১ম প্রকাশ, ২০২৬
দখিন হাওয়া
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | দখিন হাওয়া |
| Author | হোসনে আরা হাসি |
| Publisher | প্রতিভূ প্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 368 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.32 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
12 Ratings and 7 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৭টি
880****099 , Aug 15, 2026
"বইটা খুবই সুন্দর, একবার পড়লেই যে কেউ মুগ্ধ হতে বাধ্য।"
Binte Rashed , Aug 14, 2026
"আসসালামু আলাইকুম ** বুক রিভিউ **✨🌸 ** দখিন হাওয়া **🍃 ** হোসনে আরা হাসি ** আজকে আমি আমার পড়া হাসি ম্যামের বেস্ট একটা বই নিয়ে আমার অনুভূতি শেয়ার করবো । বইটা আশির দশকের ঢাকা পটভূমিতে রচিত যখন সেই ঢাকার আকাশ ঢেকে যায়নি বড় বড় বহুতল ভবনে । হাতে হাতে মোবাইল ফোন ওঠেনি । যোগাযোগের অতি ঘনঘটায় আত্মিক যোগাযোগ হারিয়ে মানুষগুলো বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হয় নি । ভাবতেই যেনো কেমন একটা ভালোলাগা কাজ করে ।শুরুর দিকে কাহিনি একটু আস্তে ধীরে এগিয়েছে । আমার কাছে এটাই ভালো লেগেছে । চরিত্রগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছি । চরিত্র বিশ্লেষণ: প্রথমেই বলবো বইয়ের প্রধান আর আমার ফেভারেট চরিত্র রিশতা ফেরদৌসী এর কথা । কি মনে করছেন অন্যসব গল্পের নায়িকাদের মতো সে চলনে বলনে সুন্দরী, বুদ্ধিমতি…? যার জন্য নায়করা হাজারো পাগলামো করে । তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন । রিশতা হচ্ছে সহজ সরল টাইপের মেয়ে । খাঁটি বাংলায় যাকে বলে হাবাগোবা আবার দেখতেও কিছুটা স্থূলকায় এর জন্য তাকে অনেক বুলিং করা হয়েছে ছোট থেকে । সে এতোই অবুঝ মা মারা যাবার কষ্ট যাকে খুব একটা স্পর্শ করেনি । বয়স বাড়লেও তার মধ্যে সেই অনুযায়ী পরিপক্বতা আসেনি । এই জন্য কেউ তাকে তেমন একটা পছন্দ করতো না । এমনকি তার ওপর আশেপাশের সবাই বিরক্ত বোধ করতো । যাইহোক এক পর্যায়ে তার জীবনে এলো রাশেদা বেগম অর্থাৎ রিশতার আন্টি মা । যিনি রিশতার জন্মদাত্রী মা না হয়েও তাকে একজন মায়ের মতো বুঝতেন , আদর করতেন, কোনটা ভুল কোনটা সঠিক সেগুলো বোঝাতেন । আমার কাছে রাশেদা বেগম চমৎকার একটা চরিত্র । আর সাদাফ হচ্ছে বুঝদার, দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন একটা চরিত্র । সে হচ্ছে গল্পের নায়ক । সেও কিন্তু প্রথমে রিশতাকে পছন্দ করতো না ।আরেকজন হচ্ছে নীলু সাদাফের ছোট বোন আর রিশতার বাল্য বন্ধু । বড় হওয়ার সাথে সাথে আর সবার মতো সেও রিশতাকে অপছন্দ করতে লাগল । কিন্তু রিশতার কাছে সে সেই ছোট বেলার নীলুপু ই রয়েছে । সে যে এতো সহজ সরল তার সামনে তাকে দিনের পর দিন নীলু অপমান করেছে তা সে বুঝতেই পারতো না । রিশতার জীবনে আরো কিছু চমৎকার মানুষ এলো । এরা হচ্ছে রিশতার বান্ধবী রিক্তা, শুভ্রা, তামান্না । এই সুন্দর সান্নিধ্যগুলোর ওসিলায় বাগানের সবচেয়ে সুন্দর ফুলের মতোই একদিন পরিপূর্ণ প্রস্ফুটিত হলো রিশতা । গুমোট বাতাসের স্তদ্ধতা ফুরিয়ে দখিন হাওয়ায় প্রশান্ত হলো রিশতা-সাদাফের জীবন । সত্যি বলতে রিশতাকে পড়ে আমি নিজের শৈশবে ডুবে গিয়েছিলাম । বইটা শেষ করতে আমার অনেক খারাপ লাগছিল । মনে হচ্ছিল গল্পটা আরেকটু বড় হলে মন্দ হতো না । তবে কাহিনি যেখানে শেষ হয়েছে সেইটাই একদম মানানসই এর বেশি টানলে গল্পের ছন্দ পতন হতো । পরিশেষে বলতে চাই কিছু বই আছে না যেগুলো পড়লে বারবার পড়তে মন চায় “দখিন হাওয়া “ ঠিক তেমনি একটা বই । মনে দাগ কেটে যাওয়ার মতো…. রিশতাকে অনেক মিস করবো…🥺। পার্সোনাল রেটিং: 10 /10 আল্লাহ হাফেজ"
বিনতে ফিরোজ , Jul 1, 2026
"দখিন হাওয়ার কথা মনে পড়লেই যে মোলায়েম ভাব আপনার অন্তরকে ছুঁয়ে যায়, আমি শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারি এই বইটি পড়ার পরও তেমনই মোলায়েম, নরম এক আবেশ আপনাকে ছুঁয়ে যাবে। মনে হবে তুলতুলে এক হাওয়াই মিঠাই হাতে এতক্ষণ বসে ছিলেন। তার সৌন্দর্যে এতটাই বিমুগ্ধ হয়ে ছিলেন যে কোন ফাঁকে ওটা ফুরিয়ে যাওয়ার পথে এগিয়ে গেছে সে খেয়ালটুকুও আপনার হয়নি। এমন হলেই না বরং লেখিকার সার্থকতা! পাঠক নিবিষ্ট মনে শেষ করার পর যদি ‘ইশ! আরেকটু যদি থাকত!’ বলে না তড়পায় তবে এই নিরবচ্ছিন্ন ক্লান্তির তাৎপর্য রইলো কোথায়! বলা বাহুল্য, আমার কাছে উপন্যাসের প্রিয় চরিত্র রিশতা এবং তার পরপরই নীলুর বরটি (নাম ভুলে গেছি)। মানুষ আশা করে, মেয়েমানুষ খুব শক্তপোক্ত হবে, বহু আঘাতেও ভাঙবে না, মচকাবে না— মার্গারেট থ্যাচার যাকে বলে আর কি! আপনিও সেই মানুষের কাতারে হলে চোখ বন্ধ করে রিশতাকে আপনার পছন্দ হবে না। কারণ সে নিতান্ত হাবাগোবা মেয়ে, ন্যূনতম বুদ্ধিটুকুও তার নেই। বেশি খায়, কম বোঝে— কী দোষ নেই তার! তবু জোর করে যদি পড়ে যান, যদি শেষ পাতা অবধি পৌঁছে যান— তবে আশ্বাস দিচ্ছি, দোষে ভরপুর এই মেয়েটিই নিপাট ভদ্রলোক সাদাফের চাইতেও আপনার কাছে অধিক প্রিয় হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য, উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মাঝে আমার হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের— রিশতার মা, তার এক খণ্ড ঝুল বারান্দা এবং সেখানে অনিশ্চয়তার সাথে ঘাটি গেড়ে বসা চেয়ারটি। লেখার ধারা শান্ত নিস্তরঙ্গ জলাধারের মতো বইতে বইতে কূলে নিয়ে যাওয়ার মতো। হঠাৎ ঢেউ নেই, উদ্বেগের সমারোহ নেই। তবে বসন্তের দখিন হাওয়া মনোরম হলেও, সেই একই দখিন হাওয়া গ্রীষ্মে আপনাকে একটু ধাক্কা দেবে বৈ কি! সে ধাক্কার চোটেই রিশতার জীবনের মোড় ঘোরানো দৃশ্য আপনাকে একইসাথে দেবে কষ্ট, আফসোস, আনন্দ এবং স্বস্তি। কাজেই, একইসাথে এতসব অনুভূতির জোয়ারে অবগাহন করতে হলে ঝটপট বইটি নিজের করে ফেলুন। লেখিকার পক্ষ থেকে এবার উত্তুরে হাওয়ার অপেক্ষায় 😁"
Bushra Jannat , Jun 28, 2026
"লেখিকা আপুর লেখার সবচেয়ে বড় শক্তি উনার স্টোরিটেলিং। পড়তে পড়তে মনে হয় না বই পড়ছি। মনে হয় চোখের সামনে চরিত্রগুলো জীবন্ত হয়ে উঠেছে। প্রতিটি শব্দের গাঁথুনিও ভীষণ মজবুত। মনে হয় প্রতিটা শব্দ লেখিকা খুব যত্ন করে বেছে নিয়েছেন। দখিন হাওয়ার প্রচ্ছদ যেমন দৃষ্টিনন্দন তেমনি ভেতরের বিষয়বস্তুও সমান সমৃদ্ধ। বরাবরের মতো যেই বিষয়টি ভালো লাগে আমার তা হলো আপু গল্পের ভেতর দিয়েই ইসলামী মূল্যবোধ জীবনবোধ এবং নৈতিক শিক্ষা তুলে ধরেন। কোথাও উপদেশ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা নাই। বরং চরিত্রগুলোর জীবন ও ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়েই বার্তাগুলো পাঠকের হৃদয়ে পৌঁছে যায়। এটাই একজন দক্ষ গল্পকারের পরিচয়। ইসলামি উপন্যাস পড়তে পছন্দ করেন তারা চোখ বন্ধ করে দখিন হাওয়ার সাথে কুসুম রাঙা দিন বইটাও নিয়ে নিবেন। বিশেষ করে নতুন বিবাহিত বা সামনে বিবাহ হবে এমন মেয়েরা অবশ্যই বইগুলো পড়বেন।"
তাসফিয়া রহমান , Jun 25, 2026
"মা শা আল্লাহ অসাধারণ একটি গল্প যেখানে রয়েছে প্রতিবেশীর গল্প, বন্ধুত্বের গল্প, শাশুড়ি না হয়ে আন্টিমা হওয়ার গল্প। অবহেলায় ঝড়ে যাওয়ার গল্প।সর্বোপরি সমালোচনায় বিদ্ধ হয়ে অপরিপক্ক থেকে নিখুঁত হওয়ার গল্প। আমার সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র রিক্তা যে তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সমস্যা সমাধান করে, রাশেদা নামের আন্টিমার গল্প যিনি একটি দ্বীনী পরিবার তৈরির মাধ্যম, একজন ব্যক্তিত্তবান, একজন আদর্শ শাশুড়ি,রিশতা নামের একজন অপরিপক্ক মেয়ে যার শেখার প্রতি অসম্ভব আগ্ৰহ। এছাড়াও রয়েছে তিতির,সাদাফ নিলু যারা তাদের নিজস্ব জায়গায় সুন্দর। নিলুকে প্রথমে অপছন্দনীয় মনে হলেও পরে তার সংশোধনীয় চরিত্র আমাকে মুগ্ধ করেছে। সর্বশেষে সাদাফ একজন আদর্শ ছেলে,ভাই ও স্বামী। পছন্দের একটি বাক্য "শেখানো তাকেই যায় যার শেখার সদিচ্ছা থাকে।""
Sajid Hasan , Jun 15, 2026
"বহুদিন পর রুচিসম্মত, তৃপ্তিকর, সুন্দর ছিমছাম একটা ফিকশন বই পড়লাম। বইটির নাম দখিন হাওয়া। একটি সামাজিক ঘরানার উপন্যাস দখিন হাওয়া। কলেবর বেশ বড়, ৩৬৫ পেইজ। লেখিকা আপুর কোন লেখা আগে পড়া হয়নি, অনেস্টলি বললে এজন্য কোন প্রত্যাশা নিয়ে দখিন হাওয়া পড়তে বসিনি। দখিন হাওয়ার পটভূমি আশির দশকের ঢাকা শহর। গল্পের প্রধান দুটি চরিত্র রিশতা ও সাদাফ। সাদাফ বেশ আদর্শবাদী, পরিশ্রমী। একেবারে অভিভাবক শ্রেণীর চোখে ‘গুড বয়’ যাকে বলে। টেনেটুনে মধ্যবিত্ত, ভদ্র একটি পরিবারের সন্তান সে। ছোট বোন নীলু আর মা-বাবা নিয়ে ঢাকার এক কলোনিতে কাটে তার আটপৌরে জীবন। রিশতা আহ্লাদী, আদরের দুলালী আর আবেগী। ঘুষখোর বাবার অবহেলা আর অসুখে জর্জরিত মার অক্ষমতার ছায়ায় কাটছে তার জীবন। সে জীবনে সম্পদের আধিক্য থাকলেও তাতে নেই কোন বারাকাহ। আত্মীয়-স্বজনদের অবস্থাও তথৈবচ। বিশৃঙ্খল এই জীবনে ওর সঙ্গী পিঠাপিঠি বয়সের নীলু। আহ্লাদী রিশতার ন্যাকামো সাদাফ, নীলু কারোই পছন্দ না। দু ভাইবোন ওর থেকে দূরে থাকতে পারলেই বাঁচে। কিন্তু ওদের মা রাশেদা বেগম রিশতাকে তেমন করে দেখেন না। মেয়েটাকে তিনি দেখেন মমতার চোখে, তার ভুলগুলোর পেছনেও তাই তিনি অজুহাত খুঁজে পান। ভুগতে ভুগতে একসময় রিশতার মা মারা যায়। তখনো বোধ-জ্ঞান সেভাবে হয়ে উঠেনি রিশতার। মায়ের অভাবে অল্প বয়সী রিশতার জীবন হয়ে উঠে আরও ছন্নছাড়া। বাবা নতুন বিয়ে করলেন, নতুন মা-ও রিশতাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে শুরু করলো। এমন অবস্থায় রিশতার জীবনে আলো হয়ে এগিয়ে আসলো সাদাফের মা। রিশতার মাকে তিনি কথা দিয়েছিলেন, রিশতাকে তিনি দেখে রাখবেন। সে কথা রাখতে কিশোরী রিশতাকে নিয়ে রাশেদা বেগম নিয়ে আসেন ছেলের বউ করে। সাদাফের এই বিয়েতে একদমই মত ছিল না। তার আর ধনীর দুলালী রিশতার জীবনযাপনে আকাশ পাতাল পার্থক্য। স্বাভাবিক ভাবেই বিবাহিত জীবনের শুরুটা রিশতার তেমন ভালো কাটল না। সত্য বলতে, এটুকু পর্যন্ত পড়ে বেশ বিরক্ত হয়ে পড়লাম। ভাবলাম হয়তো প্রথাগত একটা উপসংহারেই লেখিকা আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। গল্পের পরিণতি আইডিয়া করে ফেলায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে রাখলাম অনেক দিন। তবে ফিকশন অর্ধেক পড়ে শেষ না করার অভ্যাস নেই আমার। তাই জোর করে বাকিটুকু পড়তে বইটা আবারও অনেকদিন পর হাতে নিলাম। বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, এবারে লেখিকা আমাকে অবাক করে ভিন্ন দিকে গল্পটা টেনে নিলেন। সেই সাথে সহজ সাবলীল লেখায় মুগ্ধ হয়ে গেলাম। অর্ধেকের পর থেকে বেশ স্বাচ্ছন্দে পড়ে শেষ করলাম বাকিটা। রাশেদা বেগম, নীলু, বান্ধবীরা আর সবার উপর সাদাফের সাথে রিশতার গল্পগুলো আকর্ষণ ধরে রাখল শেষ পর্যন্ত। আর রিশতা ও সাদাফের সম্পর্কের উপসংহার সত্যিকার অর্থেই মনে বইয়ে দিলো এক পশলা দখিন হাওয়া। দখিন হাওয়াকে ওয়ান টাইম রিড বইয়ের কাতারে ফেলবো না। পুরনো পাঠক হিসেবে খুব কম বইই আমি দুবার পড়ি। তবে দখিন হাওয়া আবারও পড়ার প্ল্যান রয়েছে। বারবার পড়েও নতুন স্বাদ চাখবার মতো উপাদান এতে যথেষ্ট। আমি পার্সোনালি সাজেস্ট করবো, যারা রুচিশীল পাঠক রয়েছেন, ইসলামী উপন্যাসে যাদের আগ্রহ, আপনারা চাইলে নির্দ্বিধায় সংগ্রহ করতে পারেন দখিন হাওয়া বইটি। সমালোচনাঃ এবারে ছোট একটু সমালোচনা করি। বইটির কিছু বর্ণনা আরও একটু ছোট করা যেতো বলে মনে হয়েছে। যেমনঃ সাদাফের অনুভূতি ও তার প্রকাশের পুনরাবৃত্তিগুলো। সব মিলিয়ে হয়তো আরও ২০-৩০ পেইজ কম থাকলে পড়ে আরও তৃপ্তি পেতাম। যাই হোক, এটা নিতান্তই ব্যক্তিগত অনুভূতি। সকলের কাছে হয়তো এমনটা না-ও লাগতে পারে। দখিন হাওয়ার লেখিকার জন্য রইলো শুভকামনা। বইঃ দখিন হাওয়া লেখিকাঃ হোসনে আরা হাসি প্রকাশনাঃ প্রতিভূ প্রকাশ মূল্যঃ ২৩% ছাড় দিয়ে ৪২৪ টাকা"
TahsinMila , May 25, 2026
"ঘন্টা পাঁচেক “দখিন হাওয়া” উপন্যাসে হারিয়ে যাবার পর উপলব্ধি করলাম বইটার ইতি ঘটেছে। শেষ পৃষ্ঠার শেষ বাক্যের শেষ শব্দটুকু পড়ার পর সামান্য মন খারাপও হলো। বহুদিন পর মন ছুয়ে যাবার মতোন একটা উপন্যাস পড়লাম। তারও ইতি! সত্যি বলতে, রিশতার জীবনে যেন জড়িয়ে পড়েছিলাম। কি ভীষণ সরলতা তার! আর কি ভীষণ অমায়িক স্নেহ তার আন্টিমার! বলাই বাহুল্য, এতো ভালো উপন্যাস লেখতেও এতো ভালো চিন্তাধারা থাকতে হয়! যতবার রিশতার ‘আন্টিমা’ পড়ছিলাম ততবার মনে হচ্ছিলো, লেখিকাকেও যে আমি ‘আন্টিপু’ সম্বোধন করি। কি ভীষণ সাবলীল মন ছুয়ে যাওয়া লেখনি! যে বইটি পড়া শুরু করবে, সম্পূর্ণ উপাখ্যান শেষ না করা অব্দি তার মন থামবে না। এ আমি নিশ্চিত। বছর তিন কি চারেক আগে ফেসবুকে অনেক গল্প পড়তাম। সেই সুবাদে লেখিকাকে চেনা। উনার লেখার ভীষণ ভক্ত আমি। কোনো লেখায় হোসনে আরা হাসি আন্টিপুর নাম থাকলে আমি পড়ি বা না পড়ি, নির্দ্বিধায় বলতে পারি, লেখাটা ভারী চমৎকার। এখন আর ফেসবুক তেমন ঘাটাঘাটি করা হয়না বিধায় কারোর গল্পও পড়া হয়না বটে। আর ধারাবাহিক লেখা পড়ার অপরিসীম ধৈর্য্য আমার নাই। আমি এক গোগ্রাসে সম্পূর্ণটা পড়ে শেষ করার মানুষ। তাই আমি সবসময় অপেক্ষায় থাকি কখন আন্টিপুর কোনো লেখা মলাটবদ্ধ হবে। আর বিছানায় আধ-শোয়া হয়ে সেই উপন্যাসে ডুবে যাবো। বহু অপেক্ষার পর যেমন ডুবে গিয়েছিলাম “দখিন হাওয়া”য়। লেখিকার কাছে অনুরোধ থাকবে “দখিন হাওয়া–২” এর। যেখানে রিশতার সাজানো একটা সংসার হবে, নীলুর ফুপি হবার স্বপ্ন পূরণ হবে এবং বাকিটা হবে লেখিকার অসম্ভব সুন্দর কল্পনা। লেখিকার লেখনীতে শতভাগ ভরসা রয়েছে তাই উনি যা-ই লিখবেন তাতেই সই।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"দখিন হাওয়া" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: