১ম সংস্করণ এপ্রিল-২০১৭
দুর্বিপাকের ঘূর্ণি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | দুর্বিপাকের ঘূর্ণি |
| Author | মেহেদী হাসান তামিম |
| Publisher | মুক্তভাষ ফাউন্ডেশন |
| Edition | ১ম সংস্করণ এপ্রিল-২০১৭ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 183 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.16 Kg |
| ISBN | 9789843420039 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Komolesh Thakur , Sep 30, 2017
"দারুন একটা উপন্যাস।"
Mehedi hassan , Mar 7, 2017
"''দুর্বিপাকের ঘূর্ণি'' উপন্যাসে ধর্ম নিয়ে আলোচনার আলোচিত কিছু অংশ- ইসলাম চাচা বললেন, এখন বিশ্বব্যাপী ইসলামপন্থি রাজনীতি যারা করে, তারা ইসলাম ধর্মের একটি ব্যাখ্যা হাজির করে এবং সেটাকেই রাজনৈতিক আদর্শে পরিণত করে। এদেশের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ঘটনা। ধর্মের আচার-অনুষ্ঠানে, বিশ্বাসের অনেক জায়গাতে ইসলাম ধর্মের ভেতরেও রয়েছে বৈচিত্র্য ও ভিন্নতা। এই ভিন্নতা শুধু শিয়া-সুন্নির পার্থক্যেই নয়, বিভিন্ন ধরনের মাজহাব এবং মাসলাক, হাদিসের বিভিন্ন ব্যাখ্যা, ইসলামি আইনের বিভিন্ন ব্যাখ্যা এই পার্থক্য ও বৈচিত্র্যের জন্য দায়ী। কোন বিষয়ে সংশয় অথবা সন্দেহ থাকলে ইসলামে এ ধরনের ব্যাখ্যা নিয়ে আলাপ-আলোচনা ও বিতর্কের নজির কিন্তু আছে। কিন্তু উগ্র ইসলামপন্থিরা ধর্মের সে অংশকেই তাদের প্রচারণায় তুলে ধরে, যেগুলোকে তারা তাদের রাজনৈতিক আদর্শ এবং লক্ষ্য প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবহার করতে পারবে। আছরের ওয়াক্তের আর বেশি সময় বাকি নেই বলেই ইমাম সাহেব উঠে দাঁড়ালেন। তিনি বললেন,তবে যাবার আগে একটা কথাই বলব, মুসলিম জাতিকে প্রকৃতভাবে আগে নিজেকে জানতে হবে। যারা রাজনীতিক দীক্ষা গুরু হিসেবে আবুল আলা মওদুদী, হাসান আল বান্না, ইবনে তাইমিয়া, আবদুল ওয়াহাব, সাইয়েদ কুতুব, আবদুল্লাহ ইউসুফ আজ্জম কিংবা রুহুল্লাহ খোমেনির ব্যাখ্যাকেই গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে এবং এই বিষয়ের বিতর্ককে তারা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে থামিয়ে দিতে চায়। আমি এটা কখনো বলব না, ধর্মীয় গ্রন্থগুলো থেকে সহিংসতার বা উগ্রপন্থার ধারণা গ্রহণ করা অসম্ভব। কেবল যে ইসলামের ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য, সেটা সঠিক নয়। খ্রিষ্টধর্ম বা ইহুদি ধর্মগ্রন্থে একধরনের সহিংসতার ধারণা নেওয়া অসম্ভব নয়। কিন্তু তার পাশাপাশি সবধর্মের মধ্যেও আবার সহনশীলতা, সহানুভূতি, সমবেদনার কথা বলা আছে। ফলে ধর্মের একক কোন ব্যাখ্যাকেই যারা চূড়ান্ত বলে বিবেচনা করে, তারা ভুল করে, মস্তবড় ভুল। নবাবের মতো কোমলমতি ছেলেরা কি এভাবেই প্রতিনিয়ত ঝরে পড়বে? মেহেদী হাসান তামিমের 'দুর্বিপাকের ঘূর্ণি'র আরো কিছু নির্বাচিত অংশ যা নিয়ে সমাজের ভাবার প্রয়োজন রয়েছে - ..................................................................... আপেক্ষিক বঞ্চনা হচ্ছে যখন একজন নিজের জীবনে বা তাঁর চারপাশের সমাজে, এমনকি বৈশ্বিকভাবে যে সমাজের অংশ বলে নিজেকে মনে করে, তার প্রতি অসম আচরণ দেখতে পায়। সে যখন অন্যদের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করে আর দেখতে পায় যে অন্যরা তুলনামূলকভাবে ভালো আছে, তখন তার ভেতরে এক ধরনের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সমাজে বিরাজমান কতিপয় অবস্থা ও প্রবণতাকে প্রধান বলে মনে করে- তাঁদের মতে এইভালো থাকাটা হতে পারে বৈষয়িক, হতে পারে সাংস্কৃতিক, হতে পারে সামাজিক মর্যাদার প্রশ্নে। সম্রাট প্রশ্ন করল, তাহলে নবাবের মতো কোমলমতি ছেলেরা কি এভাবেই প্রতিনিয়ত ঝরে পড়বে?রাকিব সাহেব বললেন, যে কোনো যুক্তি সম্পন্ন মানুষই জানেন যে পার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই পার্থক্যকে যখন অন্যায় ও অন্যায্য বলে মনে হয়, তখনই এই পার্থক্যের বিষয়টি মনোজগতে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এই আপেক্ষিক বঞ্চনার বোধ তৈরি হয় যখন একজন ব্যক্তি দেখেন যে অতীতে যেসব অধিকার তিনি ভোগ করে এসেছেন তা সীমিত হচ্ছে বা অন্যরা এখন তার চেয়ে অনেক বেশি অধিকার ভোগ করছেন।কিন্তু মনে রাখা দরকার, যেকোনো সমাজে যখন একজন ব্যক্তি, যদি নিজেও এই সুবিধাভোগী হন, কিন্তু উপলব্ধি করতে পারেন যেসমাজের একাংশের ওপরে অন্যায্য প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়েই তার এই সুবিধা বহাল থাকছে, তখন তার মধ্যেও আপেক্ষিক বঞ্চনার ধারণা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সম্রাট বলল, স্যার, ইদানিং তো প্রায় পত্রিকা খুললেই দেখা যায়, এ সহিংসতার সাথে জড়িত তরুণদের একটা বড় অংশ শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ভুল পথে পা বাড়াচ্ছে । তারা তো নবাবের মতো কখনও বঞ্চিত হয়নি অথবা অভাবের মুখোমুখি তাদের কে হতে হয়নি। তারা কোন দুঃখে এই পথ বেছে নিচ্ছে? ইমাম সাহেব ধমক দিয়ে উঠলেন, বলদের মতো কথা বলিস ন সম্রাট। কেবল যারা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন ‘বঞ্চনা’কে, তাদের অবস্থান থেকে দেখলে এটা বোঝা যাবে না। কেউ তার চারপাশে যা ঘটছে, সেটাকে অন্যায্য মনে করছে কিনা, সেটা প্রথমে ভাবতে হবে। ইউরোপ, আমেরিকার মুসলমানদের কি মনে হয় তোর? ওরা কি দরিদ্র? নাকি তোর আমার মতো হাভাইত্ত্যা? একবেলা ভাত পাবে এই আশায় কি তারা সহিংসতা করছে? ভুলেও এটা ভাবিস না। বরং এই সহিংসতাকে চলমান রাখতে তারা মিলিয়ন বিলিয়ন টাকা ঢালছে। মধ্যপ্রাচ্যে বা অন্য যেখানেই মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন হয়, তা তাদের নিজের উপর হচ্ছে বলে ধরে নেয়। বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের মধ্যেই এ ধারণা ব্যাপক প্রবল। ঠিক তেমনিভাবে কালোরা, সমকামীরা, ইহুদিরা, কাশ্মীরিরা অথবা আদিবাসীরা যে যেখানে থাকুক না কেন তাদের সমগোত্রীয় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলেই, মনে করছে সেটা তাদের নিজের উপরেই ঘটছে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"দুর্বিপাকের ঘূর্ণি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: