ন্ত্রিত হয় বায়ু দ্বারা, একে দিকবদল করতে হয় প্রয়োজনমতো, একইভাবে প্রথমবার করার মাধ্যমে কোনো কাজে নিপুণতা আসে না, তাই ভুল হলে বার বার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। পর্ব-১২ঃ কেমন করে লক্ষ্য করতে হয় তীরের গতিপথ কৌশল ও সুক্ষ্মতার সাথে নিজের গতিপথ অনুসরণ করলে লক্ষ্য অর্জন করা যায়, নির্ভেজাল অনুভূতি পাওয়া যায়। পর্ব-১৩ঃ ধনুক, তীর আর নিশানা ছাড়া তীরন্দাজের কাছে যখন কোনো উপকরণই থাকে না, তখন তীরন্দাজ কে অনুসরণ করতে হয় স্বভাবগত প্রবৃত্তির। পড়া শিখতে শুরু করার এক পর্যায়ে একজন ছাত্র যেমন অক্ষরের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে নিজেই বিভিন্ন শব্দ তৈরি করতে পারে, একইভাবে আনন্দ আর উদ্যম, সুক্ষ্মতা ও ভুলের, কৌশল ও স্বভাবগত প্রবৃত্তির সহয়তায় এগিয়ে চলে মানুষ৷"
রিয়াজ মোরশেদ সায়েম , Sep 22, 2022
"দ্য আর্চার | পাওলো কোয়েলহো | অনুবাদ: শেহজাদ আমান হাতে পেলাম পাওলো কোয়েলহো'র দ্য আর্চার এর অনুবাদ। অনুবাদ করেছেন সু-অনুবাদক Shehzad Aman। হাতে পেয়েই পড়া শেষ করলাম। সত্যিই বইটি আমার চিন্তার জগতকে সমৃদ্ধ করেছে। পাওলোর নন-ফিকশন জনরার বই এটি। তবে পড়ার সময় কাঠখোট্টা টাইপের নন-ফিকশন বলে মনে হয়নি। গল্পের ছলেই গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো তুলে ধরেছেন লেখক। শুরুতে, টেটসুয়া নামক একজন কাঠমিস্ত্রীর কাছে একজন আগুন্তক আসেন একটি বালকের সাথে। যে আগুন্তক তীর শেখার দীক্ষা নিবে। যার সাহায্যে টেটসুয়ার কাছে তিনি এসেছে, ঐ বালক জানে টেটসুয়া একজন কাঠমিস্ত্রী। টেটসুয়া যে বিশ্ববিখ্যাত তীরন্দাজ সে খবর বালকটি জানে না। পরে টেটসুয়ার স্থান গোপন রাখার শর্তে ঐ আগুন্তককে তীর ধনুক চালানো শেখান। সেখানেই টেটসুয়ার সন্ধানদানকারী বালকটি বিস্মিত হয় এবং বলে, টেটসুয়া, তুমি তো আসলেই সেরা তীরন্দাজ। যা আমরা (গ্রামের লোক) জানি না। তুমি আমাকেও শিখাও। তখন টেটসুয়া বলে, তীরন্দাজ মূলত একটা লক্ষ্য। সেটা শিখলেই যে তীর হাতে বসে থাকতে হবে এমনটা নই। প্রত্যেকের জীবনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তীর ধনুক চালানো জানতে হয়। বালকটিকে যে যে দীক্ষা দেওয়া হয় সেগুলোই মূলত খুব সুন্দরভাবে এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে। মোট ১৩ টি অধ্যায়ে মোটিভেশনাল কথাগুলো উঠে এসেছে। পাওলোর কথাগুলো পরিচিত বাট ওনার প্রেজেন্টেশন নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপিত। পড়ে মনে হয়েছে, সবার এ বইটি পড়া উচিত। • নিজের অন্যদৃষ্টির উপর ভরসা রাখতে হয়। অন্যের কথাকে পাত্তা দিও না। নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে একটা মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে লোকে অন্যদেরকে বিচার করতে যায়। কিন্তু অন্যান্য লোকের মতামত কখনো কখনো পূর্ণ থাকতে পারে সংস্কার ও ভীতিতে। • তীর হচ্ছে তীরন্দাজের ইচ্ছা যা ছুটে যায় লক্ষ্যের উদ্দেশ্যে। তাই আমাদেরকে এমন পথে তীর ছুঁড়তে হবে, যে পথ মুক্ত আর দুর্দমনীয়। • একজন মানুষের ইচ্ছেকে হতে হবে নিখুঁত, সরল, তীক্ষ্ণ, অটল, সূক্ষ্ম। কেউই এটাকে থামাতে পারে না, কেননা গন্তব্য থেকে একে আলাদা করে রেখে দূরত্বকে কেবল অতিক্রম করা যায়! কথাগুলো আমার জীবনে খাপেখাপ। অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা তিনি সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন। লেখক এখানে ধনুককে জীবন এবং সকল শক্তির উৎস হিসেবে বলেছেন। আর তীরকে বলেছেন, ইচ্ছের প্রতীক। আর ধনুককে বুঝতে হলে, ঘটাতে হবে চিন্তার সম্প্রসারণ। দারুণ উপমার মধ্যদিয়ে মানুষের ইচ্ছেশক্তিকে বেগ দিয়েছেন পাওলো কোয়েলহো। উপসংহারে টেটসুয়ার যে না বলা কথা দিয়ে শেষ হয়েছে, তা হলো - তীর ধনুকের মূলনীতির অস্তিত্ব বর্তমান রয়েছে মানবীয় কার্যকলাপে। এটাই এ বইয়ের পাঞ্চ লাইন। এ বইয়ের দীক্ষা। এ দীক্ষায় দীক্ষিত হতে হলে আপনাকে পড়ডে হবে পুরো বইটি। আমি সামান্যকিছু বললাম। বাকিটুকু আপনাকে জানতে হবে বই পড়ে। বইয়ের অনুবাদ খুব সাবলীল। মূল বইয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই আর্ট রাখা হয়েছে (সম্ভবত)। এটি খুব ভালো লেগেছে। অনুবাদ পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে পাওলোর লেখা-ই পড়ছি। সুন্দর প্রচ্ছদটি করেছে জুলিয়ান। বইটির অফিশিয়াল অনুবাদ প্রকাশ করেছে অন্যধারা। দাম ২০০৳ | অনুবাদ রেটিং : ৫/৫ | অর্ডার করতে পারেন প্রগতি ডট কম থেকে। অনেকটা অস্টিনের 'স্টিল লাইক অ্যান আর্টিস্ট' বইয়ের কথাগুলোর সাথে মিলে যায়। কমন কথা কিন্তু দুজনের বলার ভঙ্গি দুরকম। এটাই তীর, এটাই নিশানা।"
Tofa Monira , Jul 19, 2022
"vai boi ta kinar por mon shudu boltasa ‘’vai jitsan’’"
Maniruzzaman , Apr 20, 2022
"Average"
Md. Nurul Islam , Apr 18, 2022
"Valo boi"
Mohammad Istiaque Hossain , Apr 5, 2022
"এই বই দেখে আমি খুবিই আশাহত হয়েছি। শুরুতে ভেবেছিলাম এইটা একটা উপন্যাস , কিন্তু বই দেখে মনে হলো একটা জার্নাল বা দিন লিপি টাইপের"
Akash Akash , Mar 20, 2022
"Fine"
Mamtaj Alam , Feb 23, 2022
"অসাধারণ মোটিভেশনাল বই"
S. M. Mukim Hasan , Feb 19, 2022
"Good"
Abdullah AL Mamun , Jan 29, 2022
"অসাধারণ!!"
shomen shil , Jan 24, 2022
"awesome"
sabrina sadia , Jan 20, 2022
"Great!"
Md Samsur Rahman Nayem , Jan 2, 2022
"এটা একটা মটিভেশনাল বই। পাওলো কোয়েলহোর আল-কেমিস্ট পড়ে খুব ভালো লেগেছিল। আর তাই পরে এই বইটি ক্রয় করি। প্রতি পেজেই খুব সামান্য সামান্য লেখা, জানিনা কেন এমনটা করা হয়েছে। আমার কাছে মোটেও ভালো লাগেনি। অবশ্য একজন লেখকের সকল বই যে ভালো হবে এমটা নয়। বইটি পড়ার পর মনে হয়েছিল এত টাকা দিয়ে বইটি কিনে টাকাটা পুরাই জলে ফেলেছি। তবে অনেকের কাছে ভালো লাগতে পারে।"
Ahmad Bin Shahjahan , Dec 14, 2021
"Good book"
Abu Nayeem Toha , Dec 3, 2021
"অত ভাল লাগেনি, আল কেমিস্ট এর ধারেও নাই"
Dr. Mohammad Azizul Haque , Oct 31, 2021
"good book"
Md monirul islam , Oct 20, 2021
"The Archer. Written by: Paul Coelho Reviewed by: Abu Bakar Siddique Translator: Shehzad Aman Publication: Anyadhara "The Archer" sounds like the life of an archer, but it’s not actually. There are only three main characters; an adept newcomer archer who comes searching for the Greatest Archer; Tetsuya, who was once famous for his bow and arrows, but he has since retired from his public life; and a boy who lived in Tetsuya's village. The newcomer couldn’t believe how simple Tetsuya's life was. Nobody in Tetsuya’s village had ever seen Tetsuya take the bow and arrow. Tetsuya was challenged by the newcomer to have a match with him. The newcomer shredded cherry with his arrow from 40 meters away. Now it was Tetsuya’s term, and he went to a rugged bridge that was shaking terribly. The fast-flowing water of the river flows through there. Tetsuya shredded a peach fruit from 20 meters away. It seemed so easy for the adept newcomer archer, but he had failed to do this because he was not prepared for this unusual moment. Then Tetsuya told the newcomer, "Only when the environment is favourable then you know how to shoot an arrow. But when on the unfavourable ground, you can’t hit the target. You have to practice a lot, control your mind, set your target strongly, be prepared for an unfavourable moment, and thus be a great archer. "After that, the newcomer left the place regarding him with respect, and the boy who was with them asked Tetsuya to teach him the principles of archery. Then Tetsuya taught him that not only archery but also our life goals are connected with soul, action, patience, and competence. If anyone wants to gain something in their life, they should work hard to achieve it. The arrow is the symbol of our wishes, and the bow is life, the source of all power. One day, the arrow will flee from it. We should know how to take care of our bow and how to make our arrows in life. Embrace the risks of life, don’t give up, learn from the past, failure is not worth living, we shouldn’t constrict our lives in fear. Eventually, Paulo Coelho provides the framework for a rewarding life: hard work, passion, purpose, thoughtfulness, the willingness to fail and the urge to make a difference. This book is smaller in size but bigger in the gist."
তাসনীম সুলতানা তুনামনি , Sep 27, 2021
"good"
Mahabub , Sep 7, 2021
"was good"
Muhammad Bodrul Haque , Sep 7, 2021
"ভালো"
Md.Takdirul Islam , Jul 15, 2021
"অসাধারণ।"
khadiza begume , Jun 23, 2021
"Pleased"
Mohammad Atikur Rahman , Jun 19, 2021
"#Progoty_Book_Club_Review_Competition মোহাম্মাদ আতিকুর রহমান বইঃ দ্য আর্চার লেখকঃ পাওলো কোয়েলহো প্রকাশকঃ অন্যধারা অনুবাদকঃ শেহজাদ আমান বহুদিন পর এক গুরু-শিষ্যের আলাপচারিতার মধ্যে দিয়ে এক বালক আবিষ্কার করলেন এক অসাধারন কিংবদন্তি মাস্টার তীরন্দাজকে। তাঁর তীর-ধনুকের নিপুণ নিশানা আর কারুকাজ দেখে বালক শিখতে চাইলেন এর মূলনীতি। এইভাবে শুরু গল্পের। মাস্টার তীর-ধনুকের গল্পের মধ্যে দিয়ে একে একে শিখালেন কেনো একজন মানুষের জীবনে লক্ষ্য বা স্বপ্ন থাকতে হয়,কীভাবে ছুটতে হয় তার পিছনে, কেনইবা তার জন্য ঝুঁকি নিতে হয়,কীভাবে মোকাবেলা করতে হয় সৃষ্ট বাঁধা-বিপত্তি গুলো, আর কেনো সতর্ক থাকতে হয় অনাকাঙ্ক্ষিত বাইরের প্রভাবক গুলোর জন্য। একইসাথে বুঝিয়ে দিলেন ইচ্ছে আর লক্ষ্যের গুরুত্ব-বলেছেন ইচ্ছেটা হতে হবে স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ, সরল ও ভারসাম্যপূর্ণ; লক্ষ্য ছোটো বা বড় হতে পারে, কিন্তু সবসময় এর সামনে দাঁড়াতে হবে, একে সম্মান করতে হবে, আর মানসিকভাবে এর সাথে নৈকট্য সৃষ্টি করতে হবে। নিজের উৎসাহ- উদ্দীপনাকে ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যে যখন অন্য মিত্রদের খুঁজবে তখন ভরসা রাখবে নিজের অন্তর্দৃষ্টির উপর , নিজের সেরাটা ঢেলে দিতে হবে ও নিজের মধ্যে কতটা প্রচেষ্টা ,প্রশিক্ষণ ও ইচ্ছাশক্তি আছে সেটা বুঝতে হবে এবং আশেপাশের ভালো সবার কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে । আর এই লক্ষ্য পানে ছুটতে গিয়ে যখনই এক অন্য রকম অনুরণন এবং অনুভূতি উপলব্ধি হবে তখনই বুঝতে হবে এটাই সঠিক পথ। এভাবেই একদিন পূর্ণ হবে জীবনের লক্ষ্য । এরপর প্রয়োজন এর পরিচর্যা,অনুশীলন এবং এই শিক্ষা কাজে লাগিয়ে এমন কিছু করা যা উদ্যমে পরিপূর্ণ করবে জীবন এবং সবশেষে নিজেকে নিবেদিত করতে হবে নিজের সবচেয়ে ভালোবাসার কাজে। আর ছুটে চলার এই সম্পূর্ণ পথে ভক্তি ও সম্মান করতে হবে প্রকৃতির সেরা শিক্ষক তথাপি স্রষ্টা ,ঈশ্বর এবং আমাদের সকল মিত্রদের । এইভাবেই সবকিছু সহজ ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এই বইটিতে। তাই আমরা যারা বড় স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি এবং বড় লক্ষ্য নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি তাদের জন্য এই বই হতে পারে একজন সঙ্গী এবং বড় অনুপ্রেরণা। গল্পের লেখক পাওলো কোয়েলহো যথারীতি তাঁর মেধা, প্রজ্ঞা, বাস্তবিক জ্ঞ্যান, অভিজ্ঞতা,পার্থিব চিন্তা এবং আধ্যাত্বিকতার সংমিশ্রণ এর ছোঁয়া বজায় রেখে গিয়েছেন এই বইটিতেও। তাঁর ছোট ছোট কথা ও গল্পের জাদুকরি লেখার শক্তির মধ্যে দিয়ে তিনি একজন মানুষকে শিখিয়েছেন কীভাবে স্বপ্ন বা লক্ষ্যের পিছনে ছুটতে হয়। সত্যিই ছোট কিন্তু অনবদ্য একটি বই। বইটির বাংলা অনুবাদ ছিল সহজ ও সাবলীল । ধন্যবাদ অনুবাদক শেহজাদ আমানকে ।"
Saadman Twaha , Jun 11, 2021
"অনুবাদ ভালো না।"
Tahsin Rahman , Jun 9, 2021
"#Progoty_Book_Club_Review_Competition #প্রগতি_বুক_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_২০২১ বইয়ের নামঃ দ্য আর্চার লেখকঃ পাউলো কোয়েলহো ।। অনুবাদঃ শেহজাদ আমান জনরাঃ অনুবাদ, উপন্যাস রিভিউঃ খন্দকার তাহসিন উর রহমান পাউলো কোয়েলহোর বিশেষত্বই হচ্ছে আধ্যাত্মিক ভাবধারার বই। সেই বইগুলোকে কোন নির্দিষ্ট জনরায় ফেলা যায় না। দ্য আর্চার বইটির ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটে নি। বইটিতে চরিত্র মাত্র তিনজন। একজন আগন্তুক, কিংবদন্তি তীরন্দাজ টেটসুয়া ও একটি ছেলে। আগন্তুক শহরে টেটসুয়ার খোঁজে আসে, কিন্তু ছেলেটি বিশ্বাস করতে পারে না যে টেটসুয়া আসলে একজন তীরন্দাজ। কেননা, টেটসুয়াকে কেউ কোনদিন তীর-ধনুক হাতে দেখেনি। তারপরও আগন্তুক টেটসুয়ার সাথে দেখা করে এবং তাকে চ্যালেঞ্জ করে। টেটসুয়া প্রথমে চ্যালেঞ্জে রাজি না হলে আগন্তুক তীর ছুঁড়ে চল্লিশ মিটার দূরের একটি চেরিফলকে দুই টুকরো করে দেয়। তখন টেটসুয়া হাতে তীর-ধনুক তুলে নেয় আর আগন্তুককে একটি শর্ত দেয়। সেটি হলো যে, আগন্তুক কাউকে বলতে পারবে না যে সে কোথায় থাকে; কেউ জিজ্ঞেস করলে যেন সে বলে টেটসুয়া সাপের কামড়ে মারা গেছে। আগন্তুক এতে রাজি হয়। টেটসুয়া তখন আগন্তুক ও ছেলেটিকে পার্শ্ববর্তী একটি পাহাড়ে নিয়ে যায়। পাহাড়ের দুই প্রান্তের মাঝখানে একটি ক্ষয়িষ্ণু দড়ির সেতুর ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে টেটসুয়া তীর নিক্ষেপ করে বিশ মিটার দূরের একটি পিচ ফলকে ছিন্ন করে দেয়। এবার আগন্তুককে একই কাজ করতে বলা হলে আগন্তুক আর করতে পারে না, যদিও আগন্তুক টেটসুয়ার দ্বিগুণ দূরত্ব থেকে পিচের থেকেও ছোট চেরিফলকে ছিন্ন করেছিল। আগন্তুক পরাজয় স্বীকার করে নিয়ে বিদায় নেয়, আর সবকিছু দেখে ছেলেটা মুগ্ধ হয়ে টেটসুয়ার কাছে তীর ধনুকের শিক্ষা জানতে চায়। আর পাহাড়ি পথ দিয়ে নামতে নামতে টেটসুয়া ছেলেটিকে তীর ধনুক চালনার মূলনীতির শিক্ষা তুলে ধরল। ছেলেটির প্রশ্নের উত্তর ও টেটসুয়ার নিজের জীবনের গল্পই এরপরের পৃষ্ঠাগুলোতে উল্লেখ করা আছে। বইটির প্রতিটি পাতার কোন না কোন বিষয়ের সাথে আপনি নিজের সম্পর্ক দেখতে পারবেন। অর্থাৎ, বইটি অনেক রিলেটেবল। বইতে যা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, তার সবকিছুই আপনি জানেন। কিন্তু বইটি পড়তে গেলে প্রতিটি বিষয়ই আপনার চোখে পড়বে একটু অন্যভাবে। এই দিকটি আমার অনেক ভাল লেগেছে। দিনশেষে এটি একটি আত্ম-উন্নয়নমূলক বই হতে পারে, কিন্তু আপনি চাইলে এটিকে উপন্যাস হিসেবেও পড়তে পারেন। বইটির আরেকটি বিষয় সবারই ভালো লাগবে। এটা হলো যে, বইটার অনুবাদ অসাধারণ। অনুবাদক তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বইটিকে একই সাথে বোধগম্য, সাবলীল ও মূল উৎসের সাথে সংগতিপূর্ণ রাখার, যার কারণে ফলাফলটা অনেক ভালো হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রচ্ছদ থেকে শুরু করে বইয়ের পৃষ্ঠাগুলো পর্যন্ত সবকিছুতেই মূল উৎসের স্পষ্ট প্রভাব আমি পেয়েছি, আর এই জিনিসটা অনেক বইয়ের অনুবাদেই পাওয়া যায় না। একইসাথে আরেকটি বিষয় আমার চোখে পড়েছে, সেটা হলো যে বইটার মূল কথা বেশ জটিল হলেও অনুবাদক যথাসম্ভব চেষ্টা করেছেন কথাগুলো সহজবোধ্য রাখতে। যেমনঃ ইংরেজি ওয়ার্কশপ শব্দটির অনেক প্রতিশব্দ বাংলায় রয়েছে, কিন্তু আমাদের কাছে সবচেয়ে সহজবোধ্য হচ্ছে কারখানা শব্দটি। তাই কার্পেন্ট্রি ওয়ার্কশপ কথাটির অনুবাদ করা হয়েছে কাঠের কারখানা। পাউলো কোয়েলহোর বই যেরকমই হোক না কেন, সবসময়ই আপনাকে অনুপ্রেরণা যোগাবে। এজন্য উদাহরণ হিসেবে আমি আমার সবচেয়ে প্রিয় প্যারাটি আপনাদের জন্য উদ্ধৃতি করছি। "যদি আমি শিখতে চাই, তাহলে স্রেফ মৃত্যুকে দূরে রাখতে হলে সেটা করতে হবে। অনেক দূর ভূখন্ডের এক মানুষ আমাকে শিখিয়েছিল যে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হওয়াটাকে দেরি করিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু আমার জীবনের বাকি দিনগুলোতে আমাকে জানতে হবে যে আমি হাঁটছি খাদের প্রান্তসীমা ধরে। পড়ে যেতে পারি যেকোনো সময়।" আশা করি বইটি পড়ে আপনার ভালো লাগবে, যেমনটা আমার ভালো লেগেছে। বই সম্পর্কিত তথ্যঃ বইয়ের নামঃ দ্য আর্চার লেখকঃ পাউলো কোয়েলহো অনুবাদঃ শেহজাদ আমান জনরাঃ অনুবাদ, উপন্যাস প্রকাশকঃ অন্যধারা মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ টাকা"
Fahim Inteshar Ravi , May 31, 2021
"📚বইঃদ্য আর্চার ✒️লেখকঃ পাওলো কোয়েলহো(রিভিউ নং-৪) ✒️ অনুবাদক-শেহজাদ আমান 📝পাঠকঃ ফাহিম ইনতিশার রাভি ⏱️ প্রকাশ কাল- ২০২১ ✅ ক্যাটাগরি-উপন্যাস #Progoty_book_club_review_competition জীবন দর্শন মূলক ও আধ্যাত্মিক বইয়ের লেখক হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতিমান পাওলো কোয়েলহো। তার নিজের জীবনই বই লেখার জন্য প্রাথমিক অনুপ্রেরণার উৎস।"দ্য আর্চার" বইটি তার একটি আত্মউন্নয়নমূলক উপন্যাস। একটি ছোট্ট গ্রামে টেটসুয়া নামে একজন কিংবদন্তী তীরন্দাজ ছিলেন। একদিন তার কাছে একজন আগন্তুক আসলো।সে টেটসুয়া কে জিজ্ঞাসা করল- আমি কিভাবে আপনার মতো দক্ষ তীরন্দাজ হতে পারব? কিছুক্ষণ কথা বার্তার পর আগন্তুক টেটসুয়ার প্রতি মাথা ঝুঁকিয়ে বাগানের দিকে চলে গেল। তারপর সে ব্যাগ থেকে একটা ঈগলের পালক লাগানো তীর বের করল। শক্ত হয়ে মাটিতে দাঁড়ালো সে ,যাতে করে তীর ছোঁড়ার জন্য সঠিক ভিত্তি পায়। তারপর তীর নিক্ষেপ করল এবং ৪০ মিটার দূরে একটা ছোট্ট চেরি ফল কে দু-টুকরো করে দিয়েছে তীরটা। তারপর টেটসুয়া একটা নড়বড়ে ব্রিজের উপরে গেল, সাথে গেল ছেলেটি ও আগন্তুক ।ব্রিজটি কাপছিল বেশ ভয়ংকরভাবেই। বেশ শান্ত ভঙ্গিতে হেঁটে সেই সেতুর মাঝখানে দাঁড়ালো টেটসুয়া। টেটসুয়া নিজের ধনুকে তীর বসালো এবং ধনুকটাকে উঠিয়ে নিজের বুক বরাবর আনলো;এরপর তীরটা ছুঁড়ে দিল। ছেলেটা ও আগন্তুক দেখতে পেল ২০ মিটার দূরে একটা পাকা পিচ ফল কে ছিন্ন করেছে টেটসুয়ার তীর। টেটসুয়া বলল,"আপনি ৪০ মিটার দূরত্বে একটা ছোট্ট চেরি ফল কে ছিন্ন করেছিলেন। আর আমার দূরত্বটা এর চেয়ে অর্ধেক।তাই আমি যা করছি সেটা সহজেই আপনার পারার কথা।সেতুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে তাহলে সেটা করে ফেলুন।" আগন্তুক কিছুটা ভয়-ভয় ভাব নিয়েই ক্ষয়িঞ্চু সেতুর মাঝখানে গিয়ে দাঁড়ালো। নিচে জলরাশির প্রখরতা তাকে হতবুদ্ধি করে দিচ্ছে। ধনুক নিয়ে চেনা ভঙ্গিতে সে পিচ গাছের দিকে তাক করলে লক্ষ্যের বেশ দূর দিয়ে গেল তীরটা।এরপর টেটসুয়া বলল,"আপনার আছে দক্ষতা মর্যাদা ও তীর মারার নিপুণতা। আপনার কৌশলও ভালো। তীর চালনায় আপনি একজন মাস্টার। কিন্তু নিজের মনের উপর নিয়ন্ত্রণে আপনি মাস্টার হতে পারেননি। যখন সকল পরিবেশ পরিস্থিতি অনুকূলে থাকে কেবল তখনই তীর ছুড়তে জানেন। কিন্তু যখন প্রতিকূল ময়দানে থাকেন, তখন আপনি লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না। কোন মানসিক অবস্থায় কোনো পরিস্থিতি আপনি কতটা সহনশীলতার সাথে মোকাবেলা করতে পারছেন, তা আপনি বাছাই করতে পারেন না। কঠিন হলেও এর জন্য প্রয়োজন,সেই পরিস্থিতিতে প্রতিদিন চর্চা করা। এরপর আগন্তুক মাথা ঝুঁকিয়ে তীর-ধনুক টা ব্যাগে রেখে সেই স্থান ত্যাগ করল। তারপর ছেলেটি টেটসুয়ার কাছ থেকে তীর-ধনুকের মূলনীতি শিখতে চাইলে টেটসুয়া ছেলেটিকে তীর-ধনুকের মূল নীতি শিক্ষা দেয়। তীর-ধনুকের শিক্ষা: ধনুকই জীবন ও সকল শক্তির উৎস। আর তীরটা হচ্ছে ইচ্ছার প্রতীক। জীবনের লক্ষ্য পূরণ করতে হলে, লক্ষ্য সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।ইচ্ছেটা হতে হবে স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ,সরল ও ভারসাম্যপূর্ণ।নিজের মনকে স্থির ও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে হবে।কোন কারণে লক্ষ্য থেকে আমি বিচ্যুত হচ্ছি তা খুঁজে বের করতে হবে এবং তার সমাধান করতে হবে।একজন তীরন্দাজ যেমন তার নিশানার দিকে তীর ছোড়ার পূর্বমুহূর্তে, লক্ষ্য ভেদ করার জন্য ধনুকের সমস্ত শক্তিকে কেন্দ্রীভূত করে। ঠিক তেমনি জীবনের লক্ষ্য পূরণের জন্য একজনকে তার সমস্ত আত্মবিশ্বাস, ইচ্ছাশক্তি ও আত্মার শক্তিকে একত্রিত করতে হবে। তাহলেই জীবনে প্রকৃত উদ্দেশ্য সফল হবে। পাওলো কোয়েলহোর " দ্য আর্চার " বইটির মর্মার্থ হলো- কর্ম আর আত্মার সমন্বয়ের মাধ্যমে জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য পূরণ করা। পাঠ্যানুভূতি: বইটি পড়ে ভালো লেগেছে এবং সহজ সরল ভাষায় অনুদিত।বইটির ভিতরে বিভিন্ন চিত্র রয়েছে। আপনারা চাইলে বইটি পড়তে পারেন। পাঠক আপনাকে ধন্যবাদ রিভিউটি পড়ার জন্য।"
Yeasin Arafat , Apr 20, 2021
"যা আশা করেছি তা পাইনি"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
3 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বই টা কি এখন পাওয়া যাবে
How many pages is the book?
hardcover?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"দ্য আর্চার" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: