১ম প্রকাশ, ২০২২
বিউটিবোনে লাল পিঁপড়া
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
পয়েন্ট ওয়াই
জয়নুল টিটো
ওগো শুনছো
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
মিসির আলির গল্পমালা
হুমায়ূন আহমেদ
শেষ পরিণতি
প্রফেসর দেওয়ান মোঃ আজিজুল ইসলাম
প্রেমের গল্প
হুমায়ূন আহমেদ
জীবন জাগার সিরিজ -৬ (আমি যদি পাখি হতাম)
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | বিউটিবোনে লাল পিঁপড়া |
| Author | জয়নুল টিটো |
| Publisher | অক্ষরবৃত্ত |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 112 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.27 Kg |
| ISBN | 9789849640042 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
4 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টি
Joynul , Apr 15, 2022
"॥আনোয়ার আবছার॥ #বিউটিবোনে_লাল_পিঁপড়া- একজন পুলিশ কর্মকর্তার লেখা বই। পুলিশ কর্মকর্তাকে এসে বই করতে হবে কেন! বইতো করবেন লেখকেরা, যারা আর যাই হোক অন্তত পুলিশের কর্তা নন! এটা সাহিত্যের সুবিবেচনাসম্পন্ন প্রত্যয়ের এক অভব্য বত্যয়। নয় কী? আমাদের তখন বিয়ন্ড দ্য বর্ডার দাপিয়ে বেড়ানোর দিন, আমরা যা ইচ্ছে হয় তাই করি। পড়াশোনা, রাজনীতি, সংস্কৃতি, গন্তব্যহীণ ঘোরাঘুরি আর লেখালেখি। লেখালেখি করতাম পত্রিকার পাতায়। পত্রিকায় যাদের লেখা ছাপানো হতো তারা পরষ্পর বন্ধু। যারা খুব ভালো লিখতেন, অন্যরা তাদের ভালোবাসতো বা সমীহ করতো। তখন চ.বি’র এফ রহমান হল থেকে লিখতেন একজন জয়নুল টিটো। তার লেখা খুব সম্ভবত সর্বাপেক্ষা পঠিত হতো। প্রেম বা বিরহ, নিষ্পেষণ বা উদ্ভাস অথবা সংস্কৃতির দ্বন্দ্ব- তিনি সমকালীণ দৃষ্টি আর ক্ষুরধার বাক্যবাণে মেখে দিতেন মধু অথবা বিষ! সেই সময়টিতে, একবিংশ শতকে পা রাখার আগে আগে মনে হতো, জয়দীপ দে শাপলু, জয়নুল টিটো এঁরা আগামী দশকগুলোতে গল্প-উপন্যাসে একটা প্রভাবের জায়গায় পৌঁছুবেন। শাপলু বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে জয়েন করে পুরোদমে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেছেন। ইতোমধ্যে নির্মাণ করতে শুরু করেছেন নিজের পরিচয়ের পথ । জয়নুল টিটো পৌঁছান নি সেখানে। ততদিনে তিনি পৌঁছেছেন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রশিক্ষণ একাডেমিতে। সহকারি পুলিশ সুপার হিসেবে তার ব্যস্ততা তখন মানুষ ও প্রজাতন্ত্রের দায় রক্ষায়। বিশের বইমেলায় তার সাথে দেখা হলে মুহূর্তে মনে হলো, তার ইউনিফর্মের নিচে চাপা পড়ে আছে একটি কুমুদ কোমল স্বপ্ন। নিজের সুবোধ সত্তা থেকে উৎসারিত সুষ্ময় আলো মানুষ কী করে ঢেকে রাখে! আমি সাহিত্যের ছাত্র কিন্তু ভ্রমণ, দর্শন, ইতিহাস আমার প্রিয় পাঠ্। নিরেট সাহিত্যের পাঠক কোনকালেই ছিলাম না, তবুও টিটো ভাইকে বলতাম, আপনার থেমে যাওয়া অন্যায্য। পুলিশ না হলে কেবল লেখালেখি দিয়েই একটা জীবন পার করে দিতে পারতেন। পুলিশ হয়েছেন বলে জীবনের এত বড়ো জরিমানা মানাটাও ন্যায্য নয়। বাইশে এসে সেই স্বপ্ন পুরন হলো। অক্ষরবৃত্ত থেকে প্রকাশিত হলো তাঁর গল্পের বই ‘বিউটিবোনে লাল পিঁপড়া’। কাকতালীয়ভাবে ওই অক্ষরবৃত্ত থেকেই প্রকাশিত হয়েছে পুলিশে কর্মরত আরও কারও বই। খুবই গৌণ কেউ অথবা বইমেলার নিরীখে মুখ্য কোন ব্যক্তিও বা লেখকদেরও কেউ কেউ বলাবলি করছেন- ‘বিউটিবোনে লাল পিঁপড়া খুব যাচ্ছে, পুলিশের কর্তার বই!’ বিগত বছর বিশেকের ব্যবধানে একজন জয়নুল টিটো হয়ে উঠেছেন কেবলই পুলিশ! ভাবছি, বাঙালির পুলিশনেস (বোকামি) ডুমস ডে’র আগ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে, থাকুক। ‘বিউটিবোনে লাল পিঁপড়া’য় ধারণ করা আছে আঠারোটি সংক্ষিপ্ত গল্প। গল্পগুলো জীবনের, যৌবনের, রোমান্সের; সমাজ ও আত্ম-দ্বন্দ্বের অথবা রোদন ও দ্রোহের। গল্পের চরিত্রগুলো সময়ের। সময়ের খাপ থেকে ক্র্যাচ করে টেনে বের করে আনা তরবারির মতো সেসব চরিত্রের সংলাপ। লাগামহীণ নয় অথচ অসংকোচে ছড়িয়ে দিচ্ছে মুখরতা। গল্পের শেকড় ছড়িয়ে পড়ছে আড়ষ্টতার সীমানা পেরিয়ে। কোথাও বাধা নেই, বাঁধ নেই, দুর্বোধ্যতার সংকট নেই। পাঠে তৃপ্তির যে চিরন্তন সৌন্দর্য- বিউটিবোনে লাল পিঁপড়ার অনুগল্পে সেটাই ফুটে উঠেছে ফাল্গুনের পলাশের মতো। ছোটগল্পের সংজ্ঞার সৌন্দর্যের মতো গল্পের শেষে মন আটকে থাকে গল্পের পটভূমিতে। পাঠ শেষ হলেও মনযোগ ধরে রাখে মিথিলা, ইলোরা অথবা জেবু। মনে হয়, মিথিলা- সে যেন আমারই কেউ, মন ছুঁয়ে দেয় বিস্বাদ অথবা বিষাদের আস্বাদনে। সত্যি, মিথিলা- আমারই সখ্য সাড়ম্বর। এভাবেই পাঠের অন্তরালে পাঠকই খুঁজে ফিরবে নিজের সত্তার সাথে নিবিষ্ট চরিত্র, আবিষ্ট পটভুমি। কখনো কোন চরিত্রকে মনে হবে- এটা স্বয়ং আমিই বা ওই ঘটনা আমারই অতীত। এটাই কৃতিত্ব লেখকের, এটাই সক্ষমতা। পুলিশ পরিচয়ের আড়ালে লেখকের এই সত্তা ক্ষয়ে ক্ষয়ে ধুয়ে মুচে যাওয়ার নয়। আমরা যারা দুই হাজারের আগে পরে তার লেখা পড়ে আনন্দ পেয়েছি, তিনি আমাদের কাছে পুলিশ হয়ে উঠেছেন পরে। সেই সময় আমরা তাঁর পরিচয় পাই একজন ক্ষুরধার সমকালীন লেখক হিসেবে। যাঁর সম্ভাবনা ছিল একজন প্রভাবশালী গল্পকার হওয়ার। সেই সম্ভাবনার সূচনা ‘বিউটিবোনে লাল পিঁপড়া’। যশধারী প্রচ্ছদ শিল্পী তুলি ভাই, নিয়াজ চৌধুরী তুলির প্রচ্ছদে অক্ষরবৃত্ত থেকে প্রকাশিত এই বইটি ইতোমধ্যে প্রগতি ডট কমের বেস্ট সেলারের অন্যতম। ‘সহজ গদ্য, কিন্তু বুকে ধাক্কা মারে’ কথাসাহিত্যিক বাদল সৈয়দের মন্তব্য জয়নুল টিটোর লেখনির শক্তি নিয়ে। পাঠকের বুকে স্পন্দন তৈরি করানো খুব সহজ কাজ নয় কিন্তু। যদিও আমরা জানি, লেখকের প্রভাবের জায়গাটা এখানেই। দেরিতে হোক, তবুও টিটো ভাইয়ের একটি বই প্রকাশ্যে এসেছে-এতেই সুখ আমাদের। আশাকরি তিনি লেখালেখিতেও থাকবেন সমান্তরাল। নিজের আত্মপরিচয়ের বলিষ্ঠ জানান লেখালেখি ছাড়া আরও ভালো দিতে পারে কীসে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"বিউটিবোনে লাল পিঁপড়া" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: