২৪তম মুদ্রণ, ২০২৪
চিলেকোঠার সেপাই
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | চিলেকোঠার সেপাই |
| Author | আখতারুজ্জামান ইলিয়াস |
| Publisher | দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড(ইউ পি এল) |
| Edition | ২৪তম মুদ্রণ, ২০২৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 305 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.47 Kg |
| ISBN | 9789845060523 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
181 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
Rashidul Rifat , Sep 4, 2026
"খুব সুন্দর"
MD Merajul Islam Rifat , Jul 24, 2026
"বইটি খুব ভালো"
8801750924485 , Jul 5, 2026
"নিয়ে নিলাম 😍"
880****508 , May 25, 2026
"good"
Nayan , Feb 6, 2026
"বইটার প্রিন্ট খুবই ভালো। কিন্তু আমার মনে হয় দামটা একটু বেশি। আরো কিছু ডিসকাউন্ট দিলে ভালো হতো"
Nirjor , Sep 16, 2025
"🖤"
Tanvir Ahmed , Mar 11, 2025
"বইটা এখনো পড়া হইনি। তবে বইয়ের পেইজ কোয়ালিটি, বাইন্ডিং অনেক ভালো। নিতে পারেন আপনারা।"
monia jahan , Mar 23, 2024
"highly recommended"
Md. Tanbir Rahman , Dec 31, 2023
"বেস্ট"
Md Shamim Hossain , Oct 5, 2023
"বইটি হাতে পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ ভালো একটি বই"
Md Rayhan Jomadder , Sep 16, 2023
"Delivered perfectly"
SHAMIM HOSSAIN , Sep 15, 2023
"#প্রগতি_বইপোকা_বুক_রিভিউ_প্রতিযোগিতা ❝দেশ আমাকে কী দিয়েছে? তা ভাবার আগে, আমি দেশকে কী দিয়েছি? তা ভাবাটা জরুরী।❞ ভূমিকা: এই প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা শুনলে নাক ছিটকে দূরে যায়। করে নানা কটাক্ষ। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল সেদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ হারলে, সেটাকে ইস্যু করে এরা ৫২-এর ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে করলো আপত্তিকর মন্তব্য। বর্তমান প্রজন্ম এত বেশি ইতিহাস অসচেতন যে, গর্বের ইতিহাসকেও পদদলিত করে। আমি এই প্রজন্মের প্রতি খুবই হতাশ! দেশ এ শুধু এক বাসস্থান নয়, এ অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি। এই বাংলাদেশ সৃষ্টির পিছনে রয়েছে অনেক আত্মত্যাগ, বাধভাঙ্গা রক্তের নহর বয়ে গেছে, নারীর সম্ভ্রম হারিয়েছে। কত আন্দোলন, কত পরিশ্রম, কত প্রান, কত যন্ত্রণা। একাত্তরটা শুধু নয়, এই দেশ অর্জনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে বছরের পর বছর। ১৯৪৭- এ ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হলাম। তথাকথিত বন্ধু ভারতীয়দের নির্মম অত্যাচারে আমরা পরাস্ত হলাম। দিক-বেদিক নেই আমাদের। সাহিত্য থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে ছিল ব্রাহ্মণ্যবাদী আগ্রাসন। অনেক কথা, সেটা আর না বলি। হলাম তো ভাগ! তবে আমাদের ভাগ্য কি বদলালো? কপালপোড়া বাংলাদেশিদের ভাগ্যের পরিবর্তন হলো না আর। ভালোই শুরু করলাম বহু ক্রোশ দূরের বিজাতীয় সংস্কৃতি ও ভিন্ন ভাষার লোকদের সাথে আমাদের নতুন দেশ৷ ৫২-তে এসে করলো ওরা ভাষার উপর আঘাত। এরপর সর্বক্ষেত্রে আগ্রাসন। চললো আমাদের সংগ্রাম। পার হলো, অনেক সময় ও আঘাত এবং বৈষম্য। অতঃপর চলে আসলো সেই গণ-আন্দোলন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান। হ্যাঁ এই প্রেক্ষাপট নিয়েই আখতারুজ্জামান ইলিয়াস লিখেছেন 'চিলেকোঠার সেপাই' নামের এই সেরা উপন্যাসটি। আপনি যদি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস পাঠ না করে থাকেন, তাহলে বাংলা সাহিত্যই আপনার জন্য পরিস্ফুটিত হয়নি। আপনি বাংলা সাহিত্য থেকে বঞ্চিত আছেন। প্রাসঙ্গিক কথা: এই উপন্যাসকে চিরায়ত উপন্যাস বলা যেতে পারে। রাজনৈতিক জনরার উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটাকে নিছক উপন্যাস ভাবলে ভুল হবে। এই উপন্যাসে অসম্ভব সুন্দর করে উঠে এসেছে গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন পূর্ববাংলা বা তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও স্বাধীনতাকামী বিপ্লবীদের স্ফূলিঙ্গ। উঠে এসেছে স্বার্থান্বেষী দেশের স্বাধীনতা বিরোধী নিমকহারাম কিছু অমানুষদের কথা। উঠে এসেছে রাজপথের মিছিল। সেখান থেকেই লেখক নিয়ে গিয়েছেন আন্দোলনের ভিতর। এ যেন সেই সময়ের চিত্র। পড়তে গেলে মনে হবে, আমিই আসীন আছি এই মহারণে। আমরাও দরকার স্বাধীনতা। চাই অধিকার। লেখকের লেখার যে এত তেজ, কি আর বলবো। তবে চলুন ঘুরে আসা যাক সেই সময়ের অস্থিরতায়। কাহিনি বিন্যাস ও রূপায়ণ এবং চরিত্রায়ণ: স্পয়লার আছে, তবে ভয় পাবার দরকার নেই। এটা থ্রিলার সাসপেন্স জনরা নয় যে সব নষ্ট হয়ে যাবে। বরঞ্চ মূল উপন্যাসটি পড়তে আরো বেশি ভালো লাগবে। উপন্যাসের শুরুতে আমরা দেখতে পাই, উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ওসমান দুঃস্বপ্ন দেখে ঘুম থেকে আচমকা উঠেছে। ঘুম ভাঙতেই সংবাদ পায় তার নিচের ভাড়াটিয়ার বড়ো ছেলে মিছিলে গিয়ে শহিদ হয়েছেন। ছেলেকে হারিয়ে সে এক করুণ আর্তনাদের আভাস ভেসে আসছে। রোদন করে যাচ্ছে পিতাশ্রী। ওসমানের কানে এসে এসব বেজে যাচ্ছে। ভাবছে দেশের এমন অবস্থা কবে ঠিক হবে? সেই শহিদি লাশ নিয়েও চলছে পুলিশ ও স্বাধীনতাকামীদের নানা ধরনের কর্ম। শহিদি লাশের জানাজার স্থান ও পুলিশের উপর হামলা করার পরিকল্পনাও চলছে। উপন্যাসের তিনটি প্রধান শাখা আছে। সেই শাখার আছে আবার উপশাখা সেখান থেকেও বের হয়েছে অনেক শিকড়। আমি এই উপন্যাসের তিনটি প্রধান শাখাকে আগে উপস্থাপন করি। ১. ওসমান, ২. হাড্ডি খিজির ও ৩. আনোয়ার। এই উপন্যাস প্রথমে পড়তে গেলে ধীরগতির লাগবে। প্রথমেই আগ্রহ আসবে না। রাজনৈতিক উপন্যাস। তাই ইতিহাসের ছিন্নপত্রের সাথে মিল রাখতে হবে। তাই এমন করে লেখা। তা না হলে ইতিহাসের সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে যাবে। তাই ধীরে এগিয়ে গেছেন লেখক। ধৈর্য নিয়ে শুরু করবেন, বিরক্ত থেকে কিছু সময় পর এমনভাবে মিশে যাবেন এই উপন্যাসের সাথে যে, আর বের হতে পারবেন না। উপন্যাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো, হাড্ডি খিজির। দিনমজুর রিকশাচালক। যে মহাজনের রিকশা খিজির চালায়। সেই একজন পাকিস্তানপন্থী দালাল। খিজিরের মা ও বউও মহাজনের নিকৃষ্ট আগ্রাসন থেকে রক্ষা পায় না। খিজির একা মানুষ। তাই প্রতিবাদ করতে পারে না সামনে থেকে। সব মুখবন্ধ করে সহ্য করে। হাড্ডি খিজির একদম স্বাস্থ্যহীন। তবুও পাকিস্তানের আগ্রাসন বিরোধী সকল মিছিল মিটিংয়ে সবসময়ই থাকতো। এরজন্যে পাকিস্তানের দালাল মহাজন খিজিরকে অপছন্দ করতো। কোনো একদিন মহাজনের প্রতি ক্ষিপ্ত সকল রিকশাওয়ালারা বিদ্রোহ করে বসে গ্যারেজে। সেখানে একপর্যায়ে মহাজনের এক গুণ্ডার সাথে হাতাহাতি হয় খিজিরের। তাই সে মহাজনের আশ্রয় ছেড়ে উঠে পড়ে ওসমানের চিলেকোঠার চার দেয়ালে। এখান থেকেই খিজির ও ওসমানের বন্ধুত্ব হয়। অতীতে একসাথে ওসমান ও খিজির অনেক মিছিল করেছে। তবে চিলেকোঠায় উঠে মিল আরো গাড়ো হয়। চিলেকোঠার একটা ছোটো ঘর থেকে এভাবে সাম্রাজ্যবাদী স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শাসক নামের শোষকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়, তা আমরা এই উপন্যাসে দেখতে পাই। ওসমান একজন ব্যাচেলর চাকুরীজীবি। যার ঠিকানা একটি ভবনের চিলেকোঠার চার দেয়ালের মাঝে। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু আনোয়ার। সে বামপন্থী দলের একজন সক্রিয় নেতা। বাম রাজনীতি করে। আনোয়ারও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। এই হলো মূল তিনটি শাখা। স্পয়লার হচ্ছে আমার বর্ণনায়, তবে এই রিভিউটা শেষ করে বইটা পড়লে আমি মনে করি উপন্যাস বুঝতে সহজলভ্য হবে। চরিত্রগুলো এত সুন্দর করে লেখক সৃষ্টি করেছেন। তা পড়লে মনে হবে, চোখের সামনে বাস্তব চরিত্র হাঁটাচলা করছে। ১৯৬৯ সালে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করে যাচ্ছে। রাজপথে স্লোগান হচ্ছে, ‘জ্বালো রে জ্বালো আগুন জ্বালো’ 'স্বৈরাচারের গদিতে আগুন জ্বালাও একসাথে' এবং ‘জেলের তালা ভাঙবো শেখ মুজিবকে আনবো’। উপন্যাসের একটা দিক খুব করে আলোকপাত হয়েছে। তা হলো, জনগণের আন্দোলন কীভাবে দখল হয়ে যায় রাজনৈতিক দলের হাতে। জনতার আন্দোলন রাজনৈতিক দলের হয়ে যায়। উপন্যাসের খলচরিত্র খয়বার গাজী। সাধারণ গ্রামবাসীর গরু চুরি আর সম্পদ আত্মসাৎ করাই যেন তার মূল লক্ষ্য। জনতা যখন পাকিস্তানের অপশাসনের হাত থেকে মুক্ত পেতে রাজপথে উত্তাপ ছড়াচ্ছিল। সেই সময়ও রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির আড়ালে নিজের আখের গুছিয়ে যাচ্ছিলো কেউ কেউ। খয়বার গাজী এমনই একটা চরিত্র। স্থানীয় ইউনিয়ন বাের্ডের প্রাক্তন সভাপতি ছিল। এরপর এখন সে ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার। রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাবে সে শত-শত বিঘা জমি নিজের কবজা করে নিয়েছে। যমুনায় চর জাগলে সেটাও থাকে খয়বার গাজীর দখলে। এমন কোনো অন্যায় নেই, যা খয়বার গাজীর দ্দ্বারা সংঘটিত হয়নি। এলাকার প্রায় মানুষেরই সর্বনাশ করেছে। পাণ্ডাদের দিয়ে গরু চুরি করিয়ে নিজের খোয়াড়ে রাখে। সেই গরু মালিক নিতে আসলে উচ্চমূল্যের টাকা দিতে হয়। পুলিশও এবিষয়ে অভিযোগ নেয় না। খয়বার গাজীর রাজনৈতিক প্রভাব অনেক। কেউ খয়বার গাজীর অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে, তার অবস্থা ভয়াবহ হয়। মামলাবাজ জঘন্য লোক একটা। চরিত্রও একদম জঘন্য প্রাণীর মতো। খয়বার গাজী পাকিস্তানের সমর্থক। নিজের হাতে কিছু করে না, লােকজন দিয়ে শক্রকে হত্যা করে। নরপিশাচ চরিত্রের ভাস্কর্য এই খয়বার গাজী। লোকদেখানো ভাঁওতাবাজ নামাজি সে। ধর্মের লেবাস পরে সবধরনের অন্যায় সে করে। মিথ্যা এই লোকের প্রধান বাক্য। মিথ্যা বলেই সকলকে মোহিত করে। শহরে অন্যায়ের ঝাণ্ডা ধরে যখন বিপ্লবী সৈনিক হাড্ডি খিজিররা ঝাঁপিয়ে পড়েছে পাকি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, গ্রামেও সেভাবেই ঝাঁপিয়ে পড়েছে চেংটু, করমালি, আলীবক্সরা। তাদের কর্মসূচি আরাে অগ্রসর। তারা অনেক দূরের আইয়ুব খান, পাকিস্তান বাহিনীর পিণ্ডির শােষণ যেমন দেখতে পায়, তেমনই চোখের সামনে খয়বার গাজী, আফসার গাজীদের ভূমিকা আরাে স্পষ্টভাবে দেখে তারা। জানতে পারে, খয়বার গাজীরা সেসব মানুষ যারা স্বৈরাচার আইয়ুব খানের দালাল। তারাও স্বৈরাচার আইয়ুব খানদের শ্রেণি উত্তরসূরি। সাধারণ মানুষের নামে অহেতুক মামলা ঠোকে। ভিটে-মাটি কেড়ে নেয়, কেউ প্রতিবাদ করলে তার লাশ পাওয়া যায় মাঠে-নদীতে। এমনকি হাজার হাজার মানুষের চোখের সামনে নিজের অবাধ্য কিষাণকে পর্যন্ত খুঁটির সাথে বেঁধে পুড়িয়ে মারে। পাকিস্তান বিরোধী মনোভাব দেখালেই শাস্তি পেতে হয়। পাকিস্তানী চাকর একটা। আদালতের মামলায় খয়বার গাজীরা শাস্তি পায় না, মামলায় হারে না। কারণ সরকারের আদালত তাে তাদেরই আদালত। বিচারব্যবস্থার কোনো বালাই নেই। তাই তিক্ত ক্ষোভে ফেটে পড়ে আলী বক্স, করম আলীরা গণআদালত বসাতে চায়। সেখানে বিচার করতে চায় খয়বার গাজীদের মতাে মানুষদের। এরপরেই খয়বারের ডাকাত-চরের বাথান লুট হয়। তার প্রধান অনুচর হােসেন আলী মারা যায় বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে। এখন গণআদালতে বিচার হবে তার। গ্রামের সংগঠিত মানুষ প্রত্যয় ঘােষণা করে। আনোয়ার উপস্থিত। বিচার বসে। বিচারে দস্যু খয়বার গাজীর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। নামাজের জন্য একটু সময় চায়। মৃত্যু পথযাত্রীর শেষ ইচ্ছে বলে তাকে যেতে দেওয়া হয়। ওজুখানা থেকে কৌশলে দড়ি খুলে পালিয়ে যায় খয়বার গাজী। সঙ্গে সঙ্গে যোগ দেয় আওয়ামী লীগে। জেল ফেরত এক আওয়ামী লীগের বড়ো নেতার আশ্রয়ে এই দোসর খয়বার ছাড় পেয়ে যায়। পাকিস্তানপন্থী নিমকহারাম। যে কি-না এমন কোনো অন্যায় নেই যে করেনি। সেই দস্যু আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার সাথে সাথে এর সব দোষ মাফ হয়ে যায়। আহারে......রাজনীতি! এখানে আনোয়ারের আরেকটা রূপ প্রকাশ হয়। আনোয়ার ছিল গ্রামবাসীর পক্ষে। তাদের আন্দোলনের পক্ষে। তবে গ্রামবাসীর আন্দোলনের মনোভাব দেখে আনোয়ার পিছিয়ে যায়। তাদের আন্দোলন উঁচু তলার মানুষ ও সাম্রাজ্যবাদী রাজনীতির বিরুদ্ধে। আনোয়ার ভেবে দেখে, এই আন্দোলন তো আমারই বিপক্ষে। তাই পিছু হটতে থাকে তাদের মধ্যে থেকে। লেখক এখানে বুঝিয়ে দিয়েছে যে, রাজনৈতিক আন্দোলন ও জনতার আন্দোলনের মধ্যে অনেক পার্থক্য। রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন করে, নিজেদের ক্ষমতার জন্য, আর জনতা করে দেশ ও মানুষের জন্য। এখানেই লেখক তার সফল ও সেরা দিকটা দেখিয়েছেন। জাগরণ ও সুপ্ত মনস্ক: ঢাকাতে ওসমান প্রেমে পড়ে তার প্রতিবেশির মেয়ে রানুর। রানুকে ঘিরে জেগে ওঠে তার কামনা। কিন্তু কদিন পরেই রানুর বিয়ের কথা ওঠে। তখন ভেঙ্গে যায় ওসমানের মন। কিন্তু তাতেও তার মিছিলে যাওয়া আটকায় না। বরং বাসা থেকে বেরুতে না পাড়লেই যেন দম বন্ধ লাগে ওসমানের। সব শুনে, দেখে, মিটিংয়ে যায়, আবার মিছিলেও শরিক হয়। কিন্তু তবুও যেন সব কিছুতে শরিক নয়। তাকে ঘিরে থাকে চিলে কোঠার চার দেয়াল। ভাবতে থাকে প্রিয়তমাকে নিয়ে। দেশ নিয়ে করতে থাকে নির্লিপ্ত চিন্তা। আন্দোলনের আলোড়িত সময়ে এক মিছিলে পাকিস্তানী হায়েনার বিষাক্ত বুলেটে শহিদ হয় খিজির। সব উপেক্ষা করে খিজির মিছিলে মুখরিত হয়েছিল। দেশের জন্য স্লোগান দিচ্ছিলো। হায়েনা পাকিস্তানের বুলেটেই শেষ হয় খিজিরের স্বপ্ন ও সাধন। খিজিরের মৃত্যুতে আরো ভেঙে পড়ে ওসমান। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। খুন করতে উদ্দত হয় রানুর ভাই রঞ্জুকে। এসব পাগলামীর খবর পেয়ে গ্রাম থেকে ছুটে আসে বন্ধু আনোয়ার। আনোয়ার ওকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যেতে চাইলেও আনোয়ারের পরিবার মানা করে দেয়। কোনো পাগলকে আশ্রয় দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দেয়। তাই চিলেকোঠাতেই থাকে ওসমান। আর অবচেতন মনে নিজের মতো বলতে থাকে। দিনে দিনে ওসমানের পাগলামী বাড়তে থাকে। খিজিরের অবয়ব এসে অনেক কিছু বলে। ডাকে তাকে মুক্তির জন্য। চিলেকোঠার চার দেয়ালের বাইরে যাবার জন্য ডাকে। ডাকে আবার মিছিলে যাবার জন্যে। খিজিরের এই আহ্বান ওসমানকে আষ্টেপিষ্টে ধরে। পরিণত হয় বদ্ধ উন্মাদে। এক সময় আর সে কাউকেই এমন কি তার বন্ধু আনোয়ারকেও চিনতে পারে না। বাহিরে যাবার জন্য বায়না ধরে। বন্দী হয়ে সে থাকতে চায় না। ছটফট করে মুক্তির জন্য। বের হবে ঘর থেকে। যাবে বাইরে, ঘুরবে মুক্ত স্বাধীন হয়ে। এমন কিছু রোধ করার জন্য ওসমানকে গায়ে হাত তুলেই শান্ত করতে হয়। হঠাৎ একদিন আনোয়ারের ঘুমন্ত থাকা অবস্থায় বেড়িয়ে যায় ওসমান। মুক্ত সে। স্বাধীন সে। এতকিছু বলার কারণ হলো, লেখক ওসমানকে উপস্থাপন করে দেখিয়েছে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আহ্বান করেছে। ওসমানের বুকে যেমন স্বজন হারানোর ব্যথা। তেমনই পূর্বপাকিস্তান তথা বাংলাদেশ। লেখক অসম্ভব সুন্দর করে তা তুলে ধরেছে। আপেক্ষিক তত্ত্ব ব্যবহার করেছে। ওসমানের এই দৃশ্য দিয়ে বুঝিয়েছে পরাধীন ভূখণ্ডের মুক্তিকে। সাহিত্যমান ও গাঁথুনি: উপন্যাসটির অভিনব কাঠামো এবং নতুন ভাষাভঙ্গি, শিল্পমান, রূপ, রস, ছন্দ, সংলাপ, বাক্য গঠন ও বিস্তৃত দারুণ করে ফুটিয়ে তুলেছে লেখক। কোনো কিছুর অভাব রাখেননি লেখক। প্রতিটি চরিত্র সৃষ্টি করাতে লেখক নৈপুণ্য পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। মনের মাধুর্য মিশিয়ে প্রতিটি চরিত্র তিনি সৃষ্টি করেছেন। যা ছিল সর্বসেরা। এত সুন্দর চরিত্র সৃষ্টি করতে পারে কোনো লেখক, তা এই উপন্যাস না পড়লে জানতামই না। সংলাপ ও সাবলীলতা প্রশংসনীয়। ঊনসত্তর সালের গণঅভ্যুত্থানের যারা প্রধান শক্তি ছিল, সেই শ্রমজীবী জনসাধারণ। তারা কীভাবে এই আন্দোলন শুরু করেছিল। তারপর জনগণের আন্দোলন কীভাবে ছিনতাই করে নিলো রাজনৈতিক দল। তা এত সুন্দর করে এর আগে কেউ বলেনি। বামপন্থীদের আহামরি সিধান্ত, ভাঙন, রাজনীতির ময়দান থেকে তাদের পশ্চাদপসরণ ঘটলো, জনগণের আন্দোলন আওয়ামী লীগ বাগিয়ে নিলো। জনগণ বিচ্ছিন্ন হলো। আওয়ামী লীগ প্রধান শক্তি হয়ে উঠলো, উপন্যাসটির উপজীব্য সেই ঐতিহাসিক সময়টুকুই। আন্দোলনের মধ্যে এমন কিছু এনেছে যা অকল্পনীয় ছিল। যা আগে ও পরে তথা এখনও কেউ সেভাবে বলেননি ও বলতে সাহস করেননি। এক উপন্যাসে লেখক কীভাবে পারলো, শহরের আধুনিক উচ্চবিত্ত বুদ্ধিজীবীর পাশাপাশি বস্তি ও গ্রামের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ এবং সকল রাজনৈতিক দল ও দেশের স্বাধীনতা বিরোধী এবং পুঁজিবাদীদের এক গণ্ডিতে আনতে? সব শাখা এক করার দৈব ক্ষমতা লেখকের মধ্যে বিরাজমান। শহরের ঘিঞ্জি বস্তি থেকে শুরু করে যমুনার দুর্গম চর। উচ্চ দালান থেকে শুরু রাজনৈতিক কক্ষ। সব এক মলাটে লেখক আবদ্ধ করেছেন। নিবিড় পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা এবং রাজনৈতিক পারদর্শিতা দারুণ। পরাবাস্তবতা, ঘটনার সাথে চরিত্রের বাস্তবতা, কল্পনা, চেতনা অন্তঃচেতনা ও অবচেতন ও সন্ধির মিশ্রণে প্রতিটি পৃষ্ঠা যেন ভরপুর। উপসংহার: উপন্যাসে দেখা যায় ও বোঝা যায় যে জনগণের আন্দোলনকে আওয়ামী লীগ দখল করে নিয়ে, রাজনৈতিক সমঝোতা খুঁজে যাচ্ছে। আন্দোলন জনগণের। তবে পশ্চিমাদের বোঝাচ্ছে এই আন্দোলন আওয়ামী লীগের। গণআন্দোলন মুহূর্তেই রূপ নিলো রাজনৈতিক কার্যসিদ্ধির আন্দোলনে। সেইভাবে পাকিস্তানী দস্যু খয়বার গাজী আওয়ামী লীগে এসে হয়ে গেল এক দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক। আওয়ামী লীগে ঢুকেই প্রতিবাদী যুবক চেংকুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। যে চেংটু লড়াই করে গেছে বাংলাদেশের পক্ষে। খয়বার গাজীর মতো এক রাক্ষস আওয়ামী লীগের আশ্রয়ে হয়ে গেল স্বর্গের দেবতা। পাকিস্তানের পাণ্ডাটা নিমিষেই হয়ে গেল আওয়ামী লীগের পাণ্ডা। সামনে সুসময় আসছে। কোনো একদিন খয়বার গাজী সাংসদ হবে। এরপর আগের মতোই নিপীড়িত জনগণের উপর জুলুম চালিয়ে যাবে। আগে পাকিস্তানের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে করে গেছে। এখন আওয়ামী লীগের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে একই কাজ করবে। খয়বার গাজীরা ভালোই থাকে। খয়বার গাজীদের শাস্তি হয় না। তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঠিকই হয়। দলবদলে এরা সবসময়ই সুবিধাভোগ করে। শুধু সাধারণ জনগণের কোনো পরিবর্তন হয় না। রক্ত জনগণের, লাভ রাজনৈতিক নেতাদের। তাই খয়বার গাজীরা আজও আমাদের শোষণ করে। খয়বার গাজীরা আজও আছে। এরা আমাদের নেতা ও জনপ্রতিনিধি হয়ে সকল অপকর্ম আমাদের ঘাড়ে বসেই করে। রাজনীতি থাকতে আর চিন্তা কী? যেমন লেগেছে: রাজনীতি ও স্বাধীনতা সংগ্রাম আমার অতন্ত্য পছন্দের বিষয়। সেই সুবাদে অসম্ভব সুন্দর লেগেছে। লেখার মান নিয়ে আগেই বলেছি। সেরা উপন্যাসের তালিকায় এই উপন্যাস আমার ভালো লাগার তালিকায় সবসময়ই থাকবে। যে জন্য পড়বেন উপন্যাসটি: যদি দুঃসময়ের সেই অস্থির মুহূর্তের মধ্যে প্রবেশ করতে চান। যদি নিজেদের গৌরবের ইতিহাস জানতে চান গল্পকারে। যদি মিশে যেতে চান সেই সময়ের সাথে। যদি সামিল হতে চান এক শহিদি ও যোদ্ধা কাফেলার সাথে। যদি উজ্জীবিত হতে চান নব উদ্দামে। দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার যদি একটুও স্বাদ পেতে চান। যদি নিজেদের জন্মতিথির পাণ্ডুলিপি পড়তে চান। যদি জানতে আসলেই দেশ ও স্বাধীনতা কী? পরাধীনতার শিকলে বন্দী জীবন কেমন? মুক্তি কেন দরকার? দেশকে কেন ভালোবাসবো? কেন দরকার সুষ্ঠু নির্বাচন ও সার্বভৌমত্ব? গণতন্ত্রের দরকার কী? অধিকার কাকে বলে? ভালোবাসা ও দেশপ্রেমের নিবিড় পরিচর্যা যদি পেতে চান। তাহলে আপনার জন্য এই উপন্যাস পাঠ করা জরুরী ও আবশ্যিক। এই উপন্যাস যদি আপনার টেবিল, আলমারিতে বা বুকশেলফে না থাকে। তাহলে আপনার সংগ্রহশালা বেমানান ও শূন্য মনে হবে। আত্মা ছাড়া দেহের মতো লাগবে। তাই করজোড়ে অনুরোধ করবো, একবার হলে-ও এই মহাকাব্যিক উপন্যাসটি পাঠ করে দেখবেন। জোর দিয়ে বলবো, হতাশ হবেন না। তৃপ্তি ও শান্তি পাবেন। বই সম্মন্ধে: বাঁধাই দারুণ। কাগজ চমৎকার স্বচ্ছ। তবে লেখাগুলো কিছুটা ছোটো। আরেকটু বড়ো হলে চোখের শান্তি লাগতো। প্রচ্ছদ ব্যাপক লেগেছে। উজ্জ্বল ঝকঝকে লেখা। সবকিছু মিলিয়ে সুন্দর ছিল। হার্ডকাভার ও জ্যাকেট দেওয়া। হার্ডকাভারের নিচে উন্নত এক ক্রিম কালারের কাগজ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বই দীর্ঘস্থায়ী করতে সক্ষম। নাম- চিলেকোঠার সেপাই লেখক- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জনরা- রাজনৈতিক পৃষ্ঠা সংখ্যা- ৩০৪ ধরণ- উপন্যাস প্রচ্ছদ- সমর মজুমদার প্রকাশকাল- ১৯৮৬ গায়ের দাম- ৩৩০ রিভিউয়ার- শামিম হোসাইন"
Saif Roman , Aug 14, 2023
"১৯৬৯ সালের পূর্ব বাঙলা। কী এক জীবনস্পী মন্ত্রের মুখে বিস্ফারিত চারদিক। কেঁপে ওঠে নগর ঢাকা। কাঁপে শহর, বন্দর, গঞ্জ, নিভৃত গ্রাম, এমনকি যমুনার দুর্গম চর এলাকা। কখনো কঠিন বুলেটের আঘাতে, কখনো ঘুম ভেঙ্গে দেওয়া আঁধির ঝাপটায়। মিটিং আর মিছিল আর গুলিবর্ষণ আর কারা ভাঙা আর গণআদালত সব জায়গায় ফেটে পড়ে ক্ষোভ ও বিদ্রোহ। সব মানুষেরই হৃদয়ের অভিষেক ঘটে একটি অবিচল লক্ষ্যে—মুক্তি। মুক্তি? তার আসার পথও যে একরকম নয়। কারো স্লোগান, দিকে দিকে আগুন জ্বালো', কারো 'পদ্মা মেঘনা যমুনা'। কেউ দাঁড়ায় এই সারিতে, কেউ ঐ সারিতে দাঁড়িয়ে খোলা আকাশের দিকে দৃষ্টি রাখে। মুক্তির স্বাদ কি এমনই। উষ্ণ থেকে উষ্ণতর হয় ঢাকা। সেই ঢাকার মিষ্টি গলির মধ্যে একটি বাড়ি। সেই বাড়িতে থাকে একজন, নাম যার ওসমান গনি ওরফে বহু। যে সব শোনে, দ্যাখে, মিটিতে যার মিছিলেও যায়। তবু কিছুতেই সে যেন শরিক নয়। তাকে ঘিরে রাখে তার চিলেকোঠার চার দেওয়াল। ওই দেওয়াল বিচ্ছিন্নতার ও আত্মপ্রেমের। তার প্রতিবেশী তারই সহকামী আরেক বন্ধু এক কিশোর। তার তরুণী বোনের প্রতি ওসমান আসক্ত, মেয়েটির শরীর সে কামনা করে। কিন্তু প্রেম তার কিশোর বস্তুর প্রতি। এই প্রেমের খাঁচা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ওসমানের ডানা তিরতির করে, কিন্তু অত সহজ কি বেরুনো? গণঅভ্যূত্থানে সন্ত্রস্ত শাসকদের নতুন করে আরোপ করা সামরিক শাসনের নির্যাতন শুরু হলে বন্ধুরা যখন বিহ্বল, ওসমানের ডানায় তখন লাগে প্রবল বেগ। সহনামী কিশোরকে সে চুম্বনে রক্তাক্ত করে"
Al Amin Sarker , Jul 16, 2023
"১০০ তম বই হিসেবে শেষ করলাম চিলেকোঠার সেপাই। কোথায় জানি এরকম পড়েছিলাম কেউ যখন ৫০টা বই পড়ে ফেলে তারমধ্যে এরকম ধারণা জন্মে যে সব কিছু জেনে গেছি। আর যে ৫০০ বই পড়ে তার ধারণা হয় যে এখনো কত কিছু জানার বাকি রয়ে গেছে! আমি হয়তো এই ধারণার মাঝামাঝিতে অবস্থান করছি। মাঝে মাঝে মনে হয় কত গুলো বই তো পড়ে ফেললাম কত কিছু জেনে গেছি। কিন্তু এটাও মনে হয় যে মাত্র ১০০ টা বই পড়লাম কেবল, এখনো কত কিছু পড়ার জানার বাকি রয়ে গেছে। “চিলেকোঠার সেপাই” মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালীন সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠে সাধারণ জনতা। প্রবল গণ-আন্দোলন তথা উত্তাল ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ মুজিবুর রহমানকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়। গ্রাম-শহর সব জায়গায় আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পরে, এরই মধ্যে দলবদলের এক আচ পাওয়া যায়। অনেক রক্তচোষা ভালো মানুষের রূপ ধারণ করে। যার খেসারত এই যুগেও আমাদের স্বাধীনতা নামক সত্তাটি খুজে ফিরতে হচ্ছে। "কয়েকটা বই পোড়ালেই আইয়ুব খান মরে না, আইয়ুব খান গেলে আরেক আইয়ুব খান আসবে। ওয়েস্ট পাকিস্তানের সব আইয়ুব খানকে শেষ করলে বাঙালীদের মধ্যে এক নতুন আইয়ুব খান এমার্জ করবে"।"
Mahib Afrid , May 18, 2023
"গুড"
malini sheikh , Jun 28, 2022
"অসাধারণ একটি বই।আর রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে সার্থক।"
azhar mahmud , Jun 25, 2022
"দারুণ"
লু ব না , Jun 20, 2022
"Valo"
tareq islam , Jun 14, 2022
"it is good."
Alim Hasan Ferdouse , Jun 3, 2022
"Excellent"
Nusrat Jahan Azad , Mar 12, 2022
"Good"
Md Morshed Alam , Mar 8, 2022
"বইটা খুব সুন্দর। বইটা পড়ে অনেক কিছু জানা যায়।"
Harun Naim , Mar 3, 2022
"Good"
Shahzadi Rufaida , Feb 22, 2022
"bebebe"
Muhammad Sakib Ibtidha Chowdhury , Feb 18, 2022
"A fantastic novel."
ASIF-UL-HAQUE , Feb 14, 2022
"Very good book. Must Read"
Saroar Jahan , Feb 13, 2022
"অসাধারণ"
Muhammad Sultan Mahmud , Feb 3, 2022
"অসাধারণ উপন্যাস"
Muhommad Badiuzzaman Dider , Jan 19, 2022
"দারুন একটি বই।"
Riadul Islam , Jan 17, 2022
"পন্যের গুনগত মান ভালো এবং যথাসময়ে ডেলিভারি করা হয়েছে"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
10 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
এটার পৃষ্ঠা সংখ্যা কত
নিয়ে নিলাম
Eita koto age er porar jonno?
বইটি কত সালে প্রকাশিত হয়েছে?
বইটির পৃষ্ঠা কি সাদা নাকি ঈষৎ হলুদাভ?
পেজ কয়টা আছে উপন্যাসটিতে,চিলেকোঠার সেপাই
এই বইয়ের মলাট কি হার্ড কপি?
is it letest edition or old
বইটির কি পুরাতন কপি দেয়া হবে ?
উপন্যাসের খাতিরে যে কারো পড়ার জন্য বইটি কেমন হবে?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"চিলেকোঠার সেপাই" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: