১ম প্রকাশ, ২০২৫
বনানী কবরস্থান
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | বনানী কবরস্থান |
| Author | আবদুল্লাহ আল মামুন (কাইকর) |
| Publisher | নয়া উদ্যোগ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 160 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.32 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
205 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
Hasan Sarker Tamim , Oct 14, 2025
"সুন্দর স্ক্রিপ্ট"
Rifat Munim , Mar 20, 2024
"সুন্দর ছিল"
Tanvir Zaman khan , Dec 22, 2023
"জঘন্য।এত বাজে বই জীবনে কমই পড়েছি।মাইনাস রেটিং দেয়া গেলে তাই দিতাম"
880****280 , Nov 26, 2023
"দুর্দান্ত বই৷"
Fahad Bin Aman , Oct 13, 2023
"গল্পের শুরুটা খুব ইন্টারেস্টিং। 👍"
Md. Zahid Anwar Joney , Jul 29, 2022
"golper suru ta podle samner dikee aro agiye jete mon chaibe kintu golper character gulu ektir sathe onno tir link nei. Ending ta khub baje ebong guja mil hoyese."
Ashikur Rahman , Jun 13, 2022
"অপরিণত লেখা মনে হইছে।"
Emtiaz Rahman Tamim , May 25, 2022
"well"
Dr. Md. Sabbir Hossain , May 2, 2022
"বইয়ের লেখাগুলো অগোছালো মনে হয়েছে। কাহিনির প্লট ভালো ছিল,কিন্ত লেখক টা ঠিক মত গুছিয়ে আনতে পারেন নি। হতাশ হয়েছি বইটি পড়ে।"
Rafia Rahman , Apr 28, 2022
"◑নাম: বনানী কবরস্থান ◑লেখক: আব্দুল্লাহ আল মামুন ◑জনরা: থ্রিলার ◑প্রচ্ছদ: মাসুদ হোসেন ◑প্রকাশনী: শিখা ◑প্রথম প্রকাশ: বইমেলা ২০২২ ◑পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬০ ◑মুদ্রিত মূল্য: ৩৬০/- এই রহস্যময় জগতে রহস্যের অন্ত নেই। কিন্তু সবচেয়ে রহস্যময় কী? মনস্তত্ব... ● ফ্ল্যাপ — চানু বললো,'এইহানে সব বড়োলোকদের কবর, তাই না?' লোকটা হেসে বললো, 'হুম'। চানু কৌতুহলী কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো,'সবচেয়ে বেশি বড়োলোকের কোনহানে কবর? জানেন আপনে?' লোকটা কিঞ্চিৎ হেসে বললো, 'সবচেয়ে বড়োলোক কে তা বলা মুশকিল। বলতে পারবো না সঠিক। কিন্তু, আপনি শুনে কী করবেন? ' চানু লজ্জা পেল। লোকটা চানুর লজ্জা পাওয়া দেখে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, 'বলুন। কী দরকার? ' চানু লজ্জা গলায় কাশি দিয়ে বললো,'আমারও তো এই কবরস্থানে চল্লিশ দিন পর কবর হইবো, তাই। বেশি বড়োলোক যেইহানে ওইহানেই কবর হইবো।' লোকটা হাসবে না-কি কী বলবে বুঝতে পারছে না। পাশেরজন চানু মিয়াঁর কথাবার্তা শুনে হা করে তাকিয়ে আছে। চানু মিয়াঁ বললো, -এই কয়দিন ভালো থাকেন। দেখা হইবো। মাটি দেওনের দাওয়াত রইলো। আমার কবরে মাটি দিয়েন। আসি। ভালো থাইকেন। ● আখ্যান — অন্ধকার শীতের রাতে ভ্যানগাড়ি টেনে নিয়ে যাচ্ছে চানু মিয়াঁ। বনানী কবরস্থানের কাছাকাছি আসতেই যেন শীত আর অন্ধকার পাল্লা দিয়ে বেড়ে গেল! কি যেন হঠাৎ বেঁধে গেল গাড়ির চাকার সাথে... ভয়ের শীতল স্রোত বয়ে গেল মেরুদণ্ড বরাবর... বিভৎস লাশ! বনানী কবরস্থানে পাওয়া লাশের কেস যখন সমাধানের দ্বারপ্রান্তে তখনই এসআই রঞ্জিত সরকারের হাতে আসে এসিডদগ্ধ লাশের কেস। কেন যেন মনে হতে থাকে যোগসূত্র আছে কোনো! রহস্যের কূলকিনারা না হতেই পাওয়া যায় আরও একটি লাশ! খুনের ধরণ একই। তাহলে কী কোনো সাইকোপ্যাথ হানা দিয়েছে জনপদে? ● পর্যালোচনা ও প্রতিক্রিয়া — প্রথমেই বলি সাইকো থ্রিলার দেখে অনেক আশা নিয়ে পড়লে নিরাশ হওয়ার সম্ভাবনা কিন্তু ভালোই। কাহিনীর শুরু অনেক বেশিই স্লো। ১৬০ পেজের বইয়ে মূল কাহিনীর শুরু বলতে ১০০ পেজের পর থেকে। মনস্তত্ব এমনই এক রহস্যজাল যার বাঁধন ছিন্ন করা অসম্ভবই বলা চলে। কার মনে কি আছে যেমন বলা যায় না তেমনি হঠাৎ করে মন বদলিয়ে যাওয়ার কারণও অনেক সময় বোধগম্য হয় না। "বনানী কবরস্থান"- এর ভিত্তি মূলত এটাই; বিভিন্ন চরিত্রের রহস্যময় আচরণই দেখা গেছে বারংবার। লাশ দেখে চানু মিয়াঁর মন বদলিয়ে যায়, প্রতিজ্ঞা করে বসে গরীব হয়ে জন্মাতে পারে কিন্তু মৃত্যুর পর ধনী হবে। বনানী কবরস্থানে ধনীদের পাশেই তাকে মাটি দিতে হবে। বইয়ের অধিকাংশ চরিত্রকেই লেখক রহস্যময় হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। আর এইজন্য ব্যবহার করেছেন বহু দার্শনিক উক্তি ও আলোচনা। প্রথমদিকে দার্শনিক আলোচনার পরিমাণ এত বেশি ছিল যে সংসয়ে পড়ে গিয়েছিলাম আদোও কি থ্রিলার বই পড়ছি! সাইকো থ্রিলার বইয়ের মূল আকর্ষণ কে? অবশ্যই শিকারী বা খুনি। কিন্তু বইয়ে খুনি আড়ালেই থেকে গেছে। খুনগুলো কিভাবে হচ্ছে, ভিক্টিম চুজ করছে কিভাবে, কেন তাদেরই করছে এসব নিয়ে কিছুই বলা হয়নি। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো সাইকোপ্যাথ হয়ে উঠার অতীতও অনুপস্থিত বইয়ে। "পরিশিষ্ট"- অংশে লেখক বলেছেন সাইকোপ্যাথের অপরাধ করার জন্য উদ্দেশ্য ও নির্দিষ্ট বয়স লাগে না। কারণ "পরমানন্দ"। বয়সের কথা ঠিক তবে উদ্দেশ্য থাকে না? সাইকো কিলার তো আর কেউ রাতারাতি হয়ে উঠে না। শিকারী পছন্দের ক্ষেত্রে সাইকোপ্যাথ হয়ে উঠার অতীতই কিন্তু প্রতিফলিত হয়। আর "পরমানন্দ" তো তখনই পাবে যখন উদ্দেশ্য পূরণ হবে। চরিত্র সম্বোধনেও সমস্যা আছে। লেখক অধিকাংশ সময়ে চরিত্রগুলোকে সম্পূর্ণ নাম ধরে সম্বোধন করেছেন। যদি পরপর দু'লাইনে একই ব্যক্তির কথা থাকে তখনও সম্পূর্ণ নাম! বিষয়টা অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। লেখকের একই সাথে প্রশ্ন করে উত্তর দেওয়ার বিষয়টা বেশ বিরক্তিকর লেগেছে। খুনির একপাটি জুতা চুরির ব্যাপারটা বুঝলাম না। তবে খুনির পরিচয় অনুমেয়। ● লেখনশৈলী — কাহিনী যথাসম্ভব সহজভাবেই উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন লেখক। তবে কল্পপটের আলোচনা থেকে পারিপার্শ্বিক আলোচনা বেশি হয়েছে। খুন-খুনি নিয়ে আলোচনা আরও হলে ভালো হতো আমার মতে। কিছু ব্যাকরণগত ত্রুটিও রয়েছে। ● চরিত্রায়ন — বেশকিছু চরিত্রের আলোচনা রয়েছে বইয়ে। 'আলো', যাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে মৃত্যুর পর তাকে মাটি না দেওয়ার ফন্দি আঁটে। 'চানু মিয়াঁ', লাশ দেখের পর মৃত্যুকে বড় করে দেখা শুরু করে। 'আরিফ', হঠাৎ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়, কারণ কারো জানা নেই। এছাড়াও আছে জয়নব, বেদেনা বেগম, ফরহাদ, আকিব আরও অনেকে। এসআই রঞ্জিত সরকারের চরিত্র হতাশ করেছে আমাকে। সাইকো কিলারের প্রতিপক্ষ হিসেবে মোটেও যুতসই লাগে নাই। সমানে সমানে লড়াই না করতে পারলে খেলা জমবে কিভাবে? দূর্বল চরিত্র। ● প্রোডাকশন — বইয়ের বাঁধাইয়ের মান ভালো, আরামসে পেজ উল্টিয়ে পড়া যায়। পেজের মানও যথেষ্ট ভালো। ● বানান ও সম্পাদনা — সম্পাদনার মান ভালোই বলা চলে। তবে টুকিটাকি কিছু বানান ভুল আছে। 'ঁ ', 'ই', 'ঈ'- এর ব্যবহারে অল্প কিছু ভুল আছে। বিরামচিহ্নের ব্যবহারেও কিছু ত্রুটি রয়েছে। ● প্রচ্ছদ ও নামলিপি — প্রচ্ছদ মানানসই। কবরস্থান আর চানু মিয়াঁর প্রতিফলন ঘটেছে প্রচ্ছদে। নামলিপির স্টাইলটা ইউনিক, সোজা-উল্টো করে লেখা। কিন্তু কভারে লেখকের নাম বাদে তিনবার বইয়ের নাম! সাইকো থ্রিলার শুনে থ্রিল-রহস্য, টানটান উত্তেজনা যেমনটা আশা করেছিলাম ; তেমনটা পাইনি। পরবর্তী সংস্করণে ত্রুটিগুলো সংশোধন করা হবে বলে আশা রাখি। সাইকো থ্রিলার হিসেবে না বরং সমকালীন থ্রিলার হিসেবে পড়লে পাঠকের হতাশার পরিমাণ কমলেও কমতে পারে।"
Aridee Hasan Sakib , Apr 27, 2022
"বইয়ের নাম :- বনানী কবরস্থান। লেখক :- আব্দুল্লাহ আল মামুন জনরা :- থ্রিলার প্রকাশনী :- শিখা প্রকাশনী প্রথম প্রকাশ :- ফেব্রুয়ারি ২০২২ মুদ্রিত মূল্য :- ৩৬০ টাকা 💢ফ্ল্যাপ থেকে :- চানু বললো, ‘এইহানে সব বড়োলোকদের কবর, তাই না?’ লোকটা হেসে বললো, ‘হুম’। চানু কৌতূহলী কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলো, ‘সবচেয়ে বেশি বড়োলোকের কোনহানে কবর? জানেন আপনে?’ লোকটা কিঞ্চিৎ হেসে বললো, ‘সবচেয়ে বড়োলোক কে তা বলা মুশকিল। বলতে পারবো না সঠিক। কিন্তু, আপনি শুনে কী করবেন?’ চানু লজ্জা পেল। লোকটা চানুর লজ্জা পাওয়া দেখে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, ‘বলুন। কী দরকার?’ চানু লজ্জা গলায় কাশি দিয়ে বললো, ‘আমারও তো এই কবরস্থানে চল্লিশ দিন পর কবর হইবো, তাই। বেশি বড়োলোক যেইহানে ওইহানেই কবর হইবো।’ লোকটা হাসবে না-কি কী বলবে বুঝতে পারছে না। পাশেরজন চানু মিয়াঁর কথাবার্তা শুনে হা করে তাকিয়ে আছে। চানু মিয়াঁ বললো, কয়দিন ভালো থাকেন। দেখা হইবো। মাটি দেওনের দাওয়াত রইলো। আমার কবরে মাটি দিয়েন। আসি। ভালো থাইকেন। 💢অনুভূতিকথন :- বইটা শুরুর দিকে মোটামুটি ভালোই লাগছিলো। তবে ৬০ পৃষ্ঠার বই পড়তে আমায় বেশ বেগ পেতে হয়েছে। কেননা মাথায় একটা প্রশ্নই ঘুরছিলো, আমি কোন জনরার বই পড়ছি.? ১১৫ পৃষ্ঠার পর বইটা পড়ে মোটামুটি ভাল লেগেছে। বইটা নিয়ে যতটা আশা ছিলো ততটা উপভোগ করতে পারিনাই। প্রকৃত দোষি ধরা পড়লো না। আর খুব খাপছাড়া মনে হয়েছিলো কাহিনী, কোন আগামাথা খুজে পাচ্ছিলাম না। তবে কিছু কিছু জিনিস খুব ভালো লেগেছে। বইটা নিয়ে বেশি আশা না করে পড়া যায়। আমি মনে করি যদি কেউ বইটা পড়তে চান। তাহলে থ্রিলার জনরা না ভেবেই বইটা পড়বেন। তাহলে আপনার ভালো লাগবে আশাকরছি। 💢চরিত্রকথন :- আরাফাত সাহেবে, জামান সাহেবে, হাকিম মিয়াঁ, রাজ্জাক সাহেব, জয়নব খাতুন, ফরহাদ মিয়াঁ, চয়ন, আলো, অতনু, চানু মিয়াঁ, বেদেনা বেগম, আরিফ, দুদু মিয়াঁ, আহসান সাহেব, এস আই রঞ্জিত সরকার, আকিব, কন্সটেবল রফিক সহ বহু চরিত্র মিলেই মূলত এই বই। ১৬০ পৃষ্ঠার বই অনুসারে চরিত্র অনেক বেশি মনে হয়েছে। আলো, চয়ন, চানু মিয়াঁ, রঞ্জিত সরকার মূল চরিত্র। রঞ্জিত সরকারের চরিত্র টা আমার ভালোই লাগেনি। এমন একটা গল্পে পুলিশ চরিত্র দুর্বল মেনে নেয়া যায় না। তাদের কার্যকলাপ অনেক হাস্যকর লেগেছে। তবে প্রত্যেকটা চরিত্রে মোটামুটি রহস্যের ছোয়া আছে। যা আপনাকে বইটি শেষ করতে বাধ্য করবে। 🗨️বিশেষ লাইন :- ১. মানুষ আসলেই অদ্ভুত প্রাণী। এদের বোঝার কোনো উপায় নেই। মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে তারা যেভাবে আকুতি-মিনতি করে সবার কাছে ক্ষমা চায়, ঠিক সেভাবেই মৃত্যুঝুঁকি কেটে গেলে হো হো করে হেসে ওঠে। ২.কিছু সাইকোপ্যাথ রহস্য তৈরি করতেই পছন্দ করে। তাদের রহস্য তৈরি করতে ভাল লাগে। এমনকি এরা মৃত্যুর পূর্বেও একটা রহস্য তৈরি করে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। হয়তো তাদের বিশ্বাস, মৃত্যুর পরেও তারা এই পৃথিবী দেখতে পারবে, সেজন্য তারা এমন করে যায়.! ৩.একজন সাইকোপ্যাথের অপরাধ করার জন্য কোনো উদ্দেশ্য ও নির্দিষ্ট বয়স লাগে না। অপরাধই তার একমাত্র উদ্দেশ্য। বলা যায় তার কাছে অপরাধ এক ধরনের প্রশান্তি বা পরমানন্দ! 💢প্রচ্ছদ, প্রোডাকশন, বানান ও সম্পাদনা :- মাসুদ ভাই মোহনীয় প্রচ্ছদ করেছেন।প্রচ্ছদ আপনাকে বই পড়ায় অবশ্যই আকর্ষিত করবে। প্রচ্ছদে চানু মিয়া ও কবরস্থান দেখানো হয়েছে। রহস্য লুকিয়ে আছে ভেবে অনেকেই বইটা সংগ্রহ করবে এবং বইটা পড়ার বাসনা রাখবে। প্রোডাকশন মোটামুটি ভালোই। কিছু বানান এর দিকে সর্তক হওয়া উচিত। তবে সম্পাদনা দক্ষ লোক করেনি আমি মনে করি। 🌿মুক্ত আলোচনা :- নগদ নিবেদিত দেখে কি বইয়ের উপর লেখকের নাম নেই? একটা বইয়ের প্রচ্ছদে বইয়ের নাম ৩ বার আছে কিন্তু লেখকের নাম ছোট্ট করে হলেও নেই। ব্যাপারটা আমার খুব খারাপ লেগেছে। বইয়ের উপর লেখকের নামটা আমার কাছে খুব মূল্যবান। এই বিষয়ে একটু বিস্তারিত জানতে পারলে ভাল লাগবে। 🍃লেখক নিয়ে কিছু কথা :- উনার লেখা আগে কখনো পড়া হয় নি। তার লেখার ধরণ একটু অন্যরকম লেগেছে। ধীরেধীরে কাহনী সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া এই জিনিসটা ভাল লেগেছে। কিছু জিনিস সরাসরি বণর্না না করলেও আভাস দিয়ে গেছে। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বর্ণনা করলেও মূল টপিক থেকেই উনি অনেক দূরে চলে গেছেন। তবে তার লেখায় অপরিক্বতার ছোয়া আছে। অবশ্যই সময়ের সাথে তার লেখার মান উন্নত করা উচিত। সর্বশেষ লেখকের জন্য শুভকামনা রইলো। 🌼রেটিং :- ৬.৫/১০ ✍️আরিদী হাসান সাকিব"
syeda nazatee , Apr 10, 2022
"Amazing book"
Jarin Tasnim , Mar 24, 2022
"এক কথায় অসাধারণ একটা বই। তবে, থ্রিলার হিসেবে না পড়ে শুধুই একটা উপন্যাস হিসেবে পড়লেই আমার মনে হয় ভালো লাগবে। একটা সাধারণ মানুষের শখকে কেন্দ্র করে কতকিছু হতে পারে। জাস্ট ওয়াও ❤️"
Kazi Hasan Jamil , Mar 19, 2022
"🔰বই পরিচিতি: ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ ➠বইয়ের নাম: বনানী কবরস্থান ➠লেখক: Abdullah AL Mamun ➠প্রকাশকাল: ২০২২ ➠প্রকাশনী: শিখা প্রকাশনী ➠প্রচ্ছদশিল্পী : মাসুদ হোসেন ➠পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৬০ ➠মুদ্রিত মূল্য: ৩৬০ টাকা ➠জনরা: থ্রিলার (আদৌ আমার কাছে থ্রিলার মনে হয়নি) 🔰ফ্ল্যাপ থেকে: চানু বললো, 'এইহানে সব বড়োলোকদের কবর, তাই না?? লোকটা হেসে বললো, 'হুম'। চানু কৌতূহলী কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলো, ‘সবচেয়ে বেশি বড়োলোকের কোনহানে কবর? জানেন আপনে?”লোকটা কিঞ্চিৎ হেসে বললো, সবচেয়ে বড়োলোক কে তা বলা মুশকিল। বলতে পারবো না সঠিক। কিন্তু, আপনি শুনে কী করবেন?”চানু লজ্জা পেল। লোকটা চানুর লজ্জা পাওয়া দেখে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, 'বলুন। কী দরকার?” চানু লজ্জা গলায় কাশি দিয়ে বললো,‘আমারও তো এই কবরস্থানে চল্লিশ দিন পর কবর হইবো, তাই। বেশি বড়োলোক যেইহানে ওইহানেই কবর হইবো।" লোকটা হাসবে না-কি কী বলবে বুঝতে পারছে না। পাশেরজন চানু মিয়াঁর কথাবার্তা শুনে হা করে তাকিয়ে আছে। চানু মিয়াঁ বললো, -এই কয়দিন ভালো থাকেন। দেখাহইবো। মাটি দেওনের দাওয়াত রইলো। আমার কবরে মাটি দিয়েন। আসি। ভালো থাইকেন। 🔰কাহিনী সংক্ষেপ : গল্পের শুরু হয় পাড়ার চায়ের দোকান থেকে, যেখানে নিজেদেরর অবসর সময়ে ৪ জন মধ্যবয়স্ক মানুষ প্রায়ই আড্ডা দেয় কিংবা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা করে। তো একদিন কথাবার্তা শেষে তারা যখন তারা বাড়ি যাওয়ার জন্য উঠতে যায় তখন দেখে তাদের মধ্যের একজনেরই এক জোড়া জুতার শুধুমাত্র একটা চুরি হয়েছে। আগেও এই ব্যক্তির সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে এক দম্পত্তি চয়ন ও আলো প্রেমের সাগরে হাবুডুবু খাওয়ার এক পর্যায়ে চয়ন আলোর কাছে এক কাপ কফি খাওয়ার বাসনা পোষণ করেন। আলো কফি বানিয়ে নিয়ে এসে দেখে চয়নের হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে অথচ ৫ মিনিট আগেও সে আলোর কোমর জড়িয়ে ধরে চুমু খাচ্ছিল। স্বামীর মৃত্যুতে কিছুক্ষণ আলো অল্প শোকে কাতর হয়ে থাকল। তারপর হঠাৎ উঠে বাথরুমে গিয়ে শান্তিমতো গরম পানি, সাবান দিয়ে গোসল করে এসে ক্লাসিক রবীন্দ্র সংগীত শুনতে লাগল। আবার অন্যদিকে চানু মিঁয়া যিনি কিনা রাত দুইটার পরে বনানী সোসাইটির ময়লা আবর্জনা ভ্যানে করে তুলে নিয়ে সিটি কর্পোরেশন কতৃক নির্ধারিত স্থানে ফেলে দিয়ে আসে, তিনি বনানী ২৭ নাম্বার রোডেই কবরস্থান এর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় লক্ষ করে তার ভ্যানের সামনে একটি লাশ পরে আছে। কবরস্থান কতৃপক্ষের কাছে লাশটাকে দাফন করার অনুরোধ করলে তারা জানায় এখানে কোনো অজ্ঞাত মানুষের লাশ কবর হয় না। এই কবরস্থানে সব হাই প্রোফাইলের মানুষদের কবর। কেননা এখানে কবর দিতে প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকার পাশাপাশি বড় সরকারি কর্মকর্তার সুপারিশ এর প্রয়োজন! সেই থেকে শুরু.... 🔰পাঠ প্রতিক্রিয়া: ❝বনানী কবরস্থান❞- আব্দুল্লাহ আল মামুন এর লেখা একটি বইয়ের নাম, যেটাকে কে কিনা লেখক এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছু পাঠক থ্রিলার বই বলে দাবি করছে। এই বইটা প্রকাশের ঘোষণা আসার পর থেকেই বইটাকে নিয়ে আমি অনেক আগ্রহী ছিলাম। এই নামটার মধ্যেই একটা গভীরতা আছে। পাশাপাশি প্রচ্ছদ এবং ব্লার্ব যা আমাকে বইটা সম্পর্কে আগ্রহী করে তোলে। ছোট একটা বই, বলতে গেলে এক বসায় পড়ে ওঠা সম্ভব। কিন্তু কথা হলো এই আকর্ষণীয় নামের সার্থকতা কতটুকু...। আমার মতে কোনো সার্থকতাই নাই। হ্যাঁ সরাসরিই বলে ফেললাম। কেন বললাম সেটা বলছি। যেহেতু আমি এটাকে একটা থ্রিলার বই হিসেবেই জানি আর বইয়ের নাম যখন বনানী কবরস্থান তখন যেকোনো থ্রিলার পাঠক ভাববে যে বইয়ে যদি খুনের ঘটনা থাকে সেটা বনানী কবরস্থানকে ঘিরেই অথবা সেই খুনের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সূত্র আছে এই কবরস্থানেই। কিংবা বইয়ের মূল ঘটনা প্রবাহ আবর্তিত হবে এই স্থানকে ঘিরে। অথচ বইটা পড়া শুরু করার পরে পাঠককে হতাশই হতে হবে। বনানী কবরস্থানকে নিয়ে বইয়ে আছে শুধু একজন মানুষের অদ্ভুত পাগলামী বা খামখেয়ালিপনা। বইয়ে যদিও দুই টা খুন হয়েছে তবে তার সাথে এই কবরস্থানের কোনো সম্পর্কই নাই! এই তো গেল নামের ব্যর্থতা। আসলে বইটার কাহিনী শুরু থেকেই বেশ গোলমেলে। লেখক একসাথে বেশকিছু ঘটনাকে এক সুতোয় বাঁধতে চেয়েছেন। এক সুতোয় বাঁধতে তো পারেনই নাই বরং উল্টো এতোগুলো ঘটনার সম্মিলনে এক হ য ব র ল এর তৈরি হয়েছে। লেখক চাইলে মূল কবরস্থানকে ঘিরেই গল্প প্রবাহ এগিয়ে নিতে পারতেন। কিংবা ভিক্ষুক সিন্ডিকেটকে ঘিরেও একটা দারুণ থ্রিলার লেখা হয়ে যেতো। অথবা আমাদের দেশে কিভাবে ধর্মকে পুঁজি করে,ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ধর্ম ব্যবসা করে যাচ্ছে, গরিব,অশিক্ষিত মানুষদের ঠকিয়ে কিভাবে হাজার হাজার,লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। লেখক চাইলেই পারত, হয়তো লেখক চান নাই অথবা পারেন নাই। উপরে এই সবগুলো বিষয়ই আছে, কিন্তু সবকিছুর সংমিশ্রণে কিছুই আর হয়ে ওঠে নাই। তাই লেখক হয়তো যে ম্যাসেজটা দিতে চেয়েছেন সেটা আর দিতে পারলেন নাহ। তবুও আরো কিছু ক্ষুদ্র বিষয় এখানে ফুটে উঠছে। আমাদের সমাজে এখনো নারীদের উপর অত্যাচার করা হয় আর তা যদি হয় নিম্নবিত্ত পরিবারের কোনো স্ত্রী তাহলে তো আর কথাই নাই। এসব ঘরোয়া হিংসা পাশাপাশি ধর্মব্যবসার কিছুটা চিত্র এখানে আছে। এসব বিষয়ে আমাদের আরো সচেতন হতে হবে। আসলে এই বই নিয়ে বললে অনেক কিছুই বলতে হবে এবং অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি তার বেশিরভাগই সমালোচনামূলক। নিজের লেখা বইয়ে স্বরচিত গানের এবং সংগীত শিল্পীর প্রোমোশন অনেকটা হাস্যকর ঠেকেছে আমার কাছে। পাশাপশি এই বইয়ে একদম শুরু থেকে একটা বিষয় খুবই বিরক্ত লাগছে। লেখক হুটহাট বিভিন্ন কথার পরে বা ঘটনার পরে নিজস্ব দর্শন বা ফিলোসোফি দিয়ে দিছেন। যার আধিক্য শুরুতে মাত্রাতিরিক্ত থাকলেও পরবর্তীতে এর পরিমাণ কিছুটা কমেছে। তবুও পুরো বই জুড়েই এর দেখা মেলে। তাও যদি কোনো দর্শনের স্টুডেন্ট বা শিক্ষক কিংবা কোনো দার্শনিক টাইপের চরিত্রের মুখ থেকে বলতেন তাহলেও হতো। কিন্তু গল্পের ঘটনা প্রবাহে লেখকের কোনো অস্তিত্ব না থাকা সত্ত্বেও হুটহাট নিজস্ব ফিলোসোফি দিয়ে গিয়েছেন লেখক। এখন আসা যাক এই বইয়ে যে জিনিসটা সবথেকে বেশি বিরক্ত লাগছে। জিনিসটা এমন, ❝মজনু মিঁয়া আজ বাজারে গিয়ে ইলিশ মাছ কিনেছে, মজনু মিঁয়া কেন ইলিশ মাছই কিনল? ইলিশ মাছ কি তার খুব প্রিয়? নাকি আজ ইলিশ মাছ কম দামে পাইছে? নাকি আজকে মজনু মিঁয়ার বউ তাকে ইলিশ মাছ আনতে বলছে? আগামীকাল পয়লা বৈশাখ না তো?❞ *😑* আরে ভাই যারা থ্রিলার বই পড়ে তারা কি কিছু বোঝে না? থ্রিলার এর কথাই বাদ দেই, যদি কিশোর গোয়েন্দা কাহিনীর কথাও ধরি সেখানেও তো এমন না। তো লেখকের পাঠকের রূপ ধারণ করে অল্টারনেটিভ প্রায় সকল প্রশ্ন করার তো কোনো মানে হয় না!!! তাও একবার নাহ কিন্তু বারবার। ভাই এটা তো পাঠকের কাজ, যে যেমন ভাবে চিন্তা করে, যার চিন্তাশক্তি,মানসিকতা যেমন সে তেমন করে বুঝে নিবে। যেমন আমি শুনছি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "শেষের কবিতা" উপন্যাসটা নাকি একেক বয়সে নাকি একেক ভাবে ধরা দেয় (এটার সত্যতা জানা নেই)। তো যাই হোক এভাবে পাঠকরূপ ধারণ না করলে বইটা হয়তো তুলনামূলকভাবে সুখপাঠ্য হতো। আবার একবারে শেষে গিয়ে বেশ কিছু ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে গেছেন লেখক, এটাও কোনো চরিত্রকে দিয়ে নয়, একদম সরাসরি নিজেই বলে গেছেন। যার মধ্যে একটা ব্যাখ্যা শুনে আমি রীতিমতো বোকা বনে গেছি। একজন সাইকোপ্যাথ এর অপরাধ করার জন্য নাকি কোনো উদ্দেশ্যের প্রয়োজন পরে না। এগুলো তারা করে ❝পরমানন্দের❞ জন্য, যাকে ইংরেজিতে বলে "Estacy"! What the.....!!! এই বিষয়ে আর কিছু বলব নাহ, তবে লেখককে এবং তার বিশিষ্ট ফ্যানবেজকে অনুরোধ করব আমাদের সাইকোপ্যাথ এর উদ্দেশ্য শেখাতে আসবে নাহ, আপনারা আরো লেখা পড়া করেন এই বিষয় নিয়ে। চাইলে কিছু সাইকোপ্যাথ নিয়ে থ্রিলার বইও সাজেস্ট করব। বাট না জেনে কিছু বলিয়েন নাহ। 🔰চরিত্রায়ন: চরিত্রায়ণ বলতে লেখক আদৌ বইয়ে কিছু করেছেন কিনা আমি শিওর নাহ। কারণ প্রয়োজন অপ্রয়োজনে লেখক অনেকগুলো চরিত্রকে নিয়ে এসেছেন এই বইয়ে। যার মধ্যে কিছু চরিত্রের কোনো প্রয়োজনই ছিল নাহ। অবশ্য নতুন লেখকদের ক্ষেত্রে এই জিনিসটা প্রায়ই দেখা দেয়,তারা এক কাহিনীতে অসংখ্য চরিত্রকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে চায়। তো যাই হোক, এই বইয়ের কিছু চরিত্রকে নিয়ে কথা বলি। #আলো: মিস্টার চয়নের স্ত্রী এই আলো! যিনি কিনা তার স্বামীর মৃতদেহকে সামনে রেখে ক্লাসিক গান শুনে ( ইনি সানি লিওনের গানও শুনে আবার অর্ণবের গানও শুনে, বিষয়টা কেমন জানি!!😅। তবে এটাকে আলোর ব্যক্তিগত পছন্দ হিসেবে ভেবে চালিয়ে নিয়েছি)। অথচ সে চয়নকে নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসত! সেই স্বামীর মৃত্যুতে সে কতক্ষণ কেঁদে সুন্দর মতো গোসল করে গান শুনতে শুনতে চয়নকে একটা ব্যাগে ভরে গাড়িতে উঠায়! আসলে এটা পুরাই কনফিউজিং, কারণ শুরু থেকেই বলা হয়েছে আলো কি করছে সে নিজেই জানে না,সে কিছু বুঝতেছে না সে কেন এরকম করছে। অথচ রাস্তায় পুলিশ চেক পোস্টের সামনে যখন পুলিশ গাড়ি চেক করতে আসে তখন সে চিন্তিত হয়ে পড়ে এই ভেবে যে তার প্ল্যান ভেস্তে যাবে না তো? সে কেন করছে বুঝতেছে না অথচ এটা নাকি তার প্ল্যান! #চানু_মিয়াঁ: “If You Born Poor,It is not your mistake, but if you die poor,it is your mistake” হ্যাঁ, বনানী কবরস্থানে কবর দেওয়ার জন্য যে ক্রাইটেরিয়া রয়েছে সেগুলো শুনে এই ব্যক্তি মনে হয় এই উক্তিটাকেই নিজের জীবনের লক্ষ হিসেবে বেছে নিয়েছে। তাই সে যেভাবেই হোক বনানী কবরস্থানে সবথেকে বড়লোকদের কবরের পাশে নিজের কবর দেওয়ানোর ব্যবস্থা করতে উঠে পরে লাগে। একরাতে তেমন কিছুই হয় নাই,জাস্ট সে জানতে পারছে যে বনানী কবরস্থানে কবর দিতে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা লাগবে আর উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার সুপারিশ। ব্যস এখন বউকে মেরে হোক, আর ভণ্ড বাবার পা ধোয়া পানি খেয়ে হোক তার ঐ কবরেই যাওয়া লাগবে। যে মানুষ জীবনে তার বউ এর গায়ে হাত তোলে নাই, বউ খায় নায় বলে নিজেও খায় নায় সেই কিনা তার বউকে যাচ্ছেতাই ভাষায় গালাগালি করতে শুরু করে,মারধর করে, এমনকি তালাকের হুমকি পর্যন্ত দেয়! এই চরিত্রের সাথে কিংবা সেই রাতের ঘটনার ফলে এমন আমূল পরিবর্তন আসার কোনো কথা না যদি না এটা কোনো হরর উপন্যাস হয়ে থাকে। #সাব_ইন্সপেক্টর_রঞ্জিত_সরকার: হ্যাঁ, ইনিই মূলত এই বইয়ের প্রধাণ তদন্ত কর্মকর্তা, যিনি কিনা চয়ন সাহেবের লাশের সাথে এমন কেন করা হলো তার তদন্তে নেমে পড়েন! তারপর...... কি? ভাবছেন অন্য যেকোনো ক্রাইম থ্রিলার বা পুলিশ প্রসিডিওয়াল এর গোয়েন্দা চরিত্রের মতো এর চিন্তাশক্তি, কেস সলভের স্টাইল দেখে ফিদা হয়ে যাবেন? নাহ দুঃখিত, এই চরিত্রটাও আমাকে হতাশই করেছে! ইনি কেমনে এস আই হইল আমি তাই বুঝতেছি নাহ। সিরিয়াসলি এই ব্যক্তির মধ্যে কোনো ঘটনা তদন্ত করার কোনো যোগ্যতাই নাই। এর কথাবার্তা দ্বারা যা বুঝলাম ক্রিমিনোলজি নিয়া তার কোনো ধারণাই নাই, অপরাধীর সাইকোলজিকে বোঝার চেষ্টা করার কোনো প্রবলতা নাই। যেখানে এই চরিত্রটাকে লেখকের এরো শক্তিশালী ও জোড়ালোভাবে উপস্থাপনের দরকার ছিল সেখানে এই বইয়ের অন্যতম নড়বড়ে চরিত্র হলো এস আই রঞ্জিত সরকার। আরো কয়েকটা চরিত্র আছে, এদের নিয়ে কিছু বলা দরকার ছিল, কিন্তু তাইলে হয়তো স্পয়লার চলে আসবে। আলাদা করে দেওয়ার প্রয়োজন নাই, মোট কথা প্রত্যেকটা চরিত্রই খুবই দুর্বল লেগেছে, মনে দাগ কাটার মতো কোনো চরিত্রের দেখা নেই এই বইয়ে। 🔰লেখনশৈলী: আব্দুল্লাহ আল মামুন- লেখক হিসেবে নতুনই বলা যায়। পূর্বে তার একটি বই বের হয়েছে বলে জানি। তো যেহেতু নতুন লেখক তাই শুরুতে কাঁচা হাতের লেখা থাকাটা খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার, এই কাঁচা ভাব নিয়মিত লেখার সাথে সাথে ধীরে ধীরে চলে যায়। পাশাপাশি নতুন লেখক যেহেতু তারা লেখালেখির অনেক টার্ম জানে না, কিভাবে একটা প্লটকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা যায়, আকর্ষনীয় করে তোলা যায়। ক্যারেক্টার বিল্ড আপটাও ভালো মতো করতে পারেন না, শুরুতেই চেষ্টা করে চরিত্রের ব্যাক স্টোরি দিয়ে পাঠকদের নিকট পরিচিত করাতে। এখানের প্রায় সকল সমস্যাই আমি বনানী কবরস্থানে দেখেছি। লেখকের স্টার্টিংটাই শুরু এমন ভাবে যা পাঠকের আগ্রহটাকেই নষ্ট করে দেয়। লেখালেখিতেও তো কিছু স্ট্রাকচার আছে আসলে, সেগুলো লেখক মেনেছেন বলে মনে হয়নি আমার কাছে। কোনো কিছু জাস্ট মাথায় আসলো আর লিখে ফেললাম এমন টেন্ডেন্সি থাকলে লেখক হিসেবে সফলতা অর্জন করা যায় না, জিনিসটাকে পাঠকদের সামনে সুন্দর করে তুলে দঝরতে হবে। আবার শুরুতে যেমনটা বলেছি লেখক চাইলে ভিক্ষুক সিন্ডিকেট বা আমাদের দেশের মানুষদের অত্যাধিক ধর্মান্ধতা কিংবা ঐ বনানী কবরস্থানকে ঘিরেই কোনো দারুণ থ্রিলার উপন্যাস লিখে ফেলতে পারতেন। আর কোনো বিষয় নিয়ে লেখার জন্য ঐ বিষয় নিয়ে প্রচুর পড়তে হয়, মানে ভালোভাবে জানার জন্য আরকি। তো লেখকের উচিৎ ছিল আরেকটা গবেষণা করা! গল্পের মাঝে বারবার পাঠকের মনে কি প্রশ্ন আসতে পারে সেগুলো না দিলে আর বারবার দর্শন এর প্রয়োগ না করার অনুরোধ রইল লেখকের কাছে। এর ফলে কাহিনী প্রবাহ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পাঠকদের মনে বিরক্তির উদ্রেক ঘটতে পারে। যেহেতু আপনি নতুন লেখক এবং ভবিষ্যতেও হয়তো আরো বই লিখবেন বা বর্তমানে হয়তো লিখছেনও আশা করি এসব ব্যাপারের দিকে দৃষ্টিপাত করবেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। 🔰বানান ও সম্পাদনা: বানানের বিষয়ে বলতে গেলে বইয়ে বেশকিছু বানান চোখে পড়েছে। এই জিনিসটা খুবই বিরক্তিকর। পাশাপাশি বই যদি আশা পূরণ না করে আর বানানেও যদি এমন ভুল থাকে তাহলে সত্যি ভাই আর কিছু বলার থাকে না! দুঃখিত। আচ্ছা, এখন আসি সম্পাদনার বিষয়ে। আসলে আমি উপরে লেখনশৈলী পার্টে নতুন লেখকদের যে সমস্যা বা প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করেছি সেগুলো বেশিরভাগই থাকত না যদি কোনো দক্ষ সম্পাদকের হাতে বইটা পরত। প্লট হোল থেকে শুরু করে কাঁচা ভাবটার অনেকটাই একজন সম্পাদকের ঘষা মাজার মাধমে দূর হয়ে যেত। নতুন লেখকদের এই টাইপের ভুল স্বাভাবিক, এটা পরে আর থাকে না। কিন্তু এই শুরুতেই তো তাকে যথাযথ মূল্যায়ণ করতে হবে,তার লেখাকে যথাযথভাবে পূর্ণাঙ্গতা দিতে হবে। লেখকের কাজ লেখক করেছেন, এখন এইসব বিষয় দেখার জন্য আলাদা সেক্টর গড়ে তুলতে হবে আমাদের দেশে, যেটা জিনা বাইরের দেশগুলোতে আছে। এখন প্রশ্ন হলো এই বইটার কি আদৌ কোনো সম্পাদনা হয়েছে? নাকি সরাসরি পান্ডুলিপিই প্রিন্ট করছে প্রকাশনী! উত্তর আমার জানা নেই। 🔰প্রচ্ছদ: “আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী” আগেই বলছি,মূলত বইয়ের সুন্দর প্রচ্ছদ আর এই ইউনিক নামটার কারণেই বইটা উইশ লিস্টে রাখছিলাম। বইয়ের এই চমৎকার প্রচ্ছদটি করেছেন মাসুদ হোসেন। বইয়ের প্রচ্ছদটা অনেক সুন্দর হলেও বইয়ের ফ্রন্ট প্রচ্ছদে লেখকের নাম না দিয়ে পরপর তিন বার "বনানী কবরস্থান" লেখার যৌক্তিকতা খুঁজে পেলাম নাহ। 🔰প্রোডাকশন কোয়ালিটি, বাইন্ডিং এবং দাম: বইটি প্রকাশিত হয়ে শিখা প্রকাশনী থেকে। এই প্রকাশনীর বই আমার কাছে এটাই প্রথম। বইয়ের প্রোডাকশন কোয়ালিটি, বাইন্ডিং চলনসই (বাতিঘর প্রকাশনীর মতো), পাঠকদের জন্য এর থেকে বেশি লাগে না, মানে সঞ্চয়ী পাঠক আরকি। কিন্তু দাম কিন্তু মোটেও প্রোডাকশন অনুযায়ী পকেট ফ্রেন্ডলি না। ১৬০ পৃষ্ঠার একটা বইয়ের মুদ্রিত মূল্য তাও এমন প্রোডাকশনে ৩৬০ টাকা খুবই বেশি হয়ে যায়। 🔰ব্যক্তিগত রেটিং: ২/১০ (হয়তো আর কম দিতাম,কিন্তু এর থেকে বেশি দিতে পারব না, তবে এখানে একটা বিষয় লক্ষণীয় যে, এটা আমার ব্যক্তিগত রেটিং। তাই কেউ পার্সোনালি নিয়েন না। আমার ভালো লাগে নাই দেখে আপনারও যে ভালো লাগবে না এমন না। তাই চাইলে পড়ে দেখতে পারেন।) 🔰পরিশিষ্ট: উপরে আমি বইটা পড়ার পর আমার পাঠ প্রতিক্রিয়া থেকে শুরু করে খুটিনাটি প্রায় সবকিছুই বলার চেষ্টা করেছি। লেখক আসলে সবকিছুই কিছুটা ভিন্নভাবে করতে চেয়েছেন হয়তো, সেটা প্রচ্ছদের ফ্রন্ট কভারে নিজের নাম না রেখেই হোক আর কাহিনী প্রবাহের দিক থেকেই হোক। শেষ পর্যন্ত এটা আসলে এতোটাই ভিন্ন হয়ে গিয়েছে যে এটাকে আমি থ্রিলার এর পর্যায়ই রাখব না। এই বইটা পড়ার পরে যারা বলেছেন যে বইয়ের শেষে একবারে মাথা আউলানো টুইস্ট আছে, সিরিয়াসলি তারা হয়তো কখনো থ্রিলার বইই পড়েন নাই, তাই এই সম্পর্কে কোনো ধারণাই নাই। এমন কেউ যদি থেকে থাকেন, চাইলে আমি আপনাদের আসলেই কিছু মাথা আউলে দেওয়া কিছু থ্রিলার বই সাজেস্ট করতে পারি, তখন হয়তো বুঝতে পারবেন। এই বইয়ে আসলে লেখক অনেক উদ্ভট রহস্য রেখে দিয়েছেন , তেমনই একটা রহস্যের সমাধান আমি খুঁজছি। এই বইটার প্রথম কপি নাকি প্রায় ৬৬০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ভাই, হুমায়ুন আহমেদের কোনো বইয়ের প্রথম কপিও এতো দামে বিক্রি হবে না যদি না সেটা একবারে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কালেক্টরস এডিশন হয় আর পৃথিবীতে ১-৩ টা বা এমনই খুব কম সংখ্যক থাকে। তো সিদিক থেকে চিন্তা করলে একজন নতুন লেখকের এমন একটা বই এই মূল্যমানে কিভাবে বিক্রি হলো তা আমার এই ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক বুঝতে অক্ষম।🙂 অনেক কথা বলে ফেলেছি, দিনশেষে একজন লেখককে আমি সম্মান করি। আমার এই লেখার মাধ্যমে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। এটা সম্পূর্ণই আমার ব্যক্তিগত মতামত। আশাকরি বুঝতে পারবেন। লেখকের জন্য শুভকামনা এবং ভালোবাসা।💕"
Leeon Haque , Mar 17, 2022
"ভালো লেখা। কাহিনীটাও পছন্দ হয়েছে।"
Adiba Mim , Mar 15, 2022
"মাস্টারপিস বই"
Amina Islam Mou , Mar 13, 2022
"উনার আগের বইটি মারাত্মক থ্রিলিং ছিলো। এটি তাই অর্ডার করলাম।"
Fahmida Ria , Mar 12, 2022
"সুন্দর একটি বই। ভালো লেগেছে ❤️"
shadia Tabassum , Mar 10, 2022
"আব্দুল্লাহ আল মামুন স্যারের ' সৃজিত মুখার্জীর নাম কী? ' বইটি পড়ে ফ্যান হয়েছিলাম। এই বইটি সাইকো থ্রিলার বলা চলেনা। তবে, অসম্ভব সুন্দর বই ছিলো এটি।"
Sania Munni , Mar 10, 2022
"দুর্দান্ত একটি বই। জাস্ট মুগ্ধ হয়ে পড়েছি।"
বি.এম.পারভেজ রানা , Mar 5, 2022
"[স্পয়লার-বিহীন-রিভিউ] ❝প্রত্যেক লেখকই লেখেন কিন্তু প্রত্যেক লেখাই কি মানানসই?❞ রিভিউটি যখন লিখছি তখন ঘড়িতে রাত বারোটা বেজে ত্রিশ মিনিট। এত রাতে রিভিউটি লেখার একটাই উদ্দেশ্য তা হলো বইটিতে থাকা যাবতীয় 'থ্রিল' আমার মাথা থেকে ঘুমের ঘোরে উড়ে যাওয়ার বিশাল একটা সম্ভাবনা রয়েছে তাই এ সময়ে না লিখে পারলাম না। পুরো রিভিউটি পড়ার নিমন্ত্রণ রইলো। অল্প একটু পড়ে ভুল বুঝলে আমার দোষ নেই। একটা থ্রিলার ধর্মী উপন্যাস শেষ করা মানে তার ভেতরে থাকা সবরকম উদ্দেশ্য, চরিত্র, টুইস্ট, গল্প ইত্যাদি মাথায় থেকে যাওয়া। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে ❝বনানী কবরস্থান❞ বইটি পড়ে আমি না খুঁজে পেয়েছি মোটিভ আর না তো খুঁজে পেয়েছি টুইস্ট। যা পেয়েছি তা হচ্ছে একটা জগাখিচুড়ি! লেখকরা সমালোচনা পছন্দ করুক আর নাই করুক তাদের সমালোচনা সহ্য করার গাট থাকতে হবে। যদিও কাইকর ছদ্মনাম ব্যবহৃত লেখক আব্দুল্লাহ আল মামুন উল্লেখ করে দিয়েছেন তিনি সমালোচনা পছন্দ করেন সেহেতু মন আর মগজ দুটোই খুলে এই রাত্রি বেলা সমালোচনা তুলে ধরছি। একটু ধৈর্য ধরে পড়বেন যেহেতু বেস্টসেলার ক্যাটাগরির একটা বই। ঘুরে আসা যাক আখ্যান থেকে। ★ আখ্যানঃ রাতের বেলা কবরস্থানের পাশে একটা লাশ খুঁজে পায় এক ময়লা ফেলার কর্মচারী৷ লাশের মুখে এসিড। সেই লাশের তদন্ত করতে নামে পুলিশ। তদন্তের এক পর্যায়ে সেই কবরস্থানের পাশে আরেকটা লাশ পায় পুলিশ। এবার একটা বাচ্চার লাশ। একই রকম এসিড দিয়ে মুখ পোড়ানো হলেও এই বাচ্চার লাশের বুক ছুরিবিদ্ধ অবস্থায় থাকে। সেই তদন্তে যখন নাজেহাল সবাই তখন তারা জানতে পারে গাজীপুরে একই ভাবে একই বয়সী একটা বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে। কে করেছে এই খুন এবং এর সাথে কী কী জড়িত তাই বের করতে নামেন পুলিশ। ★ মূল রিভিউঃ গল্পের কাহিনি আরেকটু বিস্তারিত বলি তারপর রিভিউতে যাই। আপনারা বুঝতে পারবেন কেন আমি রিভিউয়ের প্রথমে সেই উক্তিটি করেছিলাম। একজন সিটি করপোরেশনের কর্মচারী রাতের বেলা খুঁজে পান একটা লাশ। কবরস্থানের পাশের সেই লাশটা তিনি ভ্যানে তুলে কবর দিতে নিয়ে যান কবরস্থান কর্তৃপক্ষের কাছে। কর্তৃপক্ষ বলে যে এটা পুলিশি কেস তারা কিছু করতে পারবে না। কিন্তু সেই কর্মচারী নাছোড়বান্দা। তর্কাতর্কির একসময় কবরস্থানের এক কর্মী বলে ওঠে যে সেই কবরস্থানে সব বড়োলোকদের কবর দেওয়া হয়। ব্যস এবার সেই কর্মচারীর মাথায় সেই কবরস্থানে মৃত্যুর পরে জায়গা পাওয়ার নেশা ঢুকে যায়। ওদিকে যে লাশ পাওয়া গিয়েছিল তার পরিচয় পাওয়া যায়। তার বউয়েরও পরিচয় পাওয়া যায়। পুলিশ তাকে ধরতে তার বাসায় যায়। কিন্তু পায় না। এমন সময় তদন্তের ভেতর একদিন সেই লাশের স্ত্রী পুলিশদেরকে দাওয়াত দেয়। দাওয়াত দিয়ে খাওয়ায়। সব পুলিশ সেখানে গিয়ে দাওয়াত খায়। দাওয়াত খাওয়া শেষ হলে তারা জানতে পারে সেই স্ত্রী বিষ খেয়েছে। (আপাতদৃষ্টিতে এতটুকু স্পয়লার দিতে বাধ্য হলাম।) অন্যদিকে সেই কবরস্থানে পাওয়া যায় আরেকটা লাশ। একই ভাবে খুন হওয়া আরেকটা লাশ পাওয়া যায় সেই কবরস্থানের অদূরে। অর্থাৎ বনানী কবরস্থান থেকে দূরের গাজীপুরে পাওয়া যায় আরেকটা লাশ। পুলিশ তাল মিলিয়ে দেখে খুনি একজনই। সেই খুনিকেই ধরে। ধরার পরে প্রকাশ পায় খুন আসলে সে করেনি করেছে আরেকজন। কিন্তু তা পুলিশরা জানে না। লেখক পরিশিষ্টতে তা বুঝিয়ে দেয়। যেন লেখক নিজে একজন সেই গলের চরিত্র। আর কেন করেছে তার বর্ণনা হিসেবে লেখক টেনেছেন একজন সাইকোপ্যাথের ইচ্ছে হয়েছে তাই খুন করেছে এর মধ্যে কোনো লজিক খুঁজতে আসবেন না। যাকগে খুঁজে লাভও নাই। পুরো উপন্যাসটা আমি এক বসায় শেষ করেছি। মূলত শেষ করতে হয়েছে। কারণ এই বই একবার রেখে দিলে আমি জীবনেও ধরতাম কি না সন্দেহ ছিল। পুরো বইটি পড়ার পরে আমার মনে হয়েছে আমি বাংলা সিনেমার কোনো এক সস্তা টুইস্টওয়ালা থ্রিলার পড়েছি। যেখানে খুব জোর করে থ্রিলার ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাঝে মধ্যে মনে হচ্ছিল থ্রিলারকে যেন অপমানই করছেন লেখক। এবার আসি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে৷ প্রত্যেকটা সাইকোপ্যাথের একটা রিজন থাকে। হোক সেটা স্যাডিস্ট অথবা স্যাটিসফেকশনের। রিজন অথবা কারণ অবশ্যই থাকবে। প্রত্যেকটা ক্রাইমের পেছনে বিশাল একটা ফিলোসোফি কাজ করে। কেউ সমাজকে ভালো করতে অপরাধ বেছে নেয় আবার কেউ নিজস্ব দুঃখ/যন্ত্রণা ইত্যাদি থেকে বেছে নেয় অপরাধ জগৎ। একটা সাইকোপ্যাথ জন্ম থেকে সাইকো হয় না। তাই এখানে তার সাইকো হওয়ার রিজন মাস্ট দিতে হবে নয়তো থ্রিলারের থ'ও বুঝি বাকি থেকে যায়। অপরাধী যদি না-ই জানে কেন মারছে অথবা ক্রাইম বিশেষজ্ঞরা যদি বুঝতেই না পারেন কোন ধরনের ভিক্টিমকে ক্রিমিনাল চুজ করছেন এবং কেন করছেন তবে তো পুরো একটা দেশ ভয়ে ভুগতে থাকবে। অরাজকতা নেমে আসার কথা প্রত্যেকটা জায়গায়। আর ক্রাইমগুলোও নিরবিচ্ছিন্ন হয়ে থাকবে। অর্থাৎ একই প্রকৃতির হত্যা হওয়ার কথা না। যেহেতু বইতে দুজন ভিক্ষুক ছেলে মারা গেছে সেহেতু হত্যার মোটিভ স্পষ্ট হওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল। ★ সমালোচনাঃ বইতে সমালোচনার দিক রয়েছে অনেক। রাত ফুরিয়ে যাবে তবু সমালোচনা ফুরোবে না। সংক্ষেপে কিছু তুলে ধরছি। প্রথমেই যে সমস্যাটা চোখে পড়েছে তা হলো বইয়ে ব্যাকরণগত সমস্যা রয়েছে প্রচুর। পুরাঘটিত বর্তমান কাল এবং পুরাঘটিত অতীত কাল নিয়ে প্রায় জায়গায় গুলিয়ে ফেলেছেন। যেখানে 'বলেছিল' হওয়ার কথা সেখানে 'বলল' দিয়ে চালিয়ে দিয়েছেন। আরেকটা বিষয় সবচেয়ে বাজে লেগেছে তা হলো লেখক হয়ে পাঠকের ভান ধরতে চেয়েছেন লেখক। নিজেই পাঠক সেজে প্রশ্ন করে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন যেন পাঠকের মনে প্রশ্ন জাগার কোনো সম্ভাবনাই থাকতে পারে না। অর্থাৎ পাঠকরা যেন বোকার হদ্দ তারা এসব টুইস্ট যাতে না বুঝে চলে যান তাই তিনি গল্পের ফ্লো বাদ দিয়ে প্রশ্ন করে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন। মাগো মা! লেখক তৃতীয় পুরুষে রচনা করে আবার হুট করে নিজে গল্পের মধ্যে ঢুকে গিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে। অধ্যায় সাতে আলোকে দিয়ে তিনি ডায়েরি বের করালেন তারপর বললেন তিনি কী যেন লিখছেন। আর কী লিখছেন তা লেখক জানেন না। অর্থাৎ তিনি উল্লেখ করেছেন, "কী লিখছে কে জানে?" এর মানে কী বোঝালেন লেখক বুঝলাম না। তিনি কি বইয়ের কোনো ক্যারেক্টার হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন? যে কিছুই জানে না কী হচ্ছে? না কি তৃতীয় পুরুষে বর্ণনা করা গল্প প্রথম পুরুষে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন? হ্যাঁ আরও আছে। জায়গায় জায়গায় বেখাপ্পা দর্শন ঢুকিয়ে দিয়েছেন জোর করে। যদি তৃতীয় পুরুষে বর্ণনা করা বইয়ে দর্শন ঢুকিয়ে দিতে একান্তই ইচ্ছে হয় তবে তা নির্দিষ্ট কোনো চরিত্রের মাধ্যমে ঢোকাতে হয়। পাঠককে বিশ্লেষণ করে বোঝানোর দরকার হয় না। কিন্তু লেখক প্রথম পুরুষেই দর্শন বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে 'দেখ ভাই এগুলা সমাজে কিন্তু অহরহ হচ্ছে।' সম্মোধনের ক্ষেত্রে তো বেশ কিছু জায়গায় ভুল আছে। প্রথম প্যারায় কাউকে তুমি করে সম্মোধন করছেন আবার দ্বিতীয় প্যারায় তাকে আপনি করে সম্মোধন করছেন। যার সাথে সাহেব লাগানো উচিত না তার সাথে সাহেব লাগাচ্ছেন। তারপর নিজের ভাইকে কেউ নাম ধরে ডাকলে তার পুরো নাম নিশ্চয়ই নেবে না। যেমন বইয়ের ৪৬ পৃষ্ঠায় চানু মিঁয়া যখন তার ভাইকে নিয়ে মন্তব্য করছিল তখন বলেছিল, "আমি তোরে কী কইছি না কইছি তোর হেইডা দুদু মিঁয়ারে কইতে হইবো?" আপন ছোটো ভাইকে কখনোই পুরো নাম ধরে কেউ ডাকে না। এক্ষেত্রে অপরিচিত কাউকে সম্মোধন করা হয়েছে বলে মনে হয়। যেন দুদু মিঁয়া অন্য কোনো লোক তাকে পুরো নাম ধরেই সম্মোধন করতে হবে। ভাই এন্ডিং নিয়ে আর কী বলবো? এই বই স্টক আউট হয়েছে শুনে আমি অবাক হয়ে বসে আছি। কয়েকজন রিভিউয়ারকে বলতে দেখেছিলাম যে টুইস্ট দেখে না কি মাথা আউলে গেছে। তাদেরটা কেন গিয়েছিল তা আমি হাজার প্রশ্ন করেও খুঁজে পেলাম না। যাকগে একেকজনের একেক রুচি। কিছু ভালো দিক আছে বইয়ের। কোনো বানান ভুল ছিল না। দ্বিতীয়ত সমাজের একটা রূঢ় চিত্র ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছিলেন কিন্তু তা মাঠে মারা গিয়েছে। বইয়ের মধ্যভাগ অর্থাৎ চৌদ্দ পনেরো অধ্যায়ের বিবরণগুলো একটু উপভোগ্য ছিল যদিও হুমায়ূন আহমেদের লেখনশৈলীর সাথে সামঞ্জস্যতা পেয়েছিলাম। ★ লেখনশৈলীঃ এই বিষয়টা স্কিপ করে গেলে ভালো হতো। লেখনশৈলীতে একটা খাপছাড়া ভাব ছিল তা টের এয়েছি বারংবার। থ্রিলার ধর্মী বইতে বর্ণনাই সবকিছুর মূলে থাকে। ছোটো খাটো অথবা গতানুগতিক প্লটও দারুণ বর্ণনা দিয়ে সুখপাঠ্য করা যায়। কিন্তু প্লটও সাদামাটা আর লেখনশৈলীও যদি হয় ঢিলাঢালা তবে সেই বই আর যাই হোক আনন্দ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে না। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গল্পের বুনন যদি ভালো মতো না গাঁথা হয় তবে বিষয়টা চলনসইতেও মানায় না। ★ চরিত্রায়নঃ কিছু কিছু চরিত্র কেন যে লেখক বইতে টেনেছিলেন তার সংজ্ঞা আমি পাইনি। চরিত্রের আদলে তিনি শুধু বর্ণনা করে গেছন। কেন চরিত্রটা এলো তার কোনো স্পেসিফিক কারণ পাইনি। যেমন হাকিম মিঁয়া বা মাস্টার মশাই। বিশেষ করে মাস্টার মশাইয়ের তিনবার জুতা চুরি হওয়ার কারণ তো চুলচেরা বিশ্লেষণ করেও পাইনি। জুতা চুরি হওয়ার কারণ কী ছিল ভাই? যদি ধরতাম যে জুতা চুরি হলে সে মারা যায় তবে মাস্টার মশাই কীভাবে বেঁচেছিল? ★ উপসংহারঃ প্রত্যেক লেখাই একজন লেখকের কাছে আলাদা মর্যাদা বহন করে। কিন্তু পাঠকের কাছে তা ভিন্ন। পাঠক বইটা কিনে একটু আনন্দ পাওয়ার লোভে। একটু থ্রিল পাওয়ার লোভে। যখন সে সেগুলো পায় না তখন সে সেই লেখকের সমালোচনা করতেও দ্বিধা করে না। লেখক জ্ঞানী হলে তা সাদরে গ্রহণ করে পরবর্তী লেখা দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করে। প্রত্যেক লেখকই জীবনে বহুবার সমালোচনার মুখে পড়েছেন। জনপ্রিয় লেখকরা এই কাতারে বেশি। এবং যৌক্তিক দিক দিয়েই পড়েছেন। তারা তা কাটিয়ে উঠেছেন। চাইবো লেখক এই সমালোচনা সহ্য করে নতুন কিছু দেবেন পাঠকদের। বইটি আমার কাছে নিতান্তই সাদামাটা লেগেছে। যুক্তির খাতিরে হোক অথবা বিচারের খাতিরে এই বইকে আমি দশে দুই দিতেও প্রস্তুত না। শুধু এই দুই দিচ্ছি এই কারণে যে বইয়ের বানানগুলো প্রমিত বানান ছিল। বইঃ বনানী কবরস্থান লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রকাশনীঃ শিখা প্রকাশনী প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি ২০২২ প্রচ্ছদ মূল্যঃ ৩৬০ টাকা মাত্র।"
Mst Novana Afrose Jerin , Feb 23, 2022
"আসসালামু আলাইকুম "বনানী কবরস্থান" - কাইকর Abdullah AL Mamun রিভিউ না বলে বলি , মনের সুপ্ত রস নিংরানো ভাব প্রকাশ বললে প্রশান্তি লাভ হবে। বইটি একটি সাইকো থ্রিলার উপন্যাস। আমি আমার কুড়ি বছর বয়সে কখনো সাইকো থ্রিলার উপন্যাস পড়ে হাসবো বা মজা পাবো ভাবি নি। কল্পনাও করতে পারিনি বই টা এমন পাতায় পাতায় বিভিন্ন ধরনের অনুভূতির সম্মুখীন করবে আমাকে। ২০ টা অধ্যায়ে বিভক্ত করে বনানী কবরস্থান গল্প টা লিখা হয়েছে। লেখক খুব যন্ত করে একের পর এক সাজিয়েছেন অধ্যায় রূপে। ১৫৯ পৃষ্ঠা যেনো লেখা সাথে ছবি ভেসে তুলেছে মনে। এই এক পাতায় হাসছি মুচকি ত অপর পাতায় মনে হচ্ছে গল্প আমায় গ্রাস করেছে আমি গল্পের ভেতর ডুবে গেছি... কি হবে আলোর , পুলিশ কি লাশ দেখতে পাবে কি না? আদোও লাশ টা নিয়ে আলো কি করবে? আর ভালোবাসার স্বামীর লাশ কেনোই বা কবর হলো না!? আর পুলিশ দাওয়াত করে আত্নহত্যায় বা কেনো করলো? মনে শেষ অব্ধি বিষ্ময়সূচক আর প্রশ্নবোধক হয়ে বিধে ছিলো। প্রতি টা চরিত্র যেনো বাস্তবে কথা বলছে যেনো কানে ভাসছে ৩ ঘন্টার সিনামার মতো। একটা কবরস্থান , বনানী কবরস্থান। বইয়ের নাম। বনানী কবরস্থান। কাইকরের করুণ আবিস্কার। চানু বললো , "ঐ হানে বড়োলোকদের কবর তাই না?' লোকটা হেসে বললো , " হুমম চানু কৌতুহলী কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো , 'সবচেয়ে বেশি বড়লোকের কবর কোনহানে ? জানেন আপনি? লোকটা খানিক হেসে বললো , সবচেয়ে বড়লোক কে তা বলা মুশকিল। বলতে পারবো না সঠিক। কিন্তু আপনি শুনে কি করবেন? চানু লজ্জা পেলো। লোকটা চানুর লজ্জা পাওয়া দেখে অবাক হয়ে , জিঙ্গাসা করলো , 'বলুন। কি দরকার'? চানু লজ্জা গলায় কাশি দিয়ে বললো আমারও তো এই কবরস্থানে চল্লিশ দিন পর কবর হইবো তাই। বেশি বড়লোক যেইহানে ঐ হানে কবর হইবো।' লোকটা হাসবে না-কি কী বলবে বুঝতে পারছে না। পাশেরজন চানু মিয়াঁর কথাবার্তা শুনে হা করে তাকিয়ে আছে। চানু মিয়াঁ বললো , - এই কয়দিন ভালো থাকেন। দেখা হইবো। মাটি দেওনের দাওয়াত রইলো। আমার কবরে মাটি দিয়েন। আসি। ভালো থাইকেন। চানু মিয়াঁ চয়নের লাশ বনানী কবরস্থান এ দাফন করতে পারে নি বরং শুনেছে সে গরীব মানুষ তার কবর এখানে হবে না তাকে বিক্রি করলেও এই কবরের দাম হবে না। - এটাই তার আঘাতের কারণ। সাইকো লোকের কখন কিসে খারাপ লাগে বলা মুশকিল। কখন কি নিয়ে কোন বয়সে তাদের ঝোঁক শুরু হবে তা বলা যায় না। চানুর তাই শখ হয়েছে বড়লোক হয়ে জন্মায় নি , বড়লোকের সাথে উঠতে - বসতে , খাইতে পারেনি। তাই সে মরার পর ঘুমাবে এক সাথে বড়লোকদের পাশে। পঁয়তাল্লিশ লাখ টাকা যোগাযোগ করতে পারলেই কবর হবে। যে স্ত্রী বেদানাকে কখনো মারেনি এই টাকার জন্য মেরেছে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। মানুষ সাইকো হলে তার হিতাহিত ঙ্গান থাকে না তার ই জলজ্যান্ত প্রমাণ। প্রত্যান্ত এলাকার মানুষ বা গরীব মানুষের বিশ্বাস তাবিজ কবিরাজ বেদানা বেগম চানুর স্ত্রীও অন্ধ ভক্ত কবিরাজের। কবিরাজ নানু ফকির বেদেনার ফকির বাবা। চানু আর বেদেনার ছেলে আরিফ সাত দিন পনের দিনের জন্য হারায়ে যায় একা একায় আর বেদেনার ফকির বাবা বলেছে আরিফ কে নাকি কালো যাদু করেছে তা সাত আসমান এ গিয়ে কালো যাদু নষ্ট করতে হবে। - আজও এমন বিশ্বাসী মানুষ দুনিয়ায় আছে ভাবতেই অবাক লাগছে। হয়ত অবাক লাগার কিছুই নাই এমন অনেক মানুষ বাংলার আনাচে-কানাচে তে আছে। যে লাশ নিয়ে চানুর বানানী কবরস্থান এ ঘুমানোর শখ সেই লাশ আলোর স্বামী চয়নের। যে স্বামী বউ কে এতটায় ভালোবাসে যে তাকে চোখের আড়াল করতে হবে বলে চাকরি না করে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করে বাসায় বসে , সে স্বামীর ভালোবাসায়ও কমতি থাকতে পারে? বউ কে ঠকাতে পারে? চয়ন আলোকে প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করেছে। প্রেম করার সময় , যে প্রেমিক চুমু ত দূর হাত ধরতে ঘেমে মাটিতে লুটিয়ে পরে সে প্রেমিক অন্য কারো প্রতি আসক্ত কি করতে হতে পারে? হয়ত পারে। আর পারে বলেই আলো কষ্ট আর ঘৃনা নিয়ে লাশ কবর না দিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভালোবাসা পৃথিবীতে সস্তা হয়ে গেছে। গল্পের শেষ পাতা আউরে আমি হতভম্ব হয়ে গেছি। খানিক আতঙ্ক মনে জাগলো ভাবলাম সবাই সমান না। তবে নিখুঁত লিখায় লিপিবদ্ধ করেছেন কাইকর সাহেব বনানী কবরস্থান। স্কুল মাস্টার আরাফাতের কয়েকবার একটা করে জুতা চুরি হওয়া। এসআই রঞ্জিতেরও অবশেষে চানুর বাড়ি থেকে চানুকে গ্রেফতার করার সময় একটা জুতা চুরি হওয়ার লোক সম্মুখ হতে। আশচর্য না? চোর একটা জুতা নিয়ে কি করবে? হ্যাঁ আশচর্য হলেও সত্যি। ঐ যে সাইকো রা কখন কি করে তা বলা মুশকিল। তাদের মনের আনন্দের জন্য তারা অপরাধ করে। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় 'Estacy' আরো কিছু বলার ইচ্ছে হচ্ছে আসলে অনেক কিছুই বলার ইচ্ছে হচ্ছে তবে সব বলে দিলে গল্প পড়ার মজা থাকবে না। পাতা উল্টে ইন্টারেস্ট থাকবে না কি হবে এর পর? মনে প্রশ্ন জাগবে না। তাই সবার কাছে আমার অনুরোধ যারা ক্রাইম থ্রিলার উপন্যাস পড়তে পছন্দ করেন না তারাও একবার পড়ে দেখতে পারেন। আমি গেরেন্টি ভালো লাগবে। আর যারা সাইকো থ্রিলার , ক্রাইম পছন্দ করেন তারা ত অবশ্যই পড়বেন। আশা করি সবার ভালো লাগবে। অবশ্যই একবার হলেও বই টা পড়বেন। ভালো লাগার উক্তি - - মানুষ মরলেই সুখী। কারণ সেখানে নেই হিংসা, নেই মারামারি, নেই লড়াই। প্রচ্ছদ - আমার মতে ৫ এ ৫ বনানী কবরস্থান লিখার ধরণ টাতেও ইঞ্চিত ধারণা করা যায় সাইকোলজির ছোঁওয়া। বই টি হাতে নিলেই বা দেখলেই তা উপলব্ধি করা যায়। গল্পের রেটিং দিতে হলে আমার মতে - ১০ আউট অফ ৯.০৯ ০.১ কাটার কারণ না বলি , সব কথা বলতে নেই। কিছু কথা নিজের মাঝে ই লুকিয়ে রাখতে হয়। - নোভানা আফরোজ জেরিন।"
Abdullah Bin Rowha Tuhin , Feb 17, 2022
"প্রিয় লেখকের বই...উনার লেখা অনেক ভালোবাসি...অপেক্ষায় রইলাম 💖🥀"
Noyon Bin S.Alam , Feb 14, 2022
"অনেক ভালোবাসি লেখকের লেখা গুলো কে🌸"
monarul sheikh , Feb 10, 2022
"darun akta book"
Robiul Islam , Feb 8, 2022
"প্রিয় লেখক ভালোবাসি লেখকে লেখাকে🖤"
Shafiqul Islam , Feb 8, 2022
"হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় আছি😍"
Mohammad Shafiq , Feb 8, 2022
"অপেক্ষায় ছিলাম"
Rafiquzzaman Aqib , Feb 7, 2022
"দারুণ হবে নিঃসন্দেহে! 🥰"
OneZero Winner , Feb 6, 2022
"ভালোবাসা অভিরাম❤️❤️"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বই টি তে কতগুলি পৃষ্ঠা রয়েছে? আর বই টি কি ভূতুড়ে কাহিনী নিয়ে লেখা?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"বনানী কবরস্থান" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: