দ্বিতীয় সংস্করণ ১ জুন, ২০২৩
বিষগোলাপের বন
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | বিষগোলাপের বন |
| Author | মুসা আল হাফিজ |
| Publisher | গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস |
| Edition | দ্বিতীয় সংস্করণ ১ জুন, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 88 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.24 Kg |
| ISBN | 9789848254806 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
34 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
880****386 , Mar 27, 2026
"প্রথম বাক্যটাই একজন চিন্তাশীল পাঠককে নিস্তব্ধ করে দিতে পারে।"
mja****com , Mar 15, 2024
"একটি অনবদ্য গ্রন্থ। অবাক করা সব কথা, সব চিন্তা দিয়ে সাজানো।"
Md Sakib , Dec 28, 2022
"অসাধারণ একটা বই"
kobir , Nov 3, 2022
"আলহামদুলিল্লাহ"
musahid vai , Nov 3, 2022
"খুবই উপকারী বই.. মাশাল্লাহ!"
rohim rm , Nov 3, 2022
"★★আত্নোবোধ ★★ প্রশ্নঃ সিংহের কখন মন খারাপ হয়? উত্তরঃ যখন বাঘের বদলে বুনো কুকুর তাকে কামড়াতে আসে! ★★ করুণ সত্য ★★ প্রশ্নঃ প্রেমিকের পাগলামি কি? উত্তরঃ জানের দুশমনকে সে "জান" বলে চলে! ★★নিকৃষ্ট দাসত্ব★★ প্রশ্ন করা হলো, যারা খোদার গোলামি করে না, তারা আসলে কী করে? বললাম - তারা খোদার গোলামদের গোলামি করে! বইঃ বিষগোলাপের বন( ধর্ম ও কর্ম বিষয়ক দার্শনিক অনুভাবনা)। লেখকঃ মুসা আল হাফিজ। প্রকাশনাঃ গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস।"
Marzia Tabassum , Oct 29, 2022
"good"
Ayesha Khanam Tinu , Oct 22, 2022
"Good Book"
enam , Jun 15, 2022
"কচ্ছপ গতির বিবেককে নাড়া দিতে একটি বই-ই যথেষ্ট! কবি মুসা আল-হাফিজ! বারাকাল্লাহু ফিক💖"
Mehranur Rahman , Apr 1, 2022
"👍👍"
Jakir Hasan , Mar 18, 2022
"অল্পকথায় অসাধারণ বর্ননা"
আব্দুল্লাহ আল মামুন , Mar 17, 2022
"মুসা আল হাফিজ হাফিজাহুল্লাহ। এককথায় বলতে গেলে তিনি তিনিই! অনুভবের সব অলিগলিতে যার বসবাস। তাঁর লেখনির ধাঁচ কি পরিমাণ গভীর থেকে গভীরে সাঁতরে বেড়ায়,তা সচেতন পাঠকমাত্রই নিমেষে বুঝে ফেলেন। মোটকথা সেই প্রিয় লেখকের এই 'বিষগোলাপের বন' বইটি বেশ হৃদয় কেড়েছে। যেন মনে হয়েছে এইসব ভাবনাগুলো উনার কলমের ছাঁচে থাকলেও তার মূল অবস্থান পাঠককুলের হৃদমাঝারে পুঞ্জিভূত। আলহামদুলিল্লাহ, আমি আশাবাদী এই বই পড়ে কেউ বিরূপভাব প্রকাশ করতে খুব একটা পারবেন না! কারণ শুধু এই একটিমাত্র বই-ই কেন? লেখকের সবকটি বই-ই বিরূপতার ঊর্ধ্বে অবস্থিত।"
Imran , Mar 10, 2022
"অসাধারণ একটি বই।"
ab monir , Mar 7, 2022
"অসাধারণ একটি বই৷ শায়খ মুসা আল হাফিজ বাংলা সাহিত্যে অনন্য এক ব্যক্তিত্ব।"
shamsud doha , Feb 28, 2022
"অসাধারণ একটি বই জাযাকাললাহ"
Abu Obeyda , Feb 6, 2022
"thanks a lot"
Rakib Hossain , Jan 16, 2022
"জ্ঞান বিকাশের অপার সম্ভাবনাময়ী বই।"
Shahriar Rahman Sadik , Dec 1, 2021
"যাদের মাথায় অনেক তথ্য কিন্তু অল্প কথায় প্রকাশ করেন আর সেগুলো আশেপাশের মানুষ পছন্দ করে না, তাদের জন্য এই বইটা একটা ভালো বন্ধু হতে পারে । এছাড়াও সাংকেতিক কথা বলা শেখা ও যারা অল্প কথায় অনেক কথা প্রকাশ করতে ভালোবাসেন বা প্রকাশ করা শিখতে চান তাদের জন্যে বাংলা বইয়ের মধ্যে একটি বেস্ট চয়েস হবে আশা করি ।"
MD HRIDOY , Nov 16, 2021
"আমার কাছে কিছু স্বপ্ন আছে । তোমরা ঘুমাচ্ছ বলে দেখতে পরছি না । ঘুম থেকে জাগো , স্বপ্ন দেখাব!"
Mahfuzul Hasan , Jun 20, 2021
"অসাধারণ ❤️"
Faijanol Hoque , May 6, 2021
"অসাধারণ বই। পড়েছি আর মুগ্ধ হয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ।"
Muhammad Ragib Hasan Ruhan , Apr 1, 2021
"ভালোলাগে নি। মনে হচ্ছে টাকা আর সময় দুইটাই অপচয় হলো"
Md.Qumrul Islam Rony , Apr 1, 2021
"Good Book"
Rifat Ahmed Rana , Mar 22, 2021
"👍"
Md Shamsul alam , Feb 7, 2021
"দার্শনিক অনুভাবনা বিষয়ক সেরা বই বিষ গোলাপের বন।"
Ahmed , Jan 13, 2021
"অসাধারণ একটি বই যা প্রত্যেক সচেতন পাঠকের পড়া উচিত।"
Sojib Islam , Oct 26, 2020
"অসংখ্য মুক্তো সমৃদ্ধ একটি জ্ঞানের সাগর । এখান থেকে প্রচুর মুক্তো আরোহণ সম্ভব..."
Fatema Tuz Zohora , Oct 14, 2020
"বিষগোলাপের বন নামটাই মানুষের মনকে একটা ঝাঁকুনি দেয়।ভাবতে বাধ্য করে এটা কেমন বই। বিষগোলাপের বন পথ দেখায় না তবে পথ খুঁজতে সাহায্য করে।মনের বন্ধ দরজার কাড়া নাড়ে সজোরে। প্রথম দেখায় ছোট্ট আকৃতির গাইড বই মনে হতে পারে,তবে তা ভেবে কখনই বসে থাকবেন না।ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ স্যারের ভাষায়,এ গাইড বই প্রচলিত একাডেমিক কোন পরীক্ষার জন্য নয়;এ পরীক্ষা জীবনের চিন্তার ,জীবন বোধের।প্রতিটি প্রশ্নের আড়ালে যেমন রহস্যের চন্দ্রবিন্দু খেলা করছে, তেমনি অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে জীবন দর্শনের এক কাব্যময় আকাশ। বিষগোলাপের বন মূলত এক উদ্ভাসন প্রচেষ্টা।ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংবেদন ও অন্তরদর্শনের সমন্বয়ে বইটি বৃহৎ লক্ষ্য পূরণ করে। যে সব পাঠকগণ শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবেন না বরং পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র , বিশ্ব এবং পরকাল নিয়ে ভাবেন তাদের একবার হলেও বিষগোলাপের বন বইটি পড়া উচিত।"
Md. Asiqul Alam , Sep 10, 2020
"এই বইয়ে কবির বিশেষ এক আহবান আছে এমন - ‘ আসুন! সংক্ষিপ্ত হই! বিস্তারিত হবার প্রয়োজনে।’ বিষগোলাপের বন বইটি ঠিক সংক্ষিপ্ত-ই । কিন্তু এর ভেতরে নিহিত আছে দর্শনচিন্তার ব্যাপক বিস্তারণ। বইটির প্রতিটি অধ্যায় কিংবা প্রতিটি পৃষ্ঠা পাঠে পাঠক বিরাম নিতে পারেন এবং গভীর ভাবনার জন্য নিতে পারেন অবসর। দার্শনিক বোধকে জাগায় এবং ভাবনাকে রাঙ্গায়, এমন বই বরাবরই বিরল। বিষগোলাপের বন সেই ধারার এক উজ্জ্বল সংযোজন। শুধুমাত্র একটি পেইজ পড়লেই যেকোনো পাঠক বিমুগ্ধ, বিমোহিত হতে বাধ্য।"
Kazi Akram , Sep 9, 2020
"ঘুরে এলাম বিষগোলাপের বন! বন-বাদাড়ে ঘুরে বেড়াতে কে না চায়? আমি সব সময় পছন্দ করি বনের পরিবেশ। অজানা ভয়, বন্য পশুর ডাক, পাখিদের কিচিরমিচির, আকাশ ছুঁয়ে ফেলতে আগ্রহী গাছ, সবুজ তৃণলতা, পোকাপতঙ্গ ইত্যাদি। বুনো সৌন্দর্য এ কারণে সব সময় আমাকে হাত বাড়িয়ে ডাকে। বিগত দু'দিন এক বনে ঘুরলাম। ব্যক্তিক্রমী বন। মধু ও বিষে ভরপুর বনটি। সৌন্দর্য ও থ্রিলে একাকার। আপনি নিশ্চয় জানতে চাচ্ছেন, অরণ্যের নাম কী? এটি কোথায়? এ অরণ্য আসলে এক বই। যার নাম বিষগোলাপের বন। লেখক কবি, দার্শনিক মুসা আল হাফিজ। "কবি মুসা আল হাফিজ মানেই একটু ব্যতিক্রমী ঢেউ, ভিন্নতার স্বাদ কিংবা টক-ঝাল-মিষ্টির একটা রাহসিক অনুভূতির উন্মীলন। কবিতা, গদ্য, প্রবন্ধসহ শিল্প-সাহিত্যের সকল শাখাতেই তার এধরণের প্রকাশ নিয়মতান্ত্রিক হয়ে গেছে। তার চিন্তানিসৃত সাহিত্যের সকল শাখার মজা এখানেই! " শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দের এই মুল্যায়ন যে যথার্থ তা বলাই বাহুল্য। মুসা আল হাফিজ এবং তার সৃষ্টি আসলেই এমন! যারা মুসা আল হাফিজের নিয়মিত পাঠক, তারা এ সত্য স্বীকার করবেন অকপটে। বরাবরের ন্যয় আলোচ্য বইটিও ‘ব্যতিক্রমী সেই ঢেউ’, ‘ভিন্নতার সেই স্বাদ’ নিয়ে হাজির পাঠকদের উদ্দেশ্যে! এর আগে তিনি লিখেছেন “নক্ষত্রচূর্ণ”। নক্ষত্রচূর্ণের যে বিষয় এবং বিষয় বর্ণনার যে স্টাইল তিনি আবিষ্কার ও অবলম্বন করেছিলেন, তার পূর্বনজীর বলতে গেলে, বিরল! ফলে সাহিত্যের সমঝদার যারা, তাদের কাছে ভালোরকম মুল্যায়িত হয় সেই বই। এ ধারা ও ধারণায় তিনি যেমন স্বতন্ত্র, তেমনি সাবলীল ও সিদ্ধহস্ত। তারই নতুন স্বাক্ষর হিসেবে মুসা আল হাফিজ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন–“বিষগোলাপের বন”। বইকে বলা হয় মস্তিষ্কের সন্তান। সে বিচারে এই বইকে বলা যায় একটি আদর্শ সন্তান! তবে কী আছে এই বইয়ে? উত্তর হবে কী নেই এ বইতে? ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধর্ম, নৈতিকতা, শিক্ষা, চিন্তা, ইতিহাস, রাজনীতি, আধ্যাত্মিকতা–সবই এই বইয়ের প্রতিপাদ্য। বিন্যাসের দিক থেকে বইটি পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত। “তীরন্দাজ সংলাপ”, “অনুভবের লতাতন্তু”, “অস্তিত্বের বংশীধ্বনি”, “ঘটনার ভেতরে” এবং “বিষগোলাপের বন”। “কথা বিন্দু ভাব সিন্ধু” বলে যে প্রবাদ প্রচলিত, তার নমুনা এ বইয়ের প্রতিটি কথা। একেকটি কথা এতোটা গভীর ও ব্যাপক; যার বিশদ বিশ্লেষণে হতে পারে একটি স্বতন্ত্র রচনা, এমনকি একটি বই! অথচ এ বইয়ে তা কখনো একটিমাত্র বাক্য, কখনো সামান্য একটা স্যাটায়ার, কখনো অনুগল্প, কখনো বা ক্ষুদ্র একটা উপমার মধ্য দিয়ে উপস্থাপিত হয়েছে। এ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে মুসা আল হাফিজের মুনশিয়ানার জুড়ি মেলা ভার! এই বইয়ের পাঠকমাত্রই এ বাস্তবতার অকুণ্ঠ স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হবে। “তীরন্দাজ সংলাপ” অধ্যায়ের বর্ণনাধারা হচ্ছে প্রশ্নোত্তরধর্মী। ৪২ টি শিরোনামের অধীনে এসেছে বিচিত্র সব প্রশ্নোত্তর। সেই প্রশ্নোত্তরের বিশিষ্টতা নিয়ে ড. আখন্দ লিখেছেন–প্রতিটি প্রশ্নের আড়ালে যেমন রহস্যের চন্দ্রবিন্দু খেলা করছে, তেমনি অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে জীবন দর্শনের এক কাব্যময় আকাশ।’ দেখা-অদেখা'র কাব্যদর্শনে কবির প্রশ্ন: ‘চারপাশে যা কিছু দেখি তা আসলে কী? সংক্ষিপ্ত উত্তরে আকাশে অবগাহন: ‘যা কিছু দেখি, তা আসলে দলিল এমন কিছুর– যাকে আমরা দেখি না!’ জুলুম চিত্রিত প্রশ্নে তিনি যখন বলেন– ফুলের প্রতি অবিচার কখন করা হয়?’ অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরে বিশাল সামুদ্রদর্শন : যখন তাকে পাতা বা ডালের মতো ওজন করা হয়! মন্দ প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে ফলপ্রসূ সমালোচনার পক্ষপাতি তিনি। মুসা আল হাফিজ মনে করেন, সমালোচনা যেমন করতে হয়, তেমনি জানতে হয় সমালোচনা করার শিল্পটাও! এই বইয়ের পাতায় পাতায় পাঠক খুঁজে পাবেন শৈল্পিক সমালোচনার বহুমাত্রিক নমুনা। ব্যক্তি, ব্যবস্থা, সমাজের অসুস্থ প্রবণতার বিরোধিতা ও সমালোচনা তিনি করেছেন । “অনুভবের লতাতন্তু” অধ্যায়ে “রোজাদার ও রবীন্দ্রনাথ” শিরোনামে কী অসাধারণ শিল্প-কুশলতায় তিনি সমালোচনা করেছেন রবীন্দ্রনাথের মনস্তত্ত্বের! দেখুন: আমি আপনাকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছি, রবীন্দ্রনাথ! আমার পেটের মনোরম ক্ষুধা। আত্মায় একটা গন্ধ ফলিয়েছি বহুদিনে। পরম আদরে নিয়ে এসেছি এই খুশবু, আমার মেশকে আম্বর! আপনি তো উপবাসী যাপন করতেন কবি! জমিদারের দহলিজে ভুখাদের প্রবেশে বিপত্তি। কিন্তু আমি ভুখা নই! আমি উপবাস যাপন করছি! আপনার উপবাসের মহিমাকে কে অবহেলা করবে, সম্রাট! কিন্তু আমার রোজা কেন যবনের ভুখ হয়ে আপনার দহলিজে প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছে না! ও রবীন্দ্রনাথ! আমি আমার রোজার দাম বুঝে নিতে এখানে আসিনি। এসেছিলাম আমার আত্মায় ও সত্তায় জমানো যে মেশকে আম্বর, তার কিছু খুশবু উপহার দিতে, ঠাকুর! কিন্তু আমার উপবাস রোজা, সুগন্ধি মেশকে আম্বর আর ভালবাসা মহব্বত হওয়ার পাপে আপনি তাকে অবজ্ঞা করতে পারলেন!’ শৈল্পিক সমালোচনার আরেকটি উদাহরণ দেখুন। আধুনিক শোবিজ শিল্পের নারীদের দেহপণ্যায়নের অপসংস্কৃতির সমালোচনায় তিনি লিখেন– লোকেরা বলছিল, ওই যায় চামড়া ব্যবসায়ী! তিনি চামড়া ব্যবসায়ীর খোঁজ করছিলেন। খুব আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে গেলেন। গিয়ে দেখলেন, হায়! যে যাচ্ছে, সে আলট্রামডার্ন নায়িকা! শিক্ষার অনৈতিকতা, ধর্মের বিসর্জন, সমাজের কুসংস্কার ও চিন্তাদৈন্যতা, জ্ঞানহীন মূর্খ প্রতিক্রিয়াশীলতার বিরুদ্ধে মুসা আল হাফিজ বরাবরই সোচ্চার। কি কি কারণে আজ আমাদের ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনের এই অবক্ষয় ও অধঃপতন, তা তিনি ব্যক্ত করেছেন “অস্তিত্বের বংশীধ্বনি” অধ্যায়ে, গল্প ও কাব্যের ভাষায়। এর জন্য তিনি প্রয়োজনীয় রসদ সরবরাহ করেছেন ইতিহাসের নানা ঘটনা ও মনীষীদের চিন্তা-দর্শন থেকে। অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন আপন সময় ও সমাজ থেকে। “বস্তুগত শিক্ষা ও আত্ম” শিরোনামে তিনি লিখেন– ইতিহাসে হাঁটছিলাম । অরণ্যের শিক্ষাবঞ্চিত ভূমিপুত্ররা এসে ঘিরে ধরল । তাদের প্রশ্ন অনেক । খুব ধারালাে তাদের জিজ্ঞাসা । তারা বলল, কে ইতিহাসে কলঙ্ক ছড়িয়েছে বেশি? অশিক্ষিত আমরা, না শিক্ষিত মানুষরা? সত্যটা আমাকে বলতেই হলাে এবং সেটা হচ্ছে- একশ্রেণির শিক্ষিত মানুষই কলঙ্ক দিয়ে কালিমাময় করেছে ইতিহাস! যদি জানতে চাও, সেটা কেন? কেন একদল শিক্ষিত মানুষ অকল্যাণের বড়াে বাহন? মুসা আল হাফিজ বলেন, জবাব খুব সহজ। তারা লাভ করেছে বস্তুগত শিক্ষা । যার কাজ মানুষকে অধিকতর মহৎ করা নয়; অধিকতর দক্ষ করা। তারা দক্ষ হয়েছে , কিন্তু হারিয়েছে নিজের আত্মকে । আত্ম বা self হারানাের ফলে নিজের মানুষি অস্তিত্বকে সে হারায় । ফলে তার মধ্যে থেকে যায় পশুর অস্তিত্ব । যেহেতু পশুর এই অস্তিত্বটি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ হয়েছে , তাই সে অনেক বেশি বিপর্যয় ডেকে আনতে পেরেছে । এ বক্তব্য শেষ হতে না হতেই শিক্ষিতরা আমাকে ঘিরে ধরল। তাদের প্রশ্ন - শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ হওয়াটা কি তাহলে ভুল? বললাম, দক্ষ হয়ে তােমরা নিজেকে সমর্থ বানিয়ে ভালােই করেছিলে । কিন্তু খারাপ যেটা করেছিলে সেটা হলাে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলে । তারা বলল– নিজেকে আমরা কোথায় খুঁজে পেতাম? বললাম –শাশ্বতের সাথে সঠিক সম্পর্কে । আল্লাহ ও আধ্যাত্মিকতাহীন বস্তুবাদ আর নগ্ন ভোগবাদের বিরুদ্ধে মুসা আল হাফিজের কণ্ঠস্বর সবসময় উচ্চকিত। তীব্র সমালোচনামুখর। “বস্তুবাদের প্রতি” শিরোনামের কাব্যিক কথন তার জ্বলন্ত উদাহরণ। একজন সত্যিকার চিন্তাবিদ ও দার্শনিক যা দেখেন, যেভাবে দেখেন, অন্যরা তা দেখে না, দেখতে পায় না। বাহ্যিকতায় আবদ্ধ একজন সংকীর্ণ দৃষ্টির মানুষ যে জিনিসটা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে, যে অবস্থাকে সমাজের সংকটের উত্তরণ হিসেবে দেখছে, একজন গভীর প্রজ্ঞাবানের চোখে সেটাই হতে পারে বড় সংকট। এভাবে একজন দার্শনিক যে চিন্তা ও তৎপরতাকে সমাজের ব্যাধি দূর করার প্রয়াস বলছেন, সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার উপায় ভাবছেন, একজন মূর্খ, চিন্তাশুন্য অপরিনামদর্শী মানুষের দৃষ্টিতে তা আখ্যায়িত হতে পারে নতুন সমস্যা তৈরির পথ বলে। অথচ তার ধারণা পুরোপুরি ভুল এবং আত্মঘাতী। “ঘটনার ভেতরে” অধ্যায়টি আমাদেরকে অনেকটা সে বাস্তবতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে। দার্শনিক মুসা আল হাফিজ ইতিহাস, পর্যবেক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা থেকে এর নমুনা সংগ্রহ করে আমাদেরকে দেখাবেন “ঘটনার ভেতরে” কী আছে আর কী থাকতে পারে। মুসা আল হাফিজ মানে দার্শনিক ভাবনা-চিন্তার ভেতর নিরন্তর অবগাহন। কথায় কথায় তাঁর ঝরে পড়ে চিন্তা। কথার ভেতরে লুকিয়ে থাকে প্রজ্ঞা। উইট, সার্কাজম এবং বিষাক্ত স্যাটায়ার আছে তার কথনে। “বিষগোলাপের বন” অধ্যায়টি সেরকম দার্শনিক চিন্তা আর অন্তর্নিহিত প্রজ্ঞার একটি সংক্ষিপ্ত অথচ সুগভীর মোহনা। যেখানে ডুব দিলে আর উঠে আসা যায় না সহজে! বইটি প্রকাশ করেছে গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স। নান্দনিক ও যত্নশীল কাজের জন্য তারা বরাবরই প্রশংসিত। এ বইয়ের ক্ষেত্রেও তারা প্রশংসা পাওয়ার হকদার। বইয়ের প্রচ্ছদ, সাজসজ্জা, মুদ্রণ, বিন্যাস, বাইন্ডিং, কাভারিং–সবকিছুতেই নান্দনিকতা আর যত্নশীলতার ছাপ চোখে পড়ার মতো! বইটির দাম ধরেছে ১২০ টাকা। বইটি পাবেন গার্ডিয়ানে। অনলাইন পরিবেশক হিসেবে আছে প্রগতি.কম ৷ প্রিয় পাঠক! তবে আর দেরি নয়, আর দীর্ঘ আলাপ নয়, বই হাতে নিজেই এবার বসে পড়ুন আর কুড়াতে থাকুন বনের ফুল-ফসল!"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"বিষগোলাপের বন" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: