হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
আমরা আবরাহার যুগে নই - ড. রাগিব সারজানি এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

সর্বশেষ সংস্করণ , ২০২৪

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

আমরা আবরাহার যুগে নই

14 Ratings | 12 Reviews
TK. 89 TK. 160 -44% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

মুসলিম উম্মাহর আজকের যে দুর্দশা ও বিপর্যস্ত অবস্থা, এর থেকে উত্তরণের উপায় কী? উম্মাহর মূলোৎপাটনে আগ্রাসী অমুসলিম শক্তিগুলোকে মোকাবিলায় আমাদের করণীয় কী? আমরা...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

মুসলিম উম্মাহর আজকের যে দুর্দশা ও বিপর্যস্ত অবস্থা, এর থেকে উত্তরণের উপায় কী? উম্মাহর মূলোৎপাটনে আগ্রাসী অমুসলিম শক্তিগুলোকে মোকাবিলায় আমাদের করণীয় কী? আমরা শুধুই ওপরের দিকে দুচ
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title আমরা আবরাহার যুগে নই
Author ড. রাগিব সারজানি
Publisher মাকতাবাতুল হাসান
Edition সর্বশেষ সংস্করণ , ২০২৪
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 80
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category ইসলামি বই
Weight 0.07 Kg
Translator মাহদি হাসান
Editor আবদুল্লাহ আল মাসউদ,মুহাম্মাদ রাশেদ আবদুল্লাহ
ISBN 978-984-8012-36-9
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

4.79

14 Ratings and 12 Reviews

★★★★★
11
★★★★☆
3
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

১২টি
Shafiq

Shafiq , Apr 11, 2022

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"বইটি অনেক ছোট"

Akram Hossain

Akram Hossain , Mar 28, 2022

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"Good"

Jubayer Ahmed

Jubayer Ahmed , Oct 3, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"আজ বিশ্বের নানা প্রান্তে নানাভাবে মুসলিম জাতি নির্যাতিত হচ্চে কিন্তু এই নির্যাতনের শেষ কবে?? কবে আসবে রাব্বি কারিমের পক্ষ থেকে কুদরতি সাহায্য?? মহান আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে সাহায্য পেতে হলে মুসলিম জাতিকে নিতে হবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সে বিষয়ে অতি স্বল্প পরিসরে অথচ খুবই চমৎকার আলোচনা করা হয়েছে এই বইয়ে।"

Mazharul Islam Shuvo

Mazharul Islam Shuvo , Sep 28, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"আমরা আর আবরাহার যুগে নই পর্ব : ১ হযরত নুহ আ: এর জাতি তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিলেন।এক পর্যায়ে তিনি অনুধাবন করলেন তাদের ঈমান গ্রহনের আশা আর অবশিষ্ঠ নেই। তখন তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করলেন- "অতপর সে তার পালনকর্তাকে ডেকে বললো, নিশ্চই আমি অক্ষম,অতএব আপনি সাহায্য করুন" -- সুরা কমার:১০ তার পরের ঘটনা আমরা সবাই জানি পবিত্র কুরআন থেকে, মুমিন ব্যতিত কেউই বেচে ছিলো না। আল্লাহ তাদের আকাশ থেকে পানি বর্ষন করলেন এবং জাতিকে ধ্বংস করে দিলেন মহা প্লাবনের মাধ্যমে। যার বর্ননা আমরা পাই - সুরা কমার এর ১১-১৩ নং আয়াতে। এখানো কিন্তুু মুমিন ও কাফের দের কোন সংঘর্ষ হয় নি, বরং সঙ্ঘটিত হয়েছিলো এক মহানপ্লাবন। এ বিপর্যয় থেকে আল্লাহ তাআলা মুমিনগনকে জাহাজে উঠিয়ে নিয়ে উদ্ধাররকরেছেন। ঠিক একই ভাবে লূত আ: যখন তার সমকামি সম্প্রাদয়ের ব্যপারে আল্লাহর কাছে দুআ করলেন- "হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এবং আমার পরিবারবর্গকে তারা যা করে, তা থেকে রক্ষা করুন" সুরা - শু'আরা, আয়াত :১৬৯ অতপর সেই জাততির পরিনতি আল্লাহ কুরআনে বর্ননা করেছেন এভাবে-- "অতপর আমি জনপদটিকে উল্টে দিলাম এবং তাদের উপর কঙ্করের প্রস্তর বর্সন করলাম" সুরা হিজর, আয়াত : ৮৪ সুরা হিজরের ৬৫ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বর্ননা করেছেন, কিভাবে লূত আ: কে রক্ষা করেছিলেন। একটা বিষয় লক্ষ করবেন, এখানেও কিন্তুু অত্যাচারি সম্প্রদায়ের সাথে কোন সংঘর্ষ হয় নি। আল্লাহ তাদের ধ্বংস করে দিয়েছেন। ঠিক একই ভাবে মূসা আ: এর যুগেও কিন্তুু ফেরআউন এর অনুসারিদের সাথে মূসা: আ: এর কোন সংঘর্ষ হয় নি।সেখানেও কিন্তুু কোন প্রানের বিনিময় হয় নি এবং শহিদ হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেনি। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বর্ননা করেন- "অতপর আমি দলটিকে ডুবিয়ে দিলাম" সুরা : শু'আরা, আয়াত ৬৬ সুতরাং অত্যচারী ফেরাউনকে দুর্যোগে নিপতিত করে ধ্বংস করা হলো। সত্যর বিপরীতে অবস্থানকারী ও অত্যাচারীদের সাথে বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালার অবধারীত রিতি দেখতে পাই যে তিনি জাতি গুলোকে সমূলে ধ্বংস করে দিতেন। ঠিক এমন চিত্র আমরা কিন্তুু আরবাহার সময়ে এসেও দেখতে পাই একই চিত্র। আল্লাহ আব্রাহার বিশাল হস্তি বাহীনিকে সমূলে ধ্বংস করেছিলেন, আবাবিল পাখির মাধ্যমে। যা আমরা সূরা ফিল এ বর্নিত আছে। কিন্তুু আবরাহার ঘটনার মাত্র ৫০ দিন পরেই আল্লাহ তায়ালা অত্যাচারীদের ধ্বংস করার জন্য এক নতুন পদ্ধতি প্রনায়ন করেন। আর সেই পদ্ধতির দ্বার উম্মোচন করে নবী করিম স: এর জন্মগ্রহন। আবরাহার ঘটনা ছিলো সর্বশেষ ঘটনা, যেখানে দুর্যোগের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্যর আগমন হয়েছিলো। তবে অত্যাচারীদের ধ্বংস করার রিতি এখনো বহমান আছে। সুরা ইব্রাহিম এর ১৩-১৪ নং আয়াত পড়লে জানতে পারি, যারা এক আল্লাহর সামনে অবস্থান করাকে ভয় পায়, তার শাস্তির প্রতিশ্রুতিকে ভয় করে, সর্বশেষ ক্ষমতা তাদের হাতেই থাকবে। তাদের বিরোধী অত্যাচারীরা অবশ্যই ধ্বংস হবে। রাসুল স: জন্মের সাথে সাথেই পরিবর্তিত হয়েছে ধ্বংসের পদ্ধতি। পূর্বযুগে দূর্যোগের মাধ্যমে অত্যাচারীদের ধ্বংস করা হতো। আর নবী স: জন্মের পর নতুন ধর্ম তথা ইসলাম ধর্মের হচ্ছে--- "তোমরা যদি আল্লাহর দ্বীন-এর সাহায্য করো, তবে তিনি তোমাদের সাহায্য করবেন এবং তোমাদের কদম অবিচলিত রাখবেন" সুরা মুহাম্মদ- আয়াত ৭ তার মানে হচ্ছে, ইবাদত, চেষ্টা, শ্রম ব্যতিত আল্লাহর অনুগ্রহ পাওয়া যাবে না। অনেক মানুষ আছে যারা অত্যাচারি দেখলে ভয় পায়, কিন্তুু তারাই মুমিনদের গর্দান চেপে ধরে। আর মুমিনেরা এখনো আশা করে যে আকাশ থেকে তার জন্য অনুগ্রহ আসবে, যেমনটা হয়েছিলো আবরাহার সাথে। কিন্তুু এটা ভুল পদ্ধতি, আল্লাহর রিতি পরিবর্তনের বিষটা বুঝতে না পারার ফলেই এমনটা হচ্ছে। আর তাই, কখনো মুসলমানের জন্য দুআই যথেষ্ট হবে, প্রকাশ্য/অপ্রকাশ্য। আবার কখনো চুক্তির প্রয়োজন হবে, আবার কখনো মুজাহিদদের মাধ্যমে অর্জিত হবে সফলতা। ইনশাআল্লাহ চলবে------ ড: রাগিব সারজানি এর বই এর অবলম্বনে। ছবি: আক্ষরিক"

MD. REJAUL ALAM (NASIM)

MD. REJAUL ALAM (NASIM) , Jul 31, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"Alhamdulillah"

Nowreen Tabassum Ahammed

Nowreen Tabassum Ahammed , Sep 16, 2020

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"Oshadharon"

মুনির

মুনির , Mar 19, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"মুসলিম আজ এত নির্যাতিত, তবুও কেন আল্লাহর সাহায্য আসছে না। এ জাতির সাহা্য্য কিভাবে আসে,, ছোট একটি বইতে যথাযথ ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। একথায় সংক্ষেপে বিস্তারিত । এজন মুসলিমের চিন্তার দুয়ার খুলে দিবে, আল্লাহ দ্বীনকে সাহায্য করলে, আল্লাহ আমাদের সাহায্য করবে। তা না হলে, যদি এমন *বাকিতে অধিক মূল্যে মাল বিক্রি করে খুশি থাকি, গরুর লেজ আকরে (নিজের যা আছে তাই নিয়ে ব্যাস্ত) ধরে মজা পাই। তাহলে আল্লাহ তায়ালা কল্পনাতীত নির্যাতন চাপিয়ে দিবে।"" সবারি বইটি পড়া উচিত।"

Zakwan

Zakwan , Jan 19, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"খুলে যাই বোধের বদ্ধ দুয়ার😊। বেশ উপকারি আলোচনা ❤"

Salman Mahadi

Salman Mahadi , Dec 8, 2019

★ ★ ★ ★ ★

"আমরা আবরাহার যুগে নই বইটি পড়ে বুঝালাম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের প্রিয় চাচা হামজা রাদিয়াল্লাহু আনহুর হত্যাকারীর নাম ছিল ওয়াহশি। মক্কার কুরাইশনেতা জুবাইর ইবনে মুতইমের ক্রীতদাস। দাসের জীবন নিয়ে অপদস্থ ওয়াহশি দাসত্ব থেকে মুক্তির জন্য ছিল বেপরােয়া। বদর যুদ্ধের পর তার মনিব জুবাইর এবং আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দা তার সামনে এক লােভনীয় প্রস্তাব পেশ করে। আগামী যুদ্ধে যদি সে হামজাকে হত্যা করতে পারে তবে সে দাসত্ব থেকে মুক্তি পাবে। এবং সঙ্গে পাবে আরও নানা অর্থ-সম্পদ। ওয়াহশি সে প্রস্তাব লুফে নেয় এবং উহুদের প্রান্তরে পেছন থেকে বর্শা নিক্ষেপ করে। হামজাকে হত্যা করে। কিন্তু ওয়াহশির পরবর্তী জীবন কীভাবে কাটে? দাসত্বের জীবন থেকে মুক্ত হয়ে সে কি সুখী হয়েছিল? স্বাধীন মানুষ হিসেবে সে কি সত্যিকারভাবে স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল। মক্কার মানুষের কাছে? তার প্রেমিকা, যার জন্য সে সবকিছু তুচ্ছ করতে পারতাে, সে কি অবশেষে একান্ত তার হয়েছিল? ওয়াহশি কি একদিনও ঘুমাতে পেরেছিল তৃপ্তির ঘুম? এসব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে রচিত দারুণ এক কাহিনিকাব্য নাজিব কিলানির বিখ্যাত উপন্যাস 'কাতিলু হামজা - হামজার খুনি।"

Pie

Pie , Nov 3, 2019

★ ★ ★ ★ ★

"'আমরা আবরাহার যুগে নই' বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা সবেমাত্র আশি।ছোটকলেবরের এক বই।কিন্তু আপনাকে এই বই নতুন করে ভাবতে শেখাবে।ভালোভাবে পড়লে আপনাকে নড়েচড়ে বসতে হবে।বইটি আপনাকে শেখাবে, মহান আল্লাহ তালার রীতি তথা সুন্নাতুল্লাহ কখনো পরিবর্তন হয় না। কিন্তু রীতিনীতি বাস্তবায়নের পদ্ধতি, রূপরেখা পরিবর্তন হয়। বইয়ের শুরুতে অনুবাদকের কথা'য় আপনি জানতে পারবেন বইয়ের মূল সারাংশ। তারপর বইয়ের মূলপাঠ শুরু করতেই পারবেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের পঞ্চাশদিন পূর্বে ঘটে যাওয়া আসহাবুল ফিলের ঘটনা। ঔদ্ধত আবরাহা আল আশরাম ইয়ামেনে তার বানানো কাবাকে পৃথিবীবাসীর কাবা বানানোর হীন উদ্দেশ্যে বিশাল হস্তীবাহিনী নিয়ে কাবা কে ধ্বংষ করতে মক্কায় আগমন করে। মক্কায় আগমন করেই অরজকতা,লুটপাট সহ বিভিন্ন অপকর্ম চালাতে থাকে। কাবা আল্লাহর ঘর।মাসাবাতান লিন্নাস।আবরাহার এই বিশাল বাহিনীকে আল্লাহ তালা ধ্বংষ করবেন, এব্যাপারে মূমিনরা নিশ্চিত ছিলো।নিশ্চিন্ত ছিলো। হলোও তেমন।মূমিনরা শুধু অপেক্ষার প্রহর গোনতে লাগলো।আল্লাহ তাআলা তার ঘর হেফাজত করার জন্য নুসরত পাঠালেন। ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিরা এসে ঔদ্ধত আবরাহার বাহিনীর উপর কঙ্কর নিক্ষেপ করে এফোঁড় ওফোঁড় করে দিলো। তাদের কে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলেন।সামান্য ছোট পাখির ছোড়া পাথরের আঘাতেই তারা নাস্তানাবুদ হয়ে গেলো।আর মূমিনরা দূর থেকে দেখলো জালিমদের অশুভ পরিনতি। জালিমদের ধংষ করে দেওয়ার খোদায়ী রীতির এই পদ্ধতি এখানেই শেষ হয়েছিলো।অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে মাজলুমদের সাহায্য করার ওয়াদা বাকী আছে, কিন্তু সাহায্যের পদ্ধতিতে পরিবর্তন ঘটেছে আসহাবুল ফিলের ঘটনার পর।এরপর থেকেও মুসলমানদের জন্য আসমানী সাহায্য এসেছে,জালিমরা ধ্বংষ হয়েছে, কিন্তু ধরন-পদ্ধতিতে ভিন্নতা এসেছে।কওমে নূহ,কওমে লূত কিম্বা কওমে মূসা কে আল্লাহ যেভাবে প্রবল ঝড়,বৃষ্টি কিম্বা আওয়াজ দিয়ে জালিমদের ধংষ করার মাধ্যমে সাহায্য করেছেন সেভাবে আর উম্মতে মুহাম্মদী কে সাহায্য করা হবে না। অত্যাচার, অনাচার, অরাজকতা দেখে পূর্বেকার কওমের সত্যপন্থিরা শুধু আসমানের দিকে তাকিয়ে থাকতো আর আল্লাহর নুসরতের আশা করতো। ব্যস, আসমান থেকে সাহায্য চলে আসতো।জালিমদের নিশানা হতো ধুলিমনিন । এই উম্মাহর জন্য আল্লাহ তাআলা এই ধরনপদ্ধতিতে পরিবর্তন আনেন।আর এই পরিবর্তনের মূলকথা বলে দিয়েছেন কুরআনুল কারীমের এক আয়াতে কারীমায়-তোমরা যদি আল্লাহ(তাআলার দ্বীন)এর সাহায্য করো, তাহলে তিনি তোমাদের সাহায্য করবেন এবং তোমাদের কদম অবিচলিত রাখবেন [সুরা মুহাম্মদ:৭] এই আয়াতে এই উম্মাহর সাহায্য আসার ধরন বলে দিয়েছেন মহান আল্লাহ তাআ'লা। যার বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়ত পরবর্তী ঘটনাবলীতে। রাসুলুল্লাহ, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব।তাকে ইসলাম ধর্ম দিয়ে প্রেরণ করা হয়েছে দুনিয়ার বুকে।ইসলামের দাওয়াত দিয়ে ইসলাম কায়েম করবেন তিনি।ইসলামের বিজয়ের জন্য সর্বকালের মহামানবকেও আল্লাহর নতুন পদ্ধতির আওতায় কাজ করতে হয়েছে।মুশরিকরা বিরুদ্ধাচারণ, অত্যাচার,অরাজকতাসহ কতো অনৈতিক কাজ করেছিলো, জুলুম অত্যাচারে জর্জরিত করে দিয়েছিলো সাহাবাদের, ঠিক সে মুহূর্তে ই কিন্তু সাহায্য নেমে আসেনি।বরং রাসূল এবং সাহাবাদের ইস্পাত কঠিন ধৈর্যের সাথে শরীয়ত পালন, কষ্ট-মুজাহাদা,প্রস্তুতি, আশা ও ভয়ের চূড়ান্ত পর্যায়ে যখন বদর প্রান্তরে কাফেরদের সাথে মুখোমুখি হয়েছিলো, তখনি নেমে এসেছিলো খোদায়ী নুসরত।আসমানের ফেরেশতা এসে স্বয়ং কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলো।ঠিক এমনিভাবে উহুদ,খন্দক, খায়বার ও হুনাইনের গল্পোগুলো এমন৷ সাহাবারা নিজেদের সর্বস্ব বিলিয়ে মুশরিক, ইয়াহুদী,মুনাফিকদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে খোদার দ্বীন পৃথিবীর বুকে কায়েম করতে আমরণ চেষ্টা চালিয়েছেন।চিন্তা,মেধা,শ্রম,অর্থকড়ি, সন্তানসন্ততি সব কিছু আল্লাহ'র দ্বীনের তরে বিলিয়ে দিয়েছেন। এরপর আল্লাহ'র নুসরত এসেছে।এর আগে নয়।'কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়'এই রীতিতে এই উম্মাহর নুসরত হবে।আল্লাহর ফায়সালা এমনি। 'আমরা আবরাহার যুগে নই' এ বইয়ের মূল মেসেজ এটাই,যে আল্লাহর দ্বীনের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করে যথাযথ চেষ্টা সাধনার মাধ্যমে যখন দ্বীনের প্রতিষ্ঠা হবে ঠিক তখনি নেমে আসবে আল্লাহর নুসরত। লেখক এ বিষয়টি দেখানোর চেষ্টা করেছেন যে,মূমিনদের সাহায্য আল্লাহ তাআ'লা অবশ্যই করবেন।সত্যপন্থীদের সাথে আল্লাহ'র রহমতের কুদরতী হাত থাকবে কিয়ামত পর্যন্ত।তবে এর আগে মূমিনদের পক্ষ থেকে কিছু কাজ করতে হবে।নিজেদের তাঁর দ্বীনের নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে পেশ করতে হবে।তাঁর দ্বীন ইসলাম কায়েমের স্বার্থে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে। তারপরই তিনি সাহায্য করবেন।যা সম্পূর্ণ আবরাহা এবং তার পূ্র্বেকার জাতির বিপরীত পদ্ধতি ।সুতরাং আমাদের বুঝতে হবে আমরা আবরাহা আল আশরামের যুগে নই।বা তার পূর্বের যুগেও নই।বরং আমরা মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে।যেই যুগের সত্যপন্থীদের সাহায্য করার জন্য আল্লাহ তাআ'লা নির্ধারন করেছেন এক ভিন্ন পদ্ধতি। বইয়ের শেষের দিকে লেখক এমন দশটি চিন্তাচেতনার কথা উল্লেখ করেছেন যেগুলোর প্রতি মুসলিম উম্মাহ মুখাপেক্ষী। যেই চিন্তার বাস্তবায়নে মুসলিম উম্মাহ আজকের দুর্দশাগ্রস্ত ইতিহাস বদলাতে সক্ষম হবে।'ওয়া আনতুমুল আ'লাওনা' এর বাস্তবে প্রতিফলন ঘটাতে পারবে।সব ধরনের হীনম্মন্যতার বাধ ভেঙ্গে শির উচু করে শ্লোগান দিতে পারবে ' দ্বীন-ইসলাম জিন্দাবাদ '। প্রথম চিন্তা-ব্যাক্তি,সমাজ এবং শাসককেন্দ্রিক শরিয়ত বাস্তবায়ন।নিজ নিজ স্থান,পদবি থেকে যথাসাধ্য চেষ্টায় শরিয়ত বাস্তবায়ন করা। দ্বিতীয় চিন্তা-মুসলিম হিসেবে তৃপ্ত হওয়া এবং কখনো ধংষ হবেনা, এ বিশ্বাস লালন করা।হীনম্মন্যতা পরিহার করা। তৃতীয় চিন্তা-কাফেরদের পতনে নিশ্চিত বিশ্বাসী হওয়া।বাহ্যিকভাবে তারা যতোই সফল হোক ধংষ তাদের অনিবার্য। চতুর্থ চিন্তা-ঝগড়া বিবাধ ও মতানৈক্য পরিহার করা ইত্তিহাদ-ইত্তিফাকের রাস্তা অবলম্বন করা। পঞ্চম চিন্তা -নিজের কাজ নিজে করা।অন্যের সাহায্যের আশায় বুক বেধে বসে না থাকা। ষষ্ঠ চিন্তা- সপ্তম চিন্তা-সচেতনতা ও সদাজাগ্রত থাকা।অমুসলিমদের মিত্র বানিয়ে তাদের থেকে উদাসীন না হওয়া। অষ্টম চিন্তা-মুসলিম জাতিই বিশ্বের কর্ণধার হবে, এ বিশ্বাস রাখা। নিজেদের অক্ষম না ভাবা। এ ক্ষেত্রে সবজায়গায় ইসলামি পরিবেশ, অমুসলিমদের পণ্য বর্জন,শিক্ষা দিক্ষ,আত্মশুদ্ধি ইত্যাদি বিষয়ে লক্ষ রাখা নবম চিন্তা-নিজে চেষ্টা করা।সাধ্যমতো অন্যের উপর দায় না চাপিয়ে নিজে চেষ্টা করা।আমৃত্যু সাধনা করা। দশম চিন্তা-বিলম্বতা পরিহার করা।কোন কাজে অলসতা বা খামখেয়ালি না করা।দিনের কাজ দিনেই শেষ করার যথাসাধ্য চেষ্টা করা। এই হলো দশটি চিন্তার সারাংশ বর্ণনা।এতে মূমিনের খোরাক রয়েছে।এই চিন্তা লালন এবং পালনের মাধ্যমে দূর্দশার বেড়াজাল থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে,আকুণ্ঠ হতাশায় ডুবে থাকা উম্মাহ চেতনার প্রদীপ ফিরে পাবে।ইবনু কাসিম বা ইবনু যিয়াদদের পুনরাবৃত্তি ঘটার সম্ভাবনাও হবে প্রবল। এরপর সংক্ষিপ্ত কিছু আলেচনার মাধ্যমে বইটি সমাপ্ত হয়।বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যায়। কিন্তু আমাদের বোধ জাগিয়ে যায় খুব প্রখরভাবে।আমাদের কে নতুন করে ভাবতে বলে। পাঠক,আপনি বিসমিল্লাহ বলে বইটি খুলে বসুন।মনের মাধুরি মিশিয়ে পড়তে থাকুন।দেখবেন আপনি অনেক কিছু পেয়ে যাচ্ছেন।বিপর্যস্ত উম্মাহর করুণ কান্না শুনতে শুনতে কান ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া আপনি খুব তৃপ্তি বোধ করছেন।বইয়ের মূল মেসেজ বুঝে উঠতে পারলে মনের অজান্তেই আলহামদুলিল্লাহ বলে বলে লেখকের জন্য হৃদয় নিংড়ানো দোআ দিচ্ছেন।কারণ তিনি আপনাকে পথ বাতলে দিয়েছেন।আপনার, মুসলিম উম্মাহর বিপর্যয় থেকে উত্তরণের পথ,যা আপনিসহ হাজারো লাখো মুসলিম খুঁজে বেড়াচ্ছে। আপনাকে এই বই পড়ার অনুরোধ করছি,ঠকবেন না।ইন শা আল্লাহ।আসুন, আসমানওয়ালার কাছে আমল পাঠাই তবেই আসমানের অধিপতি আমাদের জন্য নুসরত পাঠাবেন।"

Abdullah Noman

Abdullah Noman , Oct 25, 2019

★ ★ ★ ★ ★

"ছোট্ট একটা বই।অথচ বইটি গুরুত্বের বিবেচনা করলে বলতে হবে বইটি একটি বড় বইয়ের চেয়েও বেশিকিছু।বইটিতে মূলত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের সাথে আল্লাহ কেমন আচরণ করবেন সেই কথাই বর্ণিত হয়েছে।আবরাহা যখন কাবা ঘর হামলা করার জন্য হস্তিবাহিনি নিয়ে আগমন করে তখন পথে আব্দুল মুত্তালিবের দুইশ উটও ছিনিয়ে নেয়।পরে আব্দুল মুত্তালিব তার সাথে সাক্ষাৎ করতে এলে সে তাকে জিজ্ঞেস করে তিনি কেন এসেছেন? তখন তিনি উত্তরে জানান তিনি উট নিতে এসেছেন।কারণ কাবা যার ঘর তিনিই এর রক্ষা করবেন।আর এমনিই ঘটেছে।কিন্তু রাসুলের জন্মের পর এখন আল্লাহর রীতি পরিবরতন ঘটেছে। যদি আমরা আল্লাহকে সাহায্য করি থেই তিনি আমাদের সাহায্য করবেন"

Suvrow Kabir

Suvrow Kabir , Oct 8, 2019

★ ★ ★ ★ ★

"আকারে ছোট বই। কি না কি আছে এই ভেবে বইটি না পড়লে ভুল করা হবে। 'আবরাহার যুগ' কথাটা এখানে রূপকার্থে ব্যবহার করা হয়েছে।আবরাহার ঘটনা আমাদের সবারই কম বেশি জানা। খেয়াল করলে দেখা যাবে, আবরাহার ঘটনার পর থেকে আসমান থেকে গায়েবী সাহায্য আসার ঘটনা আর হচ্ছে না। আরেকভাবে বলতে গেলে আসমান থেকে গায়েবী সাহায্য আসার ঘটনা আবরাহার ঘটনা দিয়েই শেষ হয়েছে। এরপর থেকে এই ধারা বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত নীতিতে মুমিনদের নিজেদেরকেই আত্মরক্ষা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে নিতে হয়। এর প্রমাণ বদর, ওহুদ, খন্দকের যুদ্ধ। সে হিসেবে আমরা আবরাহারর যুগে আর নেই। ঢুকে পড়েছি এক নতুন যুগে। নিজেদের সুরক্ষার ব্যবস্থা নিজেদেরকেই করতে হবে বর্তমান যুগে। এই যুগে মুমিনরা কিভাবে নিজেদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করবে সে ব্যাপারে চিন্তার খোরাক আছে। সারজানি স্যারের বইয়ের একটা বৈশিষ্ট্য হলো, এর থেকে আপনি চিন্তার নতুনত্ব পাবেন। তাঁর ভাবনাগুলো খুব সুন্দর, আধুনিক, গোছানো আর যুগোপযোগী।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
একটু পড়ে দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ জননী বুক ডিপো
(2)
TK. 7,050 -62% OFF
TK. 2,699
তাকরিরে তিরমিযী
একটু পড়ে দেখুন
তাকরিরে তিরমিযী মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
কোনো রেটিং নেই
TK. 300 -47% OFF
TK. 159
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
একটু পড়ে দেখুন
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই মাওলানা আনিসুর রহমান
কোনো রেটিং নেই
TK. 70 -40% OFF
TK. 42
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
(4)
TK. 200 -50% OFF
TK. 100
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
একটু পড়ে দেখুন
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ) حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
(3)
TK. 350 -30% OFF
TK. 245
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
একটু পড়ে দেখুন
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা) কওমী লাইব্রেরী
কোনো রেটিং নেই
TK. 100 -41% OFF
TK. 59
আরবী শব্দমালা
একটু পড়ে দেখুন
আরবী শব্দমালা কুতুবখানায়ে রশিদিয়া
(1)
TK. 80 -42% OFF
TK. 46
এসো আরবী শিখি বাংলা - প্রথম খন্ড
একটু পড়ে দেখুন
এসো আরবী শিখি বাংলা - প্রথম খন্ড মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
(2)
TK. 200 -41% OFF
TK. 119

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"আমরা আবরাহার যুগে নই" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
আমরা আবরাহার যুগে নই পাতা: 1 / 8
পাতা 2
আমরা আবরাহার যুগে নই পাতা: 2 / 8
পাতা 3
আমরা আবরাহার যুগে নই পাতা: 3 / 8
পাতা 4
আমরা আবরাহার যুগে নই পাতা: 4 / 8
পাতা 5
আমরা আবরাহার যুগে নই পাতা: 5 / 8
পাতা 6
আমরা আবরাহার যুগে নই পাতা: 6 / 8
পাতা 7
আমরা আবরাহার যুগে নই পাতা: 7 / 8
পাতা 8
আমরা আবরাহার যুগে নই পাতা: 8 / 8
পাতা / 8
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।