হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
চতুষ্কোণ - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

২য় প্রকাশ, ২০১২

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

চতুষ্কোণ

4 Ratings | 4 Reviews
TK. 119 TK. 132 -10% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

Title চতুষ্কোণ
Author মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Publisher শৈশব
Edition ২য় প্রকাশ, ২০১২
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 112
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.23 Kg
ISBN 9789847223117
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

4.75

4 Ratings and 4 Reviews

★★★★★
3
★★★★☆
1
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

৪টি
sab****com

sab****com , Mar 19, 2025

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"বইটা বেশ ভালো লেগেছে ।"

Sultan

Sultan , Nov 2, 2019

★ ★ ★ ★ ★

"মানুষ নাকি চিবুকের কাছাকাছি ভীষণ অচেনা ও একা। ধরা যাক, রাজকুমার ওরফে রাজু সেরকম একজন। একা বললে ভুল হবে, সে আসলে অনেকটাই আত্মমগ্ন। রিণি, সরসী, মাধবী ও কালী- এই চার নারী তাঁকে এমন দুর্বার আকর্ষণ করে, তেমনি চুম্বকের বিপরীত মেরুর মতোই মাঝে মাঝে ঠেলে দেয় বিপ্রতীপ কোণে। রাজকুমার কখনও তাঁদের কারও কাছে গিয়ে একটু আশ্রয় খোঁজে, একটু নির্ভরতা চায়। আবার কখনও সে নিজের সত্বায় বুঁদ হয়ে থাকে, এক দুর্বোধ্য গোলকধাঁধায় নিজে নিজে পাক খেতে থাকে। সে বোধ হয় নিজেই বুঝতে পারে না, সে নিজে কী চায়। রিণির কথাই ধরি। সংগীতপটীয়সী পাশ্চাত্যশিক্ষায় শিক্ষিত একজন নারীর কাছ থেকে রাজকুমার কী চায় ? রিণির চুম্বন আহবান যেমন সে হেলায় ফিরিয়ে দেয়, আবার বিকারগ্রস্ত সেই রিণির কাছেই সে নিজেকে সমর্পণ করে। আবার সেই রিণির কাছেই সে কোন বিচিত্র কারণে খাপছাড়া (আসলে অবিশ্বাস্যই বলা উচিত) এক আবদার করে বসে। সেটা এমনই অদ্ভুত, রিণি সে ধাক্কায় অনেকটাই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। সুস্থ রিণি যেমন রাজকুমারকে দূরে ঠেলে দিত, অসুস্থ রিণি তাঁকে প্রাণপণে কাছে পেতে চায়। তার মানে কি রিণির অবচেতন মনের ইচ্ছাটাই এটা ছিল ? সরসীর মন সেই তুলনায় অনেকটাই ঘোলা জলের মতো। সে আধুনিক, সংস্কারবিবর্জিতা। রাজকুমারের অপ্রীতিকর ও অসঙ্গত আবদারও সে রক্ষা করে। সেখানে সে নারীসুলভ ব্রীড়াকে ঝেড়ে ফেলতে একটুও কুন্ঠা করে না। কিন্তু তার পরেও সে নিজের নৈর্ব্যক্তিকতা বিসর্জন দিতে পারে? রিণির পরিণতির জন্য রাজকুমার দায়ী নয়- বার বার সেটা মনে করিয়ে দিয়ে সে আসলে কী প্রমাণ করতে চায় ? মাধবী বরং অনেকটাই স্বচ্ছ জলের মতো। তার সংকট একটাই, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার ব্যবধানটা সে প্রায়শই এক করে বসে। রাজকুমারকে সে বসিয়েছে শ্রদ্ধার আসনে। কিন্তু উল্টো দিক থেকে সে শ্রদ্ধার বিনিময়ে নিজেকে বিকিয়েও দিতে চায়। তাঁদের সম্পর্কটা ছাত্রী-শিক্ষকের, কিন্তু আসলে সেটা মহাদেবের কাছে দেবীর অকুন্ঠ সমর্পণের মতো। রাজকুমার শ্রদ্ধার আসনটা জিইয়ে রাখিতে চাইলেও মাধবী সেই আসনে ভালোবাসার পুষ্পমালা বিছিয়ে দিতে চায়। কালীর ব্যাপারটা আবার অন্যরকম। সে নেহায়তই উন্মার্গিক, আপাতদৃষ্টিতে অপরিপক্ব। কিন্তু সেই বোধ হয় রাজকুমারকে সবচেয়ে ভালোভাবে পড়তে পারে। রাজকুমারের প্রত্যাখানে সে আহত হয়, কিন্তু নিজেকে বাকিদের মতো বিকিয়ে দিতে যায় না। রাজকুমার চরিত্রটা সম্ভবত মানিকের সবচেয়ে জটিলগুলোর একটি। শুধু মানিক কেন, বাংলাসাহিত্যেই আর কোনো লেখক এরকম প্রহেলিকাময় কোনো চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন কি না সেই প্রশ্ন রেখে যাওয়া যায়। সে একই সাথে যৌনতাড়িত, আবার কখনও কখনও একেবারেই শরীরবিমুখ। সে সব সময় যুক্তির কষ্টিপাথরে সব কিছু যাচাই করে নিতে চায়, আবার রিণির পরিণতির জন্য খানিকটা অযৌক্তিকভাবেই নিজেকে কাঠগড়ায় তুলতে দ্বিধা করে না। তার মানে কি তাঁর যুক্তিবাদী মনের আড়ালে একটা আবেগী স্বত্বা আছে ? কিন্তু সেটাই বা জোর দিয়ে কীভাবে বলা যায়? নাহ, চতুষ্কোণ আসলে কাকচক্ষু জলের গভীর দীঘির মতো, যার তলের কোনো থই পাওয়া যায় না। এমন একটা বই, যেটা পড়ার পর ভালো বা মন্দ লাগার অনুভূতিটাও ঠিক বোঝানো যায় না। শুধু মনে হয়, কোথাও যেন একটা তারে টোকা পড়েছে, আর কানের কাছে সেটা অবিরাম ঝংকার তুলে যাচ্ছে, যাচ্ছে তো যাচ্ছেই..."

Ratna Biswas

Ratna Biswas , Apr 5, 2017

★ ★ ★ ★ ★

"“অভিধান নিরর্থক। শব্দের মানে তারাই ঠিক করে, যে বলে আর যে শোনে। কাজ ও উদ্দেশ্যের বেলাতেও তাই! কি ব্যাপক মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা!" “চতুষ্কোণ” মানিক বন্দোপাধ্যায়ের অনবদ্য উপন্যাস। এর রাজকুমার চরিত্রটা সম্ভবত মানিকের সবচেয়ে জটিল চরিত্রগুলোর একটি। শুধু মানিক কেন, বাংলাসাহিত্যেই আর কোনো লেখক এরকম রহস্যময় মরীচিকা ধরণের কোনো চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন কি না সন্দেহ। কারো প্রতি দাবি নাই বলেই কি ভালবাসার ইচ্ছা রাজকুমারের জন্য পরাক্রমে বেঁচেছিল? একাধিক নারীর সকলেই জানে আরও অনেকজন রাজকুমারের নৈকট্য কামনা করে। রাজকুমারেরও কিছুটি অবিদিত নয়। রিণি, সরসী, মাধবী ও কালী- এই চার নারী তাঁকে এমন দুর্বার আকর্ষণ করে, তেমনি চুম্বকের বিপরীত মেরুর মতোই মাঝে মাঝে ঠেলে দেয় বিপ্রতীপ কোণে। রাজকুমার কখনও তাঁদের কারও কাছে গিয়ে একটু আশ্রয় খোঁজে, একটু নির্ভরতা চায়। সে একই সাথে যৌনতাড়িত, আবার কখনও কখনও একেবারেই শরীরবিমুখ। আবার কখনও সে নিজের সত্বায় বুঁদ হয়ে থাকে, এক দুর্বোধ্য গোলকধাঁধায় নিজে নিজে পাক খেতে থাকে। সে বোধ হয় নিজেই বুঝতে পারে না, সে নিজে কী চায়। নারীর প্রতি কামনা রাজকুমারের দর্শনের মাঝ দিয়ে ধরা দেয়! সবার জন্য প্রেম অনুভব করা আবার কারো জন্যই পাগল না হওয়ার মত দশা। "রাগ নাই, অভিমান নাই। একটি মানুষের উপরেও নয়। জড়বস্তুকেও মানুষ কখনো কখনো হিংসা করে, হোঁচট লাগিলে অন্ধ ক্রোধে ইটের উপর পদাঘাত করে, কারাগারের লোহার শিক ভাঙ্গিয়া ফেলিতে চায়। কিন্তু মানুষ নিষ্ক্রিয় নির্জীব পুতুল হইলে একটি পুতুলের মুখ তার পছন্দমত নয় বলিয়া যতটুকু বিরক্তি বোধ করা উচিত, তাও সে বোধ করে না। মানুষের মনের অন্ধকার ও দেহের শ্রীহীনতার অপরাধ সে ক্ষমা করিয়াছে। মানুষ যে কৃপণ, তাতে তার কিছুই আসিয়া যায় না, কারণ, মানুষের কাছে সে কিছু চায় না।”"

zero's destiny

zero's destiny , Jun 19, 2015

★ ★ ★ ★ ★

"জীবনে আমরা এমন কিছু সময় পার করি যেখানে ঘটতে থাকা ঘটনাগুলোর কোনো নির্দিষ্ট কারন আমরা নিশ্চিত করতে পারিনা।আর কিছু ক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে পারলেও তার বহিঃপ্রকাশ করতে গিয়ে সামাজিক বিবেকে বাধা পেয়ে নিজের মনেই ধুকে ধুকে সেই কারনগুলো শরীর আর মনকে যন্ত্রণা দিতে থাকে।এমন অনেক কিছুই আছে যেটা অন্য স্বাভাবিক মানুষগুলো অবৈধ ও অসঙ্গত মনে করে থাকলেও রাজকুমারের মতো কিছু মানুষের কাছে তা অযৌক্তিক বা বিবেকবর্জিত মনে হয়না।মানিক বন্দোপাধ্যায়ের চতুষ্কোণ নামক উপন্যাসটিতে রাজকুমার নামক মূল চরিত্রের সাথেও তার শারীরিক ও মানসিক অশান্তির কারন হিসেবে কিছু কারন বের হয়ে আসে যেটা অন্য সাধারণ মানুষের কাছে নোংরামিই মনে হয়।রাজকুমারের শরীর এই কারনগুলোর অস্বাভাবিকত্বের মানসিক অশান্তি সহ্য করতে পারেনা। তাই তার শিরা উপশিরা গুলিয়ে অসহ্য মাথা যন্ত্রণার উদ্রেক হয়।তৃষ্ণায় তার জ্বিহবা,কন্ঠনালী শুকিয়ে যায় কিন্তু কোনো প্রকার বাস্তবিক পানীয়তে তার এই তৃষ্ণা নিবারণ হয় না। রাজকুমারের এই তৃষ্ণা যদি তার পুরুষ জীবনের তীব্র যৌন চাহিদা হয়ে থাকে তাহলে সে অকাতরেই সরসী, রিনি, কালী ,আর মালতীর মতো ভরাযৌবনা রুপসীদের মধ্য থেকে যে কাউকেই বেছে নিতে পারতো নিজের যৌনসঙ্গী হিসেবে।কিন্তু রাজকুমার তা করেনি।রাজকুমার নারীর শারীরিক অবয়বের সাথে তার মনের অবয়বের সামঞ্জস্য আর প্রকৃতির মিল খুজতে চায়,ধরন বুঝতে চায়। আর তার জন্য তার দেখতে ইচ্ছা জাগে প্রতিটি আলাদা আলাদা নারীর নিরাবরণ দেহ। রাজকুমারের এই ইচ্ছাটাকে শুধুমাত্র সরসীর মতো কিছু মেয়ে অসঙ্গত আর অবৈধ চোখে দেখেনা।কিন্তু তারপরেও প্রশ্ন রয়ে যায় সরসীদের কি রাজকুমারদের মতো ব্যাক্তিবিশেষকে পাওয়ার ইচ্ছা জাগেনা নাকি সেই পাওয়ার ইচ্ছাকে বিসর্জন দিয়ে,রাজকুমারকে পাবেনা তা নির্দিষ্ট করে জেনে ভালবাসার মানুষের মনের চাহিদা পুরন করেই সরসীরা শান্তি পায়। মানিক বন্দোপাধ্যায়ের চতুষ্কোণ উপন্যাসটি. আপাতদৃষ্টিতে ন্যাকামী মনে হলেও এর ভেতরে রয়েছে রাজকুমারদের সুক্ষ্ম মনোবিজ্ঞান,যার রহস্য আমরা শুধুমাত্র মানিকের চতুষ্কোণ নামক বইয়ের পৃষ্ঠায় একজন রাজকুমারকে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও বিবেকের সংস্পর্শে নিয়ে এসে উদ্ধার করতে পারব।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"চতুষ্কোণ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
চতুষ্কোণ পাতা: 1 / 12
পাতা 2
চতুষ্কোণ পাতা: 2 / 12
পাতা 3
চতুষ্কোণ পাতা: 3 / 12
পাতা 4
চতুষ্কোণ পাতা: 4 / 12
পাতা 5
চতুষ্কোণ পাতা: 5 / 12
পাতা 6
চতুষ্কোণ পাতা: 6 / 12
পাতা 7
চতুষ্কোণ পাতা: 7 / 12
পাতা 8
চতুষ্কোণ পাতা: 8 / 12
পাতা 9
চতুষ্কোণ পাতা: 9 / 12
পাতা 10
চতুষ্কোণ পাতা: 10 / 12
পাতা 11
চতুষ্কোণ পাতা: 11 / 12
পাতা 12
চতুষ্কোণ পাতা: 12 / 12
পাতা / 12
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।