১ম প্রকাশ, ২০২৬
আবর্তন
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | আবর্তন |
| Author | বিনতে ফিরোজ |
| Publisher | নোঙর প্রকাশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 256 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.39 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
11 Ratings and 7 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৭টি
880****484 , Oct 3, 2026
"আবর্তন... উপন্যাসের শুরুতে বোঝার উপায় নেই এই খনিতে কী হীরা মণিমুক্তো গেঁথে রেখেছেন লেখিকা!কোনো গল্পের সবগুলো চরিত্রের আত্মোপলব্ধি, ব্যথাতুর হৃদয়,আর্তনাদ একইসাথে কিভাবে পাঠকের মনে উঠাল পাথাল ঢেউ তুলতে পারে? এই জাদুকরী উপায়ে নিশ্চয়ই লেখিকা সিদ্ধহস্ত! পুরোটা লেখাজুড়ে কখনো ব্যথিত হয়েছি,কখনো প্রফুল্লিত হয়েছি,কখনো ঘটনার বেড়াজালে হতবুদ্ধি হয়েছি,কখনো বা অনুভূতিগুলো ছুটে বেড়িয়েছে কোথায় গেলে চরিত্রের প্রতি ন্যায়সঙ্গত হওয়া যাবে।কখনো কেঁদেছি এমনভাবে যেনো লেখিকা আমাকেই আমার গল্প শোনালেন..যেনো আমার অন্তরটা একবার আফিয়াহ, একবার নায়েব,একবার নূরজাহান,একবার পারভীন,একবার আরাফাত আরেকবার তাহমিদ! জাহিদের অনুভূতিও শেষটায় নাড়া দেয়..এই হৃদয়গ্রাহী উপন্যাস নিয়ে কিভাবে বললে এর মর্মোদ্ধার সম্ভব আমার জানা নেই..উপন্যাস বলতেও যেনো দ্বিধা হয়!! এতে কোনো মেকি নেই; মনে হয় জগতের সবচেয়ে অপ্রিয় সত্যগুলো এর পাতায় পাতায় লিপিবদ্ধ করে গেছেন লেখিকা.. লেখিকার এই জাদুকরী মায়ায় জড়ানো রেশ কবে কাটবে জানিনা.. শেষটায় লেখিকার শুভকামনা ও বারাকার দোয়া..আল্লাহ্ আপনাকে এমন হৃদয়গ্রাহী রচনার মাধ্যমে পাঠকের মনে আজীবন বাঁচিয়ে রাখুন!"
880****987 , Sep 8, 2026
"#রিভিউ বই: আবর্তন লেখক: বিনতে ফিরোজ ◾নামকরণ ও প্রচ্ছদ- আবর্তন শব্দের অর্থ- বার বার একই বৃত্তে ফিরে আসা। মানুষ চাইলেই শেকড় উপড়ে ফেলতে পারে না। শেকড়ের গভীরে প্রোথিত থাকে এক অদৃশ্য টান, যা সময়ের ব্যবধানে, জীবনের নানা বাঁকে তাকে আবার নিজের শিকড়ের কাছেই ফিরিয়ে আনে। বইটাতে মানুষের জীবনও ঠিক এমনই, সময়ের পরিক্রমায় একই বৃত্তে ফিরে আসে যার ইন্ধন যুগিয়েছে আবাদি, আত্মনির্ভরশীলতা আর দায়িত্ববোধ। দৃষ্টিনন্দন প্রচ্ছদটা আবর্তনের প্রতিচ্ছবি। নকশিপুরের নকশিকাঁথা , আর জীবনের বাঁকে বাঁকে দাবার দানের মতোই মানুষের জীবনের পরিবর্তন- গল্পের অন্তর্নিহিত ভাব পুরোটাই ফুটে উঠেছে প্রচ্ছদে। বইটা শেষ করার পর প্রচ্ছদটা আরো বেশি অর্থবহ আর স্বার্থক লেগেছে। ◾পাঠ প্রতিক্রিয়া- অবসরের এক নিশ্চুপ সঙ্গী হিসেবে আবর্তনকে নির্দ্বিধায় প্রিয়র তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়। পড়তে গিয়ে কখন যে নকশিপুরের বাহারি নকশার ভীড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি টেরই পাই নি। বইটির পাতা উল্টাতে উল্টাতে গল্পের মানুষগুলো যেন আমার চেনা হয়ে উঠেছিল, নেয়ামতের নিঃস্বার্থ অবদান, গ্রামের মানুষদের নিয়ে তার পরিকল্পনা ভীষণ মুগ্ধ করেছে, আবার প্রজাপতির মতো চঞ্চল বকুলের কথা-কাজ আর বকুল, আরাফাতের ঝগড়া এতোওও মজার ছিলো। আফিয়া আর বকুলের মুহূর্ত গুলো ভীষণ ভীষণ ভীষণ সুন্দর।একটা সময় আফিয়ার জন্য ভীষণ কষ্ট লেগেছে। কৃতজ্ঞতার ঢেউয়ে যখন তাহমিদের একপাক্ষিক ভালোবাসার তরী ডুবতে বসেছিল তখন তাহমিদের জন্য আমার শুধু আফসোস হয়েছে। তাহমিদ চেয়েছিল সময় অথচ সময় তাকে সময় দিতেই যেন অনিচ্ছুক ছিলো। আর কয়েকটা পাতা তো ঝাঁপসা চোখে কীভাবে পড়েছি, বিস্ময়ে কতক্ষণ যে চুপ করে ছিলাম নিজেও জানি না। সবচেয়ে সন্তুষ্টির ছিলো সবাই যার যার কর্মফল ভোগ করেছে। গল্পটায় গ্রাম্য প্রকৃতি আর গ্রামীণ জীবনের বর্ণনা ছিলো মনোমুগ্ধকর। এক ঘরে পড়ে থাকা অসুস্থ জয়না দাদি যাকে দেখার মতো কেউ নেই, গোয়ালার অভাবী সংসার, বড় সিরাজ আর ছোট সিরাজ দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্ব, বিচারসভা, সহজ সরল গ্রামের মানুষদের বাছবিচার ছাড়াই স্রোতের টানে ছুটে চলা, বৃষ্টির দিনে আম কুড়ানো, মানুষের মানসিকতা মাধ্যমে লেখিকা বেশ দক্ষতার সাথের একটা গ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। আবর্তন কে খুব সাদামাটা গ্রামীণ প্লটের তালিকায় রাখা যায় না আবার খুব জাঁকজমকপূর্ণ রহস্যময় প্লট হিসেবেও আখ্যায়িত করা যায় না। গল্পের কাহিনি, চরিত্রদের অনন্য অবস্থান আর তাদের মনস্তাত্ত্বিক বিষয়গুলোই মূলত গল্পটাকে আলাদা করে তুলেছে। গল্পের আরেকটা উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো ক্ষমতার লোভ। ক্ষমতার গদি বড়ই লোভনীয় ব্যাপার। অথচ মানুষ ভুলে যায় লোভ জিনিসটা চিরকাল ধ্বংসই ডেকে এনেছে। নিশ্চিত ধ্বংস জেনেও মানুষ মোহে পড়ে এরপর শয়তান কে সঙ্গী বানিয়েই পাপে জড়িয়ে পড়ে। আর কিছু মানুষ তো নিজেই শয়তান হয়ে উঠে। সব মিলিয়ে গল্পটা পড়তে ভীষণ ভালো লেগেছে। ◾চরিত্র বিশ্লেষণ- ▪️নেয়ামত শিকদার- নেয়ামত শিকদার ছিলেন নকশিপুর গ্রামের অভিভাবক। যার হাতে ধরেই নজরপুর হয়েছে নকশিপুর, ম্যালেরিয়ার কবল থেকে বেঁচে যাওয়া প্রাণীগুলো আবার নতুন উদ্যমে জীবনযাত্রা শুরু করেছে।কঠিন সময়ে তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা চরিত্রটিকে আমার কাছে বিশেষভাবে শ্রদ্ধার করে তুলেছে। বাবা মা যেভাবে সন্তানকে আগলে রাখে তিনি গ্রামটাকে সেভাবেই আগলে রাখতে চেয়েছেন। তার দূরদর্শিতার ছায়ায় মানুষ নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্যি যেই গ্রামবাসীর জন্য তার এতো চিন্তা তারাই তার জন্য সামান্য একটা পদক্ষেপ পর্যন্ত নিতে পারে নি। এমন না তারা পারতো না, তারা এতোটাই অথর্ব আর সহজ সরল যে তাদের সেই সাহসটাই হয় নাই। কিংবা পেতে পেতে তারা এতোটাই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল যে বিনিময়ে কিছু দেওয়ার কথা তাদের মাথায় কখনো জায়গা পায় নি। ▪️মল্লিকা- প্রবাহমান শান্ত নদীর মতো একটা অসম্ভব সুন্দর চরিত্র মল্লিকা যে নেয়ামতের ক্লান্তিতে স্বস্তির স্থান। গল্পের শুরু থেকেই তার আচার আচরণ ছিলো নীরব কিন্তু সেই নীরবতারও যেন একটা উল্লেখযোগ্য অবদান আছে। ▪️বকুল- ছোট্ট বকুল আমার প্রিয় বকুল। আমার কাছে আবর্তনের প্রাণ বকুল। কাঁচা আম লোভী বকুলের ঝড়ে আম কুড়ানো, ফজরে সূর্য ওঠার আগ মুহূর্তে ছুটে ওজু করে নামাজে দাড়ানো, মিষ্টি মিষ্টি কথা, আরাফাতের সাথে ঝগড়া, প্রতিশোধস্পৃহা আর বুবুর প্রতি গভীর ভালোবাসা সবটাই শুভ্র বকুলের মতো মায়াময় সুবাস ছড়িয়েছে পুরো গল্প জুড়ে। বকুলকে পড়তে পড়তে মনে হয়েছে, কিছু চরিত্র গল্পের অংশ হয়েও গল্পের গণ্ডি ছাড়িয়ে পাঠকের মনের ভেতর আলাদা একটা জায়গা করে নেয়, বকুল ঠিক তেমনই একটি চরিত্র। ▪️আফিয়া শিকদার- আফিয়া খুব শান্তশিষ্ট আর কোমল মনের স্পষ্টভাষী মিষ্টি একটা চরিত্র। কিছু মানুষ থাকে না যারা আমাদের আশেপাশে থাকলে মনে সব ইতিবাচক ধারনা তৈরী হয় আফিয়া ঠিক তেমন। ওকে পড়লে, সব ঠিক হয়ে যাবে, কষ্টের পরেই স্বস্তি এরকম কিছু মনে হয়। আফিয়ার সহজ দেখতে জীবন যখন মোড় ঘুরে পরীক্ষার সম্মুখীন হলো তখন ভীষণ কষ্ট পেয়েছি। তবে একটা ধাক্কা প্রয়োজন ছিলো। নয়তো যাদের নিয়ে সে স্বপ্ন দেখেছে তাদের আসল রূপটা দেখতো কীভাবে। ▪️তাহমিদ- নেয়ামতের আদর্শে বেড়ে উঠা বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের দায়িত্ববোধ সম্পন্ন একটা চরিত্র। জটিল কোনো কাজে নেয়ামতের তাহমিদের সরাণাপন্ন হওয়া এরপর মামার মুখের কথা কাজে পরিণত করার জন্য তাহমিদের আপ্রাণ চেষ্টা, মামার প্রতি কৃতজ্ঞতা বোধ আমায় ভীষণ মুগ্ধ করেছে। মা- বোনের প্রতি তার যত্নটাও সুন্দর ছিলো। ▪️আরাফাত শিকদার- চঞ্চল দুষ্টু এক যুবক। আয়েশি জীবনযাপনের অভ্যস্ততা সম্ভবত তাকে বড়লোক বাপের বিগড়ে যাওয়া সন্তান হওয়ার পথে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর ছিলো। অন্তরের রঙিন চশমা খুলে নিয়ে যখন আরাফাতের হাতে দা কাস্তে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল শাস্তিস্বরূপ, নেয়ামত মূলত তখনই ছেলের অন্তরে আত্মনির্ভরশীলতা নামক বীজ বপন করে দিয়েছেন। বাবার শাস্তির আড়ালে থাকা ভালোবাসাটা অভিমানী আরাফাত কতটুকুই বা বুঝতে পেরেছিল! ▪️নূরজাহান-পারভীন- বৃদ্ধা নূরজাহান খুব সুন্দর চরিত্র। নাতি নাতনিদের প্রতি তার ধমকাকমকি, স্নেহ আর আফিয়ার পড়ানোর সময় লাঠি হাতে বসে থাকা, নাতনির জন্য গর্ব এগুলো ভীষণ ভালো লেগেছে। পারভীন ছিলো সাধারণ গ্রাম্য বধূর এক রূপ। সে খারাপ ছিলো এমন নয় শুধু নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ছিলো। নেয়ামত মল্লিকার প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল ছিলো। তাকে পড়তে খারাপ লাগে নি। ▪️আয়েশা-তাহমিনা- এই চরিত্রদুটোও খুব সুন্দর ছিলো। ▪️আরমান- উড়ে এসে জুড়ে বসা একটা পাখি যেন। নিরামিষ তাহমিদের এরকম মিষ্টি, চঞ্চল বন্ধু হলো কীভাবে এটাই আমার কাছে এক বিষ্ময়ের ব্যাপার। সেই বিষ্ময়কে আরো কয়েকধাপ বাড়িয়ে দিতে তার কাজগুলো যথেষ্ট ছিলো। একদম ভোজবাজির মতোই মজার ছলে করা কাজ একটা মেয়ের কন্ঠকাকীর্ণ জীবনকে সহজ করে দিয়েছিল। ▪️জাহিদ- গোবরে ডুবে থাকা ব্যাপারী বাড়ির এক পদ্মফুল। বাপের রক্ত পেলেও সে যে বাপের ঐতিহাসিক গুণাবলী গুলো পায় নি এটাই সবচেয়ে আনন্দের বিষয়। জাহিদ আমার কাছে অপেক্ষা আর গুটিকয়েক দীর্ঘশ্বাস। ▪️জাকির- একে নিয়ে আর কি বলবো। মাকাল ফল বলেই তার পরিচয় পর্ব শেষ করলাম। ▪️নায়েব শিকদার- আচার আচরণে স্বাভাবিক মানুষের মতো হলেও ওকে আমি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিশেষণে বিশেষায়িত করেছি। যে লোকের কাছে রক্তের চেয়েও পানের পিকের মূল্য বেশি তাকে আর কিই বা বলা যায়। প্রথম দিকে নায়েবকে আমার ভাই অন্তপ্রাণ নিষ্পাপ ছোট্ট বালকটিই মনে হয়েছে। শেষে মনে হয়েছে বোকা মানুষ সত্যিই বিপদজনক। তার বোকামির ফল সে পেয়েছে এবং এতো দ্রুত পেয়েছে যে ধক্কাটাই সামলাতে পারেনি। ▪️মনসুর ব্যাপারী- মানুষের জীবনের একটা চরম ব্যর্থতা হলো মানুষ হতে না পারা। ক্ষমতার লড়াইয়ে ক্ষণিকের জন্য জিতে গেলেও মনসুর ব্যাপারী মানুষ হতে না পারার ব্যর্থতা নিয়েই একটা জীবন পার করে দিলেন। তার অকল্পনীয় পদক্ষেপ বদলে দিয়েছিল গোটা গ্রামের নকশা। ▪️আনসার ব্যাপারী- জঘন্য খারাপ হলেও এটাকে আমার একটা বিশেষ কারনে অল্প একটু পছন্দ। ব্যাপারীকে যেই ঘোলটা খাইয়েছে না একদম ব্যাপারীর পুরনো খেলা নতুন ভাবে খেলে দিয়েছে। যদিও চাপে পরে। সবগুলো চরিত্রই গল্পটিকে পূর্ণতা দান করেছে নিজ নিজ অবস্থানে অনন্য হয়ে। কেউ গল্পে এনেছে অভিভাবকের ছায়া, কেউ মায়া ও কোমলতার সুবাস, কেউ দায়িত্ববোধের দৃঢ়তা, আবার কেউ নিজের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে গল্পকে দিয়েছে অপ্রত্যাশিত মোড়। তাদের ভালো-মন্দ, ভুল-ত্রুটি, আবেগ ও কর্মকাণ্ড মিলেই গল্পটি পাঠযোগ্য হয়ে উঠেছে। প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থানে অনন্য। ◾লেখনশৈলী- বিনতে ফিরোজ আপুর বই, আগ্রহটা আমার এখানেই বেশি ছিলো। তার লেখনশৈলীর সাথে পরিচিতি থাকার কারণে কিছুটা নিশ্চিন্ত তো ছিলামই বটে। প্রথম বই হিসেবে দারুণ লিখেছেন। প্রতিটা ঘটনা খুব সুন্দর করে সাজিয়ে লিখেছেন। আশাকরি পরবর্তী বই গুলোও এরকম নিশ্চিত মনে সংগ্রহ করা যাবে আর পড়ার পর দীর্ঘ একটা আবেশে বুদ হয়ে থাকতে পারবো। ◾প্রোডাকশন- প্রোডাকশন নিয়ে যেই কথাটা না বললেই নয় সেটা হলো পেইজ সেটাপ। বর্তমানে বেশিরভাগ বইতেই দেখা যায় এক পর্ব শেষ হওয়ার পর সেই পেইজে অনেক জায়গা ফাঁকা থাকলে পরের পর্ব আরেক পেইজে শুরু করে। আমার মনে হয় এতে করে শুধু বাড়তি পেইজই লাগে আর কিছু না। তবে আবর্তনের ক্ষেত্রে এটা ছিলো না। একটা পর্ব শেষ হওয়ার পর পরের পর্ব নাম্বার নিয়ে সেখানেই শুরু হয়েছে। দেখতে বা পড়তে একদমই খারাপ লাগে নি। তাছাড়া পেইজ কোয়ালিটিও ভালোই ছিলো। বইয়ের বাধাই বেশ মজবুত। সব মিলিয়ে প্রডোকাশন নিয়ে অভিযোগ করার তেমন কোনো কারণ নেই। তবে কিছু টাইপিং মিস্টেক ছিলো। কিছু শব্দে অক্ষরের পর কার/ফলা চিহ্ন এসেছে। ভুলত্রুটি কীভাবে ধরে আমি জানি না। আমার পড়তে ভালো লেগেছে, পড়ে ভালো লেগেছে তাই আমার অনুভূতি ইতিবাচক। ব্যক্তিভেদে পছন্দের পার্থক্য আছে। তাই আমার অনুভূতি দেখে বইটা পছন্দ করার আগে নিজের পছন্দ যাচাই করে নিবেন। ▪️বই পরিচিতি প্রকাশনী: নোঙর প্রকাশনী জনরা : সমকালীন উপন্যাস পৃষ্ঠা: ২৫৬ কাভার : হার্ডকাভার মুদ্রিত মূল্য: ৫৬০ টাকা"
Saima , Sep 3, 2026
"#রিভিউ বই- আবর্তন লেখক- বিনতে ফিরোজ বাংলাদেশের এক প্রত্যন্ত অঞ্চল, কালের বিবর্তনে নজরপুর এরপর নকশিপুর নামে পরিচিতি পাওয়া এই গ্রামের একুশ শতকের খণ্ডচিত্র উঠে এসেছে 'আবর্তন' এ। নকশিপুর যখন গ্রামের নাম তখন কিছুটা আন্দাজ করা যায় এখানে খুব নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে নকশীকাঁথা এর বীজ। এই গল্প নকশিপুরের, এই গল্প নেয়ামত শিকদারের, আফিয়ার। আর এই গল্প অনেকটা বকুলের, এক সুগন্ধী ফুলের। নকশিপুর আর নেয়ামত শিকদারের গল্পটা ভিন্ন কিছু না, নকশিপুর মানেই নেয়ামত শিকদার। তবে নেয়ামত হারিয়ে গেলে কি নকশিপুরের অস্তিত্বও বিলীন হয়ে যাবে? চরিত্র বিবরণ -------------------------------- নেয়ামত শিকদার, একজন অভিভাবক। বাবা হিসেবে, চাচা হিসেবে, ভাই হিসেবে, গ্রামের একজন হিসেবে সবদিক থেকে যেই মানুষটা অভিভাবক এর দায়িত্ব পালন করেছেন। এক বিশাল বটগাছ। যার ছায়াতলে নায়েব থেকে শুরু করে আফিয়া, বকুল, আরাফাত, তাহমিদ সহ পুরো গ্রাম জায়গা পেয়েছিলো।ন্যায় অন্যায়ের ফারাক যিনি দৃঢ় হাতেই করেছেন বরাবর। তবে মানুষটা সব উজার করেও ঠকে গিয়েছিলো তার আপন মানুষের কাছেই। এর চেয়ে বড় দুঃখ আর হয়? মল্লিকা বেগম, পুরো উপন্যাস জুড়ে খুবই নিভৃতে বিচরণ করে গিয়েছেন। শান্ত -শক্ত একটি অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। এই মানুষটি নেয়ামত শিকদারকে ক্রমাগত ছায়া দিয়ে গেছেন। কোনো আড়ম্বর নেই, সহজ সাবলীল তবে খুব শক্তিশালী একটি চরিত্র। আফিয়া চরিত্রটা চমৎকার। শান্তশিষ্ট, নরম, বিচক্ষণ একটা মেয়ে। আফিয়ার ভরসার জায়গা নেয়ামত- মল্লিকা। নরম আফিয়া একসময় ভেঙেছে। তারপর উঠতে পেরেছে বাবা মায়ের ভরসায়। তার নীতি নৈতিকতা, ধর্মজ্ঞান গ্রামের সাধারণ নারীদের থেকে তাকে আলাদা করেছিলো। বকুল, আমার ছোট্ট ফুল। বুবু বুবু করে বেড়ানো চঞ্চল বকুল। পুরো উপন্যাসজুড়ে বকুল ছিলো সবচেয়ে প্রাণবন্ত পাখি। আমার অন্যতম প্রিয় চরিত্র বকুল। আরাফাত বকুলের সবসময়ের দ্বন্দ্ব গুলো উপন্যাসের অন্যরকম প্রাণ। নেয়ামত শিকদার খুব ভালোভাবেই আরাফাত শিকদার আর আফিয়া শিকদারের মাঝে নিজেকে বুনে রেখে গিয়েছেন। তাহমিদ? তাকে নিয়ে তেমন কিছু বলার নেই। সে চমৎকার চরিত্র। কিছুটা ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগা মানুষ। তবে অসাধারণ একজন পুরুষ। অবশ্য নেয়ামত এর সাহচর্য যে পেয়েছে সেই তো চমৎকার মানুষ হয়েছে। তবে একজন বাদে, সে অবশ্য তার অন্যায়ের শাস্তি ঠিকমতোই পেয়েছে। অনুশোচনাবোধ তাকে ভালো থাকতে দেয় নি। এছাড়া আয়েশা, তাহমিনা, ব্যাপারী বাড়ির লোকজন তাদের কথা তো থাকলোই, পুরো উপন্যাস জুড়ে, এভাবে- সেভাবে। ওহ জাহিদ? ব্যাপারী বাড়ির সেই ছোট ছেলে। যে বাড়ির সবার বিপরীত বৈশিষ্ট্যের ছিলো। -------------------------------- গ্রাম্য রাজনীতি, হিংসা- বিদ্বেষ, সমাজের নানা ধরনের মানুষের মধ্যে টানাপোড়েন, পারিবারিক বন্ধন কিংবা পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন সবকিছু অনেক সুন্দর ভাবে উঠে এসেছে। বইটা পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিলো যেনো আমি নকশিপুর গ্রামের সাথে মিশে গিয়েছি। নকশীকাঁথা নকশিপুরের মানুষের জীবনকে সহজ করেছিলো। সেই সহজ সাধারণ জীবন এলোমেলো হয়েছে প্রলয়ের কবলে পরে। তবে প্রজন্মের আবর্তনে আবার ফিরে পেয়েছিলো সেই স্বাভাবিক জীবন। এই তো আবর্তন। ভাঙা, গড়ার আবর্তন। আবর্তন আমাকে তৃপ্ত করেছে, লেখিকার লেখনী, কাহিনী বিন্যাস, জীবনবোধ শব্দচয়ন সবটাই আমার কাছে পরিপূর্ণ মনে হয়েছে। সবমিলিয়ে চমৎকার সময় কেটেছে আবর্তন এর সাথে।"
Tasnim jannat Jc , Sep 2, 2026
"আমার কাছে একটা বইয়ের সার্থকতা হলো বইটা পাঠকের জীবনে ফিল্টারের মতো কাজ করতে পারে কিনা..তার খারাপ অংশটা ভালো অংশ থেকে আলাদা করে দেখিয়ে দিতে পারে কিনা..যাকে বলা হয় আত্মউপলব্ধি..... আমাকে আবর্তন ফিল্টার করে দেখিয়েছে,, উপন্যাসের রস হলো মস্তিষ্কে আলোড়ন তৈরি করে ঘটনার টান অনুভব করানো। তার সাথে চোখের সামনে ঘটছে সব, এমন বোধ করানো আবর্তনের বর্ণনাই তা অনুভব করেছি..বকুল ক্যারেক্টারটা লেখকের উপন্যাসের শ্রেষ্ঠ অলংকার... ভাষা অসম্ভব সাবলীল...তবে কিছু অপ্রাসঙ্গিকতা লক্ষ্য করেছি... সামাজিক উপন্যাস অনুযায়ী আঞ্চলিকতার প্রভাব আরো স্পষ্ট হওয়ার প্রয়োজন বোধ করেছি.... ভাবের গভীরতা অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ছিলো যে কাউকে প্রভাবিত করবে.... ক্যারেক্টার সৃষ্টিতে কিছুটা পক্ষপাতিত্বের ছাপ আছে যা বাস্তবিকতা প্রকাশে বাধা দিচ্ছিল... আমার কাছে এটা একটা পরিচ্ছন্ন উপন্যাস যা পাঠকের সুপ্ত মানবিকতা জাগিয়ে তুলতে প্রভাব ফেলবে।"
Sabiha Afrin Mowly , Aug 28, 2026
"বইটা মাত্র পড়ে শেষ করলাম। স্কুল লাইফ থেকেই তোমাকে দেখে প্রথমেই মাথায় যা আসতো তা হলো multi talented person. তবে এতোদিনে যে তুমি লেখালেখিতেও পটু হয়ে যাবে এটা আমার জন্য আসলে beyond imagination. বইটা পড়তে পড়তে নিজেকে যেন সামলে রাখতে পারিনি, কিছু ক্ষেত্রে নিজের অজান্তেই অশ্রুসিক্ত হয়ে গেলো। আসলে কিভাবে প্রশংসা করবো, আমি যে শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না। এতো বেশী সুন্দর লিখেছো মাশা আল্লাহ, এতোটাই মনোমুগ্ধকর! যেন নিজের সবটুকু আবেগ ঢেলে দিয়ে লেখা। আল্লাহ তোমাকে অনেক বারাকাহ দিন, আমিন। অনেক অনেক দোয়া থাকবে তোমার জন্য। ফি আমানিল্লাহ♥️"
Binte Rashed , Aug 21, 2026
"**বুক রিভিউ** **আবর্তন** **বিনতে ফিরোজ** আসসালামু আলাইকুম । চমৎকার এই বইয়ের রিভিউ ঠিক কীভাবে লিখবো আমি বুঝতে পারছি না। মনে হচ্ছে যাই বলি তাই কম হয়ে যাবে "আবর্তন" এর চমৎকারিত্ব প্রকাশ করতে। এক কথায় লেখিকা আপুর স্টোরিটেলিং অসাধারণ। আই স্যালুট হার । তিনি বইটিতে মানুষের আবেগ, অনুভূতি, রাগ, দুঃখ-কষ্ট, হাসি-কান্না এমনভাবে বর্ণনা করেছেন যে আমার নিজেরই মনে হচ্ছিল আমি নকশিপুরের একজন বাসিন্দা। আমি এই বইয়ের ঘোর থেকেই বের হতে পারছি না। বইটি একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বাংলাদেশের খুবই সাধারণ গ্রাম নকশিপুরের ছবি নিয়ে অঙ্কিত হয়েছে। নেয়ামত, আফিয়া, তাহমিদ,বকুল এরা শুধু একেকটা চরিত্র নয়। মনে হয় এইতো আমার আশেপাশেই তারা আছে। নেয়ামত শিকদার তাকে নিয়ে যাই বলবো তাই কম মনে হবে। পুরো বইয়ে আমার খুবই পছন্দের একজন হচ্ছেন তিনি।আর আফিয়া সেও ঠিক তার বাবার মতোই । মহান আল্লাহ তায়ালা যা করেন তাতে যে তার বান্দার মঙ্গল নিহিত থাকে আফিয়া তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এরপর তাহমিদ, আরাফাত, মল্লিকা, নায়েব , পারভীন, জাহিদ প্রত্যেকেই তাদের নিজ নিজ স্থানে থেকে বইয়ের সৌন্দর্য্য বর্ধন করেছে। বিশেষ করে বকুলকে আমি কখনোই ভুলতে পারবো না। মনে হয়েছে ওকে যদি নিজের কাছে এনে রাখতে পারতাম তাহলে কতই না ভালো হতো। কিছু সম্পর্ক থাকে একদম মনে দাগ কাটার মতো আফিয়া আর বকুল এর সম্পর্কও ঠিক তেমন । ওরা তো আমাকে শেষমেষ কাঁদিয়েই ছেড়েছে। লেখিকা আপু ভাই বোনের মধ্যকার সম্পর্ক খুবই সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন বইটিতে।এটা শেষ করতে আমার অনেক কষ্ট লেগেছে যা ভাষায় প্রকাশ করার মত না। সবশেষে বলবো জীবনের অনিবার্য ঘূর্ণাবর্তে মানুষ কীভাবে ভাঙে, গড়ে,হারায়, আবার নতুন করে খুঁজে পায় নিজেকে _ তারই এক হৃদয়স্পর্শী উপাখ্যান ছড়িয়ে আছে আবর্তন এর পাতায় পাতায়। যারা গ্রামীণ প্লটের বই পড়তে পছন্দ করেন তাদের জন্য এটা বেস্ট একটা বই। পারসোনাল রেটিং: ♥️/♥️ [বি.দ্র: ভালোবাসার গল্প তো সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না] আল্লাহ হাফেজ।"
8801813997966 , Aug 11, 2026
"আবর্তন | বিনতে ফিরোজ 🌿 কিছু বইয়ের শুরু হয় কয়েকটি পৃষ্ঠা দিয়ে, আর শেষ হয় একটি দীর্ঘশ্বাসে। ‘আবর্তন’ও তেমনই— প্রথমে একটু অপরিচিত, একটু কঠিন, তারপর ধীরে ধীরে এমন এক মায়ায় জড়িয়ে নিল, যেখান থেকে বেরিয়ে আসার কথা মনে থাকল না। আমি তো শুধু রাতে ঘুমানোর আগে “একটু পড়ি” ভেবেছিলাম। জানি না সেই ‘একটু’ কখন রাত বারোটায় গিয়ে থামল, আর রাত বারোটার পরও কেন ঘুম এলো না— বইয়ের শেষ পৃষ্ঠাটা উল্টে দেখি, ঘড়ির কাঁটা তখন দুইটা! 😩 তারপর মনে হলো— একটা বই এত সুন্দর হয় কী করে? প্রতিটা শব্দ যেন আমাকে ডাকছিল, প্রতিটা লাইন যেন আঙুল ধরে আরও একটু ভেতরে নিয়ে যাচ্ছিল। হাসি ছিল, কান্না ছিল, ভালোবাসা ছিল, অভিমান ছিল, সম্পর্কের টানাপোড়েন ছিল, ছিল পরিবারের উষ্ণতা আর ভাঙনের শব্দও। একসময় বুঝতেই পারিনি— আমি আর বই পড়ছি না, আমি যেন নকশীপুরেরই একজন হয়ে গেছি। বাবু, বকুল, আফিয়া বুবু, তাহমিদ ভাই, আরাফাত,মিনাবু— এরা কেউ আর গল্পের চরিত্র ছিল না তখন। এরা হয়ে গিয়েছিল আমার আপন মানুষ, আমার আত্মার আত্মীয়। বোধহয় কিছু গল্পের এটাই সবচেয়ে বড় জাদু— তারা কাল্পনিক মানুষদেরও আমাদের বাস্তব জীবনের চেনা মানুষ করে দেয়। ‘আবর্তন’ যেন একটা মানুষের জীবনকে একটি দীর্ঘ ঋতুচক্রে বেঁধে দিয়েছে। শুরুটা ছিল সুখের বসন্ত— নরম, সুন্দর, মায়াময়। 🌸 তারপর হঠাৎ শীতের হালকা রুক্ষতা— আফিয়া বুবুর কষ্ট এসে গল্পের উষ্ণতাটুকু একটু কমিয়ে দিল। তারপর আবার— মিষ্টি বসন্তের হালকা ছোঁয়া। মনে হলো, সব কষ্ট বুঝি পেরিয়ে এসেছি, সবকিছু বুঝি আবার সুন্দর হবে। কিন্তু জীবন তো গল্পের মতো সহজ নয়! সবশেষে কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই এক কালবৈশাখী এসে সবকিছু লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে গেল। রেখে গেল— একটি নির্মম বিচ্ছেদ, কিছু না-বলা কথা, আর বুকের ভেতর জমে থাকা একরাশ শূন্যতা। 💔 আর বকুল…❤️🩹 বকুলের কাছে এসে আমার চোখের পানি আর বাধ মানেনি। মনে হচ্ছিল, আমারই ছোটবেলার কোনো সখী তার আপন পিতার নির্বুদ্ধিতা আর ভালোবাসার ভুল সিদ্ধান্তের কাছে হারিয়ে গেল। কী অদ্ভুত! একজন কাল্পনিক মানুষের জন্যও কখনো কখনো এতটা কাঁদা যায়! হয়তো কারণ, কিছু চরিত্র কাগজে জন্ম নিলেও তাদের কষ্টগুলো খুব সত্যি হয়। তাই বইটা শেষ করার পরও মনে হলো না যে গল্পটা শেষ হয়েছে। শুধু একটা বই বন্ধ করেছি, গল্পটা নয়। কিছু চরিত্র তখনও মনে ঘুরছে, কিছু দৃশ্য চোখের সামনে, কিছু কথা কানে বাজছে, আর কিছু অনুভূতি চুপচাপ বুকের কোথাও বসে আছে। প্রিয় বিনতে ফিরোজ আপু, আপনার ‘আবর্তন’ আমার কাছে শুধু একটি উপন্যাস নয়। এটা ছিল কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার গল্প, তাদের আপন করে নেওয়ার গল্প, তাদের সুখে হাসার, তাদের দুঃখে কাঁদার গল্প— আর শেষে তাদের ছেড়ে এসে নিজের ভেতরেই একটু শূন্য হয়ে যাওয়ার গল্প। কিছু বই পড়া হয়, কিছু বই ভালো লাগে, আর কিছু বই— শেষ হয়ে যাওয়ার পরও আমাদের ভেতরে আবর্তিত হতে থাকে। ‘আবর্তন’ আমার কাছে ঠিক তেমনই একটি গল্প। 🌙🤍 রেটিং ১০০/১০"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"আবর্তন" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: