বেগ-বাস্টার্ড সিরিজ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | বেগ-বাস্টার্ড সিরিজ |
| Author | মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন |
| Publisher | বাতিঘর প্রকাশনী |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 2109 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 3.0900000000000003 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
52 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
Shadman Shabab Khan Protik , Aug 10, 2026
"বেগ-বাস্টার্ড জনাব* ভাই এর লেখা ভয়াবহ জনপ্রিয় একটা সিরিজ, যদিও এই সিরিজের নামকরণ নাকি উনি না, পাঠাকগণই করেছেন। সিরিজের এখন পর্যন্ত প্রকাশিত ক্রমানুযায়ী বইগুলো হলো- ১. নেমেসিস (২০১০) ২. কন্ট্রাক্ট (২০১১) ৩. নেক্সাস (২০১২) ৪. কনফেশন (২০১৩) ৫. করাচি (২০১৫) ৬. নেক্সট (২০২২) ৭. কন্ট্রোল (২০২৪) বইগুলোর পৃথক রিভিউ অনেক আছে তাই সবগুলো বইয়ের আলাদা রিভিউ না দিয়ে একটা spoiler-free overall পাঠানুভূতি ব্যক্ত করার চেষ্টা করছি। সামান্য কিছু নেতিবাচক* দিকের উল্লেখ থাকবে, তবে সমালোচনা বলা যাবেনা। সিরিজটা কেনা হয়েছিলো গত বছর অক্টোবরে আর পড়া হয়েছে এবছর মে-জুন মাসে। পড়ার এই সময়টা এক প্রকার বুঁদ হয়ে থেকেছিলাম বেগ-বাস্টার্ডে। লেখকের অন্য বই এর আগে আমার পড়া হয়নি তবে এ তার আগ পর্যন্ত যত থ্রিলার পড়েছি, তাতে আমার মতে একটা ভালো থ্রিলার উপন্যাসে কিছু মূল উপাদান থাকা জরুরি, যাতে পাঠক শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনায় থাকে-- শক্তিশালী Hook মানে প্রথম পাতাতেই এমন কিছু ঘটতে হবে যা পাঠকের কৌতূহল বাড়াবে—হঠাৎ কোনো হত্যাকাণ্ড, রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়া, বা ভয়ঙ্কর কোনো গোপন খবর ফাঁস হয়ে যাওয়া যাতে পাঠকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়: "এরপর কী হবে"? Continuous সাসপেন্স যেখানে একের পর এক রহস্য উন্মোচন, কিন্তু পুরো সত্য একবারে না বলে টুকরো টুকরো করে প্রকাশ করা আর প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে ছোটখাটো cliffhanger রাখা। অতিরিক্ত বর্ণনা বা ধীর গতির ঘটনা এড়িয়ে সংলাপ, অ্যাকশন ও রহস্য মিলিয়ে এমন গতি রাখা যাতে পাঠক থামতে না পারে। শক্তিশালী চরিত্র: Protagonist ত্রুটিহীন না হলেও বুদ্ধিমান ও দৃঢ় মনোবল সম্পন্ন। খলনায়ক (Antagonist) রহস্যময়, বুদ্ধিমান ও ভয় জাগানো। সাপোর্টিং চরিত্রগুলোও যেন গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। যদিও এই সিরিজে Protagonist কে আইডেন্টিফাই না করে Hero/Anti-Hero বলা যেতে পারে। অপ্রত্যাশিত টুইস্ট যেখানে পাঠকের ধারনা ভেঙে দেওয়ার মতো চমক থাকতে হবে, কিন্তু যেন জোর করে দেওয়া না লাগে। পাশাপাশি Red herring— ভুল পথে পাঠককে চালিয়ে নেওয়ার কৌশল। এমন এক Atmosphere বা এমন সেটিং যা সাসপেন্স বাড়ায় যেমন ধাবমান গাড়ি, অন্ধকার গলি, নির্জন বাড়ি, রহস্যময় মেসেজ ইত্যাদি। এই ব্যপারগুলো কিন্তু বইগুলোর unique প্রচ্ছদেও ফুটে উঠেছে। প্রচ্ছদগুলোও কিন্তু Indicative ;) শেষটায় সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, অথবা কিছু রহস্য ইচ্ছাকৃতভাবে অমীমাংসিত রেখে সিক্যুয়েলের সুযোগ রাখা। ---এই সবকিছু যেই প্যাকেজে আছে সেটাই বেগ-বাস্টার্ড সিরিজ। এর শুরু হয় এক পেশাদার খুনি, বাস্টার্ড এর একটা র্যান্ডম (আপাতদৃষ্টিতে) মিশন দিয়ে। খুনির মিশন মানে খুন। সেই খুনের তদন্তভার নেয় হোমিসাইড ডিপার্টমেন্ট, স্পেসিফিকালি বলতে গেলে হোমিসাইডের চিফ ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ। আমি আইনের ছাত্র হওয়ায় জানতাম এই হোমিসাইড ডিপার্টমেন্ট নামে আসলে পুলিশের আলাদা কোনো বিভাগ নেই, তারপরেও লেখকের বর্ণনা এতটাই স্ট্রং ছিলো যে আমি বাধ্য হয়ে নেটে সার্চ করেছিলাম যে এটার অস্তিত্ব আছে কিনা! মূলত "করাচি" বাদে অন্য সব গল্পগুলোতেই এই খুনি তার মিশনে আবির্ভূত হয় আর হোমিসাইড চিফ ইনভেস্টিগেটর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার তদন্তে জড়িয়ে পড়ে। তবে এটা সাধারণ কোনো চোর-পুলিশ খেলা না, মাঝখানে ঘটতে থাকা দুর্দান্ত সব ঘটনাই জানিয়ে দেয়, it's more than that! এর চরিত্রগুলো কেউ সর্বেসর্বা নয়, এরা vulnerable, গল্পের বিভিন্ন জায়গায় এরা ভুল করছে আবার সেখান থেকে কামব্যাক করছে। প্রথম গল্পে হোমিসাইড যেখানে আনকোরা একটা ডিপার্টমেন্ট ছিল যার কর্মকর্তারা ছিল কিছুটা অনভিজ্ঞ, লজিস্টিক্স ছিল অপ্রতুল তাই কাজের গতি ছিল মন্থর-- সেখানে ধীরে ধীরে এই ডিপার্টমেন্টটারই কাজ করতে করতে অভিজ্ঞতা বাড়ে, উন্নত ইকুইপমেন্ট আসে, তদন্ত কাজও দ্রুত হতে থাকে। হ্যাঁ এই ব্যপারটা বাংলাদেশের সরকারি একটা অফিসের ক্ষেত্রে কল্পনা করা কঠিন তবে আশা করতেও দোষ নাই। আরেকদিকে সেই প্রফেশনাল কিলারও সময়ের সাথে সাথে দৃঢ়, সংকল্পে বদ্ধপরিকর আর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে আরও স্মার্ট হতে থাকে; এক সময়ে সে নতুন অস্ত্রের সাথেও পরিচিত হয়। অর্থাৎ দুই পক্ষই এখানে এমনভাবে grow করে যে তাদের ক্যারেক্টার আর্ক-টা টের পাওয়া যায়। রাজনৈতিক কূটচাল, আদর্শিক দ্বন্দ, গ্যাং কালচার, রোমান্স-যৌনতা, নেটওয়ার্ক-জ্যাক, গ্ল্যামার আর মিডিয়ার দুই নম্বরি, বিশ্বাস আর বিশ্বাসঘাতকতা এসবকিছুর মিশেল এই সিরিজটার লেভেল আপ করে। আন্ডারওয়ার্ল্ড, গুপ্তচর খেলা, ট্র্যাজেডি আর ব্যক্তিগত প্রতিশোধের জট একটার পর একটা বিস্ফোরক টুইস্টে উন্মোচিত হয়েছে। এক এক পর্যায়ে চরিত্রগুলো গল্পের বিস্তারে দেশ পেরিয়ে বিদেশেও কাহিনী বিল্ড-আপ করতে থাকে, সাথে থাকে ধুন্ধুমার অ্যাকশন। সব মিলিয়ে চুম্বকের মতো আকর্ষণীয় একটি সিরিজ এই বেগ-বাস্টার্ড সিরিজ। *এবার কিছু নেতিবাচক কথা [হাল্কা তবে অগুরুত্বপূর্ণ Spoiler থাকবে]: প্রত্যেকটা বইয়ের গল্পের প্লটিং সুন্দর, "কনফেশন" বাদে। এটার প্লটিং, প্রুফ রিডিং কোনোটাই ভালো ছিলোনা। বাস্টার্ডের অতীতের রিপিটেশন ছিলো যা অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। জেফরি সরকারি চাকরি পেয়ে সার্ভিসে that's ok, চাকরিতে ট্রেনিং এর ব্যবস্থা থাকে, কিন্তু বাস্টার্ডের ক্ষেত্রে একটা গ্যাপ মনে হয়েছে, যে ও এতো এক্সপার্ট হওয়া শুরু করলো আসলে ঠিক কীভাবে বা কবে থেকে এটা কোথাও পাওয়া গেলো না যদিও তার অতীত ইতিহাস অনেকই আছে! সম্বোধনের ক্ষেত্রে একটা জিনিস অযৌক্তিক মনে হয়েছে। অমূল্য বাবু এতো বর্ষীয়ান একজন মানুষ, বেশিরভাগ জায়গাতেই শ্রদ্ধার পাত্র- তাঁর ক্ষেত্রে "সে", " করল", "বলল" ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ শুটার সামাদের মতো একজন অস্ত্র ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে "তিনি", " করলেন", "বললেন" ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়েছে। If It's just the other way round, it'd sound good! আন্ডারওয়ার্ল্ডের এক গ্যাং এর একজন (নামটা মনে করতে পারছিনা এই মুহূর্তে) সাইলেন্সার চেনে না, ব্যপারটা হজম হচ্ছিলো নাহ! অনবদ্য এই সিরিজটার অষ্টম কিস্তি আসার ঘোষণা হয়ে আছে, দেখা যাক লেখক কবে থ্রিলারপ্রেমীদের পাঠকমনকে আবার আন্দোলিত করেন!"
Dr. Tanvir Islam , Dec 26, 2021
"আমি যখন সিরিজটি কিনি, তখন "জাল" সহ ৬টি বই কিনেছিলাম ১১৯০ টাকা দিয়ে, খুবই ভালো বই।"
Md.Sharif Bin Sayeed , Apr 5, 2021
"Nemesis is one of the best bangla thriller in recent times.I first read it in 2010 and after 11 years reading it again.Realy it is exciting as 10 years before.Great job done."
Rakibul Hossain , Nov 15, 2019
"বর্তমানে thriller পাঠকরা খুব বাস্তববাদী। নায়ক সবচেয়ে ভালো মানুষ হবে, সব দোষ ক্রুটির উরদ্ধে থাকবে তা থ্রিলার উপন্যাসে মানায় না। সে জন্য এই সিরিজে বেগ চরিত্র থেকে বাস্টার্ড চরিত্রটার গ্রহনযোগ্যতা বেশী। সব মিলিয়ে আসাধারন একটি সিরিজ।"
Kazi Asifuzzaman , Nov 12, 2019
"=SERIES REVIEW= সিরিজের নামঃ জেফরি-বাস্টার্ড সিরিজ সিরিজের ধরণঃ থ্রিলার / রহস্য উপন্যাস। লেখকঃ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশনীঃ বাতিঘর প্রকাশনী প্রকাশকালঃ ২০১০ - ২০১৫ (সর্বশেষ) মূল্যঃ ২৫০ - ৩০০ টাকা (একেকটি)। বইয়ের নামঃ নেমেসিস, কন্ট্রাক্ট, নেক্সাস, কনফেশন ও করাচি। সার-সংক্ষেপঃ জেফরি বেগ একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তার সহযোগী জামান। চমৎকার বুদ্ধি, প্রতিভা ও উদ্দিপনা নিয়ে সমাধান করে যায় একের পর এক জটিল রহস্যের। শাস্তি দেয় দুর্ধর্ষ অপরাধীদের। তবু বারবার কোন এক অজানা মন্ত্রে হেরে যায় এক রহস্যময় মানুষের কাছে। এক ভয়ংকর পেশাদার খুনীর কাছে। নাম বাস্টার্ড। অসম্ভব সুদর্শন এই অদ্ভুত যুবকটি একজন ভয়ানক খুনী। বারবার জেফরি বেগের হাত থেকে বেরিয়ে আসে নিজের অসাধারণ বুদ্ধি খাটিয়ে। তবুও বারাবার বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে তারা মুখোমুখি হয়। যুদ্ধ চলে দুজনের। আর সেই সাথে সৃষ্টি হয় এক অসাধারণ থ্রিলার সিরিজের। যার ভেতর রয়েছে অপরাধ জগতের ছায়া, আছে জীবনের নিষ্ঠুর বাস্তবের প্রতিচ্ছবি, আছে রাজনীতির নোংরা কালো ছায়া আর তার নিচে কিছু ভালো মানুষের খারাপ হয়ে ওঠার গল্প... পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ বাংলা থ্রিলার সাহিত্যের একটি মাইলফলক এই জেফরি-বাস্টার্ড সিরিজ। লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন মুলত একজন প্রকাশক হলেও লেখালেখিতে কোনভাবেই কম যান না। বাংলা ভাষাতেও যে বিশ্বমানের থ্রিলার লেখা সম্ভব তার জলজ্যান্ত প্রমান তিনি দিয়েছেন। সিরিজের প্রত্যেকটি উপন্যাসই সুন্দর। টানটান উত্তেজনায় ভরপুর। বইয়ের শেষে চমক দিতে লেখক সিদ্ধহস্ত। সিরিজটির প্রথম বই নেমেসিস। যার অর্থ প্রতিহিংসা। একজন জনপ্রিয় লেখকের মৃত্যু রহস্যকে কেন্দ্র করে এগিয়ে গেছে কাহিনীটি। খুব সুন্দর একটি বই। কাহিনী বিন্যাস, লেখনী... সবকিছুই চমৎকার। এমনকি শেষ পৃষ্ঠার আগে রহস্যের সমাধানও পাওয়া যায় না। দুর্ধর্ষ খুনী বাস্টার্ডের সাথে জেফরি বেগের পরিচয় এই গল্পতেই। কন্ট্রাক্ট। সিরিজের ২য় বই। পেশাদার খুনী বাস্টার্ড একটি নতুন খুনের কন্ট্রাক্ট নেয়। কিছুদিন পর বুঝতে পারে বিরাট এক সড়যন্ত্রের জালে জড়িয়েছে সে। কিন্তু পেছনে ফেরার অবস্থা নেই। তার উপর দৃশ্যপটে হাজির হয়েছে জেফরি বেগ... রাজনীতি, অপরাধ, প্রেম সবমিলিয়ে ২য় বইটিও ১মটির মত অসাধারণ। পাঠকের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। তৃতীয় বইটির নাম নেক্সাস। স্কুলে নিহত হয় একজন জুনিয়র ক্লার্ক। কেস সমাধানের দায়িত্ব গিয়ে পড়ে অফিসার জেফরি বেগের উপর। এরপর শুরু হয় একের পর এক ভয়ানক ঘটনা। কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে আসে সাপ... সিরিজের এই বইটি অন্যান্যদের তুলনায় সাইজে একটু মোটা। কাহিনী চমৎকার। টুইস্টে ভরা। পাঠকের জন্য অতীব সুখাদ্য। কনফেশন। চতুর্থ বই। এটি গোটা সিরিজের সবচেয়ে সুন্দর একটি বই। লেখক এই বইয়ে তুলে ধরেছেন একজন কিশোরের ভয়ানক খুনী হওয়ার গল্প। তুলে ধরেছেন আমাদের সমাজের সেই স্তরের মানুষের গল্প যারা হাজার হাজার বছর ধরে অবহেলিত, লাঞ্চিত হয়ে আসছে। সামাজের কালো দিকের গল্প ফুটে উঠেছে এই বইতে। করাচি। সিরিজের এখন পর্যন্ত বের হওয়া সর্বশেষ বই এটি। পেশাদার খুনী বাস্টার্ড নতুন এক কন্ট্রাক্ট নিয়ে পাড়ি দেয় পাকিস্তানে। প্রথমে টার্গেট সহজ আর মিশন কঠিন ভাবলেও চূড়ান্ত আঘাত হানার সময় বুঝতে পারলো দুনিয়া কাঁপানো একটি ঘটনার মধ্যে ঢুকে পড়েছে অযাচিতভাবে... সুন্দর একটি বই। কনসেপ্টটা ইউনিক। সমসাময়িক ঘটনাকে নিয়ে লেখা। পাঠক এখানে একজন সত্যিকারের প্রফেশনাল কিলারের কর্মকান্ড দেখতে পাবে। তার ধৈর্য, একাগ্রতা, আত্মপ্রত্যয়ের এক অসাধারণ পরিচয় পাওয়া যায় এই বইতে। সর্বপরি, জেফরি-বাস্টার্ড সিরিজ একটি চমৎকার সিরিজ। পাঠককে গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে সক্ষম। তাছাড়া বইয়ের প্রচ্ছদ, বাঁধাই, কাগজের মান যথেষ্ঠ ভালো। দামও সাধ্যের ভেতর। সব মিলিয়ে যেকোন থ্রিলার পাঠক/পাঠিকার জন্য খুবই সুস্বাদু সুখাদ্য এই জেফরি-বাস্টার্ড সিরিজ। সুতরাং যারা এখনো খান নি, দ্রুত খেয়ে ফেলুন। নাহলে সত্যিই খুব চমৎকার একটি খাবার মিস করবেন। :p রেটিংঃ ৪.৫/৫"
Hosneara Yeasmin Ami , Jun 15, 2017
"কন্ট্রাক্ট কিলার বাস্টার্ড। বাবার নাম জানা নেই বলে তার নাম হয়ে যায় বাস্টার্ড। অর্থের বিনিময়ে মানুষ খুন করে সে। কিন্তু নীতি বিবর্জিত মানুষ নয় সে। এমন সব মানুষের মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে হাজির হয় যাদেরকে ঠিক মানুষ না বলে পশু বা দানব বললেই যুক্তিযুক্ত হয়। তার সামনে এসেছে এখন এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। প্রায় তিনযুগ আগের এক হত্যার বদলা নিতে হবে। আর তার জন্য পাড়ি দিতে বারো শ' মাইল পথ আর বিশ্বের অন্যতম অরাজক ও বিপদজনক শহর করাচীতে। কাজটা নেবার বেলায় ক্লায়েন্ট বলেছিল কাজটা খুবই সহজ। শুধু ঠিকানা খুঁজে শেষ করে দিয়ে আসতে হবে। কিন্তু অভিজ্ঞ শুট্যার বাবলু জানে যতটা মনে হচ্ছে ততটা সহজ না কাজটা। প্রথমত, অন্য দেশের শহরের রাস্তাঘাট, লোকজন কিছুই চেনা থাকে না। দ্বিতীয়ত, ফায়ারআর্মস বহন করে নিয়ে যাওয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। তবুও ক্লায়েন্টের আবেগকে মূল্য দিতে রাজি হয় বাবলু। পাড়ি জমায় সে করাচীতে। সেখানে পা রেখেই বুঝতে পারে কতটা ঝুঁকি নিয়েছে সে। শুট্যার সামাদের সহায়তায় গাইড আর ফায়ারআর্মস যোগার করে নেয় কিন্তু তার টার্গেট ভীষণ সতর্ক এটাও বুঝতে পারে। কাকতালীয় ভাবে টার্গেট একাত্তরের ঘাতক দালাল মাওলানা ইউসুফের দ্বিতীয় পক্ষের মেয়ে আইনাতের সাথে সক্ষতা হয় বাস্টার্ডের। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাওলানার বাড়িতে প্রবেশ করে বাস্টার্ড। ঠিক সেই সময়েই অন্য এক ইস্যুতে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো দক্ষিণ এশিয়া, সাথে পুরো বিশ্ব। এই ঘটনার সাথে মাওলানার কি কোন সংযোগ আছে? নাহলে এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন মাওলানার বাড়িতে? বাস্টার্ড কি এর শেষ দেখে ছাড়বে? নাকি রণে ভঙ্গ দিয়ে পালাবে? আমার কথা : বরাবরের মত মাসুদ রানার থুক্কু এটাতো মাসুদ রানা না।।। মানে বরাবরের মত বাস্টার্ডের এই মিশনেও আমি তার প্রশংসা ছাড়া আর কিছু করতে পারছি না। প্রথমে অবশ্য মাসুদ রানাই মনে হচ্ছিল। পরে দেখলাম না, এটা তো রানা না।।। এটা তো বাবলু মানে বাস্টার্ড।।। যাই হোক আসল কথা বলি। মূল মিশন থেকে সাইডের একটা ইস্যুই বেশি কভারেজ পেয়েছে বলে মনে হয়েছে আমার। অন্যদিকে আইনাতের সাথে দেখা হওয়াটা একটু বেশিই কাকতালীয় হয়ে গেছে। বাকিটা ঠিকঠাকই ছিল। আর এটা নেমেসিস এর প্রিকুয়েল হওয়াতে কেউ যদি আগে করাচী পড়তে চায় তাহলে তার জন্য পুরোটাই স্পয়লার হয়ে যাবে। তাই সিরিয়াল ঠিক রেখে পড়লেই একমাত্র পাঠক এই সিরিজের মজা পুরোপুরি নিতে পারবেন বলে ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করি।।। হ্যাপি রিডিং।।।"
Hosneara Yeasmin Ami , Jun 15, 2017
"সবকিছু পেছনে ফেলে অজ্ঞাতবাসে আছে বাবলু। এদিকে উমার সাথেও বিচ্ছেদ হয়ে যায়। উমার বাবা মা মুসলমান ছেলের সাথে মেয়ের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি। ফলশ্রুতি বিচ্ছেদ। এদিকে নতুন জীবন শুরুর লক্ষ্যে অতীতের সবকিছু ত্যাগ করেছে বাস্টার্ড। কিন্তু চাইলেই কি সব শেষ করা যায়। সম্পূর্ণ ভেতরের তাগিদেই বাবলু একজন এসিড-সন্ত্রাসীকে আগুনে পুড়িয়ে মারে যেভাবে সে একজন নিরাপরাধকে এসিড মেরে ঝলসে দিয়েছে।রিসোর্টে ফিরে একটা ফুটফুটে ছোট্ট মেয়ের সাথে দেখা হয়। মেয়েটার বাবা মার সাথেও দেখা হয়। বাবলুকে দেখে যেন মেয়েটার মা চমকে ওঠে। এদিকে সিটি হোমিসাইডের ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগের কাছে আসে এক নতুন কেস। কাকরাইল মোড়ে এক প্রাইভেটকারের ড্রাইভারকে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে। তদন্তে সে জানতে পারে ড্রাইভারকে মেরে বাচ্চা একটা মেয়েকে কিডন্যাপ করেছে দুষ্কৃতরা। এদিকে বাবলুর কাছে একটা ফোন আসে। বহূদিন আগে হারিয়ে যাওয়া মেঘলা তার কাছে সাহায্য ভিক্ষা করে। তার একমাত্র মেয়ে দিহানকে কে বা কারা কিডন্যাপ করেছে। বিনিময়ে এক কোটি টাকা চায় তারা। মেঘলা পুরনো সম্পর্কের সূত্রে সাহায্য চায়। প্রাক্তন প্রেমিকার জন্য রাজি হয়ে যায় বাবলু। অপারেশনে নামে বাবলু ওরফে বাস্টার্ড তার ফুল ফর্মে। অন্যদিকে জেফরি বেগও তার নিজস্ব গতিতে তদন্ত চালায়। বাবলু তার নিজস্ব দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দিয়ানকে যে বাড়তে আটকে রাখা হয়েছে সেখানে পৌছতে আর কিডন্যাপারদের নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়। কিন্তু সম্পূর্ণ অসতর্ক অবস্থায় জেফরি বেগের সামনে পড়ে যায়। জ্বী, ঠিকই শুনেছেন। বাস্টার্ড ধরা পরে গেছে পুলিশের হাতে। হাসপাতালে বন্দি অবস্থায় জেফরিকে সে শোনায় তার বাস্টার্ড হয়ে ওঠার ইতিহাস। এখন কি বাস্টার্ডের সব খেল খতম? ছোট্ট দিয়ান কি ফিরে এসেছিল তার মায়ের বুকে? নাকি বড্ড বেশি দেরি করে ফেলেছিল জেফরি-বাস্টার্ড? আমার কথা : বাকি তিনটা মানে নেমেসিস, কন্ট্রাক্ট, নেক্সাসের মত এত টানটান উত্তেজনা নেই এই বইটাতে। কিন্তু বাস্টার্ডের জীবনের উথ্থান পতন জানার জন্য বইটা অবশ্যই সময় করে পড়তে হবে। যারা আমার মত এই সিরিজের ভক্ত তারা তো পড়বেই কারো বলে দিতে হবে না। উমার সাথে বিচ্ছেদে আমার খুব কষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে জেফরির খবরটা যদি সত্যি হয়, আমি অন্ততঃ খুব খুশি হব। আর তাদের মাঝের এই টম এন্ড জেরীর দৌড়টা শেষ হবার অপেক্ষায় আছি। অপেক্ষায় আছি কবে বাবলু অন্ধকার জগতের সব পেছনে ফেলে নতুন দিনের পথ চলবে। এই আশা কি পূরণ হবে আমার? কে জানে? হ্যাপি রিডিং।।।"
Hosneara Yeasmin Ami , Jun 14, 2017
"ঢাকার সবচেয়ে অভিজাত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল সেন্ট অগাস্টিনে ঘটে গেল এক নির্মম হত্যাকাণ্ড। নিরীহ এক জুনিয়র ক্লার্ককে নির্মমভাবে ঘাড় মটকে খুন করা হয়েছে। খুনি কোন ক্লু রেখে যায়নি। তাই মনে হচ্ছে কোন পেশাদার খুনির কাজ। কিন্তু নিরীহ ছেলেটা কার পাকাধানে মই দিয়েছিল যে তাকে প্রাণ দিতে হল। প্রিন্সপাল অরুণ রোজারিওর সাথে আগে থেকে সুসম্পর্ক থাকায় হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টের ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগকে তদন্তের ভার দেয়া হল। কিন্তু অরুণ কি যেন একটা লুকাচ্ছেন বুঝতে পারছে জেফরি। মৃত হাসানের স্ত্রীর সাথে দেখা করে জেফরি। নিতান্তই অল্পবয়সী একটা মেয়ে। মাত্র দুবছর আগে হাসানের সাথে বিয়ে হয়েছিল মলির। মলির ছোট ভাই লিটুকে নিয়ে তিনজনের ছোট্ট শান্ত একটা পরিবার ছিল। তদন্তের এক পর্যায়ে হাসানের ডায়রিটা জেফরিকে দেয় মলি। এ থেকে জানা যায় নতুন তথ্য। অন্যদিকে কুখ্যাত অপরাধী ব্লাক রঞ্জুকে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়। অন্যদিকে তদন্তে বেড়িয়ে আসে হোমমিনিস্টারের একমাত্র ছেলে তুর্য সেন্ট অগাস্টিন থেকে হাসানের খুনের দিনে অপহৃত হয়েছিল। এই দুই ঘটনার মাঝে যোগসূত্র খুজেঁ পায় জেফরি। সরাসরি চলে যায় হোমমিনিস্টারের সাথে দেখা করতে। সেখানে জানতে পারে আরো নির্মম কিছু সত্য।।। কি সেই সত্য? সামনে কোন আরও বড় ঝড় আসছে নাতো? বাবলু (বাস্টার্ড এর আসল নাম) এখন কোথায়? সে নিরাপদে আছে তো? আমার কথা : কখনো কোন এন্টি হিরোর জন্য এত অস্থির হইনি। সাধারনত আমার নেগেটিভ রোলে থাকা ব্যক্তিদের ভাল লাগে না। কিন্তু বাবলু ব্যাতিক্রম। তাই তার প্রতি এত পক্ষপাতিত্ব। আর উমার সাথে বাবলু আর রেবার সাথে জেফরির প্রেম দেখে মজাই লাগতেছে। মজা লাগার মতই অবশ্য।।। আর কন্ট্রাক্ট পড়ার পর কেমন যেন একটা খালি খালি লেগেছিল। তখনো জানতাম না যে নেক্সাস এটার সিকুয়েল। শুরু করার পর প্রায় মাঝামাঝি যাবার পর বুঝতে পারলাম। এবং ভাললাগাটা আরো বাড়ল। আর আপনারা যারা মারদাঙ্গা থ্রিলার পছন্দ করেন তাদের তো কথাই নাই। ভাল না লেগেই পারে না।।। হ্যাপি রিডিং।।।"
Hosneara Yeasmin Ami , Jun 14, 2017
"কোটি টাকার একটা খুনের কন্ট্রাক্ট। কিন্তু সময় খুব কম। মাত্র দু সপ্তাহের মধ্যে দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী ব্ল্যাক রঞ্জু ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের পথ থেকে সরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু সমস্যা হল সে এখন দেশে নেই। কথিত আছে সে এখন কলকাতায় লুকিয়ে আছে। সেখান থেকে দেশে নির্দিধায় তার চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। কাজে নামল বাস্টার্ড। ঢাকায় তার রিসোর্স কাজে লাগিয়ে জানতে পারল ব্ল্যাক রঞ্জুর খাস লোক সুলতান এখন ঢাকায় আছে। অ্যাকশনে নামল বাস্টার্ড। এর পরে একে একে লেডি গিয়াস, মিনা আপা (ব্ল্যাক রঞ্জুর দ্বিতীয় স্ত্রী/দেহব্যবসায়ীদের সর্দার) আর ব্ল্যাক রঞ্জুর বড় ভাই সঞ্জু, সবাই বাস্টার্ডের শিকার হয়। অন্যদিকে লেডি গিয়াসের সাথে অ্যাকশনের সময় আশেপাশের হোটেল বোর্ডাররা দেখে ফেলে। তাই ওইসময় লেডি গিয়াসের সাথে থাকা উমাকে নিয়ে পালায় বাস্টার্ড। আর একঘটনায় পুলিশ চলে আসে। তদন্তের দায়িত্ব পরে সদ্য লন্ডন থেকে ফেরা হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টের ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগের। তদন্তে বেড়িয়ে আসে বাস্টার্ডের বর্ণনা। বর্ণনা শুনেই জেফরি চিনতে পারে বাস্টার্ডকে। তাই সেই আঙ্গিকেই তদন্ত করে সে। অন্যদিকে ব্ল্যাক রঞ্জুর কোলকাতার ঠিকানা বের করে সেখানে পাড়ি জমায় বাস্টার্ড। শুরু করে তার ওয়ান-ম্যান-অপারেশন। সেকি সফল হতে পারবে? নাকি এর ভেতরে অন্য কোন কাহিনী আছে? সেই পাঁচ লক্ষ টাকা দামের ফোন কল কাকে করা হয়েছিল? কেনইবা করা হয়েছিল? আমার কথা : সন্ত্রাস, দুর্নীতি, অ্যাকশন, গান ফাইট, ষড়যন্ত্র সবকিছুর একটা কমপ্লিট প্যাকেজ হল মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের মৌলিক-থৃলার জেফরি-বাস্টার্ড সিরিজের দ্বিতীয় বই কন্ট্রাক্ট। এ এক কন্ট্রাক্ট কিলারের উপাখ্যান। সাথে এক অকুতোভয় পুলিশ অফিসারের গল্প। জেফরি-বাস্টার্ডের অন্ত্যমিলগুলো আমাকে অন্তত একবার হলেও ভাবিয়েছে তারা জমজ ভাই নয়ত। লেখক কি বারবার তাই ইঙ্গিত দিতে চাইছেন? থ্রিলার সাধারণত অ্যাডাল্ট বা পূর্ণবয়স্ক পাঠকের জন্য লেখা হয়ে থাকে। এই লেখাও তার ব্যতিক্রম নয়। সামান্য হলেও ভায়োলেন্স, অ্যাবিউজিব ভাষা আর যৌনতার উপস্থিতি ছিল। তা থ্রিলারে একটু থাকতেই হয়। নাহলে থ্রিলার আর কিভাবে হয়। সিরিজের প্রথম বই নেমেসিস এ বাস্টার্ডের উপস্থিতি তেমন একটা না থাকলেও কন্ট্রাক্ট সেটা পুশিয়ে দিয়েছে। এই বইটা মোটামুটি বাস্টার্ডের উপর নির্ভর করেই লেখা হয়েছে। তাই ভাললাগাটা অন্যরকম।।। হ্যাপি রিডিং।।।"
Hosneara Yeasmin Ami , Jun 13, 2017
"প্রায় মাঝরাতের দিকে ভিটা নুভা অ্যাপার্টমেন্টের সামনের রাস্তার ফুটপাতে অল্পবয়সী একটা ছেলে দাড়িয়ে আছে। তার দৃষ্টি ছয় তলার কর্ণার ফ্ল্যাটের দিকে। স্থানীয় থানার টহল গাড়িতে বসা ইনস্পেক্টর এলাহী নেওয়াজের সন্দেহ হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে যাওয়ায় ভড়কে গিয়ে ছেলেটা পালায়। কিছুক্ষণ পর বিখ্যাত শিল্পপতি সি ই এ সিদ্দিকী সাহেবের কাছে ফোন যায় তার ছেলের গ্রেফতার হওয়ার ব্যাপারে। নিজের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন ছেলেকে আর রাতারাতি বিদেশে পাঠিয়ে দেন। অন্যদিকে ইন্সপেক্টর এলাহীর সন্দেহ হওয়ায় ভিটা নুভা অ্যাপার্টমেন্টের ছয়তলার কর্ণার ফ্ল্যাটে খোঁজ নিতে পুলিশ পাঠান। জানতে পারের সেটা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জায়েদ রেহমানের ফ্ল্যাট। পক্ষাঘাতগ্রস্থ পঙ্গু লেখক সেখানে দ্বিতীয় স্ত্রী বর্ষা আর শিশু সন্তানকে নিয়ে থাকেন। খোঁজ নিতে গিয়ে প্রকাশ পায় লেখক জায়েদ রেহমান মারা গেছেন। মারা গেছেন না খুন হয়েছেন ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। লেখকের মুখে বালিশ চাপা দেয়া ছিল। এছাড়া তার দেহে এমন কোন চিহ্ন নেই যা দেখে খুন হয়েছেন এটা ধারনা করা যায়। অন্যদিকে মৃত্যুর আগে লেখক তার একসময়কার প্রিয় প্রকাশক বন্ধু অবয়ব এর মালিক আবেদ আলীকে তার শেষ লেখার তার জবানবন্দী আকারে রচিত অটোবায়োগ্রাফির পান্ডুলিপি ইমেইলে দিয়ে গেছেন। এবং এই পান্ডুলিপির স্বত্বাধীকারিনী করেছেন তার প্রথম স্ত্রীকে। এখন কথা হলো ইমেইলটা লেখক কি করে পাঠালেন। ল্যাপটপতো লেখকের হাত থেকে দূরে টেবিলের উপর রাখা। তদন্তে নামলেন সিটি হোমিসাইডের উদীয়মান ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ । তদন্তের শুরুতেই দারুণ পারফরমেন্স দেখিয়ে গ্রেফতার করলেন লেখকের তরুণী স্ত্রী ও তার প্রেমিক আলম শফিক নামক এক উঠতি অভিনেতাকে । লেখকের মৃত্যুর সময় পাশের কামরাতেই প্রেমে মত্ত ছিল তারা। কিন্তু জেফরির কেমন যেন একটা সন্দেহ হচ্ছে। আদৌ কি এরা আসল অপরাধী? নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য কেউ? আমার কথা : মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের নেমেসিস উপন্যাসের হাত ধরে বেশ কয়েকবছর পর আমার বাংলা সাহিত্যে ফিরে আসা। লেখক আন্তর্জাতিক মানের থ্রিলার লিখেছেন বলে আমার মনে হয়েছে। কিন্তু সমসাময়িক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকের আদল দিয়ে লেখার আইডিয়াটা আমার একদমই ভাল লাগেনাই। এটা না করলেও পারতেন। এতে আমার কাছে অন্ততঃ এই লেখার গ্রহণযোগ্যতা কমেছে।।। হ্যাপি রিডিং।।।"
TASFIA PROMY , May 29, 2017
"বইঃকন্ট্রাক্ট লেখকঃমোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন পৃষ্ঠাঃ৩৪৯ মূল্যঃ৩২০ টাকা (২২৪৳ ছাড়ে) প্রকাশনীঃবাতিঘর ধরণঃথ্রিলার/সাসপেন্স কাহিনী সংক্ষেপঃ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এর মৌলিক "নেমেসিস" পড়েছিলাম বেশ আগেই, আমার বেশি পিডিএফ টা পড়া হয়, পিডিএফ পড়েছিলাম। বাস্টার্ড সিরিজ এর প্রথম বই "নেমেসিস", এটা আমি আগে জানতাম না, কাল কে “ কন্ট্রাক্ট” পড়তে গিয়ে বুঝলাম।। একটি কন্ট্রাক্ট! পেশাদার খুনী বাবলু “বাস্টার্ড” কে এক কোটিপতি নিয়োগ করে আরেক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ব্ল্যাক রঞ্জু কে খুনের। যাকে খুঁজে পাওয়া সহজ নয়, এমনকি এই সন্ত্রাসীর কাছে পৌঁছাতে নানা মানুষের হাত ঘুরে অলি গলি পেরিয়ে যেতে হবে। এবং সবথেকে অবাক করা বিষয় রঞ্জুর কাজের জন্য নানা স্তরে নানা মানুষ আছে, যাদের কে খুঁজে পাওয়া খুব সহজ ছিলনা ।।লেডী গিয়াস, উমা রাজবংশী, সুলতান, ঝন্টু এরকম আরো কিছু চরিত্র ঘটনাঢ় পরিপ্রেক্ষিতে আসবে। এই উমা আর বাস্টার্ড এর এক অদ্ভুত সম্পর্কের শুরু হবে ঘটনাক্রমে...। এক সময় পেশাদার খুনী “বাস্টার্ড” আর হোমিসাইড ডিপার্টমেন্ট এর কর্মকর্তা “জেফরি বেগ” এদের চোর–পুলিশ খেলা। হঠাৎ শহরে একের পর এক খুন, একই পিস্তলের সাহায্যে খুন হচ্ছে, কে এই রহস্যময় খুনী? আবার অন্যদিকে রঞ্জু কে খুঁজে খুঁজে বাবলু চলে যায় ইন্ডিয়া। পিছনে জেফরি বেগ। ধরা পড়বে রঞ্জু? শেষ পাতায় বড়সড় শক খেতে চাইলে বইটা পড়ে ফেলুন। পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ কালকে রাত ১২ টা থেকে বইটা পড়া শুরু করি, পড়তে পড়তে কখন সেহরির সময় হয়ে গেছে বুঝিনি। যায় হোক, কাল রাতেই বইটা শেষ করি, একদম রুদ্ধশ্বাস বলতে যেরকম বোঝায়, সেরকম একটা বই, বেশ ভাল লেগেছে, আমার কাছে বইটা ভিলেন বেজড মনে হয়েছে, গল্প-কাহিনি সব বেশ সুন্দর এগিয়ে গিয়েছে। বেশ ভাল।বেশ বড়সড় একটা বই।বাস্টার্ড এর চরিত্র টা বেশ সুন্দর, এবং জেফরি বেগ কম চৌকস নন। কিন্তু শেষ মেশ বাবলুর পক্ষেই হয়তো পাঠক থাকবেন। তবে হ্যাঁ,কিছু কিছু বাড়তি অনুষঙ্গ বাদ দিলেও হয়তো দেয়া যেত... যেমন প্রথম অংশটা একটু বাড়তি বলে আমার মিনে হয়েছে, এটি আমার মত সম্পুর্ন।"
Sheikh Rakib , Feb 8, 2017
"কাহিনী সংক্ষেপঃ পক্ষাঘাতগ্রস্ত দেশের সব চাইতে জনপ্রিয় লেখক জায়েদ রহমান নিজের অ্যাপার্টমেন্টে খুন হলেন। সন্দেহভাজন হিসাবে গ্রেফতার হলো লেখকের স্ত্রী বর্ষা এবং তার বর্ষার প্রেমিক আলমকে। তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনাস্থলেই আলমকে খুঁজে পায় জেফরি বেগ এবং গ্রেফতার করে। সন্দেহ করা হয় তারা একসাথে খুনটা করেছে। কেস ক্লোজ হয়ে যায় তবে একটা খটকা জেফরি বেগকে নতুন চিন্তা করতে বাধ্য করে। লেখকের ল্যাপটপ। তার ল্যাপটপকে লেখকের হাতের নাগালের বাহিরে রাখা হয়েছে অথচ সেটা তার মৃত্যুর সময় ব্যবহার করা হয়েছে। ওদিকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত লেখকের সম্ভব নয় সেটা ব্যবহার করা। খটকা থেকে পুনরায় তদন্ত শুরু করলো জেফরি বেগ আর ঘটনা মোড় নিতে থাকলো ভিন্ন দিকে। পাঠ-পর্যালোচনাঃ নেমেসিস শব্দের অর্থ প্রতিহিংসা। গ্রীক মাইথোলজী অনুযায়ী নেমেসিস হলো প্রতিহিংসার দেবী। প্রখ্যাত লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের নেমেসিস বইয়ের কাহিনীও কিছুটা ওই প্রতিহিংসাকেই কেন্দ্র করে। গল্পের শুরুতে দেখা যায় এক প্রখ্যাত পক্ষাঘাতগ্রস্থ লেখকের বর্তমান স্ত্রী (!) অন্য একজনের সাথে লীলাখেলায় ব্যস্ত। অন্য দিকে সেই লেখক খুন হয়ে পড়ে থাকেন অন্য এক রুমে। সারারাত পর সকালে তার স্ত্রী দেখতে পান সেই লাশ। পুলিশ আসে বাসায়। আসে হোমিসাইড (বিশেষ পুলিশ গোয়েন্দা সংস্থা। অনেকটা সি আই এ, এফবিআই এর মত) ডিপার্ট্মেন্টের তরুণ অফিসার জেফরি বেগ। তরুণ হলেও তার ১০০ ডিসকাউন্ট ট্রাকরেকর্ড! গোটা ডিপার্ট্মেন্টে তার সুনাম খুব! তরুণ সেই অফিসার নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ধরে ফেলেন সম্ভাব্য আসামীকে। রিমান্ডে নেন তাকে। ঠিক তখনই ঘুরে যায় গল্প। জেফরি বেগ বুঝতে পারে যে তার ভুল হয়েছে। গল্পটা আসলে অন্যরকম। এরপর শুরু হয় গতি। তবে সে যেন তেন গতি না। একেবারে রোলার কোস্টার গতিতে চলতে থাকে থ্রিলার। ঘটনার পর ঘটনা ঘটতে থাকে। তবে বইয়ের শেষে জেফরি সম্মুখিন হয় এক অদ্ভুত সত্যের, যা সে আশাও করে নি। কি সেই সত্য? জানতে হলে পড়তে হবে পুরো বইটি! লেখক নাজিম উদ্দিনের মৌলিক বই কখনও পড়িনি আগে। তবে অনুবাদ পড়েছি অনেক। অনুবাদ মোটামুটি লাগলেও মৌলিক থ্রিলারে মন ভরে গেছে! এছাড়া বইয়ের আরো কিছু জায়গা ভালো লেগেছে... ১. বইয়ের লেখনি ধরণ। এত দিন শুধু এডাপ্টেশানের বই পড়তাম। বাইরের মাটিতে নিজেদের চরিত্র। তবে এই বার নিজের দেশের মাটিতে বিশ্বমানের থ্রিলার লেখাটা বেশ ভালো লেগেছে। ২. বইয়ের ক্যারেক্টারাইজেশনটা ভালো ছিল। ৩. বইয়ের মেইন ভিলেন বাস্টার্ড চরিত্রটিকে বেশ ছায়াময় আবহাওয়ায় রাখা হয়েছে... যেটা বেশ ভালো লেগেছে। ৪. পাঠককে ধরে রাখতে বেশ ভালোই মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন লেখক। বিশেষ করে প্রতিটি অধ্যায় শেষে যে তিনি পরের অধ্যায়টি পড়তে পাঠকদের বাধ্য করেছেন... এই ব্যাপারটা বেশ প্রসংশনীয়। তবে বইটির কিছু জায়গায় খারাপ না লাগলেও খটকা লেগেছে... ১. বইয়ের মেইন টপিক। অর্থাৎ লেখক এখানে কিছুটা হুমায়ুন আহমেদ স্যারের জীবনের একটি দিক তুলে এনেছেন। বাংলাদেশি পাঠক হিসেবে ব্যাপারটা অনেকের কাছেই মনক্ষুণ্ণের কারণ হতে পারে। তবে যদি থ্রিলার টপিকের দিক থেকে লক্ষ্য করি... তাহলে এটাকে থ্রিলার গল্পের প্লট হিসেবে খুব সুন্দর ভাবেই কাজে লাগাতে পেরেছেন লেখক। ২. বইয়ে লেখক "থ্রিলার" বানানটি "থৃলার" লিখেছেন। যদিও বাংলাভাষায় বিদেশি শব্দ হিসেবে এই ধরণের শব্দের কোন নির্দিষ্ট ভাষারীতি নেই, তবুও অধিকাংশের কাছে "থ্রিলার" বানানটি এভাবেই পরিচিত। লেখক হয়ত তার মত করে বানান দিয়েছেন নিজস্ব স্টাইল হিসেবে। ৩. বইয়ে এলান্ডটেরি দিকটা বেশ চোখে পড়ার মত। বিদেশী সাহিত্যে ব্যাপারটা নরমাল হলেও আমাদের সাহিত্যে এখনও এই জায়গাটা এলে সবাই একটু উসখুস করে। লেখক কিছুটা বিদেশি ট্রেন্ড ফলো করায়, উপন্যাসটি ছোটদের না পড়াই ভালো। বইটির প্রচ্ছদটি বেশ আকর্ষনীয়। থ্রিলার বই হিসাবে পারফেক্ট। এছাড়া বাইন্ডিং, কাগজের মান, ছাপা সবই বেশ পরিষ্কার ও উন্নতমানের। বইটির আরো একটি ভালো দিক হচ্ছে, মানের তুলনায় দাম যথেষ্ঠ কম। খুব সহজেই সাধ্যের ভেতরে পড়ে বলে কিনতেও সমস্যা হয় না! আর হ্যাঁ... অনেকেই হয়ত জানেন না... এটি একটি সিরিজ। সেই ২০১০ সাল থেকে চলে আসছে। নেমেসিস সিরিজটির প্রথম বই। এরপরে আরো ৪টি বই আছে (যদিও আমি পড়িনি)। সেগুলো হলো... ১. নেমেসিস। ২. কন্ট্রাক্ট। ৩. নেক্সাস। ৪. কনফেশন। ৫. করাচি। সবশেষে বলতে চাই... কোন কিছুই দোষের উর্ধে না। ভালো মন্দ মিলিয়েই একটি বই। তবে নেমেসিস বইটির ভালোর দিকটিই বেশী। বিশেষ করে একজন থ্রিলার পাঠকের নিকট এটি একটি আদর্শ বই হতে পূর্নাংগ ভাবেই সক্ষম! ধন্যবাদ!"
noboni ahmed , Dec 31, 2016
"#রিভিউ বইঃকন্ট্রাক্ট লেখকঃমোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন পৃষ্ঠাঃ৩৪৯ মূল্যঃ৩০০ টাকা প্রকাশনীঃবাতিঘর ধরণঃথ্রিলার মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এর মৌলিক থ্রিলার "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেনি" পড়ার পরেই মূলত আগ্রহ নিয়ে "নেমেসিস" পড়েছিলাম। বাস্টার্ড সিরিজ এর প্রথম বই "নেমেসিস" পড়ে বাস্টার্ড আর জেফরি বেগ এর ইঁদূর বেড়াল খেলার প্রতি আসক্তি থেকেই পড়েছি দ্বিতীয় বই "কন্ট্রাক্ট "। কন্ট্রাক্ট শব্দের অর্থ কোন কিছুতে চুক্তিবদ্ধ করা।অর্থাৎ বই এর কাহিনী কোন চুক্তি নিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।হ্যাঁ,একদম তাই।কিন্তু কিসের চুক্তি আর কার সাথে চুক্তি? চুক্তিটা বাস্টার্ড এর সাথে।নেমেসিসের সেই ঘটনার পর দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে থাকে বাস্টার্ড। কিন্তু নতুন এই চুক্তির কারণে আবার দেশে আসে সে।কোটি টাকার এক চুক্তি হয়।কি সেই চুক্তি?শহরের এক বিখ্যাত সন্ত্রাসী ব্ল্যাক রঞ্জুকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে হবে।এই রঞ্জু অসংখ্য মানুষের কাছে মোটা টাকা চাঁদা দাবি করে।কেও দিতে না চাইলে তাকে খুন করতেও দ্বিধা করেনা।তার এই অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে অবশেষে দুইজন শিল্পপতি ব্যবসায়ী নিয়োগ দেয় বাস্টার্ডকে।মিশনে নেমে পড়ে বাস্টার্ড। কিন্তু সে যে মিশনে নেমেছে তার পেছনে কি অন্য কোন ঘটনা আছে?নাকি নিছক সাধারণ একটি ঘটনা? এদিকে শহরে হুট করে খুন হয়েছে একজন লোক।তদন্তের দায়িত্ব পড়েছে হোমিসাইড ডিপার্টমেন্ট এর ইনভেস্টিগেটর অফিসার জেফরি বেগ এর ওপর। খুব দ্রুতই প্লটে চলে আসে জেফরি।কোন আলামত না রেখে খুনি খুন করেছে ব্ল্যাক রঞ্জুর দলের এই লোককে।রহস্যের পিছু নিয়েছে জেফরি বেগ। ঠিক যেন টম এন্ড জেরি! বইটির মূল কাহিনী অতি সাধারণ মনে হচ্ছে,তাইনা?এক সাধারণ গুন্ডার পেছনে লেগেছে আরেক পেশাদার খুনি!আসলেই ব্যাপারটি তাই।কিন্তু রঞ্জুর ব্যাপারে কোন তথ্যই নেই বাস্টার্ড এর কাছে!সে যেভাবে তার গন্তব্যে এগিয়ে যায়,ভালো লাগার ব্যাপার এখানেই।এবং তা বিস্ময়কর বটে! নেমেসিসে বাস্টার্ড চরিত্র ধোঁয়াটে থাকলেও কন্ট্রাক্ট এ এসে জেফরির চাইতে তার প্রতাপ ছিলো বেশি।এমনকি আমি নিজেও বারবার চাচ্ছিললাম বাস্টার্ড যেন ধরা না পড়ে! কন্ট্রাক্টে বাস্টার্ড এর পরিচয়ের ব্যাপারে অনেক তথ্য জানা যায়।এসব তথ্য পাঠক এর মনোভাব বাস্টার্ড এর অনুকূলে নিবে নাকি প্রতিকূলে তা বলা কঠিন! তবে আমার অনুকূলে নিয়েছে। সিরিজ এর পরবর্তী বই পড়ার অপেক্ষায়... রেটিংঃ ৩.৮/৫"
Aam somik , Nov 17, 2016
"বাংলা সাহিত্যে বিখ্যাত থ্রিলার উপন্যাস লেখক নাজিম উদ্দিন এর মৌলিক থ্রিলার সিরিজের চতুর্থ বই হল “কনফেকশন”।এই সিরিজের আগের তিনটি বইয়ের তুলনায় এটি আপেক্ষাকৃত ম্লান, তবে ভালমত পর্যবেক্ষণ করলে অনেক ইন্টারেস্টিং। বইয়ের শুরু থেকেই বাস্টার্ডের চরিত্রের 'সোশিওপ্যাথিক' একটি দিক ফুটে ওঠে, যা সম্পূর্ণই নতুন। ইন্টারোগেশন রুমে জেফরি বেগ ও বাস্টার্ডের সাক্ষাত এর আগে একবার হলেও পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হয়েছে এবারই প্রথম। এর আগের বই গুলোতে জেফরি ও বাস্টার্ডের চেহারার মিলের কথা বলা হয়েছে, এই বইতে তাদের অতীত জীবনেরও কিছু মিল পাওয়া যায়, ভবিষ্যতে এদের মধ্যে 'Long Lost Brother' টাইপের কোন সম্পর্ক খুজে পাওয়া গেলে আমি অন্তত অবাক হবনা। নেক্সাসে ক্ষান্ত দেওয়ার পর কনফেশনে বাস্টার্ড আবারও জেফরি বেগ কে 'Outshine' করে। এবারের দ্বৈরথে বাস্টার্ড বিজয়ী হলে আবারো প্রশ্ন জাগে বইয়ের প্রধান চরিত্র কোনটি।সিরাজুল ইসলাম নিউটন আবারও স্বরূপে ফিরেছেন অসাধারণ একটি কভার দিয়ে, ব্যাক কভারের Overlay Sketch দেখে প্রথমেই ইন্টারোগেশন রুমের কথা মাথায় আসে। ফ্রন্ট কভারটিও যথেষ্ট কমপ্যাক্ট। থ্রিলিং একটি কভার।সবশেষে আমি বলব একক বই হিসেবে খুব একটা আহামরি কিছু না হলেও একটা সিরিজের জন্য এই বইটি একটি বিশেষ 'Turning Point' বা 'Junction' হিসেবেই কাজ করবে এবং এইটাও চোখ বন্ধ করে বলা যায় আমরা শেষ বারেরমত জেফরি-বাস্টার্ড দ্বৈরথ দেখিনি।পাঠক এই সিরিজের বই গুলো পড়ে থাকলে এটাও মিস করবেন না।কারন এই সিরিজের পরবর্তী বইয়ের কিছুটা হলেও এই বইয়ের সাথে সংযুক্তি পাবেন।মিস করবেন না আশা করি কিছুটা হলেও থ্রিলড হবেন।"
Shuvo Sarkar , Oct 31, 2016
"বইঃ কন্ট্রাক্ট লেখকঃ মুহম্মদ নাজিম উদ্দিন ধরণঃ থ্রিলার প্রকাশনীঃ বাতিঘর পৃষ্ঠাঃ ৩৫২ মূল্যঃ ২৬০ প্রিভিউঃ পাঁচ লক্ষ টাকার একটি টেলিফোন কল। শত কোটি টাকার ষড়যন্ত্র। পেশাদার খুনি বাস্টার্ডকে ফিরে আসতে হলো দেশে। আত্মবিশ্বাসী খুনি নেমে পড়ে মিশনে, তারপরই সবকিছু জট পাকাতে শুরু করে। একটি বিশাল ষড়যন্ত্রের অংশ হয়ে যায় সে। এদিকে দৃশ্যপটে আবির্ভূত হয় ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ। তাদের দু-জনের লক্ষ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজনীতি আর অন্ধকার জগতের উপাখ্যান, সেই সাথে অসাধারণ এক প্রেমকাহিনী। নেমেসিস এর পর বেগ-বাস্টার্ড সিরিজের রেসিংকার গতির অ্যাকশন থৃলারটি পাঠককে রোমাঞ্চিত করবে। ------------------------------------------------ নিজস্ব মতামতঃ আমি “নেমেসিস” পড়েই বেগ- বাস্টার্ড সিরিজের ফ্যান হয়ে গেছিলাম। এই দুজনের দ্বৈরথ দারুণ লাগে বরাবরই। একদিকে হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টের চৌকষ অফিসার জেফরি বেগ অপরদিকে পেশাদার ক্রিমিন্যাল বাবলু ওরফে বাস্টার্ড। দুজনের চোর-পুলিশ খেলা থাকবে বইয়ের পুরোটাজুড়ে। বই কখনো এগোবে জেফরি’র ভাষ্যে, কখনো এগোবে বাস্টার্ডের ভাষ্যে। এবং বই পড়তে গিয়ে সবসময়ই একটা দোটানায় ভুগি, আমার কার পক্ষে যাওয়া উচিত? বাস্টার্ড না জেফরি বেগের পক্ষে? উত্তর খুঁজে পাইনা, কনফিউজড হয়ে যাই। এবং এ দুজনের এ্যাকশান, স্টান্টবাজি মুগ্ধ করবে সব পাঠককেই, গ্যারান্টি দিতে পারি। “জেফরি বেগ” এবং “বাস্টার্ড” নামক দুই চরিত্রের বিল্ডআপ... যাকে আমরা আক্ষরিক ভাষায় ক্যারেক্টার বিল্ডআপ বলি, সেটা অসাধারণ ছিলো। চরিত্রদুটির গঠন নিখুঁত হয়েছে, ভাসাভাসা বর্ণনা ছিলোনা। এ বিষয়টি ভালো লেগেছে। একটা উপন্যাস, সে থ্রিলারই হোক বা রোমান্টিক, চরিত্রগুলোর ডিটেইলস সঠিকভাবে দিলে দিনশেষে সেটা পাঠকের জন্যে তৃপ্তির, উপন্যাসের জন্যেও এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সে বিষয়ে এখানে কোনো গাফিলতি দেখিনি। যারা বেগ-বাস্টার্ড সিরিজের প্রথম উপন্যাসটি পড়েছেন, তাদের জন্যে এ বইটা অবশ্যপাঠ্য। আর যারা এখনো এই দুর্দান্ত সিরিজটি শুরু করেননি, তারা অচিরেই শুরু করে দিন, খুব তাড়াতাড়িই আপনাদেরও প্রিয় হয়ে যাবে চরিত্রদুটি, নিশ্চয়তা দেয়াই যায়। হ্যাপি রিডিং :D প্রগতি লিঙ্কঃ https://www.progoty.com/book/33653/কন্ট্রাক্ট"
Shuvo Sarkar , Oct 31, 2016
"বইঃ কনফেশন লেখকঃ মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশনীঃ বাতিঘর ধরণঃ থৃলার পৃষ্ঠাঃ ৩২০ মূল্যঃ ২৫০ টাকা প্রিভিউঃ বদলে গেছে পেশাদার খুনি বাস্টার্ড। সে আর টাকার বিনিময়ে মানুষ খুন করে না কিন্তু একেবারেই ভিন্ন একটি কারণে ফিরে গেলো নিজের পুরোনো পরিচয়ে। আবারো মুখোমুখি হোমিসাইডের তুখোড় ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগের। বাস্টার্ড জড়িয়ে পড়লো এমন একটি ঘটনায় যেখানে তার নিজের জীবনটাই বিপন্ন হয়ে উঠলো শেষ পর্যন্ত। নিজস্ব মতামতঃ জেফরি বেগ- বাস্টার্ড সিরিজের আরেকটা ব্লকবাস্টার “কনফেশন।“ আগের বইগুলোতে জেফরি বেগ-বাস্টার্ডের দ্বৈরথ দেখেছি, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেখেছি। কিন্তু, লেখক সূক্ষ্মভাবেই আগের কাহিনীগুলোতে বাস্টার্ডের পরিচয়কে অতটা স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করেননি।বাবলু ওরফে বাস্টার্ডের মূল পরিচয় কী, তার অতীত কী, কীভাবেই বা তার এ অন্ধকার জগতে আসা...এসব প্রশ্নের উত্তর আগের কোনো বইতেই অতটা স্পষ্টভাবে দেয়া ছিলোনা। এ বইতে বাস্টার্ডকে নিয়ে পাঠকদের সব কৌতূহল নিবৃত্ত করেছেন লেখক। বইয়ে উঠে এসেছে বাবলুর আস্তে আস্তে বাস্টার্ড হয়ে ওঠার গল্প, আস্তে আস্তে অপরাধজগতে তার যুক্ত হওয়ার গল্প। যে গল্প কোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। সেই কাহিনীই এবার বাস্টার্ডের জবানিতে... বইয়ের নামই তো কনফেশন। কিন্তু, এরকম সোজাসাপ্টা স্বীকারোক্তির জন্যে তো এ বই লেখা হয়নি। কাহিনীর আড়ালেও বহু কাহিনী থাকে, ঘটনার আড়ালে ঘটনা। সেগুলোর মধ্যে টুইস্ট, সাসপেন্স, অনিশ্চয়তা...সবমিলিয়ে এক কমপ্লিট প্যাকেজ। দারুণ লেগেছে “কনফেশন”, এটুকুই বলবো সবশেষে। প্রচ্ছদ, বাঁধাই এগুলো যে দারুণ ছিলো, তা তো বলারই অপেক্ষা রাখেনা। Happy Reading :D প্রগতি লিঙ্কঃ https://www.progoty.com/book/64348/কনফেশন"
Shuvo Sarkar , Oct 31, 2016
"বইঃ নেক্সাস লেখকঃ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ধরণঃ থৃলার প্রকাশনীঃ বাতিঘর পৃষ্ঠাঃ ৪০০ মূল্যঃ ৩০০ টাকা প্রিভিউঃ অভিজাত স্কুল সেন্ট অগাস্টিনে খুন হলো এক জুনিয়র ক্লার্ক, তদন্তে নামলো হোমিসাইড ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ। বেরিয়ে এলো ভিন্ন একটি ষড়যন্ত্র। আবারো মুখোমুখি দুই ভুবনের দু’জন মানুষ। ভয়ঙ্কর একটি ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি তারা। অবিশ্বাস্যভাবেই ঘটনা মোড় নিতে থাকে ভিন্ন দিকে। সবকিছু ছাপিয়ে বেরিয়ে আসে এক অন্য উপাখ্যাণ। -------------------------------------------------------------- নিজস্ব মতামতঃ দারুণ!!! বই নিয়ে প্রথম এই শব্দটিই বলতে ইচ্ছে হচ্ছে। অসাধারণ একটি থৃলার কাহিনী, যার শুরুটা বাংলাদেশে হলেও কাহিনীর অনেকটাই ভারতের কলকাতায় ঘটেছে, ক্লাইম্যাক্সও সেখানেই। এবং, এই বইয়ের ক্লাইম্যাক্সটা আমার পড়া অন্যতম সেরা ক্লাইম্যাক্স। দারুণ ছিলো শেষের উত্তেজনাটুকু। বাস্টার্ডের ওপরে ভক্তিশ্রদ্ধা বেড়ে গেছে। কী দারুণ সব টেকনিক, এ্যাকশন... এই ঋণাত্বক চরিত্রের ভক্ত হয়ে যাচ্ছি দিনদিন। কলকাতার অলিগলি, রাস্তাঘাট, দোকানপাটের নিখুঁত সব বর্ণনাও অনবদ্য লেগেছে। লেখক কী কলকাতায় বহুদিন ছিলেন? বর্ণনা তো একেবারে হাতের তালুর মত স্বচ্ছ। ইউনিক ব্যাপারস্যাপার আর কী। ভারতের প্রাচীন নগরীতে বাস্টার্ডের হামলা, পালটা হামলা, টুইস্ট, পালটা টুইস্ট... থৃলার যাকে বলে, এই বইটা সেটাই। অদ্ভুত সুন্দর কাহিনীর পরম্পরা। এছাড়া, লাস্টের টুইস্টটাও অসাধারণ... এরকম কিছু সত্যিই ভাবিনি। ভালো লেগেছে ... লেখকের এই সিরিজটা আমার বেশ পছন্দের। এই বইতে কাহিনী রোলারকোস্টার গতিতেই এগিয়েছে এবং কাহিনী কোথাও ঝুলেও পড়েনি। তবে, অসহ্য সাসপেন্সগুলো মাঝেমাঝেই হৃদযন্ত্রের ওপরে চাপ বাড়াচ্ছিলো। সবমিলিয়ে, ওয়ান অব দ্য বেস্ট ফ্রম মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। যারা থ্রিলার কাহিনী পছন্দ করেন, তাদের জন্যে মাস্টরিড একটা বই “নেক্সাস।“ Happy Reading :D প্রগতি লিঙ্কঃ https://www.progoty.com/book/64347/নেক্সাস"
Shuvo Sarkar , Oct 31, 2016
"বইঃ নেমেসিস লেখকঃ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ধরণঃ থ্রিলার প্রকাশনীঃ বাতিঘর পৃষ্ঠাঃ ২৭২ মূল্যঃ ২০০ টাকা প্রিভিউঃ জনপ্রিয় লেখক পক্ষাঘাতগ্রস্থ অবস্থায় নিজের ফ্ল্যাটে খুন হলেন। সন্দেহের তীর গিয়ে পড়লো তার যুবতী স্ত্রী আর প্রেমিকের ওপর। বেরিয়ে এলো নানান কাহিনী। একে একে চলে গেলো অনেকের নাম। হোমিসাইড ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ শুরুতে সফলতা পেলেও এক পর্যায়ে ঘটোনার কুলকিণারা করতে গিয়ে হিমশিম খায়। পর্দার আড়াল থেকে একটি শক্তিশালী চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে তদন্তে বাধা দেবার জন্যে। শেষ পর্যন্ত জেফরি বেগ যা জানতে পারে তা একেবারেই অপ্রত্যাশিত। কী সেই ঘটনা জানতে হলে পড়ুন নেমেসিস। পাঠকমহলে আলোড়ন সৃষ্টিকারী মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর নেমেসিস বাংলা সাহিত্যে মৌলিক থৃলারের সূচনা করেছে। ---------------------------------------------------------------- নিজস্ব মতামতঃ বইটি নানা কারণেই বিতর্কিত, সমালোচিত। “নেমেসিস”র কাহিনীতে যে লেখকের কথা বলা হয়েছে, তাঁর সাথে বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের অপ্রত্যাশিত মিল লক্ষ্য করা গেছে। ঝেড়েই কাশি বরং, এই থ্রিলারের পক্ষাঘাতগ্রস্থ লেখকের বর্ণনার সাথে আমাদের প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের ব্যক্তিগত জীবনের নানা আলোচিত ঘটনার প্রায় হুবহু মিল। এটা নিছকই কাকতাল না উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তা জানিনা। তবে, এ বিষয়টা খারাপ লেগেছে। প্রত্যেক লেখকেরই বাকি লেখকদের প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধাবোধ থাকা উচিত। সে বিষয়টির অভাব দেখলাম এখানে। বাদবাকি ঘটনা, কাহিনীর ধারাবাহিকতা, টানটান সাসপেন্স... সবকিছুই ঠিকঠাকভাবে উপস্থিত ছিলো নেমেসিসে। জেফরি বেগ- বাস্টার্ড সিরিজের প্রথম উপন্যাস, এককথায় দুর্দান্ত। লেখক যে থৃলার লেখায় বেশ সিদ্ধহস্ত, সেটি উপলব্ধি করা গেছে। পাঠক, এবার বইয়ের প্রিভিউ’র শেষ প্যারা টা খেয়াল করুন। বাংলা সাহিত্যে মৌলিক থৃলারের সূচনা মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন কীভাবে করলেন, আমার বোধগম্য হয়নি। এটা একেবারেই বানোয়াট, ভ্রষ্ট তথ্য। প্রিভিউ’র এই শেষ অংশ পড়ে তীব্র বিরক্তিবোধ করেছি। বইয়ের মুদ্রণ, প্রচ্ছদ সবই সুন্দর ছিলো। এগুলো নিয়ে অভিযোগের কোনো সুযোগ পেলাম না। সবমিলিয়ে, বইটি নিয়ে আমার মিশ্র অনুভূতি। কাহিনী ভালো লেগেছে, তবে বইয়ের যে অংশগুলোর কথা রিভিউতে বললাম, সেগুলোর কারণে আবার খারাপও লেগেছে। আমি আলোচিত, সমালোচিত সব ধরণের বই-ই পড়ি। যাদের এসব বিষয়ে গাত্রদাহ আছে, তারা নেমেসিস এড়িয়ে গেলেই মঙ্গল। আর যারা আমার মত বইয়ের ব্যাপারে সর্বভুক, তারা বইটি পড়ে দেখতে পারেন। Happy Reading :D প্রগতি লিঙ্কঃ https://www.progoty.com/book/33654/নেমেসিস"
Shuvo Sarkar , Oct 31, 2016
"বইঃ করাচি লেখকঃ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশনীঃ বাতিঘর পৃষ্ঠাঃ ৩২০ মূল্যঃ ২৫০ টাকা প্রিভিউঃ তিনযুগ আগের একটি ঘটনার মীমাংসা করতে হবে বাস্টার্ডকে আর সেজন্যে পাড়ি দিতে হবে বারো শ’ মাইল, যেতে হবে এ বিশ্বের সবচেয়ে অরাজক আর বিপজ্জনক শহর করাচিতে। অপ্রত্যাশিত সব ঘটনার হতে হলো তাকে। একটা সময় মনে হলো তার টার্গেটের নাগাল পাওয়াটা শুধু কঠিনই নয়, অনিশ্চিতও বটে। আত্মবিশ্বাসী বাস্টার্ড হাল ছেড়ে দেবার পাত্র নয়। চূড়ান্ত আঘাত হানার সময় বুঝতে পারলো দুনিয়া কাঁপানো একটি ঘটনার মধ্যে ঢুকে পড়েছে অযাচিতভাবে। নিজস্ব মতামতঃ জেফরি বেগ- বাস্টার্ড সিরিজের পঞ্চম উপন্যাস এটি। এবার বাস্টার্ডকে যেতে হবে পাকিস্তানের করাচিতে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল বাস্টার্ড চলেও গেলো করাচিতে। কিন্তু, সেখানে গিয়েই শুরু হলো বিপত্তি। সেটা নিয়েই বইয়ের ঘটনা... আগে “করাচি” শুনলেই চোখের সামনে গোলাগুলিতে বিধ্বস্ত একটা নগরী ভেসে উঠতো, যেখানে গুলির খোসায় কালো পীচের রাস্তা সয়লাব, যেখানে বিস্ফোরিত বোমার ধোঁয়া কুণ্ডলিপাকিয়ে আকাশে উঠে যাচ্ছে। বই পড়ে জানলাম, করাচি খুবই আধুনিক একটা জায়গা, চকচকে রাস্তাঘাট, দোকানপাট। এই তথ্যে আমি যারপরনাই বিস্মিত। যাক গে, এবার আসি লেখকের লেখার প্রসঙ্গে, লেখকের লেখা নিয়ে কী বলবো? এককথায়, দুর্দান্ত একটা থ্রিলার। পাকিস্তানের পটভূমিতে বাংলাদেশি থ্রিলার, ভাবা যায়? সেই ভাবনার ক্ষেত্রটাকে মৃদু একটা ঝাঁকুনিই দিয়েছে “করাচি।“ বইয়ের প্রচ্ছদ অসাধারণ ছিলো। ভালো লেগেছে বাঁধাই, বানানজনিত সচেতনতা। ৩২০ পৃষ্ঠার বই দেখে আতঁকে উঠবেন না। শুরু করুন পড়া, দেখবেন খুব তাড়াতাড়িই শেষ হয়ে যাবে “করাচি।“ লেখকের লেখনী আপনাকে বইয়ের শেষপর্যন্ত বিরক্ত হতে দেবেনা। এটুকু নিশ্চয়তা দিচ্ছি। হ্যাপি রিডিং বইয়ের প্রগতি লিঙ্কঃ https://www.progoty.com/book/95780/করাচি"
Md shahidul islam nahid , Oct 29, 2016
"বাস্টার্ড। একজন পেশাদার খুনি। টাকার বিনিময়ে এবং ক্লায়েন্ট পছন্দ হলে সে মিশন হাতে নেয়। তার এবারের মিশন পৃথিবীর অন্যতম বিপদজনক নগরী করাচিতে। যে কোন মিশনে সে একলাই সব কাজ করে। অন্য কারো সাহায্য সাধারণত সে নেয় না। এইজন্যে সে সাইলেন্সারসহ বন্দুক ব্যবহার করে। পাকিস্তানের করাচি যেহেতু, একেবারেই নতুন জায়গা তার জন্যে, সে কারণে সে একজন গাইড রাখে তার সাথে , যাতে রাস্তাঘাট চিনতে সুবিধা হয়। তার গাইড জাবেদ ওয়ার্সি খুবই বিশ্বস্ত। প্রয়োজনের অধিক একটা কথাও সে বলে না। তার মিশন ছিল একজন ১৯৭১সালের যুদ্ধাপরাধী, যে কি-না এখন পাকিস্তানে অবস্থান করতেছে। তাকে হত্যা করতে হবে। তাকে পাঠিয়েছে একজন শহীদ বুদ্ধিজীবীর সন্তান। বিমানে রাজাকারের সাথে শহীদ বুদ্ধিজীবীর সন্তানের ৩৭ বছর পর সাক্ষাৎ হলেও তিনি তার পিতার হত্যাকারীকে চিনতে ভুল করেন নাই, কারণ রাজাকার ইউসুফের বাম হাতে ছয়টি আঙ্গুল। বিমানে রাজাকারকে তিনি বুঝতে দেন নাই যে আদতে তিনি তাকে চিনতে পেরেছেন কি-না। পরবর্তীতে বাস্টার্ডকে তিনি বইয়ের অযুহাতে পাকিস্তানে পাঠান হত্যার জন্যে। কিন্তু এরপরে ঘটতে থাকে বিভিন্ন ঘটনা। ঘটনাচক্রে ২০০৭সালের ২৭ নভেম্বর এর মুম্বাই হামলার যোগসাদশ যাদের সাথে, তাদের সাথেই বাস্টার্ডের আচমকা দেখা হয়ে যায়! অনেক ছলচাতুরী করেছিল সে রাজাকারের বাসায় প্রবেশের জন্যে। ডিসকোতে রাজাকারের মেয়ের সাথে পরিচয় সে সুযোগকে আরেকটু বেগবান করে। রাজাকারের মেয়ে আইনাতকে ব্যবহার করে বিভিন্ন তথ্য জোগাড় করতে থাকে সে... সমান্তরালে সেই রাতে পাশের দেশ ভারতের মুম্বাইয়ে হয় প্রলংককরী সন্ত্রাসী হামলা। কি যোগসাদেশ এই হামলার সাথে বাস্টার্ডের মিশনের? বাস্টার্ড কি সফল হবে তার করাচি মিশনে? জানতে হলে পড়তে হবে বইটা ..."
হৃদয় , Oct 18, 2016
"বইঃ নেমেসিস। লেখকঃ মোঃ নাজিমুদ্দিন প্রকাশনীঃ বাতিঘর। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ একজন প্যারালাইজড লেখক, সেই সাথে দেশের অন্যতম লেখক ও বটে, হুট করেই মারা গেলেন মাজরাতে। আর ঠিক সে সময় তার পাশের ঘরেই তার প্রিয় তরুনী স্ত্রী লিলাখেলা করে চলেছেন অন্য একজনের সাথে। এভাবেই ঘটে গল্পের বিস্তার। লেখক কে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবেই চালিয়ে দেয়া যেতো যদি খুনী সামান্য একটা ছোটো ভুল না করতেন, সেটা কি ভুল ছিলো নাকি এর পিছনেও অন্য কোনো কারণ ছিলো তা জানতে হলে পড়তে হবে বইটি। সকালের জগিং থেকেই সহকর্মী জামান তার বস জেফরি বেগ কে এই সম্পর্কে জানান, খুব দ্রুতই ফ্রেশ হয়ে ঘটনাস্থলে পৌছান দেশের সবচেয়ে বিতর্কিত সিটি হোমিসাইড এর ইনভেষ্টিগর জেফরি বেগ। যিনি নিজেও সম্পর্কের টানাপোড়েনে দগ্ধ। জামান লক্ষ্য করছিলো তার বসের কার্যক্রম। সেই সাথে লেখক এর স্ত্রীর ঘরে পাওয়া যায় কনডম যা অনেকটা জট খুলে দেয়, আর সিটি হোমিসাইডের মোবাইল ভ্যান আদতে একটি ল্যাবের সাহায্যে খুব দ্রুতই মিলে যায় আঙুলের ছাপ, আর ইয়েলো পেজ সাহায্য করে সম্ভব্য তথ্যের ক্ষেত্রে। দ্রুততার সাথেই গ্রেফতার হয় লেখক এর স্ত্রী ও তার প্রেমিক নাট্যকার। যদিও সিটি হোমিসাইড এর পলিগ্রাফ টেষ্ট ভিন্ন কথা বলে, কিন্তু সমস্ত প্রমান বলে এ ঘটনার পিছনে রয়েছেন লেখকের স্ত্রী এবং তার প্রেমিক। এফ বি আই ট্রেনিং প্রাপ্ত জেফরি বেগ এর কিছুই মনপুত হয়না, অফিসিয়াল তদন্তের কাজ তার শেষ হয়ে গেলেও তিনি শুরু করেন আনোফিসিয়ালি তদন্তের। মন বিক্ষিপ্ত থাকার কারণে পুরোপুরি সেদিকে মনোযোগ না দিতে পারায় কেসের সমাধান হয়ে গেলেও পাকিয়ে থাকে রহস্যের জট। ধীরে ধীরে চষে বেড়ান সাম্বাভ্য জনপথ। এর মাঝেই পাওয়া যায় বাষ্টার্ড নামের একজন কে। যার নামের সাথে কর্মের কোনো মিল না থাকলেও, সামান্য গ্যাস আর ম্যাচের কাঠি সাথে একটা সিগেরেট নিয়ে তৈরী করে ফেলেন প্রায় এক ভয়ানক বোমা। সেই ফাকেই পালিয়ে যান তিনি। যদিও এই রহস্য মানবের সাথে আরো আবার দেখা হয় জেফরি বেগ এর। সহকারি জামান প্রথম দিকে বসের ২য় তদন্ত গুরুত্ব না দিলেও কিছু পরেই নড়েচড়ে বসেন। লেখক মৃত্যুর আগে একটি পান্ডুলিপি সহ মেইল করেন তার এক বন্ধুর কাছে, যার সাথে প্রায় দু বছর যাবত লেখকের কোনো যোগাযোগ নেই। কি ছিলো সেই পান্ডুলিপিতে, যার জন্য প্রকাশক ভয়ানক সিটি হোমিসাইডের অনুরোধ উপেক্ষা করে প্রকাশ করেন সেই বই। আর কি ই বা ছিলো লেখকের মৃত্যুর কারণ, কে ছিলো সে, যে গার্ড বদলির আগেই প্রবেশ আর ভোর সকালে গার্দ বদলির আগেই বের হয়ে যায়? সর্বোপরি বলা যায়, মৌলিক থ্রীলার এই বইটি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এরকম গল্প হয় তা যেনো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন নাজিমুদ্দিন। মন্তব্যঃ আমি রিভিউ পারিনা, তাই লেখিনা, উপরে কি লেখলাম আমি জানিনা। তবে এ বইটি পড়ে কিছু কথা বলি, যারা নাজিম উদ্দিনের বাপ মা তুলে গালি দেন, কিংবা গালি না দিয়েও বলেন হুমায়ুন কে বলা হয়েছে, অথবা যারা হুমায়ুন বিরোধী রা বলেন জুমায়ুন উভগামী বা পেডেরাষ্ট তাদের জন্য এ বইটিতে যথেষ্ট ধোয়াশা রয়েছে। ধরলাম আপনি হুমায়ুন হেটার, এখন হুমায়ুন রে আরো বেশি গালি দিতে এটা পড়বেন, বা আপনি হুমায়ুন লাভার, নাজিমুদ্দিন রে গালি দিতে এটা পড়বেন, আপনারা তাইলে খলি গালি ই দিতে পারবেন আর কিছুনা। আমার দৃষ্টিতে বই টি উঠতি লেখক দের জন্য অনুপ্রেরণা ও হয়, কালের বিবর্তনে একটি ঘটনা কে কল্পনা করে এত সুন্দর একটি বই লিখে ফেলা যায়। হ্যা প্রকাশক, আগের স্ত্রী বা এমন কিছু কমন জিনিস লেখক এমন ভাবে উল্লেখ করেছেন যা কল্পিত বাস্তব। তা সত্য হতে পারে নাও হতে পারে। সেটা লেখার প্রয়োজনে লেখক করতেই পারবেন। রেটিং ৮/১০ অসঙ্গতিমুলক কথাবার্তা রয়েছে তবে তা সামান্যই।"
Jubayer Ahammad , Oct 13, 2016
""মিঃ জেফরি বেগ আপনি নিশ্চয় জানেন অন্যায়ের প্রতিশোধের জন্য গৃকদের একজন দেবতা আছেন... নেমেসিস!" . সাম্প্রতিক সময়ে পড়া বইয়ের মাঝে বেস্ট দু-চার লাইন যদি বেছে নেয়ার কথা বলা হয় তবে নেমেসিস বইয়ের এই বাক্যটা অবশ্যই আমার লিস্টে থাকবে। একটা খুনের আড়ালের সবচে বড় সত্য ছিল প্রতিশোধ। আর নেমেসিস হয়ে তা বাস্তবায়ন করেন বাস্টার্ড। . ভিটা নুভা এপার্টমেন্টের ছয়তলায় খুন হন বরেণ্য লেখক জায়েদ রেহমান। পুলিশ অফিসার এলাহী নেওয়াজের খুঁতখুঁতে মন আর ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ এর ক্ষিপ্র মেধার সাহায্যে এপার্টমেন্টের ভেতরেই আটক করা হয় লেখকের ২য় স্ত্রীর প্রেমিক আলম শফিককে। দ্রুত সময়ে সাফল্য পাওয়ার পরেও জেফরি বেগ নিশ্চন্ত হতে পারেননি। ছয় ফুট দূরে থাকা ল্যাপটপ থেকে প্যারালাইজড একজন লেখকের ই-মেইল, এপার্টমেন্টের ভিতরের পরিবেশ সবমিলিয়ে জেফরি বেগ নিশ্চিত হতে থাকেন আসল খুনি এখনো পর্দার আড়ালে। শুরু হয় কোন একজন অজ্ঞাত খুনে ছায়ামানবের পিছে ছোটা। শুরু হয় দুজন অসাধারণ মানুষের স্নায়ুযুদ্ধ। যার শেষ হয় অর্থের বিলাসিতা আর ব্যবহৃত একটি বুলেটের সাথে। মাঝে থেকে যায় একজন নেমেসিসের উত্থানের গল্প, একজন সার্থক নেমেসিসের অসাধারণ যাত্রার সবকিছু... . পাঠ প্রতিক্রিয়া - ঠিক এই পর্যায়ে এসে আমার কলমের গতিসীমা একেবারেই কমে এসেছে। এত দারুণ এবং গোছানো বই খুব কমই পেয়েছি। লাস্ট শব্দ পর্যন্ত উপভোগ করার মত বই। রাজনীতি, খুন, সামাজিক হালচাল, ব্যবসায়ীবুদ্ধি সবমিলিয়ে জম্পেশ একটা বই। এখানে উঁচুতলার সিদ্দিকী আর চায়ের দোকানের তালেবর সবক্ষেত্রেই লেখক চরিত্রের বিশুদ্ধতা রক্ষা করেছেন। অতিরঞ্জন, বাহুল্য দোষ একেবারেই অনুপস্থিত। নতুন করে বইপ্রেমী হতে চাচ্ছেন? তাহলে একবার ঘুরে আসুন 'নেমেসিস'র পৃথিবী থেকে। . এক নজরে বই - নেমেসিস লেখায় - মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশে - বাতিঘর প্রকাশনী দাম - ২০০/- রেটিং - ৫/৫"
Aam somik , Sep 27, 2016
"বাংলা ভাষায় মৌলিক থ্রিলার গোছের সাহিত্যের ক্ষেত্রে বিরাট পটপরিবর্তনের সূচনা বোধ হয় এই বইয়ের মাধ্যমে ঘটেছে। থ্রিলার তো এদেশে অনেকেই লেখেন। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার, তাদের বেশিরভাগই হয় বিদেশী থ্রিলারের কিঞ্চিত বা সামগ্রিক ছায়া অবলম্বনে রচিত। ফলে সেগুলোর আর মৌলিকত্ব থাকে না। সেগুলো হয়ে যায় রুপান্তর বা অনুবাদেরই নামান্তর। তবে মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিনের ৫টি মৌলিক থ্রিলার একটু অন্য রকম।বইটির ৫টি গল্পের কাহিনী ও কাঠামো একেবারেই মৌলিক এবং লেখকের নিজস্ব চিন্তাপ্রসূত। এই বইটি পড়ে আসলে বুঝা যাবে লেখক শুধু থ্রিলার অনুবাদেই নয়, বরং মৌলিক থ্রিলার রচনায়ও সমান পারদর্শী।৫টি কাহিনী পড়ে যেকোন পাঠকের কাছে অনেক ভাল লাগবে সাথে থ্রিলড হবেন।লেখক এই বইটির মাধ্যমেই বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের সাথে প্রথম পরিচয় ঘটেছে জেফরি ও বাস্টার্ড নামক দুই অসাধারণ চরিত্রের ।বইইর প্রথম কাহিনী “নেমেসিস” নামে।এই থ্রিলারের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে দেশের অতি বিখ্যাত এক লেখকের মৃত্যু রহস্যকে কেন্দ্র করে, আপাত দৃষ্টিতে যার সহজ সমাধান অনায়াসেই করে ফেলে জেফরি। কিন্তু এক পর্যায়ে কাহিনী নতুন দিকে মোড় নেয়। নানা ঘটনা প্রবাহে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। আর এক পর্যায়ে জেফরির সামনে উন্মোচিত হয় অচিন্তনীয় কিছু সত্যের, যা বলতে গেলে গোটা হত্যা রহস্যেরই গতিপথ বদলে দেয়। জেফরি দেখা পায় বাস্টার্ড নামক এক হত্যাকারীর। ........ কেন খুন হল লেখক? তার খুনের সাথে বাস্টার্ডের যোগসূত্র কি? লেখকের হত্যাকান্ড কেনই বা অভিহিত হবে 'নেমেসিস' বলে? জানতে হলে এই বইটা পাঠককে পড়তেই হবে। “কন্ট্রাক্ট”কাহিনীটির সারমর্ম হল দেশের সবথেকে কুখ্যাত সন্ত্রাসি ব্ল্যাক রঞ্জু।তার নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক খুন ও চাঁদাবাজির মামলা আছে। অপারেশন ক্লিনহার্ট চলাকালীন সে কলকাতায় চলে যায়।বর্তমানে সেখান থেকেই তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুজন ব্যবসায়ীকে বহুদিন ধরেই রঞ্জু হুমকি দিয়ে চাঁদা নিয়ে আসছিল।কিন্তু এবার রঞ্জু ২ কোটি টাকা চাঁদা চাওয়াতে তারা সিদ্ধান্ত নেয় কোনও প্রফেশনাল হিটম্যানকে দিয়ে রঞ্জুকে সরিয়ে দিবে। আর একাজের জন্য একজনই উপযুক্ত। বাস্টার্ড।দুই ব্যবসায়ী বাস্টার্ড কে দুই সপ্তাহ সময় নির্ধারন করে দেয়।কন্ট্রাক্ট পাওয়ার সাথে সাথেই কাজে নেমে পড়ে বাস্টার্ড।আত্মবিশ্বাসী বাস্টার্ড তার মিশনে নেমে পড়তেই সব কিছু জট পাকাতে শুরু করে। বিশাল এক ষড়যন্ত্রের অংশ হয়ে যায় সে। এ দিকে দৃশ্যপটে আর্বিভূত হয় হোমিসাইড ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ। তাদের দু’জনের লক্ষ্য একেবারেই ভিন্ন। ষড়যন্ত্র আর পাল্টা ষড়যন্ত্র-রাজনীতি আর অন্ধকার জগতের উপাখ্যান রয়েছে এই কাহিনীতে।“নেক্সাস”বইটির ঘটনা সারাংশ হল একটি অভিজাত স্কুল নাম সেন্ট অগাস্টিন।সেখানে হঠাত খুন হলো এক জুনিয়র ক্লার্ক।সেই খুনের তদন্তে নামলো হোমিসাইড ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ।তদন্ত করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে ভিনড়ব একটি ষড়যন্ত্র। আবারো মুখোমুখি দুই ভুবনের দু’জন মানুষ। ভয়ঙ্কর একটি ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি তারা। অবিশ্বাস্যভাবেই ঘটনা মোড় নিতে থাকে ভিনড়ব দিকে।শুরু হয় নানা রকম ঘটনার।“কনফেকশন” এ দেখ যায় বদলে গেছে পেশাদার খুনি বাস্টার্ড। সে আর টাকার বিনিময়ে খুন করে না কিন্তু তার নিয়তি তাকে বাধ্য করলো, একেবারে ভিন্ন একটি কারণে তাকে ফিরে যেতে হলো পুরনো পরিচয়ে। আবারো মুখোমুখি হোমিসাইডের ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগের। পেশাদার খুনি জড়িয়ে পড়লো এমন একটি ঘটনায় যেখানে তার নিজের জীবনটাই বিপন্ন হয়ে উঠলো অবশেষে। নেমেসিস থেকে শুরু হয়ে কন্ট্রাক্ট এবং নেক্সাস পর্যন্ত জেফরি বেগ আর বাস্টার্ডের যে দ্বৈরথ চলে এসেছে তারই ধারাবাহিকতায় কনফেশন...টান টান উত্তেজনার আরেকটি থৃলার।“করাচি”কাহিনীতে দেখা যায় তিনযুগ আগের ঘটনা মীমাংসা করতে হবে বাস্টার্ডকে আর সেজন্যে পাড়ি দিতে হবে বারো শ’ মাইল, যেতে যেতে হবে এ বিশ্বের সবচেয়ে অরাজক আর বিপজ্জনক শহর করাচিতে। প্রথমে টার্গেট সহজ আর মিশন কঠিন ভাবলেও অচেনা করাচি তাকে বার বার চমকে দিতে শুরু করলো। অপ্রত্যাশিত সব ঘটনার মুখোমুখি হতে হলো তাকে। একটা সময় মনে হলো টার্গেটের নাগাল পাওয়াটা শুধু কঠিনই নয় অনিশ্চিতও বটে। তবে হাল ছেড়ে দেবার পাত্র নয় সে। চূড়ান্ত আঘাত হানার সময় বুঝতে পারলো দুনিয়া কাঁপানো একটি ঘটনার মধ্যে ঢুকে পড়েছে অযাচিতভাবে!নেমেসিস-এর ৩টি সিকুয়েল কন্ট্রাক্ট, নেক্সাস আর কনফেশন-এর পর করাচি একটি প্রিকুয়েল। যেখানে পাঠক খুঁজে পাবেন সেই পরিচিত বাস্টার্ডকে। বইটির প্রতিটি গল্পই হতে পারে থ্রিলার পাঠকদের জন্য এক অসাধারণ রচনা। এই বই যে পড়বে, লেখকের অসামান্য লেখনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তো হবেই, পাশাপাশি জেফরি-বাস্টার্ডকে নিয়ে লেখা এই উপন্যাসগুলো আপনার মন ছুঁয়ে যাবে বলে মনে করি।তাই পাঠকদের বলব মিস করবেন না পড়তে আশা করি আপনাদের কাছে ভাল লাগবে।"
Aam somik , Aug 1, 2016
"মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের থ্রিলার কাহিনী নির্ভর উপন্যাস “কন্ট্রাক্ট”।বইটির পাতায় পাতায় রয়েছে থ্রিলিং সব কাহিনি।কাহিনীটির সারমর্ম হল দেশের সবথেকে কুখ্যাত সন্ত্রাসি ব্ল্যাক রঞ্জু।তার নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক খুন ও চাঁদাবাজির মামলা আছে। অপারেশন ক্লিনহার্ট চলাকালীন সে কলকাতায় চলে যায়।বর্তমানে সেখান থেকেই তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুজন ব্যবসায়ীকে বহুদিন ধরেই রঞ্জু হুমকি দিয়ে চাঁদা নিয়ে আসছিল।কিন্তু এবার রঞ্জু ২ কোটি টাকা চাঁদা চাওয়াতে তারা সিদ্ধান্ত নেয় কোনও প্রফেশনাল হিটম্যানকে দিয়ে রঞ্জুকে সরিয়ে দিবে। আর একাজের জন্য একজনই উপযুক্ত। বাস্টার্ড।দুই ব্যবসায়ী বাস্টার্ড কে দুই সপ্তাহ সময় নির্ধারন করে দেয়।কন্ট্রাক্ট পাওয়ার সাথে সাথেই কাজে নেমে পড়ে বাস্টার্ড। দেশে ব্ল্যাক রঞ্জুর হয়ে চাঁদা আদায় করে সুলতান। পুরান ঢাকার নাজিরাবাজার থেকে সুলতান কে ধরে বাস্টার্ড। সুলতানের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে সুলতানকে খালাস করে দেয়। তারপর একে একে ব্ল্যাক রঞ্জুর সব থেকে ঘনিষ্ট ব্যক্তি লেডি গিয়াস সহ, ব্ল্যাক রঞ্জুর বর্তমান স্ত্রী, ব্ল্যাক রঞ্জুর বড় ভাই মঞ্জু, মঞ্জুর সহকারি এবং কলকাতায় ব্ল্যাক রঞ্জুর যে ঘনিষ্ট তাকে খুন করে বাস্টার্ড।লন্ডন থেকে দেশে ফিরেই এতগুলো খুনের খবর পায় হোমিসাইডের চিফ ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ।দুদিন পর অফিসে জয়েন করার কথা থাকলেও সেদিনই কাজে নেমে পরে জেফরি। এতগুলো খুন কে করল কি উদ্দেশ্যে করল কিছুই বুঝতে পারছেনা সে।এইদিকে খুনির মোবাইল ট্র্যােক করে প্রায় ধরতে ধরতেও ফসকে গেছে খুনি। কিভাবে যেনো আগে থেকেই টের পেয়ে যাচ্ছে খুনি। তবে কি অন্য কোনও সরকারি সংস্থা কাওকে দিয়ে এসব খুন করাচ্ছে? তারাই কি সাহায্য করছে খুনিকে পালিয়ে যেতে?তবে খুনি যেভাবে খুনগুলো করছে তার সাথে বাস্টার্ড এর সাদৃশ্য পাওয়া যাচ্ছে। তবে কি বাস্টার্ডই ব্ল্যাক রঞ্জুর পিছনে লেগেছে?এদিকে ঢাকা মেডিকেল এর কাছ থেকে রঞ্জুর আরেক চ্যালা কে ধরে নিয়ে যায় বাস্টার্ড। তার কাছ থেকে রঞ্জুর কলকাতার ঠিকানা জানতে পারে। তবে সে শিওরিটি দিতে পারেনা, যদি রঞ্জু ঠিকানা বদলে থাকে তাহলে সেটা একমাত্র বিনয় বাবু জানবেন। পুরান ঢাকার ওয়ারি থেকে বিনয়বাবুর কাছ থেকে সঠিক তথ্য উদ্ধার করে বিনয়বাবুকে খুন করে সে। তারপর রওনা হয় কলকাতায়।এতগুলো খুন কি বাস্টার্ড শুধুমাত্র ব্যবসায়ীদের সেই কন্ট্রাক্টের জন্যই করছে? না এর পেছনে আরও কিছু আছে? জেফরি বেগ তদন্ত করে এক ভয়ানক ষড়যন্ত্রের আভাস পান। কিছুদিনের মধ্যেই সে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত করার কথা ব্ল্যাক রঞ্জুর।তাহলে কি খুনিকে কোনও সরকারি সংস্থা আনঅফিশিয়ালি নিয়োগ করেছে?কাহিনীর মীমাংসা করতে পড়ে ফেলুন উপন্যাসটি।বইটি ভাল লাগলেও লেখক কিছু অকথ্য ভাষার গালিগালাজ তুলে ধরেছে যা আমার কাছে একটু বিরক্তিকরই মনে হয়েছে।তবে থ্রিলার পাগল মানুষদের বলব বই্টি পরতে।আপনার ভাল লাগাটা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বইটি।"
Aam somik , Jul 25, 2016
"থ্রিলার আর অ্যাডভেঞ্চারের বইয়ের প্রতি আমার অনেক আগে থেকেই অনেক বেশি ভাল লাগা আছে।কিন্তু “নেক্সাস” বইটি পড়ে আমার এত্ত ভাল লেগেছে যা বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা।মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের “নেক্সাস” বইটির পাতায় পাতায় রয়েছে প্রচুর থ্রিলার ।লেখক তার সুনিপুন লেখনীর দ্বারা বইটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনেক ভাল করে সাজিয়েছেন।বইটির ঘটনা সারাংশ হল একটি অভিজাত স্কুল নাম সেন্ট অগাস্টিন।সেখানে হঠাত খুন হলো এক জুনিয়র ক্লার্ক।সেই খুনের তদন্তে নামলো হোমিসাইড ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ।তদন্ত করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে ভিনড়ব একটি ষড়যন্ত্র। আবারো মুখোমুখি দুই ভুবনের দু’জন মানুষ। ভয়ঙ্কর একটি ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি তারা। অবিশ্বাস্যভাবেই ঘটনা মোড় নিতে থাকে ভিনড়ব দিকে।শুরু হয় নানা রকম ঘটনার।এই ষড়যন্ত্রের কাছ থেকে দুজন নিজেদের বাচাতে পারবেন কিনা এই বইটিতে অনেক সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। জেফরি বেগ বাস্টার্ডের যে দ্বৈরথ শুরু হয়েছিলো নেমেসিস-এ, কন্ট্রাক্ট-এ এসে সেই দ্বৈরথ গতি লাভ করে।শুরু হতে থাকে একের পর এক ঘটনা। আর এই “নেক্সাস” বইটি পড়লেই পাঠক খুঁজে পাবেন সর্ম্পূর্ণ ভিনড়ব একটি উপাখ্যান।বইটির পাতায় পাতায় রয়েছে থ্রিলার আর অ্যাডভেঞ্চারের ছোয়া।একবার বইটি নিয়ে বসলে শেষ না করে উঠতেই ইচ্ছে হবে না।যারা থ্রিলার বই পছন্দ করেন তাদের জন্য এই বইটি অনেক আনন্দদায়ক হবে।আশা করি আমার মত থ্রিলার পাগলরা এই বইতি পড়তে মিস করবেন না।"
অপু , Oct 13, 2015
"জেফরি বেগ-বাস্টার্ড সিরিজের প্রথম চারটি বই পড়ার পর করাচির প্রতি আগ্রহের পারদটা একটু বেশিই উপরে ছিলো। কিন্তু বইটা পড়ে অনেকটাই হতাশ হয়েছি। প্লট ভালো হলেও আগের চারটি বইয়ের ধারে কাছেও ছিলো না এই। অহেতুক কাহিনী বাড়ানো আর মুম্বাই হামলার হর্তাকর্তাদের বাস্টার্ড একাই মেরে দিয়েছে এই দুইটি ব্যাপার যথেষ্ট বিরক্তিকর ছিলো। জেফরি বেগকেও কিছুটা মিস করেছি। তবে ভালো প্লট ছিল আর করাচির বর্ননা অনেকটা উপভোগ করেছি। জঙ্গীবাদের ভিতরের কাহিনীও লেখক সুনিপুন ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বইটিকে ভালো বলতে পারছি না, তবে খারাপও বলব না। খুব বেশি খুতখুতে না হলে বইটি পড়তে পারেন। থ্রিলার হিসেবে আমি মোটামুটিই বলব।"
Rajib B , Oct 11, 2015
"বইটা পড়লাম। পড়ে যতটা না থ্রিলার মনে হয়েছে, তারচেয়ে অতি আত্মবিশ্বাসী কোন সুপারম্যানের গল্প মনে হয়েছে। লেখক বোধকরি ওভার-কনফিডেন্সে ভুগছেন। নাহলে মুম্বাই ঘটনার নেপথ্য কারিগরদের নায়ক বাস্ট্রার্ড একাই মেরে ভুত করে দেয়ার মত হাস্যকর প্লট ফাঁদতেন না (যদিও বলছেন যে সবটাই ঘটনাক্রমে!)। লেখক মোটেও তার প্রথম ৫টি থ্রিলারের মত রুদ্ধশ্বাস আনতে পারেন নি, বরং শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। ভাগ্যিস বইটি আমি নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কিনি নি (জনৈক বন্ধুর কাছ থেকে ধার করেছি), তাহলে পুরো টাকাটাই জলে যেত (বন্ধুর টাকা নষ্ট হওয়ার জন্য তার প্রতি সমবেদনা)। তবে একটাই আফসোস, জঘন্য বইটা পড়তে গিয়ে নষ্ট হওয়া সময় আর ফিরে পাব না।"
Muhib Ahmed , Sep 16, 2015
"ekti poripurno thriller er shad pelam ei boi pore. writer er lekhay ami mugdho."
Nuraiyad Nafiz Islam , Jul 8, 2014
"কিছু বলার ভাষা নেই! বাংলা ভাষায় এই রকম thriller পড়ে মনে হচ্ছে আমরাও পিছিয়ে নেই। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন স্যার সম্পর্কে আর কি বলব। তার মত লেখক পুরো পৃথিবীতেই খুব কম আছে বলে আমার মনে হয়। বইটা পড়ার সময় খালি একটা কথাই মনে হবে। TWIST TWIST TWIST!!!!!"
Ridom , May 16, 2014
"এই গল্পের শুরু হল দেশের সবচে জনপ্রিয় লেখক খুন হওয়ার মধ্যে দিয়ে।খুনের দায়ে ফেঁসে যাএ লেখকের স্ত্রী ও তার প্রেমিক।তখন তদন্তে নামে investigator জেফ্রি বেগ। তখন দেখা যায় খুন করেছে অন্য কেউ। তখন আবিরভাব হয় এক ঠানডা মাথার খুনির। শেষ পর্যন্ত দেখা যায় ঘটনা ভিন্ন। এক প্রতিশধের কাহিনি। এই বইটি জুড়ে রয়েছে টান্টান উত্তেজনা।এই বইটি আপনাদের অবশই পরা উচিত। এটি একটি আন্তর্জাতিক পরজাএর থ্রিলার।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
29 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
available?
Ei ki original print pabo ?
EI series er boi guloki serially porte hobe? naki jekono ekta porlei hobe
সিরিজ আসতে কতক্ষণ সময় লাগবে
এই সিরিজের মোট কয়টি বই?
এটা কি ১৪ বছর এর জন্য উপযোগী?
বইগুলো available আছে?
ei series er 1st book konta?
Ai series er 6th book Kobe add Hobe
is this collection available now?
available???
sirial onujayi konta age ba pore porte hobe?,orthat konta part one, part two,part three,ect..jodi aktu kindly janaten..😊❤❤
is this book available?
page koto?
nemesis boi series gula ki ki? serially bolben plz?
কভার কোয়ালিটি কেমন জানতে পারি?
এই সিরিজের প্রথম বই কোনটা..?? নেমেসিস নাকি কন্ট্রাক্ট?
বইটির পৃষ্ঠা কত?
boi ta ki ache?
আমি নেমেসিস পড়েছি but contract পড়ি নাই। কাহিনী কী বুঝতে পারবো?
আমি যদি নেমেসিস না পড়ে থাকি তবে কি এটার কাহিনী বুঝতে পারব?
বইটির পৃষ্ঠা কতো?
বইটা কি সিরিজের অংশ ? সিরিজের আগের বইগুলো না পড়ে এটা পড়লে বুঝবো?
এই বই টা কি পাওয়া যাবে?
এটা কি আর পাওয়া যায় না?
page??
এটা হার্ডকাভার নাকি পেপার কভার
ata ki beg busterd series ar next book??
বেগ বাস্টার সিরিজের ১ম বই কোনটা?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"বেগ-বাস্টার্ড সিরিজ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: