১৩তম মুদ্রণ, ২০২২
বাঘবন্দি মিসির আলি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | বাঘবন্দি মিসির আলি |
| Author | হুমায়ূন আহমেদ |
| Publisher | অনন্যা |
| Edition | ১৩তম মুদ্রণ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 88 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.85 Kg |
| ISBN | 9844121787 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
35 Ratings and 18 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১৮টি
Junayed , Jul 4, 2022
"Pretty good"
Fazlin Islam Faiza , Jan 11, 2022
"As always rokomoari send me the best book ...and delivery was also very quick thanks Progoty .."
M Tushar , Jul 2, 2021
"better print and word mistakes need to fix"
Ayman jarif , Apr 17, 2021
"Ostir boi💕💕💕"
Zubair , Apr 6, 2021
"Good enough"
Sanom , Feb 10, 2021
"amar jibone pora srestho boi.boiti muloto ekjon voyonkor psychopath ke ghire jake prothome khub valo manush hisebe dekhano hoise.tar upor kono sondeho korar sujog e chilo na.suspense e vora ei psychothriller pore pathok shihorito hote baddho."
azhar mahmud , Oct 14, 2020
"হুমায়ূন আহমেদের মিসির আলী চরিত্রের উপন্যাস গুলো বেশ ভিন্ন। এ পর্যন্ত এই চরিত্রের যে কয়েকটি বই পড়েছি সবকটি কাল্পনিক এবং অন্য জগতের বিষয়বস্তু নিয়ে গল্প। তবে তার যাদু মাখানো লেখনী বইয়ের শেষ লাইন পর্যন্ত আমায় টেনে নিয়ে যাবে। বাঘবন্দি মিসির আলী উপন্যাসটি পড়েও সেরকম মনে হলো। চোখ দেখে মানুষের মনের কথা বলে দিতে পারা যেমন কাল্পনিক বিষয় তেমনি একজন পাঠক বই পড়তে পড়তে গল্পের ভেতর প্রবেশ করলে পাঠক নিজেও কাল্পনিক হয়ে যাবে। এটা নিশ্চিত। উপন্যাসের কাহিনী পড়তে পড়তে একটা কথা বেশ ভালো লেগেছে। সেটা হচ্ছে, মানুসিকভাবে দূর্বল মাুনষ ব্যার্থতা নিতে পারে না। মানসিকভাবে সবল মানুষের কাছে ব্যার্থতা কোনো ব্যাপার না। সে জানে সাফল্য এবং ব্যার্থতা দুই সহোদর বোন। এরকম আরও সুন্দর সুন্দর কথা উপন্যাসটিতে রয়েছে। বইটি যারা পড়েন নি অবশ্যই পড়তে পারেন। যদি এ ধরনের বিষয়ে নিয়ে কৌতূহল থাকে তবে তো পড়া আবশ্যক।"
TAPOS KHAN , Jan 14, 2020
"বেশিকিছু লিখবো না। তবে বইটি ভালো।"
Ibna Jaber Faysal , Jan 2, 2020
"Fote character ta best"
K M MONZUR HOSSEIN KHAN , Nov 15, 2019
"বাংলার আপামর জনসাধারনের সহজ, সরল, স্বাভাবিক গ্রাম ভাষার ব্যবহারে বাংলা ভাষার যে গাঁথুনি তৈরি করেছেন বর্তমান সাহিত্যের জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহম্দে, তারই আরেকটা দারুন চরিত্র মিসির আলী আর দারুন একটা রচনা ”বাঘবন্দি মিসির আলি (হার্ডকভার)”। আমি যতটা না পাগলাটে “হিমু”র ভক্ত ঠিক ততটাই এই মিসির আলী নামক বুড়ো লোকটারও ভক্ত। ব্যক্তি হুমায়ুন আহমেদ হয়তো চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে কিন্তু তাঁর এই অসাধারন দুটি চরিত্র “হিমু” আর “মিসির আলী” বেঁচে আছে বেঁচে থাকবে। আর বেঁচে থাকবেন “হুমায়ুন আহমেদ”।"
Tasnim Ara Mim , Oct 31, 2019
"মিসির আলী যে বাড়িটায় থাকে, সেখানকার বাড়িয়ালার একমাত্র ভাগ্নে হলো, ফতে। কিন্তু প্রাকৃতিক ভাবে দেখলে ফতে একজন অসুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ কারন সে সবসময় অন্যের মস্তিষ্ক কে নিজের হাতে রাখতে চায় এমনকি তাদের চিন্তা ভাবনাও। কিন্তু কেউ যেন তার নিজের মস্তিষ্ক পড়তে না পারে সারাক্ষণ এই অসস্তী তে থাকে, কেন চায়না কেউ তাকে বুঝে ফেলুক?? এই রহস্যের সমাধান কি মিসির আলী করতে পারে? নাকি নিজেই আত্মসমর্পণ করে!!!"
ফয়সাল আহমেদ , Oct 13, 2019
"বইয়ের নামঃবাঘবন্দি মিসির আলি লেখকঃহুমায়ূন আহমেদ প্রকাশনীঃঅনন্যা মূল্যঃ১৪১টাকা মিসির আলি সিরিজের অন্যতম একটি বই হল বাঘবন্দি মিসির আলি। প্রকৃতি কিছু মানুষকে বিশেষ কিছু ক্ষমতা দিয়ে পাঠায়।ঠিক যেমন এই গল্পের অন্যতম চরিত্র ফতের মধ্যে দিয়েছেন।কিন্তু সে তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে।ক্ষমতার এই অপব্যাবহারের বিষয়টিই বইটিতে ফুটিয়ে তুলেছেন ।নির্দিষ্ট কোন ছকে বাঁধা ছিল না এই বইটা, কেমন যেন বেশ কিছু জিনিসের মিশ্রণ।শুরু থেকেই মুগ্ধের মতন পড়েছি, বুঝতে পারছিলাম বাকি বইগুলো থেকে ভিন্ন ধরনের কিছু হবে।মিসির আলিকে আসলেই বাঘবন্দি মনে হচ্ছিল- অসহায় একা একজন মানুষ।মিসির আলির এই বইটা বেশ ভাল লাগল। বিশেষ করে শেষের দিকে ফতের সাথে মনস্তাত্ত্বিক খেলাটি আমাকে মুগ্ধ করেছে।"
মুনিয়া জামান , Apr 30, 2019
"#প্রগতি_রিভিউ_প্রতিযোগ_এপ্রিল বইয়ের নামঃ বাঘবন্দি মিসির আলি লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ ধরনঃ সমকালীন উপন্যাস প্রকাশনীঃ অন্যান্য প্রকাশনী মূল্যঃ ১৫০ টাকা লেখক পরিচিতিঃ হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮ – ১৯ জুলাই, ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। বই আলোচনাঃ লুনাকে সামলে রাখার দায়িত্ব পড়েছে ফতের ওপর। প্রতি মাসে এক-দুদিন ফতেকে এই দায়িত্ব পালন করতে হয়। কারণ প্রতি মাসে এই এক-দুদিন তসলিমা খানম যাত্রাবাড়ীতে তার বোনকে দেখতে যান। বোনের ক্যানসার হয়েছে। বাঁচার কোনো আশা ডাক্তাররা দিচ্ছেন না, আবার দ্রুত মরে গিয়ে অন্যদের ঝামেলাও কমাচ্ছে না? তসলিমার অনুপস্থিতিতে ফতে লুনার দিকে লক্ষ রাখে। তাকে বলা আছে একটা সেকেন্ডের জন্যেও যেন মেয়েকে চোখের আড়াল না করে। ফতে তা করে না। সে লুনার আশপাশেই থাকে। লুনা এমনই লক্ষ্মীমেয়ে যে কোনো কান্নাকাটি করে না। খাবার সময় হলে শান্ত হয়ে ভাত খায়। সে শুধু রাতে কাঁদে। মেয়েটির আঁধারভীতি আছে।লুনা বারান্দায় বসে আপনমনে খেলছে। হাতের মুঠি বন্ধ করছে, খুলছে। খুব ক্লান্তিকর খেলা কিন্তু ফতের দেখতে ভালো লাগছে। মিসির আলির দিন শুরু হয়েছে রুটিন মতোই। সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখেছেনমশারির ভেতর দিয়ে খবরের কাগজটা ঢুকিয়ে দেওয়া। একসময় বাসিমুখে খবরের কাগজ পড়তে তিনি আনন্দ পেতেন, এখন পান না, কিন্তু অভ্যাসটা রয়ে গেছে। অভ্যাস সহজে যায় না। খবরের কাগজ পড়তে পড়তেই ইয়াসিন চা নিয়ে আসে। মশারির ভেতরে ঢুকিয়ে গলা খাকারি দেয়। সেই চা, চা-না অতিরিক্ত চিনির কারণে সিরাপ জাতীয় ঘন তরল পদার্থ। ইয়াসিনকে অনেক বলেও চিনি কমানোর ব্যবস্থা মিসির আলি করতে পারেন নি। এখন মিসির আলির গরম সিরাপ খাওয়া অভ্যাস হয়ে গেছে। প্রায়ই তাকে বলতে শোনা যায়-ইয়াসিন আরেক চামচ চিনি দে। ইংরেজি প্রবচনটা এতই সঠিক-Old habit die hard. পুরোনো অভ্যাস সহজে মরে না। মিসির আলির হাতে খবরের কাগজ। তিনি খবরের কাগজে চোখ বুলাচ্ছেন—হঠাৎ এমন কোনো খবর চোখে পড়ে কি না যা মনে গেঁথে যায়। এমন কিছু চোখে পড়ছে না। হত্যা, ধর্ষণ ছাড়া তেমন কিছু নেই। মিসির আলির মনে হল সব পত্রিকার উচিত এই দুটি বিষয়ে আলাদা পাতা করা। খেলার পাতা, সাহিত্য পাতার মতো ধর্ষণ পাতা, হত্যা পাতা। যারা ঐ সব বিষয় পড়তে ভালবাসে তারা ঐ পাতাগুলি পড়বে। যারা পড়তে চায় না তারা পাতা আলাদা করে রাখবে। বিশেষ দিনে হত্যা এবং ধর্ষণ বিষয়ে সচিত্র ক্রোড়পত্র বের হবে। পাঠ্য প্রতিক্রিয়াঃ মিসির আলি, বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় রহস্যময় চরিত্র। মিসির আলি কাহিনীগুলো রহস্যমাত্রিক। মিসির আলির কাহিনীগুলো ঠিক গোয়েন্দা কাহিনী নয়, কিংবা 'ক্রাইম ফিকশন' বা 'থ্রিলার'-এর মতো খুনি-পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া নয়, বরং মনস্তাত্ত্বিক, বিজ্ঞাননির্ভর এবং প্রচন্ড যুক্তিনির্ভর কাহিনীর বুনটে বাঁধা। বরং অনেক ক্ষেত্রে একে রহস্যগল্প বলা চলে। চারিত্রিক দিক দিয়ে মিসির আলি চরিত্রটি হুমায়ূন আহমেদের আরেক অনবদ্য সৃষ্টি হিমু চরিত্রটির পুরোপুরি বিপরীত। তরুণ হিমু চলে প্রতি-যুক্তির তাড়নায়, অপরপক্ষে বয়োজ্যেষ্ঠ মিসির আলি অনুসরণ করেন বিশুদ্ধ যুক্তি। এই যুক্তিই মিসির আলিকে রহস্যময় জগতের প্রকৃত স্বরূপ উদঘাটনে সাহায্য করে। সেসব কাহিনীর প্রতিফলন ঘটেছে মিসির আলি সম্পর্কিত প্রতিটি উপন্যাসে। তাই প্রতিটি গল্প অসাধারণ এক কথায়।"
অবনী সিমরান , Aug 8, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বইয়ের নামঃ বাঘবন্দি মিসির আলি লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ ধরনঃ সমকালীন উপন্যাস প্রকাশনীঃ অন্যান্য প্রকাশনী মূল্যঃ ১৫০ টাকা (প্রগতি মূল্যঃ ১৩২ টাকা) . মিসির আলি সিরিজের অন্যতম একটি বই হল বাঘবন্দি মিসির আলি। . প্রকৃতি কিছু মানুষকে বিশেষ কিছু ক্ষমতা দিয়ে পাঠায়।ঠিক যেমন এই গল্পের অন্যতম চরিত্র ফতের মধ্যে দিয়েছেন।কিন্তু সে তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে।এই ক্ষমতার কারনে সে তার আশেপাশের সবাইকে নিজের প্রতিপক্ষ ভাবতে থাকে। মিসির আলির বাড়িওয়ালার ভাগ্নে হলো ফতে মিয়া। মামার বাসায় ছোটবেলা থেকেই আশ্রিত হিসেবে থাকে।ফতের বদমেজাজি মামা বদরূল সাহেব সবসময় তাকে গালাগালি থেকে শুরু করে মারতে পর্যন্ত দ্বিধাবোধ করেন না। . মিসির আলি বদরূল সাহেবের বাসায় এসে উঠেছেন ছয় মাস হল।তখন থেকেই দেখছেন ফতে ছেলেটি অন্যরকম। অনেক কিছু অনেক কথা না বলার আগেই সে বুঝে পেলে। এদিকে প্রতিমা, মিসির আলির পেশেন্ট। ছয় বছর আগে তিনি এই মেয়েঠিকে সুস্থ করে তুলেন। হঠাৎই এই মেয়ে কোথা থেকে যেন উপস্থিত হয়েছে। নানাভাবে মিসির আলিকে সে যন্ত্রণা দিচ্ছে। তার যন্ত্রণায় মিসির আলি চারদিক অন্ধকার দেখতে শুরু করেছেন। . #ফতে মিয়া এমনই এক অস্বাভাবিক ক্ষমতাধর বিকৃত মানুষিকতার অধিকারী। ।কেউ না আবার জানতে পেরে যায় তার ক্ষমতার কথা।কেউ না আবার তার মাথার ভিতরে ঢুকে পরে।এটা নিয়ে সে এতটাই অসস্থিতে থাকতে যে সে অসুস্থ হয়ে পরে।সে মানসিক ভাবে অসুস্থ হতে থাকে।তার অসুস্থতার কারণেই সে চারজন মানুষকে হত্যা করেছে।ফতের ভাষায় তার এই কাজ করতে মজা লাগে,সে আনন্দ পায়।পৈচাশিক আনন্দ।সে সবসময় অন্যকে ভয় দেখাতে চায়।অন্যের মাথার ভিতরে কি চলছে পড়তে চায়।অন্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।সে এক পর্যায়ে মিসির আলিকেও নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিল কিন্তু পারেনি।মিসির আলিতো সাধারণ মানুষ না।অসম্ভব প্রতিভাবান একজন মানুষ। . ফতের পাগলামি দিন দিন আরো বেড়ে যাচ্ছিল..চারটা খুনের পর সে আরো ভয়ানক একটি প্লান করে বসল।ফতে ঠিক করল তার মামার একমাত্র মেয়ে লুনাকে সে হত্যা করবে এতোদিন যাবত তার মামা তার উপর যত অন্যায় করেছেন তার বদলা সে এভাবেই নিয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।এবং সে তার উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একদিন লুনাকে নিয়ে যায়। লুনাকে কিভাবে বাঁচাবেন মিসির আলি? তিনি কি পারবেন বুদ্ধির খেলায় ফতেকে হারাতে? আর কিভাবেই তিনি রেহাই পাবেন তার ছয় বছর আগেরকার পেশেন্ট প্রতিমার হাত থেকে? এই সকল প্রশ্ন জানতে পড়ে নিন চমৎকার এই বইটি। . #পাঠ_প্রতিক্রিয়াঃ মিসির আলি, বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় রহস্যময় চরিত্র। মিসির আলীর এবারের চমক ”বাঘবন্দী মিসির আলী”। বরাবরের মতই মিসির আলী সমাধান করেছেন দুর্দান্ত রহস্যের। মিসির আলির অপূর্ব যুক্তির মাধ্যমে রহস্য উন্মোচন করেছেন।আমার অনেক প্রিয় একটা বই।পড়ে দেখুন আশা করি ভালো লাগবে। হ্যাপি রিডিং...."
Istiak Ahmmed , Dec 7, 2016
"নয় বছরের ছোট্ট মেয়ে তিন্নী। থাকে বাবার সাথে বিশাল এক বাড়িতে। ছোট বেলায় মা মারা গেলেও বাবা সে অভাবটা বুঝতে দেয় নি তাকে। কিন্তু একটু বড় হওয়ার পরই তার মাঝে বেড়ে উঠা অস্বাভাবিকতাটুকু স্পষ্টভাবে ফুটে উঠে। বয়স মাত্র নয় বছর হলেও অস্বাভাবিক গম্ভীর হয়ে থাকে সে। তার বাবা ছাড়া বাড়ির কেউই ডাক সা পড়লে যায় না সেদিকে। সবাই প্রচন্ড ভয় পায় তিন্নীকে। কারন সে ইচ্ছা করলেই যেকারো মস্তিষ্কে ভয়ঙ্কর যন্ত্রনা দিতে পারে। সেটা অসহ্য একটা ব্যাপার। যারা এই যন্ত্রনা ভোগ করেছে কেবল তারাই বুঝতে পারে এর ভয়াবহতা। যন্ত্রনা দেওয়া ছাড়াও তিন্নীর রয়েছে অস্বাভাবিক কিছু ক্ষমতা। কারো দিকে তাকিয়েই তিন্নী তার মনের কথা বুঝে ফেলতে পারে, কারো মস্তিষ্কে সে সরাসরি কথা বলতে পারে, কারো মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রন করতে পারে, রাতের বেলাও সে স্পষ্ট দেখতে পায়। দিনের বেশিরভাগ সময় এখন কাটে তার বাগানের ভেতর কুয়ার পাশে যেখানে নতুন একটা প্যাচানো লতার মত গাছ জন্মে উঠেছে। তিন্নীর বাবা শেষপর্যন্ত তিন্নীর সমস্যাটা নিয়ে আসে মিসির অালীর কাছে। মিসির আলী দিনরাত মাথা ঘামিয়েও কোন সুষ্ঠু ব্যাখ্যা খুজে পান না এই ব্যাপারটার। তবে কি এটা আরেকটা অমিমাংসিত রহস্য হিসেবে বাধা পড়ে যাবে মিসির আলীর অমিমাংসিত রহস্যের খাতায়? নাকি মিসির আলী সমাধান করতে পারবেন কঠোর এই সমস্যার? জানতে চাইলে পড়ে ফেলুন মিসির অালী সিরিজের অসাধারন এই বইটি। আরেকটা চমক অপেক্ষা করছে আপনাদের জন্য অন্যভূবন বইটাতে। চমকটা মিসির আলীর ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে। তা নাহয় নাই বললাম।"
Pritam Dey , Dec 7, 2016
"পৃথিবীতে কিছু মানুষ আসে অসম্ভব প্রতিভা নিয়ে।তারা তাদের প্রতিভার ছাপ রেখে যান সর্বত্র।যেমন রেখে গেছেন হুমায়ূন আহমেদ।যেখানে হাত দিয়েছেন সোনা ফলেছে।তারই এক অমর সৃষ্টি মিসির আলি।তিনিও হুমায়ূন আহমেদ স্যারের মতই প্রতিভাবান।পৃথিবীর সকল রহস্য তার কাছে এসে মুখ থুবড়ে পরে।সকল রহস্যেরই সমাধান আছে তার কাছে।প্রকৃতি কিছু মানুষকে বিশেষ কিছু ক্ষমতা দিয়ে পাঠায়।ঠিক যেমন ফতেকে দিয়েছে।কিন্তু সে তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে।এই ক্ষমতার কারনে সে তার আশেপাশের সবাইকে নিজের প্রতিপক্ষ ভাবতে থাকে।এজন্য সে সবসময় অস্বস্থতিতে থাকত।কেউ না আবার জানতে পেরে যায় তার ক্ষমতার কথা।কেউ না আবার তার মাথার ভিতরে ঢুকে পরে।এটা নিয়ে সে এতটাই অসস্থিতে থাকতে যে সে অসুস্থ হয়ে পরে।সে মানসিক ভাবে অসুস্থ হতে থাকে।তার অসুস্থতার কারণেই সে চারজন মানুষকে হত্যা করেছে।ফতের ভাষায় তার এই কাজ করতে মজা লাগে,সে আনন্দ পায়।পৈচাশিক আনন্দ।সে সবসময় অন্যকে ভয় দেখাতে চায়।অন্যের মাথার ভিতরে কি চলছে পড়তে চায়।অন্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।সে এক পর্যায়ে মিসির আলিকেও নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিল কিন্তু পারেনি।মিসির আলিতো সাধারণ মানুষ না।অসম্ভব প্রতিভাবান একজন।তিনি ফতের সমস্যার কথা আগেই অনুমান করতে পেরেছিলেন।শেষ পর্যন্ত তিনি ফতেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছিলেন।তিনি তার চিকিৎসা করতে চেয়ে ছিলেন প্রতিমাকে সাথে নিয়ে।কিন্তু আমরা তা আর জানতে পারলাম না।ফতেকে কি শেষ পর্যন্ত পুলিশে দেওয়া হয়েছিল নাকি মিসির আলি তার সমস্যার সমাধান করতে পেরেছিলেন।প্রতিমা কি মিসির আলিকে সাথে করে নিয়ে যেতে পেরেছিল।কিছুই জানা হল না।এ যেন শেষ হইয়াও হইল না শেষ।"
Sawon Ahmed , Jul 19, 2016
"প্যারা সাইকোলজিকাল ম্যাটারে আমার খুবই আগ্রহ। যে কোন অস্বাভাবিক ঘটনাই আমাকে খুব বেশি টানে!! খুব প্রিয় এবং কাছের এক বন্ধু রয়েছে আমার, যার সাথে বন্ধুত্বের শুরুটাই হচ্ছে এইসব অস্বাভাবিক ঘটনা বলতে পারার অসম্ভব ক্ষমতা। ছোটবেলা কিভাবে ওকে 'জিনে' ধরলো, সেই জিন ছাড়াতে আজ পর্যন্ত ওর কি কি করতে হয়েছে, পরিচিৎ অন্যদের অভিজ্ঞতা, নিজের চোখে দেখা অস্বাভাবিক বিষয়বস্তু — এইসব অদ্ভুত অদ্ভুত কথাবার্তা গল্পাকারে সত্য-মিথ্যার মিশ্রনে এতো চমৎকারভাবে ও বলে, যে সত্যিই অভিভূত হয়ে শুনতেই ইচ্ছে করে। অনেকরাত আমি এই বন্ধুটির সাথে বসে ওর এইসব অদ্ভুত গল্প শুনে কাটিয়েছি... সত্যিই ভয়াবহ!! বললাম আমার প্রিয় এক বন্ধুর কথা... এখন সেই অতিব আগ্রহের 'প্যারা-সাইকোলজিকাল' বিষয় নিয়ে যদি অতিব প্রিয় লেখক হুমায়ুন স্যার কোন বই লেখেন, তবে আমার মতো পাগলা পাঠক কিভাবে গিলবো তা তো বুঝতেই পারছেন!! B| আমার ভাগ্য খুবই স্বাস্থ্যবান, :) কারন প্রিয় এই লেখকের একটা সিরিজই হচ্ছে 'মিসির আলি সিরিজ' যার মূল কাজই হচ্ছে এইসব অস্বাভাবিক রোগের (!) চিকিৎসা করা... মিসির আলি যে বাড়িতে ভাড়া থাকেন- বাড়িওয়ালার ভাগ্নে ফতে মিয়া, মামার বাসায় ছোটবেলা থেকেই আশ্রিত হিসেবে থাকে। ছোটবেলা থেকেই সে আর দশটি ছেলের থেকে আলাদা। কারন তার একটি অস্বাভাবিক ভয়াবহ ক্ষমতা রয়েছে, যা সে সেই ক্লাস ফাইভে থাকাকালীনই বুঝতে পারে। অস্বাভাবিকতা কোন বড় সমস্যা নয়, কারন স্রষ্টার লীলা বুঝা মুশকিল। তিনি কাকে নিয়ে কি করবেন, কাকে দিয়ে কি করাবেন সম্পূর্ণই তার ইচ্ছা। তবে সমস্যা তখনই, যখন সেই 'অস্বাভাবিক' ক্ষমতাধারী ব্যাক্তি তার ক্ষমতা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করে, করার চেষ্টা করে। আর এর থেকেও ভয়াবহ, চূড়ান্ত ভয়াবহতা হয় তখনই, যদি সেই 'অস্বাভাবিক' ব্যাক্তিটি বিকৃত মানুষিকতার হয়... ফতে মিয়া তেমনই এক অস্বাভাবিক ক্ষমতাধর বিকৃত মানুষিকতার অধিকারী একজন। মিসির আলিকে সে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে.... প্রতিমা, মিসির আলির পেশেন্ট। ছয় বছর আগে তিনি এই মেয়েঠিকে সুস্থ করে তুলেন। হঠাৎই এই মেয়ে কোথা থেকে যেন উপস্থিত হয়েছে। নানাভাবে মিসির আলিকে সে যন্ত্রণা দিচ্ছে। তার যন্ত্রণায় মিসির আলি চারদিক অন্ধকার দেখতে শুরু করেছেন... অদ্ভুত সুন্দর এবং রোমাঞ্চকর একটি বই। হেভি লেগেছে বইটা :).... তবে সাথে সাথে সেই পুরোনো কারনে বিরক্তিবোধও হয়েছে, "শেষ হয়েও হইলোনা শেষ"-টাইপ সমাপ্তিটা মেজাজ খারাপ করে দিয়েছে"
Wasifa Zannat , Jun 24, 2016
"প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের জনপ্রিয় চরিত্র মিসির আলীর এবারের চমক ”বাঘবন্দী মিসির আলী”। বরাবরের মতই মিসির আলী সমাধান করেছেন দুর্দান্ত রহস্যের।বইযের একটি প্রিয় অংশ-"মানসিকভাবে দুর্বল মানুষ ব্যর্থতা নিতে পারে না। মানসিকভাবে সবল মানুষের কাছে ব্যর্থতা কোনো ব্যাপার না। সে জানে সাফল্য এবং ব্যর্থতা দুই সহোদর বোন। এরা যে কোন মানুষের চলার পথে হাত ধরাধরি করে দাঁড়িয়ে থাকে। সাফল্য নামের বোনটি দেখতে খুব সুন্দর। তার পটলচেরা চোখ, সেই চোখের আছে জন্ম কাজল। তার মুখে প্রথম প্রভাতের রাঙা আলো ঝলমল করে। আর ব্যর্থতা নামের বোনটি কদাকার, মুখে বসন্তের দাগ, চোখে অল্প বয়সে ছানি পড়েছে। সবাই চাই রূপবতী বোনটির হাত ধরতে। কিন্তু তার হাত ধরার আগে কদাকার হাত ধরতে হবে এই সহজ সত্যটা বেশির ভাগ মানুষের মনে থাকে না। মানুষের মন যতই দুর্বল হয় ততই সে ঝুঁকতে থাকে রূপবতী বোনটির দিকে। এটা অতি অবশ্যই মানসিক জড়তার লক্ষণ।"/মিসির আলি চরিত্রটি এতোটাই পাঠক জনপ্রিয়তা পেয়েছে যে, অনেকেই তাঁকে রক্তমাংসের মানুষ ভাবতে শুরু করেছেন। হুমায়ূন আহমেদ প্রায়ই জিজ্ঞাসিত হন যে, মিসির আলি কি কোনো বাস্তব চরিত্রকে দেখে লেখা কিনা। এর নেতিবাচক উত্তর পেয়ে অনেকেই আবার মিসির আলি চরিত্রটির মধ্যে লেখকেরই ছায়া খুঁজে পান। এপ্রসঙ্গে স্বয়ং হুমায়ূন আহমেদই উত্তর করেন: “না, মিসির আলিকে আমি দেখিনি। অনেকে মনে করেন লেখক নিজেই হয়তো মিসির আলি। তাঁদেরকে বিনীতভাবে জানাচ্ছি- আমি মিসির আলি নই। আমি যুক্তির প্রাসাদ তৈরি করতে পারি না এবং আমি কখনও মিসির আলির মতো মনে করিনা প্রকৃতিতে কোনো রহস্য নেই। আমার কাছে সব সময় প্রকৃতিকে অসীম রহস্যময় বলে মনে হয়।“"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"বাঘবন্দি মিসির আলি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: