১ম প্রকাশ, ২০২২
বুড়ো নদীটির পায়ের কাছে
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | বুড়ো নদীটির পায়ের কাছে |
| Author | বাদল সৈয়দ |
| Publisher | বাতিঘর |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 160 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.21 Kg |
| ISBN | 9789849607144 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
9 Ratings and 8 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৮টি
Shohag , Feb 16, 2024
"খুব ভালো!"
shariful , Feb 22, 2023
"অসাধারণ"
Joie , Sep 20, 2022
"অনেক দিন এত সুন্দর থ্রিলার পড়িনি। ❤"
মনিরুল , Sep 20, 2022
"খুব খুব ভালো লেগেছে বইটি।"
Ayesha Akter , Sep 20, 2022
"Excellent"
Rehnuma Rubayat Prapty , May 23, 2022
"মনের কথা মুখে ফুটে বলতে না পারার মতো কষ্ট আর নেই। যারা শারীরিক ত্রুটি জনিত কারণে কথা বলতে পারে না তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করার একটি প্রযুক্তির নাম ❝ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেস❞। তবে এটি অহরহ সবাই ব্যবহার করতে পারে না। বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ফলে মেধাবী এই বিজ্ঞানীর মস্তিষ্কের সকল চিন্তা ভাবনা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব ছিল না। এজন্য এগিয়ে আসে মাইক্রোপ্রসেসর নির্মাতা মার্কিন প্রতিষ্ঠান ইনটেল। কম্পিউটারের মাধ্যমে স্টিফেনের ভাবনা মেসেজ আকারে প্রকাশ করার এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। কম্পিউটারের মাধ্যমে স্টিফেনের গালের পেশীর নড়াচড়ার মাধ্যমে তার ভাবনা হরফে পরিণত হয়। এর সাহায্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচার এবং গবেষণা চালাতে পারেন। ২০১৪ সালে বাংলাদেশী তরুণ এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন এই প্রযুক্তিকে আরো উন্নত করেন যা ভাবনাকে বাংলা লেখায় পরিণত করতে সক্ষম। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববদ্যালয়ের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী নাদিম। গবেষণা করে সে আবিষ্কার করেছে এক অসাধারণ প্রযুক্তি। সোজা ভাষায় একে বলা যায় ❝TTS❞। আপনারা ভাবছেন এ আর এমন কি! ❝Text to speech❞ প্রযুক্তি তো আবিষ্কার হয়েই আছে। তাহলে ভুল ভাবছেন। নাদিমের আবিষ্কার করা ❝TTS❞ ভাবনাকে কথায় রূপান্তর করে। অর্থাৎ ❝Thought to speech❞। নাদিম এই প্রযুক্তিটি উদ্ভাবন করে স্টিফেন হকিংকে লক্ষ্য করে। পরে সে অনুভব করে এ উদ্ভাবন বাকশক্তিহীনদেরও কাজে আসবে । নতুন আবিষ্কার নিয়ে বিভিন্ন প্রফেসরের দারস্থ হলেও তার প্রস্তাবনা শুনে তারা তাকে খেদিয়ে দিয়েছে অবাস্তব বলে। উপায়ান্তর না দেখে নাদিম দেখা করে বাংলাদেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলামের সাথে। যাকে সবাই ডাকে ❝স্যার জেএন❞ নামে। স্যার জেএন নাদিমের এ উদ্ভাবন নিয়ে স্টিফেন হকিংয়ের কাছে প্রস্তাব দেয় এবং দেখা যায় এ প্রযুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব। নাদিম অপেক্ষা করতে থাকে তাদের উত্তরের। এরই মাঝে স্যার জেএন মারা যান সাথে কেমব্রিজে যোগাযোগের নাদিমের শেষ সুতোটুকুও ছিঁড়ে যায়। এভাবেই দিন পার করতে থাকে সে। সালটা ২০১৩। নাদিমের এ প্রযুক্তি জেনে যায় বিখ্যাত কর্পোরেট কোম্পানি। তাকে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং বিপুল টাকার হাতছানি দেখিয়ে আমেরিকা নিয়ে যায় মিস্টার ❝নো ফেস❞ খ্যাত কোম্পানির মালিক। পর্দার আড়ালে থেকে গোপনীয়তার সাথে নাদিমের উদ্ভাবন নিয়ে কাজ চালানোর জন্য বিশাল ব্যবস্থা করে। একইসাথে আরেক কোম্পানির কর্ণধার ❝বি❞ ও ছুটছে একই উদ্ভাবনের পিছে। নাদিমকে তারও চাই। দুই কোম্পানির প্রযুক্তির খেলা চলতেই থাকে। একজনের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ফাঁক বের করে আরেকজন জেনে নিচ্ছে গোপন সংবাদ। এভাবেই চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত নাদিমের এই উদ্ভাবনে কার রাজত্ব হবে? নাদিমেরই বা কী হবে? পাঠ প্রতিক্রিয়া: বইয়ের শুরুতেই লেখা থ্রিলার। কর্পোরেট দুনিয়ার প্রতিযোগিতার রেষারেষি, গোপনে একে অপরকে মনিটর করা, একজনের সিক্রেট আরেকজন নিয়ে আরো লাভবান হওয়া এই নিয়েই বইটি সাজানো। মাস্টার্স পড়ুয়া নাদিমের আবিস্কার নিয়ে কর্পোরেট দুনিয়ার কর্তৃত্বের কারসাজি শুরু হয়। নাদিমকে তাদের চাই। বুদ্ধি খাটিয়ে এক কোম্পানি পেয়ে গেলেও তাকে লুকিয়ে রেখে গবেষণা কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে তাদের প্রচুর পরিকল্পনা করতে হয়। শেষে এসে প্রায় সব ওলট পালট হয়ে যায়। লেখকের গল্প বলার ধরন বেশ ভালো। থ্রিলার হিসেবে উপস্থাপন করলেও বইটাকে পারফেক্ট থ্রিলার বলা যাবে না। কর্পোরেট দুনিয়ার কালো দিকটাই গল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। যার আবিষ্কার নিয়ে এতো টানাটানি সে নাদিম-ই বইতে ছিল পার্শ্ব চরিত্রের মতো। খুবই কম উপস্থিতি ছিল তার। দুই কোম্পানির একে অপরকে প্রযুক্তি আর বুদ্ধিমত্তায় টেক্কা দেয়াটাই বইতে প্রাধান্য পেয়েছে। টানটান থ্রিলার না হলেও লেখার ধরনের জন্য পড়তে বেগ পেতে হয়নি। খুবই ফাস্ট ছিল বই। স্মুথলি পড়ে যাওয়া গেছে। তবে খুব বেশি আশা নিয়ে পড়তে বসলে হতাশ হতে হবে। বইয়ের শুরুটা বেশ ভালো হলেও শেষে এসে একদম খেই হারিয়ে ফেলেছে। নাদিমের উপস্থিতি আরো বেশি দরকার ছিল। এবং শেষে এসে নাদিমের পরিণতি কী হলো বা তার এই প্রযুক্তিরই বা কী হলো সেরকম কিছুই বর্ণনা ছিল না। থাকলে বইটা পূর্ণতা পেত। আমার মনে হয়েছে লেখক শেষে এসে বেশ তাড়াহুড়ো করে সমাপ্তি ঘটিয়েছেন। চরিত্র গুলোর প্রাণবন্ত বিচরণ থাকলে পড়া শেষে হয়তো তৃপ্তি পেতাম। লেখক বইতে স্টিফেন হকিংয়ের স্ত্রীর কথা উল্লেখ করেছেন, স্টিফেন হকিংয়েরও স্বল্প উপস্থিতি দেখিয়েছেন। প্রযুক্তি সম্পর্কে বেশ ভালো তথ্য দিয়েছেন। সব মিলিয়ে মোটামুটি ধরনের লেগেছে ❝বুড়ো নদীটির পায়ের কাছে❞ । তবে বইয়ের শেষের পৃষ্ঠায় একটা লাইন ছাড়া বইয়ের এই নামকরণের কোনো সার্থকতা খুঁজে পাইনি।"
Razu , Apr 17, 2022
"সমাপ্তি আরো একটু ভালো হতে পারতে।"
Sanaul Iftakar Alam Suvo , Jan 31, 2022
"ঘটনাপ্রবাহ গতানুগতিক ধারার হলেও সমাপ্তিটা এলোমেলো মনে হলো আমার।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"বুড়ো নদীটির পায়ের কাছে" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: