১ম প্রকাশ, ২০১৭
বিশ্বসেরা সাহিত্য ইলিয়াড
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | বিশ্বসেরা সাহিত্য ইলিয়াড |
| Author | হোমার |
| Publisher | প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৭ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 104 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.24 Kg |
| Editor | সাযযাদ কাদির |
| ISBN | 9789848795095 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
4 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টি
Mithun Sarker , Oct 6, 2022
""আছে প্রেমের উত্তাপ, আকাঙ্ক্ষার স্পন্দনশীল ছুটে চলা, প্রেমিকের ফিসফিস, অপ্রতিরোধ্য- যাদু আছে বিবেকবান মানুষকে পাগল করে তোলার জন্য" পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এর একটি হলো ইলিয়াড। ধারণা করা হয় হোমার নামক একজন কবি ইলিয়াড ও ওডিসি লিখেছিলো। কেই বা জানে না ইলিয়াড নিয়ে? আজকের সময়ও ইলিয়াড জনপ্রিয়। প্রাচীন গ্রীক সভ্যতার অন্যতম নিদর্শন। এটির লেখা আজও অমর করে রেখেছে লেখক কে। সাভাবিক ভাবেই পড়ার ইচ্ছা ছিল এটি অনেক দিন ধরে। ইংলিশ এই পড়ার ইচ্ছে ছিলো, কিন্তু প্রগতি তে আউট অফ স্টক থাকায় এইটাই নিলাম। সত্যি বলতে বেশ ভালো লেগেছে। একেবারে প্রথম পেজ থেকে শেষ পেজ পর্যন্ত মনোযোগ ছিলো। যদিও জানতাম শেষে কি হবে তার পরেও গল্পটি সব সময় ভাবিয়ে তুলেছিল কি হবে পরে। আমার গ্রীক মিথ বেশ ভালো লাগে, এজন্যেই ডিসি কমিকের ওয়ানডার ওমান বেশ পছন্দের কারণ তাতে গ্রীক বিষয়ক অনেক কিছু জানা যায়। প্লট: "কোন দেবী বেশি সুন্দরী - হিরা, এথিনা না অ্যাফরোডাইটি? বিচারের ভার রাখাল ছেলে প্যারিসের হাতে। দেবী ইরিসের দেয়া সোনালি আপেল যাঁর হাতে তিনি তুলে দেবেন সেই দেবীই স্বীকৃতি পাবেন সেরা সুন্দরী হিসেবে। পুরস্কারের লোভ দেখান তিন দেবী। হিরা বলেন, রাজ্য পাবে। এথিনা বলেন, প্রতি যুদ্ধে জয়ী হবে। অ্যাফরোডাইটি বলেন, বিশ্বের সেরা সুন্দরীকে দেবো। প্যারিস আসলে ট্রয়ের রাজপুত্র। অ্যাফরোডাইটির হাতে সোনালি আপেল তুলে দিয়ে তাঁর বদৌলতে তিনি পেলেন স্পারটার রাজা মেনিলেয়াসের পত্নী সুন্দরীশ্রেষ্ঠা হেলেনের ভালোবাসা। তাঁকে নিয়ে তিনি পালিয়ে যান নিজ দেশে। এরপর ১০০০ রণতরী নিয়ে ট্রয়ে আক্রমণ চালান মেনিলেয়াস ও তাঁর মিত্র রাজারা। শুরু হয় দশ বছরব্যাপী প্রবল যুদ্ধ। ওই যুদ্ধের শেষ বছরের কয়েক সপ্তাহের সংঘাতে সংঘর্ষে ষড়যন্ত্রে রুদ্ধশ্বাস নাটকীয় ঘটনাপ্রবাহ নিয়েই বিশ্বের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘ইলিয়াড’" পড়া শেষে আমার জানার ইচ্ছা আরো বেড়ে গিয়েছে। এখন ইচ্ছা আছে ওডিসি পড়ার। সত্যি বলতে এইরকম সাহিত্য এখন পাওয়া খুবই কঠিন। এ গল্পে রয়েছে ভালোবাসা, লালসা, স্বার্থপরতা, অমানসিক সহ আরো অনেক। এক এক চরিত্র যেনো এক এক রকম। পুরো যুদ্ধ শুরু হয় একজনের লোভের কারণে, এই লোভেই শেষ হয় সুবিশাল ট্রয় নগরী। এর মধ্যে হস্তক্ষেপ ছিলো গ্রীক দেবতাদের। এই বিষয়টি ভাবিয়ে তুলে, যদি গ্রীক দেবতারা এই যুদ্ধে হস্তক্ষেপ না করতো তাইলে কি এত ক্ষয়ক্ষতি হতো? এত প্রাণ কি বেছে যেত? তার উত্তর বলা মুশকিল। কারণ "আমরা পুরুষরা জঘন্য জিনিস"। সবশেষে অনুবাদটি আমার বেশ ভালো লেগেছে। একটা দুইটা বানামের ভুল চোখে পড়েছে শুধু। তবে আমার অভিজ্ঞতা ছিলো অসাধারন। এরকম গ্রীক বিষয়ক আরো কয়েকটি বই এর সাজেশন দেন কেউ। আর এত দুর পড়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ। লেখায় বানানের ভুল থাকলে ক্ষমা করবেন।"
md.Ruhul Quddus Liton , Sep 21, 2021
"After reading the book, i realises that hector is the real hero of the epic though the epic is centred round on Achilles"
Qazi Akash , Nov 28, 2020
"ঈলিয়াদ মহাকাব্যের কাহিনী ট্রয় যুদ্ধকে কেন্দ্র করে। ট্রয়য়ের অধিবাসীদের বলা হতো ট্রোজান। ট্রোজানদের সাথে গ্রীকদের ১০ বছরের যুদ্ধই ঈলিয়াদ মহাকাব্যের বিষয়বস্তু। জলপরিদের দেবী থেটিসের বিয়ের অনুষ্ঠানে সকল দেব-দেবীদের আমন্ত্রন জানানো হলেও যুদ্ধের দেবতা এরিসকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। রাগে দুঃখে এরিস বিনা দাওয়াতেই চলে আসলো। এসে বাদালো এক ঝামেলা। সে একটি আপেল রেখে গেল। আপেলের গায়ে লেখা যে সবচেয়ে সুন্দরী তারই প্রাপ্য এই আপেল। এই নিয়ে হেরা, এথেনা ও অ্যাফ্রোডেটের মধ্যে চুলছেরা অবস্থা হলো। অবশেষে জিউসের কাছে গেল সঠিক বিচারের জন্য। জিউস এক রাখাল বালককে দেখিয়ে বললো সে যাকে সেরা সুন্দরী বলবে সে পাবে আপেল। রাখাল ছেলেটির নাম প্যারিস। প্যারিস মোটেও রাখাল ঘরে জন্মায়নি। সে রাজার ছেলে। প্যারিসের জন্মের আগে তাঁর মা স্বপ্ন দেখলো, সে একটি আগুনের দলা প্রসব করছে আর তাতে ট্রয় নগ্রী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাই সবাই সিদ্ধান্ত নিল, ছেলে জন্মাবার সাথে সাথে তাকে মেরে ফেলতে হবে। কিন্তু জন্মের পর প্যারিসের চেহারা দেখে সবার মায়া হলো। তাকে এক চারণভূমিতে ফেলে আসা হলো। এক রাখাল তাকে পেয়ে বড়ট করতে লাগলো। যাইহোক প্যারিসের কাছে এসে সমস্ত ঘটনা বললো দেবীরা। সবাই প্যারিসকে ভালো ভালো উফার দেওয়ার লোভ দেখালো। অবশেষে সে অ্যাফোডেটকে আপেলটা দিল। অ্যাফ্রোডাইট তাকে তাঁর আসল পরিচয় দিল এবং সবচেয়ে সুন্দরী নারীকে তাঁর বউ হিসেবে পাইয়ে দিতে সাহয্য করবে বলে কথা দিল। প্যারিস রাজ মহলে গিয়ে নিজের পরিচয় দিলে সবাই তাকে গ্রহন করে নিল। প্যারিস বড় হলো। গ্রীসের সুন্দরী রাজকন্যা হেলেনকে ইতমধ্যে সবাই পেতে চায়। তাদের মধ্যে একজন ওদিসিয়াস। রাজসভায় বলা হলো হেলেন যাকে পছন্দ করবে তাঁর সাথেই বিয়ে হবে। হেলেন পছন্দ করলো রাজকুমার ম্যানিলাসকে। প্যারিস এসে পৌছাল হেলেনের দেশে। সে সময় ম্যানিলাসকে চলে যেতে হলো জরুরী কাজে। এই সুযোগে প্যারিস হেলেনা পটাতে লাগলো। দেবী অ্যাফ্রোডেটই মূল কাজ করে দিয়েছিল। হেলেনকে ভুলিয়েভালিয়ে বিয়ে করে ট্রয় নগরীতে নিয়ে আসলেন। সাথে কোষাগারে থাকা সব ধনরত্নও। ম্যানিলাস ফিরে এসে হেলেন ও সম্পত্তি না পেয়ে রেগে গেলেন। হেলেনকে ফিরিয়ে আনতে গ্রীস ও ট্রোজানদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ট্রোজানদের মধ্যে ছিলেন মহান বীর হেক্টর। গ্রীকদের ছিল দেবীর পুত্র আকিলেস। আকিলেসের জন্মের পর তাঁর মা তাকে দেবতাদের সমুদ্রে ডুব দেওয়ায় অমরত্বের আশায়। কিন্তু অমরত্ব না পেলেও তাঁর শরীরে মানুষের আঘাতে কিছুই হতোনা। কিন্তু আকিলেসের পায়ের গোড়ালি ধরে ডুব দেওয়ালে গোড়ালী ভেজানো হয়নি। ফলে তাঁর একমাত্র দূর্বল জায়গা হয়ে রইলো পায়ের গোড়ালি। শুরু হলো যুদ্ধ। গ্রীকদের সাথে ট্রোজানরা পেরে উঠছিল না। ট্রয়ের বিভিন্ন শহর দখল করে সুন্দরী মেয়েদের নিয়ে গেল গ্রীক বীরেরা। তাদের মধ্যে একজন পূজারীর কন্যা। তাকে নিয়েছিল গ্রীকদের সর্দার আগামেনন। পূজারী আগামেননের কাছে মেয়েকে ভিক্ষা চাইলে পুজারীকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়। পূজারী দেবতাদের কাছে বিচার দেয়। ফলে গ্রীকদের মধ্যে দেবতারা একটি রোগ ঢুকিয়ে দেয় এবং অনেকে সৈনিক রোগেই মারা যায়। এই নিয়ে আকিলেসের সাথে আগেমেননের ঝগড়া হয়। অবশেষে আগেমেনন পূজারীর কন্যাকে ফেরত দিতে রাজী হয়। তবে শর্ত হলো আকিলেসের স্ত্রীকে আগেমেননকে দিয়ে দিতে হবে। ফলে রাগে আকিলেস যুদ্ধ বর্জন করে। দুই দলের লাক্ষো লাক্ষো মানুষ শহীদ হওয়ার পর তাঁরা একটি চুক্তি করলো। প্যারিসের সাথে গ্রীকদের যেকোনো একজন লড়াই করবে। প্যারিস জিতলে হেলেন সহ সকল সম্পত্তি তাঁর আর গ্রীক বিরদের কেউ জিতেলে সব গ্রীকদের ফিরিয়ে দিতে হবে। যুদ্ধ শুরু হলে প্যারিস যখন পরাজিত হবে সে সময় দেবী তাকে লুকিয়ে ঘরে নিয়ে গেল। আবার যুদ্ধ শুরু হলো। এরপর বীর হেক্টর আবার তাঁর সাথে একজনকে যুদ্ধের আহব্বান করলো। গ্রীকরা মেনে নিল। দুজনার যুদ্ধ শুরু হলে দেবতাদের সাহায্য নিয়ে হেক্টর গ্রীক বীরকে মেরে ফেললো। এই বীর ছিল আকিলেসে বন্ধু। অন্যায়ভাবে বন্ধুর মৃত্যুতে আকিলেসে রেগে আবার যুদ্ধ যোগদান করলো। আকিলেস হেক্টরকে পরাজিত করলো। প্যারিসের ছোরা একটি তীর এসে লাগলো আকিলেসের পায়ের গোড়ালিতে। মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লো আকিলেস। এরপর ওদিসিয়াসের চাতুর্য্য ও অভিনব বুদ্ধিতে গ্রীকরা ট্রোজানদের পরাজিত করলো। এভাবেই শেষ হয় ঈলিয়াদের কাহিনী।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"বিশ্বসেরা সাহিত্য ইলিয়াড" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: