১ম প্রকাশ, ২০১৪
ড্রাগন সিড (পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের বই)
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ড্রাগন সিড (পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের বই) |
| Author | বুলবুল সরওয়ার |
| Publisher | ঐতিহ্য |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 312 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.46 Kg |
| Translator | বুলবুল সরওয়ার |
| ISBN | 9789847761282 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টিMonayem Islam , Apr 6, 2020
"চীনের নানচিং শহরে জাপানী সেনাবাহিনী যে নৃশংস হত্যাকান্ড এবং ধর্ষণযজ্ঞ চালিয়েছিলো তা ইতিহাসের পাতায় নানচিং হত্যাকান্ড বা ধর্ষণ নামে লিপিবদ্ধ । তৎকালীন সময়ে এই আতংক শুধু নানচিং শহরে সীমাবদ্ধ ছিলো না । নোবেল বিজয়ী পার্ল এস বাক তার ‘ড্রাগন সিড’ এ চিত্রায়িত করেছেন কিভাবে জাপানী নির্মমতা ছড়িয়ে পড়িয়েছিলো শহর থেকে দূরের গ্রামে। এই ভয়াবহতা কৃষিনির্ভর গ্রামগুলোতেও কতটা প্রভাব ফেলেছিলো তার বর্ণনা দিতে গিয়ে লিঙ তান নামক এক কৃষকের পরিবারকে বেছে নিয়েছেন পার্ল এস বাক। লিঙ তানের পরিবারের প্রতিটি সদস্যের স্বকীয়তা তাদের একজন থেকে আরেকজনকে করেছে আলাদা। উদাহরণস্বরুপ বলা যায় , অশিক্ষিত এই পরিবারের লিঙ তানের ছেলের বউ জেড এর কথা । এই পরিবারে শুধুমাত্র সে পড়তে পারে এবং পড়ার আগ্রহ এতই বেশি যে কিনা নিজের চুল বিক্রি করে বই কেনার টাকা জোগাড় করতেও প্রস্তত। হত্যাকান্ড এবং ধর্ষণ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের জীবনে সাংসারিক ঝামেলা ছাড়া আর কোনো সমস্যা ছিলো না। কিন্ত নৃশংসতা শুরু হলে জাপানী সেনাবাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পাইনি লিঙ তানের পরিবারও । জাপানী সৈন্যরা ধর্ষনও করতো খুব শৃঙ্খলার সাথে। বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে এসে কিংবা কখনো কখনো ধর্ষিতার বাড়িতেই পরিবারের অন্য সদস্যের সামনে একে একে ধর্ষন করতো এবং ধর্ষনের নৃশংসতা বাড়ানোর জন্য কখনো যোনিপথে বোতল কিংবা পায়ুপথে বাঁশ ঢুকিয়ে দিতো। এমনকি শিশুদের যোনাঙ্গ ছুরি দিয়ে কেটে বড় করে তারপর ধর্ষন করতো। ধর্ষন থেকে রক্ষা পায়নি মৃত মানুষও । যাদের প্রতিচ্ছবি হলো উ লিয়েনের বুড়ি মা (উ লিয়েন হলো লিঙ তানের জামাই) । এই যজ্ঞ গ্রামের মানুষদের কাউকে বানিয়েছে লাশ আবার পারিপার্শ্বিকতার সাথে তাল মিলাতে গিয়ে কেউ কেউ হয়ে গিয়েছে শত্রুদের গুপ্তচর। বিপ্লবী যে কেউ হয়নি এমন কিন্ত নয়! লিঙ তানের ছোটো ছেলে লাও সান যার কমনীয়তা সৈন্যদের বলাৎকারে আকৃষ্ট করেছিলো সেই পরবররীতে হয়ে ওঠে বিপ্লবী। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে শত্রুদের বিরুদ্ধে নমনীয় মাংশপেশি কিভাবে শক্ত হয় তার জলজ্যান্ত উদাহরণ হলো লাও সান। ইতিহাস নির্ভর উপন্যাসগুলো পড়তে গিয়ে মাঝে মাঝে দেখেছি লেখকের একপাক্ষিকতা কিংবা মনগড়া কল্পকাহিনী । এই বই পড়েও মনে হয়েছিলো একপাক্ষিক একটা রচনা। কিন্ত পরে একটু যাচাই করে বুঝলাম “ড্রাগন সিড” জাপানী নির্মমতার একটা খন্ডচিত্র মাত্র। সবমিলিয়ে বলা যায় চিরায়ত জীবন এবং সংগ্রামের মিশেলে ভালো একটা উপন্যাস।"
Jahidur Rahman , Oct 22, 2016
"১৯৩৭ সালের ডিসেম্বর মাসে জাপানী সেনারা পঙ্গপালের মত প্রবেশ করে চীনের প্রাচীন নগরীনানকিং এ। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে লুট করে, জ্বালিয়ে, পুড়িয়ে ধ্বংস করেনি কেবল, তারা প্রণলীবদ্ধভাবে নির্যাতন, ধর্ষণ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে চায়নার বেসামরিক অসহায় নাগরিকদের উপর। এই ঐতিহাসিক পটভূমিতে দাঁড়িয়ে আছে পার্ল এস বাকের অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস “ড্রাগনসিড”। “ড্রাগন সিড” নানকিং নগরীর বাইরের একটি গ্রামের সচ্ছল চাষী পরিবারের গল্প। যুদ্ধেরদীর্ঘ বছরগুলোতে সরল গ্রামীণ জীবন কিভাবে আমূল পালটে যায় তার নিবিড় বর্ণনা “ড্রাগন সিড”।চাষী লিং তান, স্ত্রী লিং সাও, তিন পুত্র, পুত্র বধূ, দুই কন্যাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় ঘটনা।জামাতা উ লিয়েন নানকিং নগরের সচ্ছল ব্যাবসায়ী। নানকিং লাশের শহরে পরিনত হোলেও সে তারব্যবসা চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্তে নিজেকে দেশ প্রেমিক ভেবে আত্নপ্রসাদ লাভ করে। উ লিয়েনেরশ্বশুর; লিং তানের পরিবার গোপনে গ্রামবাসীকে নিয়ে জাপানী সেনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতেথাকে। উ লিয়েনের ধর্ষিতা মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন লিং তানের পরিবার। কৃতজ্ঞতাবশত উলিয়েন তাঁদের খবর জাপানী সেনা শাসকদের কাছে গোপন রাখে। গল্পের অন্যতম শক্তিশালী চরিত্রজেড, আরেকটি উজ্জ্বল চরিত্র মেজ পুত্র লাও অরের স্ত্রী সে। নারী চরিত্র হিসেবে তারসৌন্দর্যের গুনে সে অসাধারন নয়, সে অসাধারন তার আকাঙ্ক্ষায়, মননে এবং প্রজ্ঞায়। গ্রামে ছাত্ররা জাপানী সেনাদের উদরপূর্তি না করে মাঠের ফসল জ্বালিয়ে দিতে বললে গ্রামবাসীর মধ্যে সবার আগে এগিয়ে আসে জেড। কোন মেয়েলী আত্নরতিতে আক্রান্ত না হয়ে সে তার লম্বা চুল কেটেফেলতে পারে একটা বই কেনার আশায়। মুক্তাঞ্চলে গিয়ে সে যুদ্ধবিদ্যায় প্রশিক্ষণ নিতে চায়,পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায়। স্বামী লাও অরের কাছে সে যেন আপাদমস্তক রহস্য, যেন সে পাঠককে জানান দিতে চায় শরীরের ভেতরে তার একটা মন, একটা সচল মস্তিষ্ক আছে এবং তা বিয়ের সাথে উপরি হিসেবে পাওয়া যায়না, অর্জন করতে হয়। যুদ্ধের প্রাথমিক ভয়াবহতা কেটে যবার পর লিংতানের পরিবার গোপনে জাপানী সেনাদের প্রতিরোধ করতে সংকল্পবদ্ধ হয়। তিন ছেলে পাহাড়ে আত্নগোপন করে, প্রশিক্ষিত হয়। তারা ফাঁদ পাতে, শত্রুর উদরপূর্তিতে যেন গবাদি পশু, পুকুরেরমাছ, মাঠের ফসল না যায় তার জন্য তারা সেগুলো মেরে ফেলে, প্রয়োজনমত বিষ মেশায়। নিজেরবাড়িতে গোপন কুঠুরি গড়ে তুলে নারী, শিশু ও অস্ত্র লুকিয়ে রাখে, ছদ্মবেশ নিয়ে শহরে যায়, খবরসংগ্রহ করে ফিরেও আসে। সাধারন চাষী পরিবারের তিন ছেলে পরিনত হয় দক্ষ গেরিলা যোদ্ধায়।কিন্তু এত করেও শেষ কুল রক্ষা হয়না। যুদ্ধের দীর্ঘ পাঁচটি বছর বদলে দেয় সবাইকে। লিং তানঅন্তরাত্নায় একজন খাঁটি সৃষ্টিশীল কৃষক। মায়ের মত মমতায়, আশাবাদ নিয়ে সে মাঠে ফসল ফলায়।তার কাছে তার পুত্রত্রয় তার নিজের প্রতচ্ছবি। তাই সে যখন দেখে তার ছেলেরা নির্বিকার চিত্তেমানুষ খুন করতে পারছে সে আমূল কেঁপে ওঠে। হতাশায় আক্রান্ত হন তিনি। মাটির মায়া, পরিবার,পুত্র, কন্যার মায়া কিছুই আর তার মনে আশার সঞ্চার করতে পারেনা। পুত্র লাও অর তাকে মিথ্যাআশা দিতে চান না। তার বাস্তব জ্ঞান দিয়ে সে বোঝে চায়নার হতভাগ্য মানুষের সম্বল তারানিজেরাই। উ লিয়েনের মা বর্ণনা অনুযায়ী চলতে ফিরতে অক্ষম স্থুলদেহী, বৃদ্ধা। তারুন্য এবং ক্ষীণদেহী হবারআদর্শ সৌন্দর্যের যে মাপকঠি নারীর জন্য পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বর্তমান তাতে তিনি একেবারে নীচে।তাই তার ধর্ষন যতটা না মর্মান্তিক তার চাইতে বেশি নানকিং এ আদর্শ রূপবতী নারীদের সাথে কি হয়েছে তার ইঙ্গিতবাহী। কল্পনা করি মূল নারী চরিত্র জেড ধর্ষণের শিকার হয়েছে। যে তরুণী, রূপবতী, বুদ্ধিমতী, তার ধর্ষণের নৃশংস অভিজ্ঞতা পাঠককে এমন জটিল এবং নারী বিদ্বেষীবাস্তবতার মুখোমুখি করতো যা আমার অনুমানে বইটিকে হয়তো এতটা জনপ্রিয়তা দিত না। পাঠকএক জটিল মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয়ের মুখোমুখী হতে পারতেন যার ভার কেবল ধর্ষণের শিকার এবং তারনিকট জনেরাই অনুমান করতে পারেন। নানকিংএর ইতিহাসের একজন নিবিষ্ট পাঠক হিসেবে পার্লএস বকের কাছে আমি ঠিক এটাই আশা করেছিলাম। আইরিশ চ্যাঙ এর “দি রেপ অব নানকিং” বইয়ের বর্ণনা অনুযায়ী নানকিংএ বেসামরিক নাগরিক,বিশেষ করে নারী এবং কন্যা শিশুর উপর যে নৃশংস যৌন নির্যাতন করা হয় তার একাংশভয়াবহতাও ড্রাগন সিডে পাওয়া যায়না। কিন্তু পাঠক হিসেবে ধর্ষণের আতঙ্ক ঠিকি আমার মনেহানা দেয়। এটা যতটা না পার্ল এস বাকের লেখনীর গুন তারচেয়ে বেশি নারী হিসেবে আমারসাংস্কৃতিক নির্মাণ। লিং তানের কিশোর পুত্র লাও সান জাপানী সেনার দ্বারা গণ ধর্ষণের শিকার হন। বেশিরভাগ সময় পুরুষ পুরুষকে ধর্ষণের ঘটনাগুলোকে যতটা না সহিংসতা তার চাইতে বেশি দেখা হয় সমকামিদের“বিকৃত” যৌনতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে। জাপানী সেনারা সমকামী বলেই লাও সানের মত পুরুষদের ধর্ষণ করে এমন নিশ্চিতভাবে বলা যায়না। একই সাথে পুরুষ কর্তৃক পুরুষের ধর্ষণের ঘটনা শ্রেণীহিসেবে নারী যে পুরুষের অব্যাহত যৌন নির্যাতন, ধর্ষণের প্রধান লক্ষ্য সে সত্য লুকাতে ব্যাবহার হতে দেয়া যাবেনা। লাও অরের ধর্ষণের ঘটনার পরে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের বর্ণনা দেন লেখক। যেন পরিবারের পুত্র সন্তান যখন আক্রান্ত হন তখনি কেবল ঘটনার ভয়াবহতা আমাদের স্পর্শ করে। আমেরিকান নারীবাদী আন্দ্রিয়া ডরকিনের অনুমানের প্রতিফলন দেখতে পাই কি এখানে? “...ছেলেদের যৌনহয়রানী একটা নৃশংস অপরাধ হিসেবে দেখা হয় তার মূল কারন মেয়েদের জীবনের মুল্যের চেয়েছেলেদের জীবনের মুল্য অনেক উপরে...” “...যেখানে শ্রেণী হিসেবে নারীকে সবসময় যৌন নিপীড়নের জন্য উদ্দেশ্য করা হয়, ছেলে এবংপুরুষকে বিশেষভাবে পুরুষের ক্রমোচ্চ শ্রেণীতে, তাদের অবমুল্যায়িত অবস্থানের জন্য লক্ষ্য করা হয়।কৈশোর, দারিদ্র, জাত (বর্ণ) হোল বিশেষ বৈশিষ্ট্য যা পুরুষকে অন্য পুরুষের সাম্ভব্য শিকারহিসেবে লক্ষ্য করে। কৈশোর পুরুষকে লক্ষ্য হতে কাজ করে কারন একজন কিশোর এখনো পুরোপুরি নারী এবং শিশু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি।” ডরকিনের লেখার উদ্ধৃত অংশ থেকে লাও সানের চরিত্রব্যাখ্যা করতে পারি। নারী সুলভ সৌন্দর্য এবং বয়সের কারনে সে পুরুষের ক্ষমতার মাপ কাঠিতেনীচে অবস্থিত, মর্যাদায় সে নারীর কাছাকাছি তাই তার এমন পরিনতি। পরবর্তীতে দুর্ধর্ষ তরুনযোদ্ধায় পরিনত হন লাও সান। নৃশংস নির্লিপ্ততায় সে শত্রু খতম করে, যেন মানুষ খুন করে সে তৃপ্তি লাভ করে। লাও সান পুরুষালী সহিংসতার ধারক ও বাহকেই পরিনত হন, যা সে ব্যাবহার করতে পারে ধর্ষক জাপানী সেনার বিরুদ্ধে। ধর্ষিত নারীর জন্য কখনই এই পথ খোলা থাকেনা।শত্রু সেনার বিরুদ্ধে সহিংসতা ব্যাবহার করার মধ্যে দিয়ে লাও সান কৈশোরের অসহায়ত্বের স্মৃতিথেকে মুক্তি পায়। ধর্ষণের দুর্বিষহ মানসিক যন্ত্রণা সে অতিক্রম করতে পারে শত্রুর বিরুদ্ধে অস্ত্রধরে। পুরুষ চরিত্র বলেই হয়তো তাকে যোদ্ধার ভুমিকায় দেখি, কল্প কাহিনীতেও ধর্ষিতা নারীচরিত্রের জন্য একমাত্র উপযুক্ত পরিনতি মৃত্যুই! পার্ল এস বাক কি ব্যতিক্রম হতে পারতেননা?বাস্তব, কল্পকাহিনীর বা যে কোন যৌন নির্যাতনের অভিজ্ঞতাকে বিন্দু মাত্র খেলো না করে বলতেচাই, জাপানী সেনার দ্বারা ধর্ষণের ঘটনা চরিত্র হিসেবে লাও সানের বিকাশের একটি স্তর হিসেবেওদেখবো আমি। ধর্ষিত ও ধর্ষিতার জটিল, দুর্বিষহ, বহুমাত্রিক মানসিক সংঘাত প্রথমবারের মতএকটি কাল্পনিক চরিত্রের মধ্যে দিয়ে চোখের সামনে ফুটে উঠবে এমন আকাঙ্ক্ষা ছিল আমার। কিন্তুচরিত্রের বিকাশে, ঔজ্জল্যে কোনভাবেই লাও সান জেডকেও নিষ্প্রভ করতে পারেনা। পার্ল এস বাককে অনেকে নারীবাদী লেখক বলেন, আজকের দিনে নারীবাদের সংজ্ঞা যেভাবে, যতস্তরে আবর্তিত হয়েছে সেই বিবেচনায় তাকে ফার্স্ট ওয়েভের নারীবাদী লেখক হয়তো বলা যেতেপারে। আজকের দিনের তরুন নারীবাদীরা তাঁদের জীবনের সকল এলাকার নির্যাতনের প্রতিফলন দেখতে চান তাঁদের পূর্বনারীদের কাজ থেকে, সেটা সাহিত্য কিংবা অন্য যে কোন এলাকাই হোকনা কেন। সেই আকাঙ্ক্ষা থেকেই, যে লেখকের অন্তরাত্মায় চায়নায় গরীব চাষীরা মিশে আছে, আশাকরেছি তার লেখায় নানকিংএ নৃশংস নির্যাতনের শিকার নারীরা আবার কথা বলে উঠবে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ড্রাগন সিড (পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের বই)" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: