দ্বিতীয় মুদ্রণ, আগস্ট ২০২১
আরিমাতানো
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | আরিমাতানো |
| Author | মাহবুব ময়ূখ রিশাদ |
| Publisher | চন্দ্রবিন্দু প্রকাশন (চট্টগ্রাম) |
| Edition | দ্বিতীয় মুদ্রণ, আগস্ট ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 104 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.27 Kg |
| ISBN | 9782909317915 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
9 Ratings and 6 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৬টি
Rehnuma Rubayat Prapty , Apr 20, 2022
"বাবা-মা'র বিয়ের আগে বাচ্চা জন্ম হয় এমন তো আমরা দেখেছি কতই। কিন্তু, বাবা-মা'র মৃত্যুর পরে বাচ্চা জন্ম নেয়ার কথা কি কেউ শুনেছেন? ❝আরিমাতানো❞, হ্যাঁ আরিমাতানো এমনই একজন ব্যক্তি যার জন্ম হয়েছে তার বাবা-মা'র মৃত্যুর পরে। কিন্তু কেন? সৃষ্টির রহস্য উদঘাটনের জন্য যুগে যুগে দেশে দেশে কতো বিজ্ঞানী কতোই না তত্ত্ব দিয়ে গেলো। কিন্তু আমরা কি জানি আমাদের অতীত কী ছিল? আমাদের পরিবারের শুরু কোথা থেকে হলো? ❝আরিমাতানো❞ এমনই একজন যে শৈশব থেকে তার জন্ম রহস্য, তার বাবা-মায়ের সম্পর্কে জানার জন্য উদগ্রীব ছিল। বড়ো হবার পরেও তাকে তাড়িয়ে বেড়াতো একটাই প্রশ্ন, তার বাবা-মা কীভাবে মারা গেল? কীভাবে আরিমাতানো বাবা-মায়ের মৃত্যুর পরে জন্ম নিলো? এও সম্ভব! মৃত্যুর পরে কি বদ্ধ কফিনে আবার নতুন করে জীবন লাভ করা যায়? বদ্ধ কফিনে থেকে কথা বলা যায়? আরিমাতানো তা-ই করেছিল। কফিনের ভেতর সায়ানাইড ফুলের গন্ধ পাচ্ছিল আর বলে যাচ্ছিলো তার জীবন রহস্য। বাবা-মা হারা বালক আরিমাতানো দাদা-দাদীর কাছে বেড়ে উঠতে লাগলো নিজের জন্ম রহস্য জানবার অসীম কৌতূহল নিয়ে। নিজের এলাকার লোকেরা তাদের পরিবারকে সমীহ করে চলত। বলা যায়, একরকম ভয় পেত। আরিমাতানো জানে না কেন এই ভয়। জানে না কেন তাদের বংশকে জাদুকরের বংশ বলে। কী সেই জাদু? তাদের বাড়ির একটা ঘর সবসময় তালাবদ্ধ-ই বা কেন থাকে? তালার ওপাশেই কি আছে কোন জাদু? স্কুল কলেজের গন্ডি পেরিয়ে আরিমাতানো মেডিকেল কলেজে ভর্তি হলো। সেখানে এক নতুন জগৎ। রাজনৈতিকভাবে অস্থির একটা সময় ছিলো তখন। কেয়ারটেকার সরকারের আমল। ক্যাম্পাসের শুরুর দিকেই ছাত্রপার্টি কিংবা ছাত্রসংঘতে নাম লিখাতে হবে। সেভাবেই হলের সিট পাবে। যদিও ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কাজ তখন নিষিদ্ধ ছিল। আরিমাতানো সরকারদলীয় ছাত্রপার্টির দিকেই এগোলো। শান্ত, নিরীহ আরিমাতানো বদলে যেতে লাগল এক অন্য মানুষে। এই আরিমাতানো কে চেনেনা স্বয়ং আরিমাতানো নিজেও। ক্যাম্পাস, অস্থির রাজনীতি, লেখাপড়া আর জন্ম রহস্যের বেড়াজালে কেটে যেতে লাগলো তার জীবন। আর এক সময় নিভে গেল তার জীবন প্রদীপ। কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল আরিমাতানোর? মৃত্যুর পর কীভাবে সে নিজের অস্তিত্ব উপলব্ধি করতে পারল? আরিমাতানো পায়নি একটা সহজ সরল জীবন, পায়না কেউই। পাঠ প্রতিক্রিয়া: ❝আরিমাতানো❞ নামের অর্থ কী? জানি না নিজেও। তবে লেখকের এই উপন্যাসিকার শেষে গিয়ে নামের একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায় যদিও এতে নামের যথার্থ অর্থদ্ধার হয় না। জাদুবাস্তবতা, রাজনীতি সাথে এক রহস্য বালকের জীবন বৃত্তান্তের মিশ্রণে তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী এক উপন্যাসিকা আরিমাতানো। আমরা আমাদের জন্মের রহস্য কিংবা আমাদের পরিবারের একদম সূচনা কীভাবে হলো সে সম্বন্ধে কিছু কি জানি? আরিমাতানো তেমনই এক পরিবারের শুরুর ইতিহাস। কেন্দ্রীয় চরিত্র আরিমাতানো এর নামে নামকরণ করা হয়েছে বইটির। বাইশটি ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে আরিমাতানোর জীবদ্দশার গল্প শুনিয়ে গেছেন লেখক। প্রতিটি শিরোনামের নামকরণও বেশ ভালো। আরিমাতানোর বিষণ্ণতা, বন্ধুত্ব, নিজের ছোট্ট শহরের প্রতি এক বিষাদ ভাব সব মিলে দারুণভাবে বর্ণনা দিয়েছেন লেখক। গল্পে জাদুবাস্তবতার থেকে মূলত আরিমাতানোর জীবনের কথাই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। তার বাল্যকাল, স্কুল ও মেডিকেল জীবনের বন্ধুত্ব, রাজনীতিতে নেতা হবার এক সম্ভাবনা, ক্যাম্পাস জীবন লেখক সুন্দরভাবে লিখেছেন। বিষাদের সময়গুলোর বর্ণনা আসলেই বিষাদময় লেগেছে। শেষটায় এসে ধাক্কা না খেলেও বেশ অবাক হয়েছি। শেষটা পড়ে অনেক আগের একটা খবরের কথা মনে পড়ে গেছিল। বিরল রোগ নিয়ে বেশ কয়েক বছর আগে একটা খবর বেরিয়েছিল বিরল রোগ সংক্রান্ত (নামটা বলছি না স্পয়লার হয়ে যাবে 😑)। বেশ উপভোগ্য একটা সময় কেটেছে ১০৪ পৃষ্ঠার এই উপন্যাসিকা পড়তে। বইটা পড়ার সময় আমার কাছে ইন্টারেস্টিং একটা ব্যাপার লেগেছে বাকি চরিত্রের নামকরণে। লেখক তার নিজের নাম দিয়েই আলাদা তিনটা চরিত্রের (মাহবুব, ময়ূখ, রিশাদ) নামকরণ করেছেন। অনান্য কয়েকটা চরিত্রের নামও গতানুগতিক থেকে ভিন্ন দিয়েছেন। সব মিলিয়ে ছোট্ট পরিসরের ভিন্ন ঘরনার বইটি পড়ে ফেলা যায়। সময় খারাপ কাটবে না। লেখক সম্পর্কে কিছু কথা: লেখক মাহবুব ময়ূখ রিশাদ এর লেখা আমার পড়া প্রথম বই এটি। এর আগে উনার ৫টি গল্পের বই প্রকাশিত হয়েছে। লেখকের গল্প বলার বা এই বইয়ের ক্ষেত্রে বলিয়ে নেয়ার ধরন বেশ ভালো লেগেছে। আমার চোখে একটা বিষয় বারবার পড়েছে বইটা পড়ার সময়, সেটা হলো লেখকের লেখার ধরন। অন্যান্য বইতে সাধারণত কোন একটা বাক্য লেখা থাকে যেভাবে এই বইতে বাক্যগুলোর সমাপ্তি সেরকম নয়। উদাহরণস্বরূপ, ❝লোকটা আমাকে রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে❞ এইভাবে যদি কোন বইতে লেখা থাকে তবে লেখকের লেখা এই বইতে তা লিখেছেন লোকটা ❝লোকটা আমাকে দেখিয়ে দিচ্ছে রাস্তা❞ এমনভাবে। আরও কিছু উদাহরণদেই, ❝সারারাত ঘুম হয়নি❞ কে তিনি লিখেছেন ❝সারারাত হয়নি ঘুম❞ এমনভাবে। তবে লেখার এমন ধরন পড়তে মন্দ লাগেনি। কিছু জায়গায় পদ্য পদ্য একটা ভাব এসেছিল। লেখকের শব্দচয়ন অসাধারণ লেগেছে। প্রচ্ছদ, বানান, প্রোডাকশন: বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে আমার বারবার সেই উচ্চ মাধ্যমিকে উদ্ভিদবিদ্যা ব্যবহারিকের গাছের মূল, ফুলের মূলের সেই যন্ত্রনাদায়ক চিত্রগুলোর কথা মনে পড়ছিল। কী কষ্ট করে ছাপের পর ছাপ দিয়ে তিন-চারবারে সেই ব্যবহারিকগুলোতে ম্যাডামের সাইন পেয়েছিলাম! যাই হোক, প্রচ্ছদটা অনেক সুন্দর হয়েছে। বইয়ের সাথে একদম মানানসই। আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে এই সাধারণ দেখতে প্রচ্ছদটি। বইয়ের বাঁধাই সুন্দর হয়েছে। মুদ্রণ প্রমাদ চোখে পড়েছে বেশ কয়েকটা। কখন কোন চরিত্র কথা বলছে সেটা বুঝতে একটু সমস্যা হয়েছে। লেখার অ্যালাইনমেন্টের সমস্যা ছিল নাকি লেখার ধরনই এমন ছিল জানিনা হঠাৎ বাক্যে প্যারা এসে যাওয়ায় আমি সেগুলোকে কবিতা ভেবে বসছিলাম। লেখার ফন্ট একটু ভিন্ন ধরনের ছিল। ই-কার, ঊ-কার, ঈ-কার এর ধরন সাধারণ বই থেকে ভিন্ন ছিল যদিও দেখতে সুন্দর লেগেছে। তবে ফন্ট একটু ছোটো ছিলো বলে পড়তে অসুবিধা হয়েছে। পছন্দের কিছু উক্তি: ১. মৃত মানুষের কি আত্মহত্যা করার ক্ষমতা অবশিষ্ট থাকে? ২. দাদীরা আমাদের ভালোবাসার জায়গাতে থাকলেও, মনের ঠিক গভীরতায় পৌঁছাতে পারেনা, যেখানে বাবা-মা থাকে। ৩. কেন আড্ডা দিই এটা নিয়েই দেওয়া যাবে দীর্ঘ একটা আড্ডা। ৪. যদি একজন মানুষের স্মৃতিতে আরেকটা মানুষ থেকে যায় তবে স্মৃতির মানুষটা বেঁচে থাকে ততদিন যতদিন স্মৃতি বহন করা মানুষটা থাকে।"
Md Abu Hanifa , Jul 1, 2021
"ভালো বই।"
Abdur Rahman , Apr 16, 2021
"জাদুবাস্তবতার মাধ্যমে জীবনের অর্থ বুঝাতে চেয়েছিলেন লেখক কিন্তু পারেননি। জীবন এর কাছেই তার লেখা হেরে গেল শেষমেশ। সত্য বড্ড নির্মম।"
Shuvo Khandokar , Mar 3, 2020
"সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে বামে রেখে কোর্টপাড়ার এক টং এ চায়ের কাপ হাতে বসে আছি। কলেজ শেষ করে তরুন তরুণী হেটে যাচ্ছে। কেউ কেউ এসে জুটে বসছে আমার এপাশে ওপাশে একাগ্রচিত্তে বসে থাকা মাচা গুলোতে। চায়ের কাপ থেকে বাষ্প নেচে নেচে উঠে যাচ্ছে আর আমার মাথার ভেতরে এখনও দারুন বিষন্নভাবে ঘুরে ফিরে বেড়াচ্ছে 'আড়িমাতানো'। 'আড়িমাতানো' মাহবুব ময়ূখ রিশাদ এর লেখা। অন্যান্য গল্পকার, কথাসাহিত্যিক এই বইটারে নানাভাবে বিশেষায়িত করেছেন। আমি এখন চা খেতে খেতে 'আরিমাতানো' নিয়ে যা যা মাথায় অবশিষ্ট আছে , কেবল তাই লিখছি। মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবার পরই নতুন একটা টপিক এর সাথে পরিচয়, ছাত্ররাজনীতি। এর আগে ব্যাপারটার সাথে কখনও পরিচয় হয় নি। আগেপরে এলাকাভিত্তিক গ্যাং কালচার, স্কোয়াড বৃত্তি এসব দেখেছি খুব কাছ থেকে। কিন্ত নিতান্তই ঝকমকে র্যাপিং পেপারে মোড়া (!) এই জিনিসটা প্রথম দেখলাম। প্রত্যেকটা মেডিকেল স্টুডেন্ট চান্স পাবার পর ভর্তি হতে শুরু করে হলে সিট পাবার আগ পর্যন্ত একটা প্রক্রিয়ার মাঝ দিয়ে যায়। কিন্ত যা হয়ে যাবার তা ভর্তির দিনেই করে ফেলা হয়। সিনিওর ভাইদের হেল্প নেবার মাঝ দিয়ে সে কোনো এক পলিটিক্যাল গ্রুপে চলে যায়। এই গ্রুপিংটা আবার অনেকগুলো এট্রিবিউট এর মাধ্যমে করা হয়; রিজিওন তার প্রধানতম। এই গ্রুপিং এর মেরিট - ডিমেরিট উভয়ই আছে। কিন্তু এই ব্যপারটা নিজেই ইন্টারেস্টিং। অনেকের জীবনে এই গ্রুপিং ইস্যুটা খুব গাঢ় প্রভাব ফেলে। আমি চান্স পাবার পর অনেকবার এই গ্যাপটা ফিল করেছি যে ক্যাম্পাস রাজনীতির এই দিকটা কারো কলম থেকে বেরিয়ে এলে খুব ভালো হত। চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্নাতক করা রিশাদ ভাই এই দায়িত্বটা পালন করে দিছেন। বইটার চরিত্রের নামের ব্যাপারে রিশাদ ভাই খুব সতর্ক ছিলেন। চরিত্রগুলোর নাম তিনি তার আশপাশ থেকে আর নিজের নাম থেকে নিয়েছেন। যেমন তার নামের তিনটা অংশ; মাহবুব, ময়ূখ এবং রিশাদ এই তিনটা চরিত্রই আছে বইটিতে। এর একটা তাৎপর্য আছে। আপনি যদি মেডিকেল স্টুডেন্ট হয়ে অন্য মেডিকেল স্টুডেন্টদের জীবনকে পড়ে দেখতে থাকেন, তাহলে তাদের গল্পের অলিগলিতেই আপনাকে খুজে পাবেন। এখানে সবার গল্প একে অপরের সাথে সম্পৃক্ত, একে অপরের সাথে এক সুতায় বাধা। প্রত্যেকের গল্পই সবার গল্প। 'আরিমাতানো' বইটা আপনাকে ধাপে ধাপে দারুন বিষন্নতা ভর করাবে, প্রেম দেখাবে, সাহস দেখাবে, ভয় দেখাবে; সব শেষে যাদুবাস্তবতা ভর করিয়ে আকাঙ্ক্ষিত বা অনাকাঙ্ক্ষিত ইতি টানবে।"
Mishu , Feb 29, 2020
"গল্পটল্প যাই হোক, যেমনে লেখা হইসে, মনে হইতেসিল নিজের ক্যাম্পাস লাইফে ফিরে গেসি। উপন্যাসটা বড় হইতে পারত আরো। এজন্য এক পয়েন্ট কম। ৩"
Khaleda Akhter , Feb 27, 2020
"Satisfied"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"আরিমাতানো" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: