১ম প্রকাশ, ২০১৮
আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল |
| Author | নিয়াজ মেহেদী |
| Publisher | বাতিঘর প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৮ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 93 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.22 Kg |
| ISBN | 9789848729410 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
19 Ratings and 13 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১৩টিKamrun Nahar , Apr 22, 2024
"সুন্দরভাবে কিছু ছোট ছোট গল্পের সন্নিবেশ করা হয়েছে। ভালো লেগেছে।"
Nafiul Alam Rafin , Feb 24, 2024
"তিনটা গল্প ভালো লাগলেও অন্যগুলো ভালো লাগেনি। জানিনা কেন এই বইয়ের এত হাইপ। আর এন্ডিং এরকম সাদামাটা কেন?"
Monif Shah Chowdhury , Jul 15, 2022
"ছোট্ট, সুন্দর, ছলছলে আর সাতটা গল্প। সময় ভালো কেটেছে। মর্কট মঞ্জিল পড়ার ইচ্ছা জন্মালো।"
Mahmudul Hasan Emon , Apr 11, 2022
"বেশ কয়েকটি ছোটগল্পে সাজানো হয়েছে বইটি। বেশীরভাগ গল্প খুব ভালো লেগেছে, গুটি কয়েক অতটা মানের মনে না হলেও মোটকথা পড়ার মতনই একটি বই। লেখকের জন্য শুভকামনা।"
Nafisa Tarannum , Apr 23, 2021
"কি সুন্দর ভাবে শুরু হয়েছে গল্পটা! ছোট গল্প আলাদা আঙ্গিকে ভিন্নভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। মাস্ট রিড!"
আব্দুল হালিম , Oct 20, 2020
"মোটামুটি ভালোই।"
আরিয়ান শুভ , Jun 30, 2020
"বুক রিভিউ বই : আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল লেখা : নিয়াজ মেহেদী প্রকাশনী: বাতিঘর রেটিং : ৭/১০ সুন্দর ও সাবলীল নাম বইয়ের । উত্তম পুরুষে লেখা হয়েছে বইটি । শুরুতেই দেখা যায় অরিন্দম তার বন্ধু সেলিমের অকালমৃত্যুর সংবাদ শুনে বন্ধুর বাড়ির উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পরে । সেলিমের বাড়ি উত্তরবঙ্গের পলাশবাড়ি এলাকায় । যেতে যেতে প্রায় রাত দু'টো বেজে যায় । বাস স্ট্যান্ড থেকেও ১৬ কিলোমিটার দূরে সেলিমের বাড়ি । অত রাতে সেখানে যাওয়া সম্ভব নয় । কনকনে শীতের রাতটা পার করার জন্য হোটেল খুঁজতে গিয়ে অরিন্দমের পরিচয় হয় এক ভদ্রলোকের সাথে । নাম তার আওলাদ মিয়া । বেটে লোকটার প্রস্তাব প্রত্যাখান করতে পারলো না অরিন্দম । কেননা একে তো রাস্তাঘাট তার কিছুই চেনা নেই তার ওপর জুটেছে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা । অগত্যা আওলাদ মিয়ার পিছু পিছু সে হাজির হয় আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেলে । ভেতরে ঢুকে সেখানে তারই মত আরো কয়েকজনকে দেখতে পান লেখক । আওলাদ মিয়া পেশায় ব্যবসায়ী হলেও তার অদ্ভুত এক খেয়াল আছে । আর তা হল গল্প শোনা । বছরের কোনো এক বিশেষ দিনে আওলাদ মিয়া এরকম কয়েকজন জড়ো করেন গল্প শোনার জন্য । সারারাত গল্প চলে । তার বিশ্বাস প্রত্যেক মানুষের জীবনেই কোনো না কোনো অদ্ভুত গল্প আছে যা অদ্ভুত এবং অলৌকিক । লেখক আরো জানতে পারে ঐদিনটা ই নাকি আওলাদ মিয়ার গল্প শোনার দিন । আর তাই ই লেখকের মত আরো পাঁচজনকে তিনি রাস্তা থেকে এত আরম্ভরে সাথে করে নিয়ে এসেছেন গল্প শোনার জন্য । আসরের ছয় নম্বর ব্যক্তি হয়ে উঠলো অরিন্দম । শুরু হল গল্প । একে একে নুরুণ নাহার, সুধাংশু গুপ্ত, সামেদুল প্রত্যেকে তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত গল্প গুলো বলতে আরম্ভ করলো । প্রত্যেকে গল্প শেষ করে আর বাকিসকলে কিছুক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে । আনমনে ভাবে এও কী সম্ভব? জীবনে ঘটে যাওয়া কী এমন গল্প বলেছিল সকলে? জানতে চাইলে বইটি পড়তে হবে । এই বইয়ে ভালো লাগার দিক গুলোর মধ্যে লেখকের টপিক সিলেকশন অন্যতম । তিনি টিপিক্যাল প্যারানরমাল গল্প তুলে ধরেননি । ছয়জন মানুষের জবানীতে গল্পগুলো তুলে ধরেছেন যা গল্পগুলোকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে । ছয়জন আলাদা আলাদা মানুষ তাই তাদের ভাষায় বৈপরিত্য থাকবে এটাই স্বাভাবিক । আর এই ভাষার ব্যবহারের জন্য লেখক অত্যন্ত পারদর্শীতা দেখিয়েছেন ।আর গল্পের প্রশংসা না করলেই নয় । প্রত্যেকটি গল্প পড়ে তা বাস্তব মনে হয়েছে , অথচ তা ঘটা একপ্রকার অসম্ভব ই বটে । তাই বাস্তব-অবাস্তবের একটা দ্বিধায় থাকবে পাঠক সর্বক্ষণ । আর হ্যা, শেষে আওলাদ মিয়াও তার জীবনের অদ্ভুত গল্পটা বলেছেন । বলেছেন কেন তিনি প্রতি বছর এই দিনে ছয়জন লোক জড়ো করে গল্প শুনতে চান, এর পেছনের রহস্যটাই বা কি! এই বইয়ের খারাপ দিকগুলোর মধ্যে বলবো ঐ পূর্বোক্ত ভাষার ব্যবহার ই । একটা গল্পে দেখা যায় কথক রংপুরের অধিবাসী । রংপুরের ভাষাতেই পুরো গল্পটা শোনানো হয়েছে এখানে । এর সারাংশ বুঝলেও বেশ কিছু শব্দ আমার কাছে দুর্বোধ্য লেগেছে । দ্বিতীয়ত বইয়ের প্রচ্ছদ । বইয়ের প্রচ্ছদ আরো ক্রিয়েটিভ করার জন্য আরো কিছুটা সময় প্রচ্ছদের পেছনে দেওয়া উচিত ছিল । আর আওলাদ মিয়ার গল্পটা যেহেতু বইয়ের একদম শেষে তাই এখানে পাঠকের এক্সপেক্টেশন বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক । আরো আকর্ষণীয় করা উচিত ছিল আওলাদ মিয়ার গল্পটা । মন্তব্য : নিয়াজ মেহেদীর প্রথম বই হিসেবে 'আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল' অত্যন্ত ভালো এবং এর গল্পগুলো স্ট্রং । পাঠককে ভাবিয়ে তুলতে সক্ষম এই ছোট্ট পরিসরের বইটা । পড়ে দেখতে পারেন ।"
Sheikhe Mohammad Rayhan , Feb 24, 2020
"আওলাদ মিয়া একজন ভাতের হোটেল ব্যবসায়ী যিনি গল্প করতে ভালোবাসে। বছরে বিশেষ একটা দিনে তিনি তার কাস্টমারদের সাথে গল্পে গল্পে মজে উঠেন। যেখানে কিনা বিভিন্ন পেশার মানুষ তাদের জীবনের কাহিনী তুলে ধরেন। একজন বৃদ্ধা,মধ্যবয়স্ক, কিশোর এবং অরিন্দম নিজেও গল্প করে যান আওলাদ মিয়ার অনুরোধে। সব মিলিয়ে অসাধারণ একটি গল্প।"
Kawsar Mollah , Nov 16, 2019
"অরিন্দম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ থেকে অনার্স-মাস্টার্স করেছে। অরিন্দম যুক্তিবাদী এবং নরম মনের মানুষ। হঠাৎ করেই খবর আসল বিশ্ববিদ্যালয়ের খাপছাড়া বইপাগল বন্ধু সেলিম গ্রামে মারা গেছে। শেষবারের মতো বন্ধুকে দেখার আশায় মনটা নাড়া দিয়ে উঠলো অরিন্দমের। অন্যসব বন্ধুদের থেকে সাড়া না পেয়ে একাই রওনা দিল উত্তরবঙ্গের পলাশবাড়ির উদ্দেশ্যে বন্ধুকে শেষ বিদায়ের জন্য। গভীররাতে জনবিরল পলাশবাড়ি পৌছে বিস্ময়ে নির্বাক হয়ে যায় অরিন্দম। জনবিরল বাজারে রাত কাটানোর কোন জায়গা নেই আর অন্যদিকে কাপন ধরানো শীত বেড়েই চলছে কুয়াশার সাথে পাল্লা দিয়ে। এই বিপদ থেকে অরিন্দম উদ্ধার করতে সাহায্যের হাত বাড়ায় অজানা এক ব্যাক্তি। গলিপথ পার হয়ে অরিন্দমের জায়গা হলো রহস্যময় আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেলে যেখানে তার মতো আরো পাচজনকে একত্রিত করা হয়েছে। এই সাহায্যের বিপরীতে হোটেল মালিক আওলাদ মিয়ার চাওয়া খুবই সামান্য প্রত্যেককে বলতে হবে নিজরে জীবনের একটি অদ্ভুদ আর অস্বাভাবিক গল্প। এর প্রেক্ষিতে শুরু হয় মানবজীবনের গল্প যার সাথে জড়িত লোভ, অভিশাপ, হত্যা এবং অদ্ভুদ সব কাহিনী। ব্যাক্তিগত মতামত ও রেটিং- * একটি অল্প ছিল আঞ্চলিক ভাষায় বলা যা বুঝতে খুব সমস্যা হচ্ছিল এবং বিরক্তি চলে আসছি। এছাড়া বাকি গল্পগুলো উপভোগ্য ছিল। গল্প/বইঃ- ৩.৫/৫ প্রচ্ছদঃ- ৩/৫ আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল লেখকঃ-নিয়াজ মেহেদী প্রকাশনীঃ-বাতিঘর প্রকাশনী মুদ্রিত মূল্যঃ-১৪০ টাকা প্রকাশকালঃ- বইমেলা ২০১৮ প্রচ্ছদশিল্পীঃ-ডিলান লম্বা রিভিউ ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং"
আসাদুজ্জামান জুয়েল , Nov 11, 2019
"নাম:- অাওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল লেখক:- নিয়াজ মেহেদী ধরন:- অতিপ্রাকৃত প্রকাশনী :- বাতিঘর প্রকাশনী প্রকাশকাল:-বইমেলা ২০১৮ পাতা সংখ্যা:- ৯৩ মূল্য:-১৪০/= শেষ বিকেলের নির্জনতায় অাজকের ৩ নম্বর বইটা শেষ করেছি অদ্ভূত ভালো লাগা অার তৃপ্তিতে । বইটি - অাওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল। লেখক নিয়াজ মেহেদী। দুই দিন অাগেও বইটি কেনা বা পড়ার লিস্টে ছিলো না অনেকটা অবহেলা নিয়েই পড়া শুরু করেছিলাম কিন্তু শুরু থেকেই লেখক জমিয়ে রেখেছিলেন। ছয়টি আলাদা আলাদা অতিপ্রাকৃত গল্প একসুতোঁয় গাঁথা ..... অবশ্যই এবারের বইমেলায় একটি ব্যতিক্রমধর্মী ছোট্ট বই! একটি বইয়ে প্রচ্ছদ বরাবর গুরুত্বপূর্ণ ....এই বইয়ের ক্ষেত্রে অতি সাধারণ কিন্তু দারুন একটি প্রচ্ছদ। প্রচ্ছদে ফুটে ওঠেছে একেকটি চরিত্র.... কাহিনী সংক্ষেপ : গল্পের কথক বন্ধুর মৃত্যুতে উত্তরাঞ্চলে এসেছিলেন এক শীতের গভীর রাতে । অাশেপাশে অাশ্রয়ের খোঁজে শেষ অাশাটুকু যখন খুইয়ে ফেলেছেন তখনই দেখা পেলেন রহস্যময় এক বেঁটেখাটো মানুষের। মানুষটা তাকে নিয়ে গেলো তারচেয়েও একটি হোটেলে। নাম- অাওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল, যেখানে ইতিমধ্যেই অারো কয়েকজন নারী পুরুষ বসে ছিলো অাগে থেকেই। হোটেলের মালিকের অদ্ভূত অাবদার, 'অাজ রাতটা ঘুমানো যাবে না , সবাইকে নিজেদের জীবনের সেরা অদ্ভূত গল্পটা বলতে হবে অাজ'! কেন এমন অাবদার? জানতে পারবেন " অাওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল"এর শেষ পৃষ্ঠায়...... রেটিং : ১০/১০"
Sultan , Oct 29, 2019
"এই ফেইসবুকের যুগে আমরা এতটাই ব্যস্ত হয়ে গেছি যে,খুব কাছের বন্ধুটি মারা গেছে শুনলেও ফেইসবুকে 'হা-হুতাশ' মূলক স্ট্যাটাস আর স্যাড রিয়্যাক্টের বন্যা বইয়ে দিয়ে দায়িত্ব শেষ করি। কিন্তু,হাজার ব্যস্ততাকে পিছনে ফেলে বন্ধু সেলিমের মৃত্যু সংবাদ শুনে অরিন্দম যাত্রা শুরু করল বন্ধুর পৈতৃক বাড়ি,রংপুরের এক গ্রামে।রাতদুপুরে পলাশবাড়ি পৌঁছে হতবাক হয়ে গেলো অরিন্দম। এখান থেকে সেলিমের বাড়ি বেশ দূর,এত রাতে যাওয়া সম্ভব না। উপায় কোন হোটেলে রাতটা কাটানো। কিন্তু তীব্র শীতের রাতটা কাটানোর জন্য কোন হোটেল খুঁজে পেলো না অরিন্দম। চারদিকে কুয়াশার আস্তরণ, শীত হু হু করে বাড়ছে।চারদিক নিস্তব্ধ। বুকে কাঁপন ধরে যাচ্ছে রাতচোরা পাখির ডাকে। নিজের পায়ের শব্দেই কেমন যেন ভয় ভয় লাগছে। ঠিক তখন অরিন্দমকে চমকে দিলো রহস্যময় এক বেঁটে মানুষ। গলির পর গলি পার হয়ে লোকটা অরিন্দমকে নিয়ে এলো এক হোটেলের সামনে। যেখানে কোন সাইনবোর্ড টানানো নেই, পাশে কোন বসতবাড়ি ও নেই।অদ্ভুত জয়গা 'আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল' অরিন্দম হোটেলের ভেতরে প্রবেশ করে দেখলো তার মতো বিভিন্ন বয়সের আরো পাঁচজন আটকেপড়া মানুষ। অরিন্দমের মনে হলো এখানে কিছু একটা গোলমেলে আছে। কিন্তু ওদেরকে চমকে দিলো স্বয়ং আওলাদ মিয়া। তার চাওয়া খুব সামান্য। প্রত্যেকের নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অদ্ভুত আর বেশ অস্বাভাবিক একটা গল্প বলতে হবে।বছরে একদিন এই গল্পের আসর বসে। এবং সবশেষে আওলাদ মিয়া ও তার জীবনের গল্প বলেন। কীভাবে এই গল্পের নেশা তাকে পেয়ে বসেছে সেই গল্প.....একে একে সবাই গল্প বলতে শুরু করে। নুরুন নাহারের গল্প শুনে বিস্ময়ে অভিভূত হতে হয়।অজান্তেই বলে উঠতে হয়, কীভাবে সম্ভব! সুধাংশু গুপ্তের গল্পে উঠে আসে 'বিজয় গুপ্তের' 'পদ্মাপূরাণ' এর অদ্ভুত সব গল্পের সাথে অভিশাপের কথা। সবাইকে খানিকটা চমকে যেতে হয়। ছামেদুলের গল্পটা বেশ অদ্ভুত।ছেলেটির আঞ্চলিক ভাষায় বলা গল্পে সকলে ঘোরগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তারপর আসে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর গল্পকথক, আলাউদ্দিন মণ্ডল।লোকটার গল্পটা এত রোমহর্ষক যে গায়ের লোম খাঁড়া হয়ে যাবার জোগাড়। সাজ্জাদুল ইসলামের 'পুঁথির গল্প' চমকে দেয়। চমৎকার এই গল্পে বহু কৌতুহলের উদ্রেক হয়। এরপর আসে অরিন্দমের পালা।তার গল্প শেষে পুরো ঘর নীরব হয়ে যায়। এই বইয়ের সবথেকে চমকপ্রদ গল্প এটাই। সর্বশেষ আওলাদ মিয়া নিজের গল্প বলে আসর শেষ করেন। গল্পে গল্পে কেটে যায় ভয়ঙ্কর সুন্দর একটা রাত। #পাঠ_প্রতিক্রিয়া ৯৩ পৃষ্ঠার মলাট বন্দী বইটাতে একেবারে বুদ হয়ে ছিলাম। ছোটগল্পের আদলে লেখা প্রত্যেকটি গল্পেই যেন উঠে এসেছে এক একটি জীবন। গল্পগুলো কী ভীষণ জীবন্ত! যেন মনে হচ্ছিল এই ঘটনাগুলো আমি নিজ চোখে দেখছি। নুরুন নাহার থেকে শুরু করে আওলাদ মিয়া,প্রত্যেকের গল্প চমৎকার। ভয়,আতঙ্ক, দোটানা, কৌতূহল, রাগ,ঘৃণা মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে যেন। কোনটার সাথে কোনটার মিল না থেকেও যেন অদ্ভুত মিল! লেখক ভালো গল্পকথক। পাঠককে এই ছয়টি গল্প আষ্টেপৃষ্টে ধরে রাখতে সক্ষম হবে ব'লে মনে করি,আমি নিজে বইটা শেষ না করে উঠতে পারিনি। তবে,কিছু ক্ষেত্রে একটু হোঁচট খেতে হয়েছে। ছামেদুলের গল্পটা বুঝতে বেশ কষ্ট হয়েছে। রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় লেখা কি না! কিন্তু গল্পের আসল ভাববস্তু ধরতে পেরেছি, এই যথেষ্ট। 'কি' এবং 'কী' শব্দদুটোর দিকে একটু নজর দিলে ভালো হতো।বেশ কয়েকটা স্থানে 'কি' কে 'কী' করা হয়েছে। আর অল্পকিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে(বাতিঘরের প্রায় বইয়ে বানানের সমস্যাটা প্রকট, সেই তুলনায় এটাতে কম)"
Nayef Ahmed , May 10, 2019
"#প্রগতি_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বইয়ের নামঃআওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল লেখক:নিয়াজ মেহেদী। বাতিঘর প্রকাশনী। মূল্য:১৪০ টাকা। প্রচ্ছদ:ডিলান। মূল:বন্ধুর মৃত্যুর খবর শুনে উত্তরবঙ্গে রওনা হয় অরিন্দম।বাস থেকে নেমেই পড়তে হয় বিপাকে।আশেপাশে থাকার মতো কোনো হোটেল নেই।কিন্তু কিছুসময় পর এক বেটে মতোন লোক তাকে আশ্বস্ত করে নিয়ে যায় আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেলে এই বলে যে সেখানে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।কিন্তু ভেতরে ঢুকেই পড়তে হয় আরেক ঝামেলায়।তার মতোই কিছু অতিথি সেখানে বর্তমান।এবং সাথে রয়েছে হোটেলের মালিক আওলাদ মিয়া।সারারাত জেগে একে একে বলতে হয় অতিথিদের জীবনের গল্প। * পাঠপ্রতিক্রিয়া:প্রথমত ধন্যবাদ জানাই লেখক'কে এমন ভিন্নধর্মী প্লট উপহার দেওয়ার জন্যে।গল্পটা আপনাকে মনে করিয়ে দেবে আলিফ লায়লার কথা।সম্রাট শাহরিয়ারকে যেমন তার স্ত্রী শেহেরজাদ রাত ভরে বিস্ময়কর সব গল্প শুনিয়ে থাকেন।ঠিক তেমনি এখানে সম্রাট আওলাদ মিয়াকে গল্প বলে যান কিছুসংখ্যক অতিথি।অবশ্য শেষদিকে আওলাদ মিয়াও নিজের গল্প বলেন। তবে একটা আক্ষেপ থেকেই যাবে,রংপুরের ভাষা বুঝি না বলে ছামেদুলের গল্পটা ঠিক বুঝে উঠতে পারি নি।তবে লেখকের লেখনী খুব চমৎকার ছিলো এটা অস্বীকার করবো না। রেটিং:৭/১০(যদিও রেটিং কোনো ম্যাটার না।গল্প পড়ে মজা পেয়েছি এটাই মুখ্য)"
Mitul Rahman Ontor , Mar 31, 2019
"#প্রগতি_রিভিউ_প্রতিযোগ_মার্চ আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল আওলাদ মিয়ার হাতের হোটেল লেখক নিয়াজ মেহেদীর প্রথম বই। আওলাদ মিয়া প্রত্যেক বছরেই নির্দিষ্ট এক দিনে ৬জন মানুষকে নিয়ে গল্পের আসর বসান। তার কেবলমাত্র একটিই আবদার, প্রত্যেককে তাদের জীবনের অদ্ভুত একটি গল্প বলতে হবে৷ বইটিকে আসলে একটি ছোট গল্প সংকলন বলা চলে। তবে লেখক নিজের মুন্সিয়ানায় গল্পগুলিকে ভিন্ন ঢঙে উপস্থাপন করেছেন। অর্থাৎ গল্পের ভেতরে আরেকটি গল্প! গল্পগুলো অদ্ভুত, নাড়া দিয়ে যাওয়ার মত। বেশিরভাগ গল্পই প্যারানরমাল জাতীয়। ফ্লাপের লেখা অনুযায়ী, বইয়ের গল্পগুলো মানুষ হিসেবে আমাদের অস্তিত্বকে নাড়া দিবে। তবে সত্যি বলতে বই শেষ করার পরেও এমন কিছু অনুভব করি নি। নুরুন নাহার এবং সুধাংশুর গল্পটি বেশ ভালো ছিল। এরপর আসে ছামেদুলের গল্প। ছামেদুলের গল্প পুরোটাই রংপুরের স্থানীয় ভাষা লেখা! আমিও যেহেতু ঐ অঞ্চলের, তাই এই গল্পের প্রতি ভালো লাগা আমার কাছে অন্যরকম। তবে অন্যান্য অঞ্চলের পাঠকদের আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহারের কারণে বুঝতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আলাউদ্দিন মন্ডল এবং অরিন্দমের গল্পটি বাকিগুলোর তুলনায় অনেক ভালো ছিল। তবে সাজ্জাদুল ইসলামের গল্পটি ছিল বইয়ের সবচেয়ে দুর্বল গল্প। সবশেষে আওলাদ মিয়া তার নিজের গল্পটি বলে। গল্পের প্লট যেহেতু আওলাদ মিয়ার উপর ভিত্তি করেই, তাই শেষ গল্পটি আরো স্ট্রং হওয়া উচিত ছিলো! লেখকের লেখনী বেশ সাবলীল। তবে আরো অনেক উন্নতি করার জায়গা রয়েছে। লেখকের যেহেতু এটি প্রথম বই, তাই দোষ-ক্রুটি কিছুটা মেনে নেওয়া যায়। বইয়ের বাইন্ডিং, পেজ কোয়ালিটি স্ট্যান্ডার্ড ছিল। বানান ভুল খুব একটা চোখে পড়ে নি। বাতিঘর থেকে প্রকাশিত ৯৩ পৃষ্ঠার বইয়ের মুদ্রিত মূল্য ১৪০টাকা। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: